করোনায় মৃত্যু ২১ হাজার ছাড়াল
jugantor
২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২৪৬
করোনায় মৃত্যু ২১ হাজার ছাড়াল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৩ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। প্রতিদিন ২০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। শনাক্তের হার ৩০-এর ওপরে-নিচে। দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে আরও ২৪৬ জন মারা গেছে। আগের দিন মারা যায় ২৩১ জন। ২৭ জুলাই সর্বাধিক ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়। মোট ২১ হাজার ১৬২ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনা। একদিনে আরও শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৯৮৯ জন। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ১৪ হাজার ৮৪৪ জন। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৮০ হাজার ৩১৭ । নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ২৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। সরকারি হিসাবে একদিনে সেরে উঠেছেন ১৫ হাজার ৪৮২ জন। মোট সুস্থ হলেন ১১ লাখ ৮ হাজার ৭৪৮ জন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা শনাক্ত হয়। এর দশ দিন পর প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর এপ্রিল থেকে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে থাকে। এর মধ্যে দেশে ছড়িয়ে পড়ে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। এতে শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে করোনা। বাড়তে থাকে সংক্রমণ ও মৃত্যু। জুলাই মাসে তা ভয়াবহ রূপ নিয়ে এখনো তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। ২৮ জুলাই মৃত্যু ২০ হাজার ছাড়ায়। এরপর পাঁচ দিনে আরও এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হলো।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৯৭টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩৩টি, জিন এক্সপার্ট ৫৩টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৫১১টি। এসব ল্যাবে ৫৫ হাজার ৯৩৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৬২টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮৫টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৬০ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৩৭ ও নারী ১০৯ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৮১, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৯ ও বাড়িতে ১৫ জন মারা গেছেন। মৃতাবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় একজনকে। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৬ জন। চট্টগ্রাম বিভাগ ৬৪, রাজশাহী বিভাগে ২২, খুলনা বিভাগে ৩০, বরিশাল বিভাগে ১৬, সিলেট বিভাগে ১৪ জন, রংপুর বিভাগে ১৪ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ জন আছেন। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৩, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে চারজন, ১১ বছরে ২০ বছরের মধ্যে একজন এবং ১০ বছরের নিচে রয়েছেন দুজন।

২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ২৪৬

করোনায় মৃত্যু ২১ হাজার ছাড়াল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৩ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না। প্রতিদিন ২০০-র বেশি মানুষের মৃত্যু হচ্ছে। শনাক্তের হার ৩০-এর ওপরে-নিচে। দেশে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা আশঙ্কাজনক। এ পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা ২১ হাজার ছাড়িয়েছে। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে আরও ২৪৬ জন মারা গেছে। আগের দিন মারা যায় ২৩১ জন। ২৭ জুলাই সর্বাধিক ২৫৮ জনের মৃত্যু হয়। মোট ২১ হাজার ১৬২ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে করোনা। একদিনে আরও শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৯৮৯ জন। আগের দিন শনাক্ত হয়েছিল ১৪ হাজার ৮৪৪ জন। এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১২ লাখ ৮০ হাজার ৩১৭ । নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৯ দশমিক ৯১ শতাংশ। আগের দিন এ হার ছিল ২৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ। সরকারি হিসাবে একদিনে সেরে উঠেছেন ১৫ হাজার ৪৮২ জন। মোট সুস্থ হলেন ১১ লাখ ৮ হাজার ৭৪৮ জন। সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

গত বছর ৮ মার্চ দেশে করোনা শনাক্ত হয়। এর দশ দিন পর প্রথম মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর এপ্রিল থেকে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়তে থাকে। এর মধ্যে দেশে ছড়িয়ে পড়ে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। এতে শহর থেকে গ্রামে ছড়িয়ে পড়ে করোনা। বাড়তে থাকে সংক্রমণ ও মৃত্যু। জুলাই মাসে তা ভয়াবহ রূপ নিয়ে এখনো তাণ্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। ২৮ জুলাই মৃত্যু ২০ হাজার ছাড়ায়। এরপর পাঁচ দিনে আরও এক হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হলো।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৬৯৭টি ল্যাবে নমুনা সংগ্রহ ও পরীক্ষা হয়েছে। এর মধ্যে আরটি-পিসিআর ল্যাব ১৩৩টি, জিন এক্সপার্ট ৫৩টি, র‌্যাপিড অ্যান্টিজেন ৫১১টি। এসব ল্যাবে ৫৫ হাজার ৯৩৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয়েছে ৫৩ হাজার ৪৬২টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৭৮ লাখ ৪৩ হাজার ৮৮৫টি। এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩২ শতাংশ। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৬ দশমিক ৬০ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৬৫ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ১৩৭ ও নারী ১০৯ জন। এদের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে ১৮১, বেসরকারি হাসপাতালে ৪৯ ও বাড়িতে ১৫ জন মারা গেছেন। মৃতাবস্থায় হাসপাতালে আনা হয় একজনকে। মৃতদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ৭৬ জন। চট্টগ্রাম বিভাগ ৬৪, রাজশাহী বিভাগে ২২, খুলনা বিভাগে ৩০, বরিশাল বিভাগে ১৬, সিলেট বিভাগে ১৪ জন, রংপুর বিভাগে ১৪ জন ও ময়মনসিংহ বিভাগে ১০ জন আছেন। তাদের বয়স বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে তিনজন, ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে ১৬ জন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে ৩২ জন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৭১ জন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে ৭১ জন, ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে ৩৩ জন, ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ১৩, ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে চারজন, ১১ বছরে ২০ বছরের মধ্যে একজন এবং ১০ বছরের নিচে রয়েছেন দুজন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন