হুন্ডি ও বিনিয়োগ বন্ধে কোটিপতি বেড়েছে
jugantor
হুন্ডি ও বিনিয়োগ বন্ধে কোটিপতি বেড়েছে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে, অপরদিকে বাড়ছে দরিদ্র ও কর্ম এবং আয়হীন মানুষের সংখ্যা।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, দেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে অনেকে টাকা বিদেশে পাচার করত। চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এখন তা কঠিন হয়ে গেছে।

আগের মতো হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাঠানো কমেছে। ফলে ওইসব মানুষ টাকা ব্যাংকে জমা করায় কোটিপতির সংখ্যা বৃদ্ধির এটি একটি কারণ হতে পারে। এছাড়া চলমান পরিস্থিতিতে দেশে কোনো বিনিয়োগের পরিবেশ নেই।

টাকা থাকলেও অনেকেই বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন না। ফলে তাদের অর্থ ব্যাংকে জমা রাখছেন। এটিও দ্বিতীয় কারণ হতে পারে। তবে করোনার সময়ে এত বেশি কোটিপতি আমানতকারীর হিসাব (অ্যাকাউন্ট) বৃদ্ধি অস্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের খতিয়ে দেখা উচিত।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, যে কারণেই কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে, অপরদিকে বাড়ছে দরিদ্র ও কর্ম এবং আয়হীন মানুষের সংখ্যা। করোনায় নতুন করে অনেকে গরিব হয়েছে। চাকরি হারিয়ে কর্মহীন হয়ে আয় কমেছে।

ফলে এই করোনায় আয় বৈষম্য প্রকট হয়েছে। এটি মোটেও কাম্য নয়। তবে এ বৈষম্য কমাতে দরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি। কিন্তু বর্তমানে সে পরিস্থিতি নেই। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হচ্ছে না।

কাজেই করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার সঙ্গে আয় বৈষম্য দূরীকরণে সরকারকে নানা ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।

হুন্ডি ও বিনিয়োগ বন্ধে কোটিপতি বেড়েছে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে, অপরদিকে বাড়ছে দরিদ্র ও কর্ম এবং আয়হীন মানুষের সংখ্যা।
কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে, অপরদিকে বাড়ছে দরিদ্র ও কর্ম এবং আয়হীন মানুষের সংখ্যা। ফাইল ছবি

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, দেশ থেকে হুন্ডির মাধ্যমে অনেকে টাকা বিদেশে পাচার করত। চলমান করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে এখন তা কঠিন হয়ে গেছে।

আগের মতো হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে টাকা পাঠানো কমেছে। ফলে ওইসব মানুষ টাকা ব্যাংকে জমা করায় কোটিপতির সংখ্যা বৃদ্ধির এটি একটি কারণ হতে পারে। এছাড়া চলমান পরিস্থিতিতে দেশে কোনো বিনিয়োগের পরিবেশ নেই।

টাকা থাকলেও অনেকেই বিনিয়োগে আগ্রহী হচ্ছেন না। ফলে তাদের অর্থ ব্যাংকে জমা রাখছেন। এটিও দ্বিতীয় কারণ হতে পারে। তবে করোনার সময়ে এত বেশি কোটিপতি আমানতকারীর হিসাব (অ্যাকাউন্ট) বৃদ্ধি অস্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের খতিয়ে দেখা উচিত। 

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, যে কারণেই কোটিপতির সংখ্যা বাড়ছে, অপরদিকে বাড়ছে দরিদ্র ও কর্ম এবং আয়হীন মানুষের সংখ্যা। করোনায় নতুন করে অনেকে গরিব হয়েছে। চাকরি হারিয়ে কর্মহীন হয়ে আয় কমেছে।

ফলে এই করোনায় আয় বৈষম্য প্রকট হয়েছে। এটি মোটেও কাম্য নয়। তবে এ বৈষম্য কমাতে দরকার কর্মসংস্থান সৃষ্টি। কিন্তু বর্তমানে সে পরিস্থিতি নেই। ফলে কর্মসংস্থান সৃষ্টি সম্ভব হচ্ছে না।

কাজেই করোনা পরিস্থিতি উন্নতি হওয়ার সঙ্গে আয় বৈষম্য দূরীকরণে সরকারকে নানা ধরনের কর্মসূচি গ্রহণ করতে হবে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন