কঠোর বিধিনিষেধ আরও বাড়ানোর সুপারিশ
jugantor
কঠোর বিধিনিষেধ আরও বাড়ানোর সুপারিশ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩১ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চলমান কঠোর বিধিনিষেধ আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিধিনিষেধ বা লকডাউনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চলমান করোনা মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের সুপারিশ-এটা কনটিনিউ করা হোক। আমরা বলেছি লকডাউন কনটিনিউ করতে হবে। কেবল অতিজরুরি সেবা ছাড়া যেভাবেই হোক সবকিছু সীমিত রাখতে হবে। এগুলো নজরদারি করতে হবে। সব খুলে দিলে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে।

এর আগে, সরকারি প্রজ্ঞাপনে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করা হয়। এ সময় পোশাক ও শিল্প-কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এমনকি এর আগের সব বিধিনিষেধ চলাকালে পোশাক কারখানা খোলা রাখান সিদ্ধান্ত থাকলেও এবারই প্রথম তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। তবে অধিদপ্তরের এই সুপারিশে মন্ত্রণালয় ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

কঠোর বিধিনিষেধ আরও বাড়ানোর সুপারিশ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩১ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চলমান কঠোর বিধিনিষেধ আরও বাড়ানোর সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। শুক্রবার সকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম গণমাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিধিনিষেধ বা লকডাউনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেয় সরকারের জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। চলমান করোনা মহামারি পরিস্থিতি বিবেচনায় আমাদের সুপারিশ-এটা কনটিনিউ করা হোক। আমরা বলেছি লকডাউন কনটিনিউ করতে হবে। কেবল অতিজরুরি সেবা ছাড়া যেভাবেই হোক সবকিছু সীমিত রাখতে হবে। এগুলো নজরদারি করতে হবে। সব খুলে দিলে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে।

এর আগে, সরকারি প্রজ্ঞাপনে ২৩ জুলাই থেকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত দুই সপ্তাহের কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করা হয়। এ সময় পোশাক ও শিল্প-কলকারখানাসহ সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করে সরকার। এমনকি এর আগের সব বিধিনিষেধ চলাকালে পোশাক কারখানা খোলা রাখান সিদ্ধান্ত থাকলেও এবারই প্রথম তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। তবে অধিদপ্তরের এই সুপারিশে মন্ত্রণালয় ইতিবাচক নাকি নেতিবাচক সেটি এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন