মুক্তি মহাকাব্যের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু
jugantor
অশ্রুঝরা আগস্ট
মুক্তি মহাকাব্যের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৪ আগস্ট ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ একটি মহাকাব্য। আর এ মহাকাব্যের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর আজীবনের স্বপ্ন ছিল বাংলার স্বাধীনতা ও বাঙালির জাতিসত্তা প্রতিষ্ঠা। এ আদর্শেই তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেছেন। জেল-জুলুম সহ্য করেছেন। সারা জীবন আন্দোলন-সংগ্রাম ও লড়াই করে তিনি বাঙালির স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। কিন্তু কী দুর্ভাগ্য আমাদের, বাঙালি জাতির! আজীবনের স্বপ্নের সেই স্বাধীন বাংলাদেশেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ঘাতকের দল। অশ্রুঝরা আগস্টের ১৪তম দিন আজ। ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট ছিল বৃহস্পতিবার।

ঘাতকের বুলেট ‘স্বাধীনতার সূর্য’ বঙ্গবন্ধু নামের প্রদীপ নিভিয়ে দিলেও বাঙালির হৃদয় থেকে তাকে সরাতে পারেনি। একজন মানুষ মৃত্যুর পরেও যে কতটা শক্তিশালী, একটা জাতির কতটা জুড়ে থাকতে পারে তার উদাহরণ বঙ্গবন্ধু। কবির ভাষায়-‘আপনাকে তো নিয়েছে ওই ঘাসের নরম/কোল, জোৎস্নার কিছু শিশির প্রতি ভোরে/বাঁচিয়ে রাখে বাংলার রূপ, আপনি/অন্য মনে আছেন বলে আমরা/বলি, শেখ মুজিব ঘুমিয়ে আছেন/টুঙ্গিপাড়ায়;/বঙ্গবন্ধু, আপনার যখন সময় হবে/এসে ডাক দেবেন, সবাই আছে,/সোনার বাংলার স্বপ্নও আছে,/আছে কোটি কোটি জনতা,/‘ভায়েরা আমার’ বলে ডাকলেই/আমরা জয়ধ্বনি দিয়ে বলব,/জয় মুজিব, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় বাংলা।’

বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরঞ্জীব- তার চেতনা অবিনশ্বর। বাঙালির অস্থিমজ্জায় মিশে আছেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মুজিবাদর্শে শাণিত বাংলার আকাশ-বাতাস জল-সমতল। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী চেতনা ও আদর্শ চির প্রবহমান থাকবে। জাতির পিতা চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি উন্নয়নশীল, মর্যাদাবান জাতি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

বাঙালি জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ পালন করেছে। ২০২১-এ আমরা স্পর্শ করেছি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। ব্যাপক প্রস্তুতি থাকার পরও করোনাভাইরাসের কারণে সীমিত করতে হয়েছে এই দুই আয়োজন। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে শোকের মাসে সমগ্র জাতি একাত্ম হয়ে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করছে। বাঙালি জাতি বেদনাবিধুর পরিবেশে স্মরণ করবে পিতাকে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্রে বলীয়ান হবে।

অশ্রুঝরা আগস্ট

মুক্তি মহাকাব্যের মহানায়ক বঙ্গবন্ধু

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৪ আগস্ট ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে মুক্তিযুদ্ধ একটি মহাকাব্য। আর এ মহাকাব্যের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধুর আজীবনের স্বপ্ন ছিল বাংলার স্বাধীনতা ও বাঙালির জাতিসত্তা প্রতিষ্ঠা। এ আদর্শেই তিনি নিজেকে প্রস্তুত করেছেন। জেল-জুলুম সহ্য করেছেন। সারা জীবন আন্দোলন-সংগ্রাম ও লড়াই করে তিনি বাঙালির স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন। কিন্তু কী দুর্ভাগ্য আমাদের, বাঙালি জাতির! আজীবনের স্বপ্নের সেই স্বাধীন বাংলাদেশেই বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ঘাতকের দল। অশ্রুঝরা আগস্টের ১৪তম দিন আজ। ১৯৭৫ সালের ১৪ আগস্ট ছিল বৃহস্পতিবার।

ঘাতকের বুলেট ‘স্বাধীনতার সূর্য’ বঙ্গবন্ধু নামের প্রদীপ নিভিয়ে দিলেও বাঙালির হৃদয় থেকে তাকে সরাতে পারেনি। একজন মানুষ মৃত্যুর পরেও যে কতটা শক্তিশালী, একটা জাতির কতটা জুড়ে থাকতে পারে তার উদাহরণ বঙ্গবন্ধু। কবির ভাষায়-‘আপনাকে তো নিয়েছে ওই ঘাসের নরম/কোল, জোৎস্নার কিছু শিশির প্রতি ভোরে/বাঁচিয়ে রাখে বাংলার রূপ, আপনি/অন্য মনে আছেন বলে আমরা/বলি, শেখ মুজিব ঘুমিয়ে আছেন/টুঙ্গিপাড়ায়;/বঙ্গবন্ধু, আপনার যখন সময় হবে/এসে ডাক দেবেন, সবাই আছে,/সোনার বাংলার স্বপ্নও আছে,/আছে কোটি কোটি জনতা,/‘ভায়েরা আমার’ বলে ডাকলেই/আমরা জয়ধ্বনি দিয়ে বলব,/জয় মুজিব, জয় বঙ্গবন্ধু, জয় বাংলা।’

বাঙালির মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান চিরঞ্জীব- তার চেতনা অবিনশ্বর। বাঙালির অস্থিমজ্জায় মিশে আছেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। মুজিবাদর্শে শাণিত বাংলার আকাশ-বাতাস জল-সমতল। প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের কাছে শেখ মুজিবুর রহমানের অবিনাশী চেতনা ও আদর্শ চির প্রবহমান থাকবে। জাতির পিতা চেয়েছিলেন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে। বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের জনগণের মুক্তির যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তার সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যকে জয় করে বিশ্বসভায় একটি উন্নয়নশীল, মর্যাদাবান জাতি হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ। সারা বিশ্বে বাংলাদেশ আজ উন্নয়নের রোল মডেল।

বাঙালি জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী ‘মুজিববর্ষ’ পালন করেছে। ২০২১-এ আমরা স্পর্শ করেছি স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী। ব্যাপক প্রস্তুতি থাকার পরও করোনাভাইরাসের কারণে সীমিত করতে হয়েছে এই দুই আয়োজন। মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরে শোকের মাসে সমগ্র জাতি একাত্ম হয়ে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা আর বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় শোক দিবস পালন করছে। বাঙালি জাতি বেদনাবিধুর পরিবেশে স্মরণ করবে পিতাকে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শোককে শক্তিতে পরিণত করে এগিয়ে যাওয়ার মন্ত্রে বলীয়ান হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : অশ্রুঝরা আগস্ট