ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় উপচেপড়া ভিড়
jugantor
ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় উপচেপড়া ভিড়

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় উপচেপড়া ভিড়

চিড়িয়াখানাসহ রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোয় শুক্রবার ছিল উপচেপড়া ভিড়। করোনাকালে ঘরবন্দি শিশুরা বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মুক্ত পরিবেশ পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে। মুক্ত পরিবেশে ঘুরতে পেরে তারা বেজায় খুশি।

জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক আব্দুল লতিফ জানান, করোনাভাইরাস মহামারিতে বন্ধ থাকার পর চিড়িয়াখানা খোলামাত্রই দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় হচ্ছে। তবে মাস্ক ছাড়া কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সব দর্শনার্থীর শরীরের তাপমাত্রা (টেম্পারেচার) মাপা হচ্ছে। ভেতরে ঢোকার সময় আমরা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছি।

এদিকে অতিরিক্ত দর্শনার্থীর আগমনে খাঁচার প্রাণীরা একটু বিচলিত। তবে তাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তায় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন কিছু স্বেচ্ছাসেবক। বঙ্গবন্ধুর জš§শতবর্ষ উপলক্ষ্যে এ বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি মাসের প্রথম রোববার দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে পারবেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০২০ সালের ২ এপ্রিল চিড়িয়াখানা বন্ধ ঘোষণা করেছিল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ বছর ২৭ আগস্ট চিড়িয়াখানা আবার খোলা হয়।

শুক্রবার চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখা যায়-মানুষের উপচেপড়া ভিড়। একটু খোলা জায়গায় ঘেরার জন্য তারা ছুটির দিনটিকে বেছে নিয়েছেন। তরুণ-তরুণীদের সংখ্যা বেশি হলেও শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরাও এসেছেন চিড়িয়াখানায়। কেউ কেউ এসেছেন সপরিবারে। ঢাকার সায়েদাবাদ, বসিলা, কমলাপুর কিংবা পুরান ঢাকা থেকে যেমন এসেছেন দর্শনার্থীরা, তেমনি এসেছেন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জায়গা থেকেও।

চিড়িয়াখানায় সব সময় আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে বাঘ। শুক্রবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। শিশু থেকে বুড়ো সবাই ভিড় করেন বাঘের খাঁচার সামনে। কেউ কেউ হাতির পিঠে চড়েছেন। অনেকে না চড়লেও দূর থেকে হাতি দেখেছেন।

এদিকে হাতিরঝিল এলাকায় ছিল সাধারণ মানুষের মিলনমেলা। বিকাল থেকে জড়ো হতে থাকে মানুষ। যাত্রাবাড়ী থেকে আসা সেলিম মিয়া জানান, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। তার খুব ভালো লাগছে। তার ইচ্ছে করে প্রতি শুক্রবার এখানে আসতে। ঝিল এলাকায় অস্থায়ী খাবার দোকানগুলোয়ও বিক্রি জমেছে। একাধিক বিক্রেতা জানান, শুক্রবারের জন্য তারা অপেক্ষায় থাকেন। অনেক লোক আসায় তাদের সব খাবার বিক্রি হয়ে যায়।

ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় উপচেপড়া ভিড়

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ছুটির দিনে চিড়িয়াখানায় উপচেপড়া ভিড়
ফাইল ছবি

চিড়িয়াখানাসহ রাজধানীর বিনোদন কেন্দ্রগুলোয় শুক্রবার ছিল উপচেপড়া ভিড়। করোনাকালে ঘরবন্দি শিশুরা বিনোদন কেন্দ্রগুলোর মুক্ত পরিবেশ পেয়ে কিছুটা স্বস্তি পাচ্ছে। মুক্ত পরিবেশে ঘুরতে পেরে তারা বেজায় খুশি।

জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক আব্দুল লতিফ জানান, করোনাভাইরাস মহামারিতে বন্ধ থাকার পর চিড়িয়াখানা খোলামাত্রই দর্শনার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের উপচেপড়া ভিড় হচ্ছে। তবে মাস্ক ছাড়া কাউকে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। সব দর্শনার্থীর শরীরের তাপমাত্রা (টেম্পারেচার) মাপা হচ্ছে। ভেতরে ঢোকার সময় আমরা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করছি।

এদিকে অতিরিক্ত দর্শনার্থীর আগমনে খাঁচার প্রাণীরা একটু বিচলিত। তবে তাদের জন্য বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তায় কর্তৃপক্ষের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় রয়েছেন কিছু স্বেচ্ছাসেবক। বঙ্গবন্ধুর জš§শতবর্ষ উপলক্ষ্যে এ বছর ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রতি মাসের প্রথম রোববার দর্শনার্থীরা বিনামূল্যে চিড়িয়াখানায় প্রবেশ করতে পারবেন। করোনাভাইরাস সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় ২০২০ সালের ২ এপ্রিল চিড়িয়াখানা বন্ধ ঘোষণা করেছিল মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। এ বছর ২৭ আগস্ট চিড়িয়াখানা আবার খোলা হয়।

শুক্রবার চিড়িয়াখানায় গিয়ে দেখা যায়-মানুষের উপচেপড়া ভিড়। একটু খোলা জায়গায় ঘেরার জন্য তারা ছুটির দিনটিকে বেছে নিয়েছেন। তরুণ-তরুণীদের সংখ্যা বেশি হলেও শিশু ও বয়োজ্যেষ্ঠরাও এসেছেন চিড়িয়াখানায়। কেউ কেউ এসেছেন সপরিবারে। ঢাকার সায়েদাবাদ, বসিলা, কমলাপুর কিংবা পুরান ঢাকা থেকে যেমন এসেছেন দর্শনার্থীরা, তেমনি এসেছেন ঢাকার বাইরের বিভিন্ন জায়গা থেকেও।

চিড়িয়াখানায় সব সময় আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে বাঘ। শুক্রবারও এর ব্যতিক্রম হয়নি। শিশু থেকে বুড়ো সবাই ভিড় করেন বাঘের খাঁচার সামনে। কেউ কেউ হাতির পিঠে চড়েছেন। অনেকে না চড়লেও দূর থেকে হাতি দেখেছেন।

এদিকে হাতিরঝিল এলাকায় ছিল সাধারণ মানুষের মিলনমেলা। বিকাল থেকে জড়ো হতে থাকে মানুষ। যাত্রাবাড়ী থেকে আসা সেলিম মিয়া জানান, পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘুরতে এসেছেন। তার খুব ভালো লাগছে। তার ইচ্ছে করে প্রতি শুক্রবার এখানে আসতে। ঝিল এলাকায় অস্থায়ী খাবার দোকানগুলোয়ও বিক্রি জমেছে। একাধিক বিক্রেতা জানান, শুক্রবারের জন্য তারা অপেক্ষায় থাকেন। অনেক লোক আসায় তাদের সব খাবার বিক্রি হয়ে যায়।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন