করোনায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩১ চিহ্নিত ১৪৮৪৪
করোনায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০২ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। ফের বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত। নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়ছে সংক্রমণ। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে আরও ২৩১ জন মারা গেছেন। আগের দিন মারা যান ২১৮ জন। ২৭ জুলাই সর্বাধিক ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়। সবমিলিয়ে দেশে ২০ হাজার ৯১৬ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনা। একদিনে আরও শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৮৪৪ জন। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ৯ হাজার ৩৬৯ জন। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৮ জন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। শনিবার এ হার ছিল ৩০ দশমিক ২৪ শতাংশ। সরকারি হিসাবে একদিনে সেরে উঠেছেন ১৫ হাজার ৫৪ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১০ লাখ ৯৩ হাজার ২৬৬ জন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর এপ্রিল থেকে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে থাকে। এর মধ্যে দেশে ছড়িয়ে পড়ে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। এতে শহর থেকে গ্রামেও ছড়িয়ে পড়ে করোনা। বাড়তে থাকে সংক্রমণ ও মৃত্যু। জুলাই মাসে তা ভয়াবহ রূপ নিয়ে এখনও তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাইয়ে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু এমনকি নমুনা পরীক্ষায় হয়েছে রেকর্ড। এ মাসে সর্বাধিক ১১ লাখ ৩১ হাজার ৯৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হন, ৩ লাখ ৩৬ হাজার ২২৬ জন। জুলাইয়ে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ১৮২ জনের প্রাণ কেড়ে নেয় করোনা। এতে আরও বলা হয়, ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ ৫৬১৫৭টি নমুনা সংগ্রহ এবং ৫৩ হাজার ৮৭৭টি পরীক্ষা করা হয়। ওইদিন দেশে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৬২৩০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। গত বছর ১৫ জুন সর্বাধিক ১৫ হাজার ২৯৭ জন সুস্থ হন। ২৪ জুলাই শনাক্তের হার ছিল সর্বোচ্চ ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ২১ মে সর্বোচ্চ সুস্থতার হার ছিল ৯২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গত বছর ২৫ মার্চ মৃত্যুর সর্বোচ্চ হার ছিল ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৯১টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩২টি, জিন এক্সপার্ট ৫৩টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৫০৬টি। এসব ল্যাবে ৪৮ হাজার ৪৮১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৯ হাজার ৫২৯টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৭ লাখ ৯০ হাজার ৪২৩টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৪৭ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৩৯ ও নারী ৯২ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৬৮, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৯ ও বাড়িতে ১৩ জন মারা গেছেন। মৃতাবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় একজনকে। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৭ জন। চট্টগ্রাম বিভাগ ৫৩, রাজশাহী বিভাগে ১৩, খুলনা বিভাগে ৪৪, বরিশাল বিভাগে ছয়জন, সিলেট বিভাগে নয়জন, রংপুর বিভাগে ১৮ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১১ জন আছেন।

তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৯, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিনজন, ১১ বছরে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন দুজন।

২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু ২৩১ চিহ্নিত ১৪৮৪৪

করোনায় বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০২ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক। ফের বেড়েছে মৃত্যু ও শনাক্ত। নমুনা পরীক্ষা বৃদ্ধির সঙ্গে বাড়ছে সংক্রমণ। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে আরও ২৩১ জন মারা গেছেন। আগের দিন মারা যান ২১৮ জন। ২৭ জুলাই সর্বাধিক ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়। সবমিলিয়ে দেশে ২০ হাজার ৯১৬ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনা। একদিনে আরও শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৮৪৪ জন। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ৯ হাজার ৩৬৯ জন। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৬৪ হাজার ৩২৮ জন। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। শনিবার এ হার ছিল ৩০ দশমিক ২৪ শতাংশ। সরকারি হিসাবে একদিনে সেরে উঠেছেন ১৫ হাজার ৫৪ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হলেন ১০ লাখ ৯৩ হাজার ২৬৬ জন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর এপ্রিল থেকে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে থাকে। এর মধ্যে দেশে ছড়িয়ে পড়ে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। এতে শহর থেকে গ্রামেও ছড়িয়ে পড়ে করোনা। বাড়তে থাকে সংক্রমণ ও মৃত্যু। জুলাই মাসে তা ভয়াবহ রূপ নিয়ে এখনও তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুলাইয়ে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু এমনকি নমুনা পরীক্ষায় হয়েছে রেকর্ড। এ মাসে সর্বাধিক ১১ লাখ ৩১ হাজার ৯৬৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এতে শনাক্ত হন, ৩ লাখ ৩৬ হাজার ২২৬ জন। জুলাইয়ে সর্বোচ্চ ৬ হাজার ১৮২ জনের প্রাণ কেড়ে নেয় করোনা। এতে আরও বলা হয়, ২৮ জুলাই সর্বোচ্চ ৫৬১৫৭টি নমুনা সংগ্রহ এবং ৫৩ হাজার ৮৭৭টি পরীক্ষা করা হয়। ওইদিন দেশে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৬২৩০ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়। গত বছর ১৫ জুন সর্বাধিক ১৫ হাজার ২৯৭ জন সুস্থ হন। ২৪ জুলাই শনাক্তের হার ছিল সর্বোচ্চ ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ। ২১ মে সর্বোচ্চ সুস্থতার হার ছিল ৯২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। গত বছর ২৫ মার্চ মৃত্যুর সর্বোচ্চ হার ছিল ১২ দশমিক ৮২ শতাংশ। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৯১টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩২টি, জিন এক্সপার্ট ৫৩টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৫০৬টি। এসব ল্যাবে ৪৮ হাজার ৪৮১টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ৪৯ হাজার ৫২৯টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৭ লাখ ৯০ হাজার ৪২৩টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ২৩ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৪৭ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ।

২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৩৯ ও নারী ৯২ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৬৮, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৯ ও বাড়িতে ১৩ জন মারা গেছেন। মৃতাবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় একজনকে। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৭ জন। চট্টগ্রাম বিভাগ ৫৩, রাজশাহী বিভাগে ১৩, খুলনা বিভাগে ৪৪, বরিশাল বিভাগে ছয়জন, সিলেট বিভাগে নয়জন, রংপুর বিভাগে ১৮ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১১ জন আছেন।

তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে একজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ৯ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৪৫ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭২ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৪৬ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৪ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৯, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে তিনজন, ১১ বছরে ২০ বছরের মধ্যে রয়েছেন দুজন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন