কনটেইনারের চাপ বাড়ছে বেসরকারি আইসিডিতে
jugantor
জট এড়াতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিকল্প উদ্যোগ
কনটেইনারের চাপ বাড়ছে বেসরকারি আইসিডিতে

  মজুমদার নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম  

৩১ জুলাই ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বন্দরে জট এড়াতে বেসরকারি আইসিডিতে (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) পাঠানো হচ্ছে আমদানি পণ্যবোঝাই কনটেইনার। প্রতিদিনই বন্দর থেকে হাজারের বেশি কনটেইনার স্থানান্তর করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আইসিডির ধারণক্ষমতাও দ্রুত ফুরিয়ে আসছে । আর মাত্র ৬-৭ হাজার কনটেইনার রাখা যাবে ১৯টি বেসরকারি আইসিডিতে। চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন গড়ে চার থেকে সাড়ে চার হাজার টিইইউএস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সমমান) আমদানি কনটেইনার জাহাজ থেকে নামানো হয়। যদি শিল্পকারখানা বন্ধের সময় প্রলম্বিত হয়, তাহলে বড় ধরনের কনটেইনার জটের কবলে পড়ে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ৫ আগস্টের পর শিল্পকারখানা খুলে দিলে সমস্যা হবে না। ডেলিভারি বাড়লে কনটেইনারের চাপ কমে যাবে। আর যদি চলমান লকডাউন শেষে শিল্পকারখানা বন্ধের সময় আরও বাড়ানো হয়, তাহলে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে তা নিয়েও নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে। সবাই মিলে সংকট নিরসনের পথ বের খুঁজে বের করতে হবে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৯ হাজার টিইইউএস কনটেইনার রাখার স্থান রয়েছে। ঈদের ছুটি এবং কঠোরতম লকডাউনে কলকারখানা বন্ধ থাকায় ডেলিভারি কমে যায়। বন্দর ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকলেও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা লোকবল সংকটসহ নানা অজুহাতে কনটেইনার ডকুমেন্টেশন কাজ ও কনটেইনার ডেলিভারি নেওয়া কমিয়ে দেয়। কলকারখানা বন্ধ থাকায় আমদানিকারকরাও পণ্য ডেলিভারি নিতে অনীহা প্রকাশ করে। ক্ষেত্রবিশেষে চট্টগ্রাম বন্দর-কাস্টমসেও লোকবল সংকটে পণ্য শুল্কায়ন ও ডেলিভারি কার্যক্রমের গতি মন্থর হয়ে আসে। মূলত বহুমুখী এই সমস্যার কারণে দ্রুত বন্দর ইয়ার্ডে কনটেইনার বাড়তে থাকে, যা এক পর্যায়ে ৪৩ হাজার অতিক্রম করে। এটা স্বাভাবিক সময়ে ৩০-৩৫ হাজারের ওপরে থাকে না। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ২৫ জুলাই বন্দর থেকে বেসরকারি আইসিডিতে সব ধরনের আমদানি কনটেইনার স্থানান্তর ও সেখান থেকে শর্তসাপেক্ষে ডেলিভারির অনুমতি দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আর এর পরদিন থেকে আমদানি কনটেইনার স্থানান্তর শুরু হয়। এর আগে ৩৭ ধরনের আমদানি পণ্য বেসরকারি আইসিডি থেকে ডেলিভারির অনুমতি ছিল। সব ধরনের আমদানি পণ্য বেসরকারি আইসিডি থেকে ডেলিভারি দেওয়ার নতুন উদ্যোগের ফলে ধীরগতিতে হলেও বন্দর ইয়ার্ডে কনটেইনার কমছে। গত বৃহস্পতিবার এ সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৫৮৫ টিইইউএস।

এদিকে বন্দরের আশপাশে গড়ে ওঠা বেসরকারি আইসিডিগুলোতে চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বন্দর থেকে প্রতিদিন ১২০০-১৩০০ কনটেইনার পাঠানো হচ্ছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বন্দর থেকে সাড়ে ৫ হাজার টিইইউএস আমদানি কনটেইনার পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো’স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) সচিব রুহুল আমিন শিকদার। তিনি বলেন, ‘আইসিডিগুলোতে ১০ হাজার আমদানি কনটেইনার রাখার স্থান রয়েছে। এর বিপরীতে শুক্রবার পর্যন্ত সাড়ে ৫ হাজার কনটেইনার ছিল। প্রতিদিন কিছু কনটেইনার ডেলিভারি হচ্ছে। এই হিসাবে আগামী কয়েকদিনে আরও ৬-৭ হাজার পর্যন্ত কনটেইনার নিতে পারব।’

বন্দর ও আইসিডি সংশ্লিষ্টরা জানান, কলকারখানা দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে বন্দরকে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে হতে পারে। কেননা বন্দরে কনটেইনার রাখার স্থান আর অল্প পরিমাণ রয়েছে। আইসিডিগুলোর ধারণক্ষমতাও যদি ফুরিয়ে আসে তখন সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করার আশঙ্কা থাকবে। বন্দরের ভেতরে কনটেইনার ধারণক্ষমতা অতিক্রম করলে জাহাজ থেকে নতুন কনটেইনার খালাস করে রাখার জায়গা থাকে না। এ অবস্থায় গেলে অপারেশনাল কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বিকডা সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান বলেন, ‘বেসরকারি আইসিডিগুলোর ক্ষমতা সীমিত। এর মধ্যেও আমরা আমদানি কনটেইনার হ্যান্ডলিং করছি। আমদানিকারকরা যদি ডেলিভারি না নেন, তাহলে আমাদের ক্যাপাসিটি শেষ হয়ে আসবে। তখন আর আমরা বন্দর থেকে কনটেইনার নিতে পারব না। এতে বন্দরে কনটেইনার বেড়ে যেতে পারে। ওই অবস্থা হলে জেটিতে কনটেইনার নিয়ে জাহাজ দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দর এমন সমস্যায় পড়েছে। এটা বৈশ্বিক সমস্যা। তবে বিশ্বের অন্য অনেক বন্দরের চেয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থা এখনো বেশ ভালো। এই বন্দরকে সচল রাখতে হলে আমদানিকারকসহ বন্দর ব্যবহারকারী যারা রয়েছেন তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পণ্য ডেলিভারি নিতে হবে। না হলে বন্দর ও আইসিডি উভয় স্থানে জট লেগে যাবে। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস, আমদানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কাউকে এককভাবে দোষ দেওয়ার সুযোগ নেই।

ডেলিভারি কম হলেও বন্দরে জাহাজে পণ্য ওঠানো-নামানো স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের সচিব ওমর ফারুক যুগান্তরকে বলেন, গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে খোলা পণ্য খালাস ব্যাহত হচ্ছে। বৃষ্টিতে এসব পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে জেটিতে জাহাজে কনটেইনার ওঠানো-নামানো স্বাভাবিক সময়ের মতোই চলছে। কলকারখানা বন্ধ থাকায় কাঁচামাল ডেলিভারি নিচ্ছেন না আমদানিকারকরা। লকডাউনের আর ৫-৬ দিন আছে। কলকারখানা খুলে গেলে ডেলিভারি বাড়বে। সেক্ষেত্রে কনটেইনারের চাপ কমে যাবে। গার্মেন্ট কারখানা খুলে দিলে কনটেইনার নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কারণ এই সেক্টরের কাঁচামালই বেশি আছে বন্দরে।

তিনি জানান, কলকারখানা যদি দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকে সেক্ষেত্রেও পরিস্থিতি সামাল দিতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

জট এড়াতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বিকল্প উদ্যোগ

কনটেইনারের চাপ বাড়ছে বেসরকারি আইসিডিতে

 মজুমদার নাজিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম 
৩১ জুলাই ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রাম বন্দরে জট এড়াতে বেসরকারি আইসিডিতে (ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো) পাঠানো হচ্ছে আমদানি পণ্যবোঝাই কনটেইনার। প্রতিদিনই বন্দর থেকে হাজারের বেশি কনটেইনার স্থানান্তর করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে আইসিডির ধারণক্ষমতাও দ্রুত ফুরিয়ে আসছে । আর মাত্র ৬-৭ হাজার কনটেইনার রাখা যাবে ১৯টি বেসরকারি আইসিডিতে। চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন গড়ে চার থেকে সাড়ে চার হাজার টিইইউএস (২০ ফুট দৈর্ঘ্যরে সমমান) আমদানি কনটেইনার জাহাজ থেকে নামানো হয়। যদি শিল্পকারখানা বন্ধের সময় প্রলম্বিত হয়, তাহলে বড় ধরনের কনটেইনার জটের কবলে পড়ে বন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকে।

বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, ৫ আগস্টের পর শিল্পকারখানা খুলে দিলে সমস্যা হবে না। ডেলিভারি বাড়লে কনটেইনারের চাপ কমে যাবে। আর যদি চলমান লকডাউন শেষে শিল্পকারখানা বন্ধের সময় আরও বাড়ানো হয়, তাহলে কীভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করা হবে তা নিয়েও নতুন করে চিন্তাভাবনা করতে হবে। সবাই মিলে সংকট নিরসনের পথ বের খুঁজে বের করতে হবে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম বন্দরে ৪৯ হাজার টিইইউএস কনটেইনার রাখার স্থান রয়েছে। ঈদের ছুটি এবং কঠোরতম লকডাউনে কলকারখানা বন্ধ থাকায় ডেলিভারি কমে যায়। বন্দর ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকলেও সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টরা লোকবল সংকটসহ নানা অজুহাতে কনটেইনার ডকুমেন্টেশন কাজ ও কনটেইনার ডেলিভারি নেওয়া কমিয়ে দেয়। কলকারখানা বন্ধ থাকায় আমদানিকারকরাও পণ্য ডেলিভারি নিতে অনীহা প্রকাশ করে। ক্ষেত্রবিশেষে চট্টগ্রাম বন্দর-কাস্টমসেও লোকবল সংকটে পণ্য শুল্কায়ন ও ডেলিভারি কার্যক্রমের গতি মন্থর হয়ে আসে। মূলত বহুমুখী এই সমস্যার কারণে দ্রুত বন্দর ইয়ার্ডে কনটেইনার বাড়তে থাকে, যা এক পর্যায়ে ৪৩ হাজার অতিক্রম করে। এটা স্বাভাবিক সময়ে ৩০-৩৫ হাজারের ওপরে থাকে না। এ অবস্থায় পরিস্থিতি সামাল দিতে ২৫ জুলাই বন্দর থেকে বেসরকারি আইসিডিতে সব ধরনের আমদানি কনটেইনার স্থানান্তর ও সেখান থেকে শর্তসাপেক্ষে ডেলিভারির অনুমতি দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আর এর পরদিন থেকে আমদানি কনটেইনার স্থানান্তর শুরু হয়। এর আগে ৩৭ ধরনের আমদানি পণ্য বেসরকারি আইসিডি থেকে ডেলিভারির অনুমতি ছিল। সব ধরনের আমদানি পণ্য বেসরকারি আইসিডি থেকে ডেলিভারি দেওয়ার নতুন উদ্যোগের ফলে ধীরগতিতে হলেও বন্দর ইয়ার্ডে কনটেইনার কমছে। গত বৃহস্পতিবার এ সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৫৮৫ টিইইউএস।

এদিকে বন্দরের আশপাশে গড়ে ওঠা বেসরকারি আইসিডিগুলোতে চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বন্দর থেকে প্রতিদিন ১২০০-১৩০০ কনটেইনার পাঠানো হচ্ছে। শুক্রবার সকাল পর্যন্ত বন্দর থেকে সাড়ে ৫ হাজার টিইইউএস আমদানি কনটেইনার পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো’স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) সচিব রুহুল আমিন শিকদার। তিনি বলেন, ‘আইসিডিগুলোতে ১০ হাজার আমদানি কনটেইনার রাখার স্থান রয়েছে। এর বিপরীতে শুক্রবার পর্যন্ত সাড়ে ৫ হাজার কনটেইনার ছিল। প্রতিদিন কিছু কনটেইনার ডেলিভারি হচ্ছে। এই হিসাবে আগামী কয়েকদিনে আরও ৬-৭ হাজার পর্যন্ত কনটেইনার নিতে পারব।’

বন্দর ও আইসিডি সংশ্লিষ্টরা জানান, কলকারখানা দীর্ঘ সময়ের জন্য বন্ধ থাকলে বন্দরকে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়তে হতে পারে। কেননা বন্দরে কনটেইনার রাখার স্থান আর অল্প পরিমাণ রয়েছে। আইসিডিগুলোর ধারণক্ষমতাও যদি ফুরিয়ে আসে তখন সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করার আশঙ্কা থাকবে। বন্দরের ভেতরে কনটেইনার ধারণক্ষমতা অতিক্রম করলে জাহাজ থেকে নতুন কনটেইনার খালাস করে রাখার জায়গা থাকে না। এ অবস্থায় গেলে অপারেশনাল কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

বিকডা সভাপতি নুরুল কাইয়ুম খান বলেন, ‘বেসরকারি আইসিডিগুলোর ক্ষমতা সীমিত। এর মধ্যেও আমরা আমদানি কনটেইনার হ্যান্ডলিং করছি। আমদানিকারকরা যদি ডেলিভারি না নেন, তাহলে আমাদের ক্যাপাসিটি শেষ হয়ে আসবে। তখন আর আমরা বন্দর থেকে কনটেইনার নিতে পারব না। এতে বন্দরে কনটেইনার বেড়ে যেতে পারে। ওই অবস্থা হলে জেটিতে কনটেইনার নিয়ে জাহাজ দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। করোনা মহামারির কারণে বিশ্বের বিভিন্ন বন্দর এমন সমস্যায় পড়েছে। এটা বৈশ্বিক সমস্যা। তবে বিশ্বের অন্য অনেক বন্দরের চেয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের অবস্থা এখনো বেশ ভালো। এই বন্দরকে সচল রাখতে হলে আমদানিকারকসহ বন্দর ব্যবহারকারী যারা রয়েছেন তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। পণ্য ডেলিভারি নিতে হবে। না হলে বন্দর ও আইসিডি উভয় স্থানে জট লেগে যাবে। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য চট্টগ্রাম বন্দর, কাস্টমস, আমদানিকারক, সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট কাউকে এককভাবে দোষ দেওয়ার সুযোগ নেই।

ডেলিভারি কম হলেও বন্দরে জাহাজে পণ্য ওঠানো-নামানো স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ। বন্দরের সচিব ওমর ফারুক যুগান্তরকে বলেন, গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে খোলা পণ্য খালাস ব্যাহত হচ্ছে। বৃষ্টিতে এসব পণ্য নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তবে জেটিতে জাহাজে কনটেইনার ওঠানো-নামানো স্বাভাবিক সময়ের মতোই চলছে। কলকারখানা বন্ধ থাকায় কাঁচামাল ডেলিভারি নিচ্ছেন না আমদানিকারকরা। লকডাউনের আর ৫-৬ দিন আছে। কলকারখানা খুলে গেলে ডেলিভারি বাড়বে। সেক্ষেত্রে কনটেইনারের চাপ কমে যাবে। গার্মেন্ট কারখানা খুলে দিলে কনটেইনার নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। কারণ এই সেক্টরের কাঁচামালই বেশি আছে বন্দরে।

তিনি জানান, কলকারখানা যদি দীর্ঘমেয়াদে বন্ধ থাকে সেক্ষেত্রেও পরিস্থিতি সামাল দিতে বন্দর কর্তৃপক্ষকে প্রস্তুত থাকতে হবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন