মৃত্যু ছাড়াল ১৯ হাজার শনাক্ত সাড়ে ১১ লাখ
jugantor
২৪ ঘণ্টায় চিহ্নিত ৬৭৮০ প্রাণ গেছে ১৯৫
মৃত্যু ছাড়াল ১৯ হাজার শনাক্ত সাড়ে ১১ লাখ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না করোনা পরিস্থিতি। ২৪ ঘণ্টায় দেশে ফের বেড়েছে মৃত্যু, সংক্রমণ এবং শনাক্তের হার। এ সময় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে আরও ১৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিন মারা গেছে ১৬৬ জন। সবমিলিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯০৪৬। একদিনে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৭৮০ জন। শুক্রবার শনাক্ত হয়েছিল ৬৩৬৪ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৪। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩২ দশমকি ৫৫ শতাংশ। যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। আগের দিন এ হার ছিল ৩১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

সরকারি হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৭২৩ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৩৯ জন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে কমেছে মৃত্যু, নমুনা পরীক্ষা ও শনাক্ত। এক সপ্তাহে করোনায় আরও ১৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়। আগের সপ্তাহে মারা যায় ১৪৮০ জন। এ সময়ে মৃত্যু কমেছে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহের তুলনায় নমুনা পরীক্ষা কমেছে ২৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। বিপরীতে শনাক্ত কমেছে ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে সুস্থতার হার বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় গত বছর ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। প্রথম মৃত্যুর আড়াই মাস পর গত বছরের ১০ জুন মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছিল। এরপর ৫ জুলাই ২ হাজার, ২৮ জুলাই ৩ হাজার, ২৫ আগস্ট ৪ হাজার, ২২ সেপ্টেম্বর ৫ হাজার ছাড়ায় মৃতের সংখ্যা। এরপর কমে আসে মৃত্যু। ৪ নভেম্বর ৬ হাজার, ১২ ডিসেম্বর ৭ হাজারের ঘর ছাড়ায় মৃতের সংখ্যা। এ বছরের ২৩ জানুয়ারি ৮ হাজার এবং ৩১ মার্চ মোট মৃতের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছিল। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু ও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে থাকে মৃত্যু ও শনাক্ত। ১৫ এপ্রিল মোট মৃত্যু ছাড়ায় ১০ হাজার। এরপর মাত্র ১০ দিনে আরও এক হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয় করোনা। ২৫ এপ্রিল ১১ হাজার ছাড়ায় মৃত্যু। এর ১৬ দিন পর ১১ মে মৃত্যু ছাড়ায় ১২ হাজার। পরবর্তী এক হাজার মানুষের প্রাণ কাড়তে কিছুটা সময় নেয় করোনা। ১১ জুন ১৩ হাজার ছাড়ায় মৃত্যু। দেশে মৃত্যু ১৪ হাজার ছাড়ায় ২৬ জুন। ৪ জুলাই মৃত্যু ছাড়ায় ১৫ হাজার। এরপর মাত্র পাঁচ দিনে আরও এক হাজার মানুষ মারা যায় এ মহামারিতে। ৯ জুলাই মৃত্যু ছাড়ায় ১৬ হাজার। করোনায় মৃত্যু ১৭ হাজার ছাড়ায় ১৪ জুলাই। এরপর পাঁচ দিনে আরও এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ১৯ জুলাই মৃত্যু ছাড়ায় ১৮ হাজার। ২৪ জুলাই শনিবার করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৯ হাজার।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৩৯টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩০টি, জিন এক্সপার্ট ৫২টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৫৭টি। এসব ল্যাবে ২০ হাজার ৫৩৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২০ হাজার ৮২৭টি। দেশে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৪ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৬৯ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১০৩ ও নারী ৯২ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৫৯ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৩১ জন ও বাড়িতে পাঁচজন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৬, রাজশাহী বিভাগে ১৮, খুলনা বিভাগে ৪১, বরিশাল বিভাগে পাঁচজন, সিলেট বিভাগে একজন, রংপুর বিভাগে ১৬ ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ জন আছেন।

তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, শত বছরের ঊর্ধ্বে একজন, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে দুজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৬, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুজন এবং ১০ বছরের নিচে রয়েছেন একজন।

২৪ ঘণ্টায় চিহ্নিত ৬৭৮০ প্রাণ গেছে ১৯৫

মৃত্যু ছাড়াল ১৯ হাজার শনাক্ত সাড়ে ১১ লাখ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না করোনা পরিস্থিতি। ২৪ ঘণ্টায় দেশে ফের বেড়েছে মৃত্যু, সংক্রমণ এবং শনাক্তের হার। এ সময় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে আরও ১৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আগের দিন মারা গেছে ১৬৬ জন। সবমিলিয়ে দেশে করোনায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯০৪৬। একদিনে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৬৭৮০ জন। শুক্রবার শনাক্ত হয়েছিল ৬৩৬৪ জন। এ নিয়ে দেশে করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ৫৩ হাজার ৩৪৪। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩২ দশমকি ৫৫ শতাংশ। যা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ। আগের দিন এ হার ছিল ৩১ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।

সরকারি হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৯ হাজার ৭২৩ জন। এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ৯ লাখ ৮৮ হাজার ৩৩৯ জন। শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে কমেছে মৃত্যু, নমুনা পরীক্ষা ও শনাক্ত। এক সপ্তাহে করোনায় আরও ১৩৭৭ জনের মৃত্যু হয়। আগের সপ্তাহে মারা যায় ১৪৮০ জন। এ সময়ে মৃত্যু কমেছে ৬ দশমিক ৯৬ শতাংশ। আগের সপ্তাহের তুলনায় নমুনা পরীক্ষা কমেছে ২৮ দশমিক ৯৪ শতাংশ। বিপরীতে শনাক্ত কমেছে ২৬ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আগের সপ্তাহের তুলনায় গত সপ্তাহে সুস্থতার হার বেড়েছে ১৮ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয় গত বছর ৮ মার্চ। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। প্রথম মৃত্যুর আড়াই মাস পর গত বছরের ১০ জুন মৃতের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছিল। এরপর ৫ জুলাই ২ হাজার, ২৮ জুলাই ৩ হাজার, ২৫ আগস্ট ৪ হাজার, ২২ সেপ্টেম্বর ৫ হাজার ছাড়ায় মৃতের সংখ্যা। এরপর কমে আসে মৃত্যু। ৪ নভেম্বর ৬ হাজার, ১২ ডিসেম্বর ৭ হাজারের ঘর ছাড়ায় মৃতের সংখ্যা। এ বছরের ২৩ জানুয়ারি ৮ হাজার এবং ৩১ মার্চ মোট মৃতের সংখ্যা ৯ হাজার ছাড়িয়েছিল। সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ শুরু ও ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ায় দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে থাকে মৃত্যু ও শনাক্ত। ১৫ এপ্রিল মোট মৃত্যু ছাড়ায় ১০ হাজার। এরপর মাত্র ১০ দিনে আরও এক হাজার মানুষের প্রাণ কেড়ে নেয় করোনা। ২৫ এপ্রিল ১১ হাজার ছাড়ায় মৃত্যু। এর ১৬ দিন পর ১১ মে মৃত্যু ছাড়ায় ১২ হাজার। পরবর্তী এক হাজার মানুষের প্রাণ কাড়তে কিছুটা সময় নেয় করোনা। ১১ জুন ১৩ হাজার ছাড়ায় মৃত্যু। দেশে মৃত্যু ১৪ হাজার ছাড়ায় ২৬ জুন। ৪ জুলাই মৃত্যু ছাড়ায় ১৫ হাজার। এরপর মাত্র পাঁচ দিনে আরও এক হাজার মানুষ মারা যায় এ মহামারিতে। ৯ জুলাই মৃত্যু ছাড়ায় ১৬ হাজার। করোনায় মৃত্যু ১৭ হাজার ছাড়ায় ১৪ জুলাই। এরপর পাঁচ দিনে আরও এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়। ১৯ জুলাই মৃত্যু ছাড়ায় ১৮ হাজার। ২৪ জুলাই শনিবার করোনায় মৃত্যু ছাড়াল ১৯ হাজার।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৩৯টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩০টি, জিন এক্সপার্ট ৫২টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৫৭টি। এসব ল্যাবে ২০ হাজার ৫৩৬টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ২০ হাজার ৮২৭টি। দেশে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৪ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৫ দশমিক ৫৫ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৬৯ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১০৩ ও নারী ৯২ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৫৯ জন, বেসরকারি হাসপাতালে ৩১ জন ও বাড়িতে পাঁচজন মারা গেছেন। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬৮ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩৬, রাজশাহী বিভাগে ১৮, খুলনা বিভাগে ৪১, বরিশাল বিভাগে পাঁচজন, সিলেট বিভাগে একজন, রংপুর বিভাগে ১৬ ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ জন আছেন।

তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, শত বছরের ঊর্ধ্বে একজন, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে দুজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৪৭ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৫ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩১ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৬, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে দুজন এবং ১০ বছরের নিচে রয়েছেন একজন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন