সম্প্রীতির বন্ধন কমিটি করা যেতে পারে: গৌতম চক্রবর্তী
jugantor
সম্প্রীতির বন্ধন কমিটি করা যেতে পারে: গৌতম চক্রবর্তী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ‘সম্প্রীতির বন্ধন’ নামে কমিটি করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী। সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গৌতম বলেন, এই কমিটিতে সরকারি দল, বিরোধী সব দল, ইসলাম ধর্মের চিন্তাবিদ, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মের পুরোহিতসহ সবার সমন্বয়ে হতে পারে। এ ধরনের সহিংসতা যাতে না হয় এর মাধ্যমে আমরা সে চেষ্টা করতে পারি। একই সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর খুব দ্রুত বিচার করতে হবে। সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার যুগান্তরকে তিনি এ কথা জানান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় পল্লি উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক। তিনি বলেন, এসব সহিংসতার পেছনে উসকানি থাকতে পারে। এ দেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক। সরকার বা অন্য কোনো মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব হয়। এছাড়া অন্য কারণে হয় না। এটা আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা।

সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দলমত নির্বেশেষে সবাইকে অসাম্প্রদায়িক চেতনার হতে হবে-মন্তব্য করে গৌতম বলেন, যেখানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হয় তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আজ পর্যন্ত যত সহিংসতা হয়েছে তার কোনোটিরই বিচার হয়নি। রামু, পটিয়া, নাসিরনগর, টাঙ্গাইল, পাবনাসহ কোনো ঘটনারই বিচার হয়নি। বিচার না হওয়ার কারণে দুষ্কৃতকারীরা প্রশ্রয় পেয়ে যায়। প্রশ্রয় পেয়ে আবার নতুন করে উসকানি দিয়ে নতুন সহিংসতা করার চেষ্টা করে। এই বিচারহীনতাই পরবর্তী সহিংসতা ঘটানোর ক্ষেত্রে আরও উৎসাহ জোগায়। আমি মনে করি সরকার, সব রাজনৈতিক দল সবাই মিলে এই সহিংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী বলেন, ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের জন্য অথবা জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে নেওয়ার জন্য এসব ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এটা কোনো অবস্থাতেই উচিত নয়, বাঞ্ছনীয় নয়। কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতির জন্য আমরা কেউ যেন রাজনীতি না করি।

সম্প্রীতির বন্ধন কমিটি করা যেতে পারে: গৌতম চক্রবর্তী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য দলমত নির্বিশেষে সবাইকে নিয়ে ‘সম্প্রীতির বন্ধন’ নামে কমিটি করা যেতে পারে বলে জানিয়েছেন বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী। সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী গৌতম বলেন, এই কমিটিতে সরকারি দল, বিরোধী সব দল, ইসলাম ধর্মের চিন্তাবিদ, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মের পুরোহিতসহ সবার সমন্বয়ে হতে পারে। এ ধরনের সহিংসতা যাতে না হয় এর মাধ্যমে আমরা সে চেষ্টা করতে পারি। একই সঙ্গে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলোর খুব দ্রুত বিচার করতে হবে। সাম্প্রতিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে মঙ্গলবার যুগান্তরকে তিনি এ কথা জানান।

বিএনপির কেন্দ্রীয় পল্লি উন্নয়নবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের আহ্বায়ক। তিনি বলেন, এসব সহিংসতার পেছনে উসকানি থাকতে পারে। এ দেশের মানুষ অসাম্প্রদায়িক। সরকার বা অন্য কোনো মহলের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে এসব হয়। এছাড়া অন্য কারণে হয় না। এটা আমার বাস্তব অভিজ্ঞতা।

সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে দলমত নির্বেশেষে সবাইকে অসাম্প্রদায়িক চেতনার হতে হবে-মন্তব্য করে গৌতম বলেন, যেখানে সাম্প্রদায়িক সহিংসতা হয় তার বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে হবে। জড়িতদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য যে, আজ পর্যন্ত যত সহিংসতা হয়েছে তার কোনোটিরই বিচার হয়নি। রামু, পটিয়া, নাসিরনগর, টাঙ্গাইল, পাবনাসহ কোনো ঘটনারই বিচার হয়নি। বিচার না হওয়ার কারণে দুষ্কৃতকারীরা প্রশ্রয় পেয়ে যায়। প্রশ্রয় পেয়ে আবার নতুন করে উসকানি দিয়ে নতুন সহিংসতা করার চেষ্টা করে। এই বিচারহীনতাই পরবর্তী সহিংসতা ঘটানোর ক্ষেত্রে আরও উৎসাহ জোগায়। আমি মনে করি সরকার, সব রাজনৈতিক দল সবাই মিলে এই সহিংসতার বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া উচিত।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ঘটনা সম্পর্কে অ্যাডভোকেট গৌতম চক্রবর্তী বলেন, ব্যক্তিগত ফায়দা হাসিলের জন্য অথবা জনগণের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে নেওয়ার জন্য এসব ঘটনা ঘটানো হয়েছে। এটা কোনো অবস্থাতেই উচিত নয়, বাঞ্ছনীয় নয়। কোনো সম্প্রদায়ের ক্ষতির জন্য আমরা কেউ যেন রাজনীতি না করি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন