ই-কমার্স ব্যবসায় আইন চান অ্যাটর্নি জেনারেল
jugantor
ই-কমার্স ব্যবসায় আইন চান অ্যাটর্নি জেনারেল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গ্রাহকদের প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে ই-কমার্স ব্যবসাকে আইনের আওতাভুক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রোববার সুপ্রিম কোর্টের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই ই-কমার্সের ব্যবসা আছে। এটা জনপ্রিয় একটা সাইট। আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসা নতুন। কতিপয় অসাধু ব্যক্তি তাদের অসাধু কার্যকলাপের জন্য ই-কমার্সের ব্যবসা পেছনের দিকে নিয়ে গেল। নতুন একটা ব্যবসায় মানুষজন কাজ করতে পারত। সেটাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়ে নষ্ট করা হলো।

রাষ্ট্রের প্রধান এ আইন কর্মকর্তা আরও বলেন, আমার জানা মতে ই-কমার্স নিয়ে কোনো আইন হয়নি। এটাকে আইনের আওতাভুক্ত করতে হবে। আমি মনে করি যারা এ ধরনের ব্যবসা করবে তাদের কাছ থেকে একটা সিকিউরিটি(জামানত) বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ে তাদের লাইসেন্স দেবে। সেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো ধরনের প্রতারণার শিকার হন, তাদের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি মানি থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে। আর কেউ প্রতারিত হলে সে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করতে পারে।

এছাড়া ক্রেতাকে সাবধান হতে হবে। আমি সবাইকে একটা পরামর্শ দেব, কোনো ধরনের বিনিয়োগ করার আগে, কোনো পণ্য অর্ডার করার আগে দয়া করে করে এর ভালো-মন্দ দিকটা ক্ষতিয়ে দেখে তারপর অর্ডার করবেন।

এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, আমি মনেকরি, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বার্থে ই-কমার্স আপাতত বন্ধ করে দিয়ে একটি আইন করা উচিত। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা আছে অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইন জারি করা। তিনি বলেন, ‘‘কিছু তথ্য উপাত্ত দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান চলমান, অনেক দূর কাজ হয়ে গেছে, তবে আপাত দৃষ্টিতে বলা যাচ্ছে, মানি লন্ডারিং উপাদান থাকতে পারে। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটা বলা যাবেনা। যদি মানি লন্ডারিং হয়ে থাকে দুদক সে অনুযায়ী মামলা করবে।

ই-কমার্স ব্যবসায় আইন চান অ্যাটর্নি জেনারেল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

গ্রাহকদের প্রতারণার হাত থেকে বাঁচাতে ই-কমার্স ব্যবসাকে আইনের আওতাভুক্ত করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন। রোববার সুপ্রিম কোর্টের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, পৃথিবীর সব দেশেই ই-কমার্সের ব্যবসা আছে। এটা জনপ্রিয় একটা সাইট। আমাদের দেশে ই-কমার্স ব্যবসা নতুন। কতিপয় অসাধু ব্যক্তি তাদের অসাধু কার্যকলাপের জন্য ই-কমার্সের ব্যবসা পেছনের দিকে নিয়ে গেল। নতুন একটা ব্যবসায় মানুষজন কাজ করতে পারত। সেটাকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিয়ে নষ্ট করা হলো।

রাষ্ট্রের প্রধান এ আইন কর্মকর্তা আরও বলেন, আমার জানা মতে ই-কমার্স নিয়ে কোনো আইন হয়নি। এটাকে আইনের আওতাভুক্ত করতে হবে। আমি মনে করি যারা এ ধরনের ব্যবসা করবে তাদের কাছ থেকে একটা সিকিউরিটি(জামানত) বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ে তাদের লাইসেন্স দেবে। সেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি যদি কোনো ধরনের প্রতারণার শিকার হন, তাদের ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সিকিউরিটি মানি থেকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া যেতে পারে। আর কেউ প্রতারিত হলে সে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা করতে পারে।

এছাড়া ক্রেতাকে সাবধান হতে হবে। আমি সবাইকে একটা পরামর্শ দেব, কোনো ধরনের বিনিয়োগ করার আগে, কোনো পণ্য অর্ডার করার আগে দয়া করে করে এর ভালো-মন্দ দিকটা ক্ষতিয়ে দেখে তারপর অর্ডার করবেন।

এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, আমি মনেকরি, বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর স্বার্থে ই-কমার্স আপাতত বন্ধ করে দিয়ে একটি আইন করা উচিত। রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা আছে অধ্যাদেশের মাধ্যমে আইন জারি করা। তিনি বলেন, ‘‘কিছু তথ্য উপাত্ত দেওয়া হয়েছে। অনুসন্ধান চলমান, অনেক দূর কাজ হয়ে গেছে, তবে আপাত দৃষ্টিতে বলা যাচ্ছে, মানি লন্ডারিং উপাদান থাকতে পারে। অনুসন্ধান শেষ না হওয়া পর্যন্ত এটা বলা যাবেনা। যদি মানি লন্ডারিং হয়ে থাকে দুদক সে অনুযায়ী মামলা করবে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন