করোনায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্তের হার
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২১২, চিহ্নিত ১৩৮৬২
করোনায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্তের হার

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

৩১ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে কয়েকদিন ধরে টানা দু’শর ওপরে হচ্ছে মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমলেও বেড়েছে শনাক্তের হার। একদিনে করোনা আরও ২১২ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। আগের দিন মারা গেছে ২৩৯ জন। ২৭ জুলাই সর্বাধিক ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে দেশে মোট ২০ হাজার ৪৬৭ জন মারা গেছে। একদিনে আরও শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৮৬২ জন। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ১৫ হাজার ২৭১ জন। যদিও আগের দিনের চেয়ে ২৪ ঘণ্টায় সাত হাজারের কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। ২৮ জুলাই দেশে সর্বাধিক ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪০ হাজার ১১৫ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এ হার ছিল ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ। সরকারি হিসাবে একদিনে সেরে উঠেছেন ১৩ হাজার ৯৭৫ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১০ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে হাসপাতালে রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নমুনা পরীক্ষা কেন্দ্রেও বাড়ছে মানুষের ভিড়। উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন সারা দেশে হাজার হাজার মানুষ নমুনা পরীক্ষা করাতে আসছেন। কিন্তু সেখানেও ভোগান্তির শেষ নেই। প্রত্যেকটি কেন্দ্রেই উপচে পড়া ভিড়। প্রত্যেক দিন নির্দিষ্ট সংখ্যক নমুনা করার কারণে অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন নমুনা না দিয়েই।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৪৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩২টি, জিন এক্সপার্ট ৫২টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৬৪টি। এসব ল্যাবে ৪৮ হাজার ৫৬৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ৪৪টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৭ লাখ ৯ হাজার ৯১৪টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক শূন্য আট শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৮১ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১১৯ ও নারী ৯৩ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৫৪, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৮ ও বাড়িতে নয়জন মারা গেছেন। হাসপাতালে মৃতাবস্থায় আনা হয় একজনকে। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬৫ জন। চট্টগ্রাম বিভাগ ৫৩, রাজশাহী বিভাগে ১৩, খুলনা বিভাগে ৩৬, বরিশাল বিভাগে ১১, সিলেট বিভাগে ১৭, রংপুর বিভাগে নয়জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে আটজন আছেন।

তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৫, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২১২, চিহ্নিত ১৩৮৬২

করোনায় মৃত্যু কমলেও বেড়েছে শনাক্তের হার

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
৩১ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে কয়েকদিন ধরে টানা দু’শর ওপরে হচ্ছে মৃত্যু। ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমণ ও মৃত্যু কিছুটা কমলেও বেড়েছে শনাক্তের হার। একদিনে করোনা আরও ২১২ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে। আগের দিন মারা গেছে ২৩৯ জন। ২৭ জুলাই সর্বাধিক ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে দেশে মোট ২০ হাজার ৪৬৭ জন মারা গেছে। একদিনে আরও শনাক্ত হয়েছে ১৩ হাজার ৮৬২ জন। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ১৫ হাজার ২৭১ জন। যদিও আগের দিনের চেয়ে ২৪ ঘণ্টায় সাত হাজারের কম নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। ২৮ জুলাই দেশে সর্বাধিক ১৬ হাজার ২৩০ জনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছিল। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৪০ হাজার ১১৫ জনে। ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ৩০ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এ হার ছিল ২৯ দশমিক ২১ শতাংশ। সরকারি হিসাবে একদিনে সেরে উঠেছেন ১৩ হাজার ৯৭৫ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১০ লাখ ৬৪ হাজার ১৯৫ জন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শুক্রবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে হাসপাতালে রোগী বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নমুনা পরীক্ষা কেন্দ্রেও বাড়ছে মানুষের ভিড়। উপসর্গ নিয়ে প্রতিদিন সারা দেশে হাজার হাজার মানুষ নমুনা পরীক্ষা করাতে আসছেন। কিন্তু সেখানেও ভোগান্তির শেষ নেই। প্রত্যেকটি কেন্দ্রেই উপচে পড়া ভিড়। প্রত্যেক দিন নির্দিষ্ট সংখ্যক নমুনা করার কারণে অনেকেই ফিরে যাচ্ছেন নমুনা না দিয়েই।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৪৮টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩২টি, জিন এক্সপার্ট ৫২টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৪৬৪টি। এসব ল্যাবে ৪৮ হাজার ৫৬৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ৪৪টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৭ লাখ ৯ হাজার ৯১৪টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক শূন্য আট শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৫ দশমিক ৮১ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১১৯ ও নারী ৯৩ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৫৪, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৮ ও বাড়িতে নয়জন মারা গেছেন। হাসপাতালে মৃতাবস্থায় আনা হয় একজনকে। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৬৫ জন। চট্টগ্রাম বিভাগ ৫৩, রাজশাহী বিভাগে ১৩, খুলনা বিভাগে ৩৬, বরিশাল বিভাগে ১১, সিলেট বিভাগে ১৭, রংপুর বিভাগে নয়জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে আটজন আছেন।

তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে ছয়জন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১১ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৬৯ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৮ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ২৫ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৫, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে পাঁচজন, ১১ থেকে ২০ বছরের মধ্যে একজন রয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন