বিক্ষোভকারীদের ইটপাটকেল পুলিশের লাঠিচার্জ
jugantor
কুমিল্লার ঘটনায় ঢাকায় মিছিল
বিক্ষোভকারীদের ইটপাটকেল পুলিশের লাঠিচার্জ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১৬ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লায় পবিত্র কুরআন অবমাননার অভিযোগে ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে একদল মুসল্লি। শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে মিছিলটি বের হয়ে কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড়ের কাছে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। তা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যেতে চাইলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে বিক্ষোভকারীরা কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এদের একটি অংশ আশপাশের অলিগলিতে অবস্থান নেয়। পুলিশ তাদের বের হওয়ার সুযোগ করে দিতে কিছুটা দূরে অবস্থান নেয়। কিন্তু তারা সরে না গিয়ে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। তিন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

জুমার নামাজ শেষে কয়েকশ মুসল্লি ‘মালিবাগ মুসলিম যুব সমাজ’ ব্যানারে মিছিলটি নিয়ে এগোতে থাকে। পুলিশের বাধার মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে সংঘর্ষে জড়ায় তারা। বিক্ষোভকারীরা কাকরাইল ও বিজয়নগরের বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়তে থাকে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও শটগানের গুলি ছোড়ে। বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দিলে পুলিশের জলকামান দিয়ে তা নেভানো হয়। সংঘর্ষের ফলে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গুলিস্তান, পল্টন ও কাকরাইল এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকে। সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আহাদ বলেন, মিছিল শুরু হলে আমরা তাদের বাধা দেইনি। কাকরাইলের কাছে এলে আমরা বলেছি, এ পর্যন্ত এসেছেন এখন ফিরে যান। তখন তারা আমাদের দিকে ইটপাটকেল ছোড়ে। পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। আমাদের বিশ্বাস ছিল শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করে তারা ফিরে যাবে। কিন্তু কাকরাইলে এসে যেভাবে ভায়োলেন্ট হয়ে গেল এটা অপ্রত্যাশিত।

কুমিল্লার ঘটনায় ঢাকায় মিছিল

বিক্ষোভকারীদের ইটপাটকেল পুলিশের লাঠিচার্জ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লায় পবিত্র কুরআন অবমাননার অভিযোগে ঢাকায় বিক্ষোভ মিছিল বের করে একদল মুসল্লি। শুক্রবার বায়তুল মোকাররম মসজিদ থেকে মিছিলটি বের হয়ে কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল মোড়ের কাছে গেলে পুলিশ বাধা দেয়। তা উপেক্ষা করে বিক্ষোভকারীরা এগিয়ে যেতে চাইলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এতে বিক্ষোভকারীরা কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়। এদের একটি অংশ আশপাশের অলিগলিতে অবস্থান নেয়। পুলিশ তাদের বের হওয়ার সুযোগ করে দিতে কিছুটা দূরে অবস্থান নেয়। কিন্তু তারা সরে না গিয়ে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। তিন বিক্ষোভকারীকে আটক করেছে পুলিশ।

জুমার নামাজ শেষে কয়েকশ মুসল্লি ‘মালিবাগ মুসলিম যুব সমাজ’ ব্যানারে মিছিলটি নিয়ে এগোতে থাকে। পুলিশের বাধার মুখে ছত্রভঙ্গ হয়ে সংঘর্ষে জড়ায় তারা। বিক্ষোভকারীরা কাকরাইল ও বিজয়নগরের বিভিন্ন গলিতে ঢুকে পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়তে থাকে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও শটগানের গুলি ছোড়ে। বিক্ষোভকারীরা সড়কে টায়ারে আগুন ধরিয়ে দিলে পুলিশের জলকামান দিয়ে তা নেভানো হয়। সংঘর্ষের ফলে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গুলিস্তান, পল্টন ও কাকরাইল এলাকায় যান চলাচল বন্ধ থাকে। সংঘর্ষে পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মতিঝিল বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ আবদুল আহাদ বলেন, মিছিল শুরু হলে আমরা তাদের বাধা দেইনি। কাকরাইলের কাছে এলে আমরা বলেছি, এ পর্যন্ত এসেছেন এখন ফিরে যান। তখন তারা আমাদের দিকে ইটপাটকেল ছোড়ে। পুলিশ তাদের ওপর লাঠিচার্জ করে। আমাদের বিশ্বাস ছিল শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করে তারা ফিরে যাবে। কিন্তু কাকরাইলে এসে যেভাবে ভায়োলেন্ট হয়ে গেল এটা অপ্রত্যাশিত।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন