ইভ্যালির সিইও রাসেল ও স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার
jugantor
গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা
ইভ্যালির সিইও রাসেল ও স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার
বাসার সামনে গ্রাহকদের ভিড়-স্লোগান * গ্রাহকের অর্থ ফিরিয়ে দিতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে-র‌্যাব

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ই-কমার্স প্ল্যাটফরম ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল এবং তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের এক মামলায় বৃহস্পতিবার বিকালে সোয়া তিন ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের র‌্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়। অভিযানের খবর পেয়ে বিপুলসংখ্যক গ্রাহক রাসেলের বাসার সামনে ভিড় করেন। তারা গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানান। কারণ তাদের আশঙ্কা এর ফলে পাওনা আদায় কঠিন হয়ে যাবে। এর আগে বুধবার রাতে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক গুলশান থানায় মামলা করেন। যেখানে রাসেল ও তার স্ত্রীকে (ইভ্যালির চেয়ারম্যন) অভিযুক্ত করা হয়। মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

র‌্যাব জানায়, বিকাল ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের নয়তলা ভবনের চতুর্থতলায় রাসেলের ফ্ল্যাটে তাদের অভিযান শুরু হয়। বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে দুজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাবের একটি সাদা গাড়িতে করে সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে থেকেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিলেন রাসেল। একটি সূত্র বলছে, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার অফিসে যাননি রাসেল ও শামীমা। গ্রেফতার এড়াতে বুধবার রাত থেকে তারা একটু ‘সতর্ক’ হয়ে চলছিলেন।

গ্রেফতারের পর সন্ধ্যা সাতটার দিকে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, এক ভুক্তভোগীর প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের গ্রেফতার করে র‌্যাব সদর দপ্তরে আনা হয়েছে। এখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযানের সময় তার বাসা থেকে ব্যবসায়িক বিভিন্ন ডকুমেন্ট ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে শুক্রবার (আজ) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিফিং করা হবে।

গ্রাহকদের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগের বিষয়ে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছে। তারা পণ্য বা অর্থ ফিরিয়ে দিতে নিশ্চয়ই একটা ব্যবস্থা করবে।’

গ্রেফতারের পর মোহাম্মদপুরের নিলয় কমপ্রিহেনসিভ হোল্ডিংয়ের বাসা (হাউজ ৫/৫এ, স্যার সৈয়দ রোড) থেকে রাসেল ও তার স্ত্রীকে বের করতে বেগ পেতে হয় র‌্যাব সদস্যদের। বাসার বাইরে ভিড় জমানো গ্রাহকদের অনেকেই বলতে থাকেন, ‘গ্রেফতার করলে আমাদের সব শেষ। এই টাকা আর পাব না। আমরা তাকে সময় দিয়েছি। আমরা পণ্য চাই, না হলে টাকা চাই।’ এ সময় গ্রাহকরা রাসেলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে স্লোগান দেন।

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ইভ্যালির গ্রাহকরা বেশ উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায়। গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে গিয়ে এদের অনেকে কান্নায়ও ভেঙে পড়েন। সুমন নামের এক ভুক্তভোগী জানান, তার প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার অর্ডার রয়েছে ইভ্যালিতে। এতদিন টাকা বা পণ্য ফিরে পেতে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছেন তিনি। বলার একটা জায়গাও ছিল। কিন্তু গ্রেফতারের পর টাকা ফিরে পাওয়ার আর কোনো পথ দেখছেন না। জাহিদ হাসান নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ‘গ্রেফতার করে ঘটনার সমাধান হলে আমাদের পাওনা টাকারও সমাধান করতে হবে। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। যেহেতু রাসেল সাহেব কিছুদিন সময় চেয়েছেন, সেই সময়টা তো তাকে দেওয়াই যেত।’

যে মামলায় রাসেল ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেই মামলার এজাহারে বলা হয়, গ্রাহক আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে কিছু পণ্যের অর্ডার দেন। গত ২৯ মে থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ইভ্যালির পণ্যের মূল্য বাবদ ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা অনলাইন ব্যাংকিং ও একটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করেন গ্রাহক আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা। পণ্য ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে দিতে ব্যর্থ হলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরতের অঙ্গীকার করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ ৫ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির গ্রাহকসেবা শাখায় (কাস্টমস কেয়ার সেন্টার) যোগাযোগ করে পণ্য পেতে ব্যর্থ হন আরিফ। প্রতিবারই তারা পণ্য শিগগিরই দিয়ে দেবে বলে আশ্বস্ত করছিল।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ৯ সেপ্টেম্বর আরিফ বাকেরসহ তিনজন ধানমন্ডির ১৪ নম্বর রোডে ইভ্যালির অফিসে যান ও প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেলের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তারা বাধার শিকার হন। পরে বাকের বন্ধুদের নিয়ে ইভ্যালির অফিসে পণ্যের বিষয়ে কথা বলতে গেলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। একপর্যায়ে অফিসের ভেতর থেকে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল তাদের (আরিফ বাকের ও তার বন্ধু) ভয়ভীতি দেখান ও টাকা দিতে অস্বীকার করেন। শুধু তাই নয়, রাসেল তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। তখন ইভ্যালির চেয়ারম্যান (শামীমা) সেখানে উপস্থিত হয়ে বলেন, পণ্য অথবা টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। তিনিও ভয়ভীতি, হুমকি দেওয়াসহ চরম দুর্ব্যবহার করেন। এতে আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মামলায় বাদী (বাকের) বলেন, ইভ্যালি পণ্য বিক্রির নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তার মতো অসংখ্য গ্রাহকের ৭০০-৮০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এদিকে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এ নির্দেশ দিয়ে ২১ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।

গুলশান থানায় প্রতারণার মামলা

ইভ্যালির সিইও রাসেল ও স্ত্রী শামীমা গ্রেফতার

বাসার সামনে গ্রাহকদের ভিড়-স্লোগান * গ্রাহকের অর্থ ফিরিয়ে দিতে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে-র‌্যাব
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ই-কমার্স প্ল্যাটফরম ইভ্যালির প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল এবং তার স্ত্রী শামীমা নাসরিনকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের এক মামলায় বৃহস্পতিবার বিকালে সোয়া তিন ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুরের বাসা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। পরে তাদের র‌্যাব সদর দপ্তরে নেওয়া হয়। অভিযানের খবর পেয়ে বিপুলসংখ্যক গ্রাহক রাসেলের বাসার সামনে ভিড় করেন। তারা গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানান। কারণ তাদের আশঙ্কা এর ফলে পাওনা আদায় কঠিন হয়ে যাবে। এর আগে বুধবার রাতে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে আরিফ বাকের নামের এক গ্রাহক গুলশান থানায় মামলা করেন। যেখানে রাসেল ও তার স্ত্রীকে (ইভ্যালির চেয়ারম্যন) অভিযুক্ত করা হয়। মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

র‌্যাব জানায়, বিকাল ৪টার দিকে মোহাম্মদপুরের স্যার সৈয়দ রোডের নয়তলা ভবনের চতুর্থতলায় রাসেলের ফ্ল্যাটে তাদের অভিযান শুরু হয়। বিকাল ৫টা ২০ মিনিটে দুজনকে গ্রেফতার করে র‌্যাবের একটি সাদা গাড়িতে করে সদর দপ্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে থেকেই গোয়েন্দা নজরদারিতে ছিলেন রাসেল। একটি সূত্র বলছে, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে মামলা দায়েরের পর বৃহস্পতিবার অফিসে যাননি রাসেল ও শামীমা। গ্রেফতার এড়াতে বুধবার রাত থেকে তারা একটু ‘সতর্ক’ হয়ে চলছিলেন।

গ্রেফতারের পর সন্ধ্যা সাতটার দিকে র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, এক ভুক্তভোগীর প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাদের গ্রেফতার করে র‌্যাব সদর দপ্তরে আনা হয়েছে। এখানে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অভিযানের সময় তার বাসা থেকে ব্যবসায়িক বিভিন্ন ডকুমেন্ট ছাড়া তেমন কিছু পাওয়া যায়নি। এ বিষয়ে শুক্রবার (আজ) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিফিং করা হবে।

গ্রাহকদের অর্থ ফিরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগের বিষয়ে র‌্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘সরকারের বিভিন্ন সংস্থা এই বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছে। তারা পণ্য বা অর্থ ফিরিয়ে দিতে নিশ্চয়ই একটা ব্যবস্থা করবে।’

গ্রেফতারের পর মোহাম্মদপুরের নিলয় কমপ্রিহেনসিভ হোল্ডিংয়ের বাসা (হাউজ ৫/৫এ, স্যার সৈয়দ রোড) থেকে রাসেল ও তার স্ত্রীকে বের করতে বেগ পেতে হয় র‌্যাব সদস্যদের। বাসার বাইরে ভিড় জমানো গ্রাহকদের অনেকেই বলতে থাকেন, ‘গ্রেফতার করলে আমাদের সব শেষ। এই টাকা আর পাব না। আমরা তাকে সময় দিয়েছি। আমরা পণ্য চাই, না হলে টাকা চাই।’ এ সময় গ্রাহকরা রাসেলকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে স্লোগান দেন।

ঘটনাস্থলে দেখা যায়, ইভ্যালির গ্রাহকরা বেশ উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায়। গণমাধ্যমের সামনে কথা বলতে গিয়ে এদের অনেকে কান্নায়ও ভেঙে পড়েন। সুমন নামের এক ভুক্তভোগী জানান, তার প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার অর্ডার রয়েছে ইভ্যালিতে। এতদিন টাকা বা পণ্য ফিরে পেতে বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছেন তিনি। বলার একটা জায়গাও ছিল। কিন্তু গ্রেফতারের পর টাকা ফিরে পাওয়ার আর কোনো পথ দেখছেন না। জাহিদ হাসান নামের আরেক গ্রাহক বলেন, ‘গ্রেফতার করে ঘটনার সমাধান হলে আমাদের পাওনা টাকারও সমাধান করতে হবে। আমরা নিঃস্ব হয়ে গেছি। যেহেতু রাসেল সাহেব কিছুদিন সময় চেয়েছেন, সেই সময়টা তো তাকে দেওয়াই যেত।’

যে মামলায় রাসেল ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে সেই মামলার এজাহারে বলা হয়, গ্রাহক আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা ইভ্যালির চমকপ্রদ বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে ওই প্রতিষ্ঠানে কিছু পণ্যের অর্ডার দেন। গত ২৯ মে থেকে ১৬ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন সময় ইভ্যালির পণ্যের মূল্য বাবদ ৩ লাখ ১০ হাজার ৫৯৭ টাকা অনলাইন ব্যাংকিং ও একটি ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে পরিশোধ করেন গ্রাহক আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা। পণ্য ৭ থেকে ৪৫ দিনের মধ্যে দিতে ব্যর্থ হলে সম্পূর্ণ টাকা ফেরতের অঙ্গীকার করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। সর্বশেষ ৫ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির গ্রাহকসেবা শাখায় (কাস্টমস কেয়ার সেন্টার) যোগাযোগ করে পণ্য পেতে ব্যর্থ হন আরিফ। প্রতিবারই তারা পণ্য শিগগিরই দিয়ে দেবে বলে আশ্বস্ত করছিল।

মামলার অভিযোগে আরও বলা হয়, ৯ সেপ্টেম্বর আরিফ বাকেরসহ তিনজন ধানমন্ডির ১৪ নম্বর রোডে ইভ্যালির অফিসে যান ও প্রতিষ্ঠানের নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেলের সঙ্গে দেখা করতে চাইলে তারা বাধার শিকার হন। পরে বাকের বন্ধুদের নিয়ে ইভ্যালির অফিসে পণ্যের বিষয়ে কথা বলতে গেলে প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা চিৎকার-চেঁচামেচি করেন। একপর্যায়ে অফিসের ভেতর থেকে ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাসেল তাদের (আরিফ বাকের ও তার বন্ধু) ভয়ভীতি দেখান ও টাকা দিতে অস্বীকার করেন। শুধু তাই নয়, রাসেল তাদের প্রাণনাশের হুমকি দেন। তখন ইভ্যালির চেয়ারম্যান (শামীমা) সেখানে উপস্থিত হয়ে বলেন, পণ্য অথবা টাকা ফেরত দেওয়া হবে না। তিনিও ভয়ভীতি, হুমকি দেওয়াসহ চরম দুর্ব্যবহার করেন। এতে আরিফ বাকের ও তার বন্ধুরা আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

মামলায় বাদী (বাকের) বলেন, ইভ্যালি পণ্য বিক্রির নামে নানা প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে তার মতো অসংখ্য গ্রাহকের ৭০০-৮০০ কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।

এদিকে প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বৃহস্পতিবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এ নির্দেশ দিয়ে ২১ অক্টোবরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন