জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বললেন ‘আই অ্যাম সরি’

দুদকের জেরার মুখে ডিআইজি মিজান

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৪ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ডিআইজি মিজান
দুদক কার্যালয়ে হাজিরা শেষে বৃহস্পতিবার বেরিয়ে আসছেন বিতর্কিত ডিআইজি মিজান যুগান্তর

ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ দুর্নীতির বিষয়ে দুদকের অনেক প্রশ্নের জবাব দিতে পারেননি পুলিশের বিতর্কিত ডিআইজি মিজানুর রহমান। এ কারণে তার সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হতে পারে। একই সঙ্গে তার এক ভাই ও ভাগ্নের নামে ফ্ল্যাট, আত্মীয়দের নামে সম্পদ কেনার বিষয়ে তথ্য জানতে তাদেরও তলব করা হবে। দুদকের হাতে এ পর্যন্ত যতটুকু তথ্য রয়েছে তাতেই তিনি ফেঁসে যেতে পারেন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

যদিও তিনি দাবি করেন, বেনামে আমার কোনো সম্পদ নেই। আত্মীয়স্বজনের নামে কেনা সম্পদের উৎস সম্পর্কে আমি কিছু বলতে পারব না। তাদের আয়কর ফাইলে সম্পদ সংক্রান্ত তথ্য দেয়া আছে। বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের টানা ৬ ঘণ্টার জিজ্ঞাসাবাদে আত্মপক্ষ সমর্থন করে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘একজন সাংবাদিক ভদ্রমহিলার সঙ্গে আমার যে কনভারসেশন (কথোপকথন) হয়েছে, এজন্য ‘আই অ্যাম সরি, আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’ দুপুরের দিকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে ডিআইজি মিজান নিজেকে অসুস্থ বলে দাবি করেন। জেরার মুখে তিনি ঘামতে থাকেন। তিনি দুদকের কর্মকর্তাদের কাছে কিছু খেতেও চান। তবে সেখানে খাওয়ার কোনো ব্যবস্থা ছিল না। খাবার না পেয়ে বিস্কুট খেতে চান তিনি। তাকে পানি পান করতে দেয়া হয়। দুদকের পরিচালক কাজী শফিকুল আলমের তত্ত্বাবধানে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ও উপপরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী দফতরের জিজ্ঞাসাবাদ সেলে নিয়ে মিজানকে একের পর এক প্রশ্ন করেন। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে দুদক ত্যাগ করেন ডিআইজি মিজান। দুদক থেকে বের হওয়ার পথে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘দুদক যা জানতে চেয়েছে, আমি সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। আমার যা সম্পদ আছে, তা আয়কর ফাইলে দেখানো আছে। এর বাইরে আমার কোনো সম্পদ নেই।’ আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদ গড়েছেন কেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে যা বলার অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে বলেছি। আত্মীয়স্বজনের নামে সম্পদ গড়েননি বলে দাবি করে তিনি বলেন, ‘দুদক তদন্ত করলে সবই বেরিয়ে আসবে।’ মিজান বলেন, ‘একজন সাংবাদিক ভদ্রমহিলার সঙ্গে আমার যে কনভারসেশন (কথোপকথন) হয়েছে, এজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করছি।’

দুদকের সচিব ড. শামসুল আরেফিন ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদের বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, তার অবৈধ সম্পদ অর্জনের প্রাথমিক তথ্য পাওয়ায় আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। দুদকে আসার সময় তিনি আয়কর ফাইল সঙ্গে নিয়ে আসেন। তার আত্মীয়স্বজনের মধ্যে যাদের নামে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ আছে, প্রয়োজনে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তার আত্মীয়স্বজনের ব্যাংক হিসাবে টাকা-পয়সা ট্রান্সফার হয়েছে কিনা, তদন্ত করে সেটাও দেখা হবে। সচিব জানান, রোববার এই ডিআইজিকে আরও কিছু তথ্য দুদককে দিতে বলা হয়েছে। তিনি বলেন, অনুসন্ধানে এই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেব আমরা।

আইন বিশেষজ্ঞ ড. শাহদীন মালিক যুগান্তরকে বলেন, ডিআইজি মিজানের সব সম্পদ নিয়ে দৌড়ানোর প্রয়োজন নেই। বড় বড় দু-তিনটি সম্পদের অনুসন্ধান করলেই সত্যতা বেরিয়ে আসবে। বড় বিল্ডিংটা (ঢাকার একটি ফ্ল্যাট) সার্ভেয়ার দিয়ে পরিমাপ করালেই এর প্রকৃত ব্যয় বেরিয়ে আসবে। ব্যয়ের সঙ্গে আয়ের সঙ্গতি আছে কিনা, এ বিষয়ে তাকে সুনির্দিষ্ট প্রশ্ন করতে হবে। তিনি বলেন, এভাবেই আয়বহির্ভূত সম্পদের হিসাব বের করা সম্ভব।

সূত্র জানায়, আত্মীয়স্বজনের নামে মূল্যবান সম্পদ কেনার তালিকায় ভাগ্নে পুলিশের এসআইয়ের নামে কাকরাইলে বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট, ছোট ভাইয়ের নামে বেইলি রোডের বেইলি রিজে বিলাসবহুল ফ্ল্যাট, স্ত্রীর নামে উত্তরায় ফ্ল্যাট, হবিগঞ্জে বাগানবাড়ি, নামে-বেনামে সম্পদ ও বান্ধবীদের পেছনে খরচ করা অর্থের উৎস, নিয়োগ এবং বদলি বাণিজ্যসহ দুর্নীতির নানা অভিযোগ সামনে রেখে ডিআইজি মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন দুদক কর্মকর্তারা।

জিজ্ঞাসাবাদে মিজানুর রহমান নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, তার সমুদয় সম্পদ আয়কর নথিতে উল্লেখ করা আছে। এ সময় তার ভাই ও ভাগ্নের নামে করা সম্পদের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি নিশ্চুপ হয়ে যান। তার কাছে এ বিষয়ে স্পষ্ট উত্তর চাইলে তিনি বলেন, ভাই ও ভাগ্নে আমার ওপর নির্ভরশীল নয়। তাদের নামে আলাদা ট্যাক্স ফাইল আছে। তাদের আয়ের সোর্স আলাদা। এ কারণে তারা কীভাবে সম্পদ গড়েছেন, আমি বলতে পারব না। এ সময় কাকরাইলে বাণিজ্যিক ফ্ল্যাটের টাকা পুলিশ নিয়োগ দিয়ে কামিয়েছেন- এমন প্রশ্ন করলে তিনি এ প্রসঙ্গে আর কিছু বলেননি। তবে তিনি পুলিশে লোক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমি মিশনে ছিলাম। সেখান থেকে অনেক টাকা পেয়েছি। সেই টাকা দিয়ে আমি সম্পদ গড়েছি।

কিন্তু বেনামে বা আত্মীয়স্বজনের নামে করা সম্পদ তো মিশনের টাকায় করেননি, এ টাকার উৎস কী- দুদক কর্মকর্তাদের এমন প্রশ্নে মিজান বলেন, আমি সবার বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে পারব না। তার কাছে জানতে চাওয়া হয় কানাডায় স্ত্রী-সন্তানদের পেছনে প্রতি মাসে চার-পাঁচ লাখ টাকা খরচের উৎস কী- এ প্রশ্নের তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

অবৈধ সম্পদের বিষয়ে সন্তোষজনক উত্তর না পাওয়ায় মিজানুর রহমানের সম্পদের হিসাব চেয়ে নোটিশ দেয়া হবে বলে দুদক সূত্রে জানা গেছে। সূত্রটি জানায়, মিজানের স্ত্রীর আয়কর ফাইলও চাওয়া হয়েছে। তার আয়ের উৎস খতিয়ে দেখতেই তা চাওয়া হয় বলে জানা গেছে।

ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান শুরু হয় গত ফেব্রুয়ারি থেকে। এ সময়ে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে দুদক। তার সম্পদের খোঁজ বের করতে এনবিআরসহ সাবরেজিস্ট্রি অফিস ও ভূমি অফিসে তল্লাশি চালায় দুদক। এভাবে দুদকের কাছে কিছু তথ্য আসে। সেই তথ্য হাতে রেখে তাকে তলব করে ২৫ এপ্রিল চিঠি দেয় দুদক। এ চিঠি পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বরাবর পাঠিয়ে তাকে ৩ মে হাজির হওয়ার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানানো হয়।

চিঠি পাওয়ার পর ডিআইজি মিজান বৃহস্পতিবার সকালে দুদকে হাজির হন। দুদকের সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়, এর আগেও তার (ডিআইজি মিজান) বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদের অনুসন্ধান করেছিল দুদক। তখন তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগটি নথিভুক্ত করা হয়েছিল। এবার নতুন করে অনুসন্ধানে তার চাকরি জীবনে যাবতীয় আয়-ব্যয়, এনবিআরে দেয়া সম্পদের তথ্য, নারীঘটিত বিষয়ে অর্থ খরচের পেছনে টাকার উৎস, বিদেশে পরিবারপরিজনের জন্য পাঠানো অর্থসহ পুরো বিষয় অনুসন্ধানের আওতায় আনা হয়েছে। এসব বিষয়ে তাকে বারবার প্রশ্নও করা হয়েছে। একাধিক নারীর পেছনে খরচ করা অর্থের উৎস কী- এ নিয়েও তাকে প্রশ্ন করা হয়।

ডিআইজি মিজান পুলিশের উচ্চপদে থেকে তদবির, নিয়োগ, বদলিসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন বলে অভিযোগ ওঠে। চাকরি জীবনে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা উপায়ে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া যায়। তার নামে-বেনামে বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে। একাধিক ব্যাংক হিসাবে রয়েছে বিপুল অর্থ ও ফিক্সড ডিপোজিট। এমনকি দেশের বাইরে অর্থ পাচারেরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। দুদক কর্মকর্তারা এসব অভিযোগের বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করেন বলে জানা গেছে। তবে তিনি বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগসহ বেনামি সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অস্বীকার করেন।

পুলিশ কর্মকর্তা মিজানুর রহমানের এক ভাগ্নে মাহমুদুল হাসান নোমান ডিএমপির কোতোয়ালি থানার শিক্ষানবিশ এসআই (পিএসআই)। সেগুনবাগিচায় জাতীয় রাজস্ব ভবনের উল্টো দিকে পাইওনিয়ার রোডের ৬৩/১ ‘নির্মাণ সামাদ ট্রেড সেন্টার’ নামে বাণিজ্যিক ভবনের দ্বিতীয়তলায় ১ হাজার ৯১৯ বর্গফুটের বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট রয়েছে এই নোমানের নামে। জমিসহ এই ফ্ল্যাটের দাম দেখানো হয়েছে ৫৯ লাখ ৯ হাজার টাকা। এ বাণিজ্যিক ফ্ল্যাটের বর্তমান বাজারমূল্য ২ কোটি ৮৭ লাখ ৮ হাজার ৫০০ টাকা। সদ্য পুলিশে চাকরি পাওয়া নোমান প্রায় তিন কোটি টাকা দিয়ে একটি বাণিজ্যিক ফ্ল্যাট কেনার সামর্থ্য রাখেন কিনা- এ প্রশ্নে মিজান বলেন, এ সম্পদ আমার নামে নয়। এ কারণে আমি এ বিষয়ে আপনাদের কোনো তথ্য দিয়ে সহায়তা করতে পারছি না। এ সম্পদ নোমানের আয়কর ফাইলে দেখানো আছে বলে তিনি জানান।

এ প্রসঙ্গে ডিএমপির কোতোয়ালি থানার শিক্ষানবিশ এসআই মাহমুদুল হাসান নোমানের সঙ্গে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় যুগান্তর থেকে যোগাযোগ করা হয়। তার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হয়। তিনি একবারও ফোন ধরেননি।

বেইলি রোডের বেইলি রিজ আবাসিক ভবনে ডিআইজি মিজানের ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান স্বপনের নামে রয়েছে ২ হাজার ৪০০ বর্গফুটের আলিশান ওই ফ্ল্যাট। ওই ফ্ল্যাটের বাজারমূল্য ৩ কোটি ৬০ লাখ টাকা। যদিও জমির মূল্যসহ ফ্ল্যাটের সাফকবলা দলিলে দাম দেখানো হয়েছে ৪৯ লাখ ৪৯ হাজার টাকা। তার ভাই স্বপন গ্রামে থাকেন। একটি ফার্মেসি চালান। তার পক্ষে এত দামি একটি ফ্ল্যাট কেনা সম্ভব কিনা- মিজানকে এ প্রশ্নও করা হয়। তবে তিনি প্রশ্ন এড়িয়ে বলেন, এই সম্পদ আমার ভাইয়ের আয়কর ফাইলে দেখানো আছে। এর উৎস সম্পর্কে সে-ই ভালো বলতে পারবে।

এ প্রসঙ্গে মাহবুবুর রহমান স্বপন যুগান্তরকে বলেন, আমার আয়কর ফাইলে বেইলি রিজের ফ্ল্যাট দেখানো আছে। গ্রামে ফার্মেসির আয় দিয়ে ঢাকার বেইলি রোডের মতো জায়গায় ফ্ল্যাট কেনা সম্ভব কিনা- এ সংক্রান্ত প্রশ্ন করা হলে তিনি কোনো জবাব না দিয়ে ফোন রেখে দেন।

উত্তরায় ১৩ নম্বর সেক্টরে ৮ নম্বর রোডে ২৯ নম্বর বাড়িতে একটি ফ্ল্যাট আছে মিজানুর রহমানের স্ত্রী সোহেলীয়া আনার রতœার নামে। তিনি গুলশান পুলিশ প্লাজা মার্কেটে লেভেল ৩-এ ৩১৪ নম্বর ‘লেডিস মার্ট’ শো-রুম পরিচালনা করেন। এই সম্পদ অর্জনের উৎস জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের আয়কর ফাইলে এসব সম্পদ দেখানো আছে। দুদক এভাবে তার সম্পদের যত তথ্য পেয়েছে, সব সম্পদের বৈধ উৎস সম্পর্কে জানতে চায়। বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জে তার আলিশান বাড়ি করার পেছনে অর্থের উৎসও জানতে চেয়েছে দুদক। তিনি বলেন, এ বাড়িটি আমার আয়কর ফাইলে দেখানো আছে। পৈতৃক বাড়ি এটি। দুদকের একজন কর্মকর্তা বলেন, আমাদের অনুসন্ধান অব্যাহত আছে। মিজানকে প্রয়োজনে আবারও ডেকে নতুন তথ্য পেলে সে সম্পর্কে প্রশ্ন করা হবে। ডিআইজি মিজানুর রহমান ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এ বছরের জানুয়ারিতে তার ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ ওঠায় তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে গ্রেফতার করানোর অভিযোগও ওঠে তার বিরুদ্ধে। এছাড়া আছে নারী নির্যাতনেরও অভিযোগ। অভিযোগের প্রমাণ পায় পুলিশের তদন্ত কমিটিও। এর পরিপ্রেক্ষিতে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনারের পদ থেকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দফতরে সংযুক্ত করা হয়।

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.