এসএসসি শুরু ১৪ নভেম্বর এইচএসসি ২ ডিসেম্বর
jugantor
এসএসসি শুরু ১৪ নভেম্বর এইচএসসি ২ ডিসেম্বর
এবারও হচ্ছে না জেএসসি পরীক্ষা

  মুসতাক আহমদ  

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জেএসসি পরীক্ষা এবারও হচ্ছে না। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জেএসসি ও সমমানের এই পরীক্ষায় এবার পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ২৪ লাখ। করোনা মহামারির কারণে সরকার গত বছরও এই পরীক্ষা বাতিল করেছিল। সোমবার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। ১৪ নভেম্বর এসএসসি এবং ২ ডিসেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এবার আবশ্যিক ও অতিরিক্ত কোনো বিষয়ে পরীক্ষা হচ্ছে না। কেবল নৈর্বাচনিক তিন বিষয়ে পরীক্ষা হচ্ছে। পরীক্ষার সময় দেড় ঘণ্টা। বিভিন্ন বিভাগ থাকায় এসএসসিতে মোট ১০টিতে পরীক্ষা হবে। ফলে এই পরীক্ষা শেষ হবে ২৩ নভেম্বর। সকাল-বিকাল উভয় বেলা পরীক্ষা আছে। বিকালে নির্ধারিত তিনটি পরীক্ষাই বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের। একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষাও কেবল নৈর্বাচনিক বিষয়ে হচ্ছে। কিন্তু এই স্তরে প্রতি বিষয়ের দুটি করে পত্র আছে। ফলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৬টি পত্রের পরীক্ষা দিতে হবে। বিভিন্ন বিভাগ থাকায় এই স্তরে মোট ৫০ বিষয়ে হবে পরীক্ষা। উভয় পরীক্ষার সময়সূচি বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। দেশে বর্তমানে ৯টি সাধারণ এবং বিশেষায়িত শিক্ষার দুটি বোর্ড আছে।

এর আগে দাখিল পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশ করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। এটিও আগামী ১৪ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ২১ নভেম্বর। দাখিলেও প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা তিনটি করে নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা দেবে। গত বৃহস্পতিবার পরীক্ষার সময়সূচি বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামাল উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, আলিম পরীক্ষাও এইচএসসির মতো ২ ডিসেম্বর শুরু হবে। অনুমোদিত রুটিন মন্ত্রণালয় থেকে এলে তা প্রকাশ করা হবে। ইতঃপূর্বের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসএসসি, এইচএসসি এবং দাখিল ও আলিমসহ সমমানের পরীক্ষা এবার আংশিক নম্বরে নেওয়া হবে। এজন্য ‘কাস্টমাইজড’ (প্রয়োজনের নিরিখে বিশেষায়িত) সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যাবহারিক পরীক্ষা আগে কেন্দ্রীয়ভাবে হলেও এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেই তা নেওয়ার ভার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই পরীক্ষার খাতা সংগ্রহ ও নম্বর দেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি তা পাঠানো হচ্ছে শিক্ষা বোর্ডে।

চার পরীক্ষার নম্বর বণ্টন চূড়ান্ত : মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এসএসসি ও এইচএসসি এবং দাখিল ও আলিম পরীক্ষার নম্বর বণ্টন ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। এই চার শাখার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ৩৭ নম্বরে পরীক্ষা দেবে। আর মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের যাদের ব্যাবহারিক নেই, তাদের পরীক্ষা হবে ৪৫ নম্বরে। আর যাদের ব্যাবহারিক আছে, তাদের পরীক্ষা হবে ৩৭ নম্বরে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যাবহারিক পরীক্ষা দেবে ৫ নম্বরে। স্বাভাবিক সময়ে পরীক্ষা হতো ২৫ নম্বরে। সৃজনশীল প্রশ্নের (সিকিউ) অংশে পরীক্ষা হতো ৫০ নম্বরে। ৮টি প্রশ্ন থাকত, উত্তর লিখতে হতো ৫টি। আর এখন ৮টি প্রশ্নই থাকবে; কিন্তু উত্তর লিখতে হবে ২টি। পূর্ণমান থাকবে ২০। এমসিকিউ ২৫টি প্রশ্ন থাকত এবং সবকটির উত্তর দিতে হতো। এখন ২৫টিই থাকবে, উত্তর করতে হবে ১২টির। এই একই নীতি থাকবে মানবিক আর বিজনেস স্টাডিজ বিভাগে যাদের ব্যাবহারিক বিষয় আছে (যেমন: কৃষিশিক্ষা, গার্হস্থ্য অর্থনীতি, পরিসংখ্যান, ভূগোল ও পরিবেশ)।
এছাড়া মানবিক আর বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হচ্ছে-সিকিউ অংশে ১১টি প্রশ্নের মধ্যে ৩টির উত্তর লিখতে হবে ৩০ নম্বরে। আগে ১১টি প্রশ্ন থাকত, লিখতে হতো ৭টি। আর এমসিকিউ আগে ৩০টি প্রশ্ন থাকত, যার সবকটির উত্তর করতে হতো। এখন ৩০টিই থাকবে; কিন্তু যে কোনো ১৫টির উত্তর দিতে হবে।
জানতে চাইলে এসব তথ্য নিশ্চিত করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বিভাগ অনুযায়ী ৩৭ বা ৪৫ নম্বরে পরীক্ষা হলেও আমরা আগের মতোই শতভাগ নম্বরে মূল্যায়ন করে ফল দেব। যেমন: আগে বিজ্ঞানে ২৫ নম্বরের ব্যাবহারিক, ২৫ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৫০ নম্বরের সিকিউ প্রশ্ন হতো। আর মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজে ব্যাবহারিকবিহীন বিষয়ে ৭০ নম্বরে সিকিউ ও ৩০ নম্বরে এমসিকিউ পরীক্ষা হতো। এবারও নির্ধারিত পূর্ণমানের মধ্যে শিক্ষার্থী যা পাবে সেটা শতভাগে রূপান্তর করা হবে।

জেএসসি : এদিকে এবারের জেএসসি পরীক্ষাও না নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সাধারণত নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই পরীক্ষা শুরু করা হয়। কিন্তু এবার তখন এসএসসি পরীক্ষা থাকছে। তাছাড়া প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের রূপরেখা অনুযায়ী এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। ২০২৩ সালে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার ঘোষণা ইতোমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী দিয়েছেন। তবে পরিস্থিতির কারণে এই পরীক্ষা আর না নেওয়ার চিন্তা আছে। কিন্তু এই ঘোষণা এখনই মন্ত্রণালয় দিচ্ছে না। নাম প্রকাশ না করে মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তা জানান, এবারের পরীক্ষা বাতিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করবেন শিক্ষামন্ত্রী।

এসএসসি শুরু ১৪ নভেম্বর এইচএসসি ২ ডিসেম্বর

এবারও হচ্ছে না জেএসসি পরীক্ষা
 মুসতাক আহমদ 
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

জেএসসি পরীক্ষা এবারও হচ্ছে না। এ ব্যাপারে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। শিগগিরই সংবাদ সম্মেলন করে বিষয়টি জানাবেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। জেএসসি ও সমমানের এই পরীক্ষায় এবার পরীক্ষার্থী ছিল প্রায় ২৪ লাখ। করোনা মহামারির কারণে সরকার গত বছরও এই পরীক্ষা বাতিল করেছিল। সোমবার এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন প্রকাশ করা হয়েছে। ১৪ নভেম্বর এসএসসি এবং ২ ডিসেম্বর এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হবে। এবার আবশ্যিক ও অতিরিক্ত কোনো বিষয়ে পরীক্ষা হচ্ছে না। কেবল নৈর্বাচনিক তিন বিষয়ে পরীক্ষা হচ্ছে। পরীক্ষার সময় দেড় ঘণ্টা। বিভিন্ন বিভাগ থাকায় এসএসসিতে মোট ১০টিতে পরীক্ষা হবে। ফলে এই পরীক্ষা শেষ হবে ২৩ নভেম্বর। সকাল-বিকাল উভয় বেলা পরীক্ষা আছে। বিকালে নির্ধারিত তিনটি পরীক্ষাই বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের। একইভাবে এইচএসসি পরীক্ষাও কেবল নৈর্বাচনিক বিষয়ে হচ্ছে। কিন্তু এই স্তরে প্রতি বিষয়ের দুটি করে পত্র আছে। ফলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে ৬টি পত্রের পরীক্ষা দিতে হবে। বিভিন্ন বিভাগ থাকায় এই স্তরে মোট ৫০ বিষয়ে হবে পরীক্ষা। উভয় পরীক্ষার সময়সূচি বিভিন্ন শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। দেশে বর্তমানে ৯টি সাধারণ এবং বিশেষায়িত শিক্ষার দুটি বোর্ড আছে।

এর আগে দাখিল পরীক্ষার সময়সূচিও প্রকাশ করেছে মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। এটিও আগামী ১৪ নভেম্বর শুরু হয়ে শেষ হবে ২১ নভেম্বর। দাখিলেও প্রতিটি বিভাগের শিক্ষার্থীরা তিনটি করে নৈর্বাচনিক বিষয়ে পরীক্ষা দেবে। গত বৃহস্পতিবার পরীক্ষার সময়সূচি বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে। এ বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কামাল উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, আলিম পরীক্ষাও এইচএসসির মতো ২ ডিসেম্বর শুরু হবে। অনুমোদিত রুটিন মন্ত্রণালয় থেকে এলে তা প্রকাশ করা হবে। ইতঃপূর্বের সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এসএসসি, এইচএসসি এবং দাখিল ও আলিমসহ সমমানের পরীক্ষা এবার আংশিক নম্বরে নেওয়া হবে। এজন্য ‘কাস্টমাইজড’ (প্রয়োজনের নিরিখে বিশেষায়িত) সিলেবাস প্রকাশ করা হয়েছে। ব্যাবহারিক পরীক্ষা আগে কেন্দ্রীয়ভাবে হলেও এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকেই তা নেওয়ার ভার দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই পরীক্ষার খাতা সংগ্রহ ও নম্বর দেওয়ার কাজ চলছে। পাশাপাশি তা পাঠানো হচ্ছে শিক্ষা বোর্ডে।

চার পরীক্ষার নম্বর বণ্টন চূড়ান্ত : মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, এসএসসি ও এইচএসসি এবং দাখিল ও আলিম পরীক্ষার নম্বর বণ্টন ইতোমধ্যে চূড়ান্ত হয়েছে। এই চার শাখার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ৩৭ নম্বরে পরীক্ষা দেবে। আর মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের যাদের ব্যাবহারিক নেই, তাদের পরীক্ষা হবে ৪৫ নম্বরে। আর যাদের ব্যাবহারিক আছে, তাদের পরীক্ষা হবে ৩৭ নম্বরে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা ব্যাবহারিক পরীক্ষা দেবে ৫ নম্বরে। স্বাভাবিক সময়ে পরীক্ষা হতো ২৫ নম্বরে। সৃজনশীল প্রশ্নের (সিকিউ) অংশে পরীক্ষা হতো ৫০ নম্বরে। ৮টি প্রশ্ন থাকত, উত্তর লিখতে হতো ৫টি। আর এখন ৮টি প্রশ্নই থাকবে; কিন্তু উত্তর লিখতে হবে ২টি। পূর্ণমান থাকবে ২০। এমসিকিউ ২৫টি প্রশ্ন থাকত এবং সবকটির উত্তর দিতে হতো। এখন ২৫টিই থাকবে, উত্তর করতে হবে ১২টির। এই একই নীতি থাকবে মানবিক আর বিজনেস স্টাডিজ বিভাগে যাদের ব্যাবহারিক বিষয় আছে (যেমন: কৃষিশিক্ষা, গার্হস্থ্য অর্থনীতি, পরিসংখ্যান, ভূগোল ও পরিবেশ)।
এছাড়া মানবিক আর বিজনেস স্টাডিজ বিভাগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হচ্ছে-সিকিউ অংশে ১১টি প্রশ্নের মধ্যে ৩টির উত্তর লিখতে হবে ৩০ নম্বরে। আগে ১১টি প্রশ্ন থাকত, লিখতে হতো ৭টি। আর এমসিকিউ আগে ৩০টি প্রশ্ন থাকত, যার সবকটির উত্তর করতে হতো। এখন ৩০টিই থাকবে; কিন্তু যে কোনো ১৫টির উত্তর দিতে হবে।
জানতে চাইলে এসব তথ্য নিশ্চিত করে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক এসএম আমিরুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, বিভাগ অনুযায়ী ৩৭ বা ৪৫ নম্বরে পরীক্ষা হলেও আমরা আগের মতোই শতভাগ নম্বরে মূল্যায়ন করে ফল দেব। যেমন: আগে বিজ্ঞানে ২৫ নম্বরের ব্যাবহারিক, ২৫ নম্বরের এমসিকিউ এবং ৫০ নম্বরের সিকিউ প্রশ্ন হতো। আর মানবিক ও বিজনেস স্টাডিজে ব্যাবহারিকবিহীন বিষয়ে ৭০ নম্বরে সিকিউ ও ৩০ নম্বরে এমসিকিউ পরীক্ষা হতো। এবারও নির্ধারিত পূর্ণমানের মধ্যে শিক্ষার্থী যা পাবে সেটা শতভাগে রূপান্তর করা হবে।

জেএসসি : এদিকে এবারের জেএসসি পরীক্ষাও না নেওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সাধারণত নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহে এই পরীক্ষা শুরু করা হয়। কিন্তু এবার তখন এসএসসি পরীক্ষা থাকছে। তাছাড়া প্রস্তাবিত শিক্ষাক্রমের রূপরেখা অনুযায়ী এই পরীক্ষা নেওয়া হচ্ছে না। ২০২৩ সালে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করার ঘোষণা ইতোমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী দিয়েছেন। তবে পরিস্থিতির কারণে এই পরীক্ষা আর না নেওয়ার চিন্তা আছে। কিন্তু এই ঘোষণা এখনই মন্ত্রণালয় দিচ্ছে না। নাম প্রকাশ না করে মন্ত্রণালয়ের একজন শীর্ষপর্যায়ের কর্মকর্তা জানান, এবারের পরীক্ষা বাতিল সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করবেন শিক্ষামন্ত্রী।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন