গেটওয়েতে আটকা টাকা ফেরত দিতে রিট
jugantor
ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান
গেটওয়েতে আটকা টাকা ফেরত দিতে রিট

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২২ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে পণ্য কিনতে গিয়ে পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফেরত দিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনসাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি’র (সিসিএস) পক্ষে ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন এ রিট দায়ের করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিকাশ ও নগদ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

এর আগে ১৭ অক্টোবর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে পণ্য কিনতে গিয়ে পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফেরত দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সাত প্রতিষ্ঠানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠায় সিসিএস।

নোটিশে ই-কমার্সে অর্ডার করেছেন কিন্তু পণ্য পাননি-এমন গ্রাহকদের অর্থ কেন ফেরত দেওয়া হবে না, তা সাত দিনের মধ্যে জানতে চাওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ই-কমার্সে পেমেন্টের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত নিয়ম (এস্ক্রো সিস্টেম) সংশোধন করে গ্রাহকের টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত পাওয়ার স্থায়ী পদ্ধতি কেন চালু করা হবে না তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও ব্যাংকটির পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের মহাব্যবস্থাপক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও একই মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশ ও নগদ, পেমেন্ট গেটওয়ে এসএসএল ওয়্যারলেস, ফোস্টার পে এবং সূর্য পে-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের এ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

ওইদিন ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন বলেছিলেন, আমরা সিসিএস থেকে প্রায় সাড়ে তিনশ ভুক্তভোগীর সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছি। এস্ক্রোতে টাকা আটকে থাকা নিয়ে বেশ জটিলতা হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। লিগ্যাল নোটিশের জবাব না পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সিসিএসের নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেছিলেন, এস্ক্রো সিস্টেমে গ্রাহকের টাকা আটকে আছে। এখন গেটওয়েগুলো বলছে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বা সরকারের অনুমতি লাগবে। কিন্তু আমার টাকা আমি ফেরত পেতে কেন ই-কমার্সের অনুমতির জন্য আটকে থাকবে? হাজার হাজার ভোক্তার কোটি কোটি টাকা আটকে থাকছে। এটা নিয়ে একটা সুষ্ঠু সমাধান হওয়া দরকার। এজন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ই-কমার্সে কোনো গ্রাহক পণ্যের অর্ডার দিলে তার টাকা বর্তমানে পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকে। পণ্য ডেলিভারি হওয়ার পর প্রমাণ জমা দিয়ে সেই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান টাকা ছাড় পায়। ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগ থেকে এক নির্দেশনায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়।

কিন্তু গ্রাহক পণ্য না পেলেও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া টাকা ফেরত পান না। ফলে গ্রাহকের টাকা আটকে থাকছে। এ পদ্ধতি চালু হওয়ার পর থেকে ইতোমধ্যে গ্রাহকের কয়েকশ কোটি টাকা গেটওয়েগুলোতে আটকে আছে।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান

গেটওয়েতে আটকা টাকা ফেরত দিতে রিট

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২২ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে পণ্য কিনতে গিয়ে পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফেরত দিতে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ভোক্তা অধিকার সংস্থা ‘কনসাস কনজ্যুমার্স সোসাইটি’র (সিসিএস) পক্ষে ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন এ রিট দায়ের করেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিকাশ ও নগদ কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী করা হয়েছে। বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে রিট আবেদনটির ওপর শুনানি হতে পারে।

এর আগে ১৭ অক্টোবর ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানে পণ্য কিনতে গিয়ে পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকা টাকা গ্রাহকদের ফেরত দিতে বাংলাদেশ ব্যাংক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সাত প্রতিষ্ঠানকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠায় সিসিএস।

নোটিশে ই-কমার্সে অর্ডার করেছেন কিন্তু পণ্য পাননি-এমন গ্রাহকদের অর্থ কেন ফেরত দেওয়া হবে না, তা সাত দিনের মধ্যে জানতে চাওয়া হয়েছিল। একই সঙ্গে ই-কমার্সে পেমেন্টের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত নিয়ম (এস্ক্রো সিস্টেম) সংশোধন করে গ্রাহকের টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফেরত পাওয়ার স্থায়ী পদ্ধতি কেন চালু করা হবে না তা বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ও ব্যাংকটির পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগের মহাব্যবস্থাপক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও একই মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক, মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস বিকাশ ও নগদ, পেমেন্ট গেটওয়ে এসএসএল ওয়্যারলেস, ফোস্টার পে এবং সূর্য পে-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের এ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

ওইদিন ব্যারিস্টার সাবরিনা জেরিন বলেছিলেন, আমরা সিসিএস থেকে প্রায় সাড়ে তিনশ ভুক্তভোগীর সুনির্দিষ্ট তথ্য পেয়েছি। এস্ক্রোতে টাকা আটকে থাকা নিয়ে বেশ জটিলতা হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। লিগ্যাল নোটিশের জবাব না পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সিসিএসের নির্বাহী পরিচালক পলাশ মাহমুদ বলেছিলেন, এস্ক্রো সিস্টেমে গ্রাহকের টাকা আটকে আছে। এখন গেটওয়েগুলো বলছে, ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের বা সরকারের অনুমতি লাগবে। কিন্তু আমার টাকা আমি ফেরত পেতে কেন ই-কমার্সের অনুমতির জন্য আটকে থাকবে? হাজার হাজার ভোক্তার কোটি কোটি টাকা আটকে থাকছে। এটা নিয়ে একটা সুষ্ঠু সমাধান হওয়া দরকার। এজন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

ই-কমার্সে কোনো গ্রাহক পণ্যের অর্ডার দিলে তার টাকা বর্তমানে পেমেন্ট গেটওয়েতে আটকে থাকে। পণ্য ডেলিভারি হওয়ার পর প্রমাণ জমা দিয়ে সেই ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান টাকা ছাড় পায়। ৩০ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের পেমেন্ট সিস্টেম বিভাগ থেকে এক নির্দেশনায় এ পদ্ধতি চালু করা হয়।

কিন্তু গ্রাহক পণ্য না পেলেও ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অনুমতি ছাড়া টাকা ফেরত পান না। ফলে গ্রাহকের টাকা আটকে থাকছে। এ পদ্ধতি চালু হওয়ার পর থেকে ইতোমধ্যে গ্রাহকের কয়েকশ কোটি টাকা গেটওয়েগুলোতে আটকে আছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন