সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি
jugantor
সম্প্রীতি সমাবেশ অব্যাহত 
সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি

  যুগান্তর ডেস্ক  

২৪ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ভোলা

সারা দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়, বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সম্প্রীতি সমাবেশ-শান্তি শোভাযাত্রা, অনশন, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অব্যাহত রয়েছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বানে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে শনিবারও এসব কর্মসূচি পালিত হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিকও (সুজন) দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এছাড়া, গাইবান্ধায় ওয়ার্কার্স পার্টি, নীলফামারীতে কৃষক লীগ, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে আওয়ামী লীগ বিক্ষোভ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সমাবেশ করেছে। এসব সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। কিন্তু বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি থামছে না। দলমত নির্বিশেষে এ দেশে সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর একের এক এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে। এদিকে, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার পুনর্নির্মাণসহ আট দফা দাবিতে শাহবাগ অবরোধ, শাহবাগে ‘গণঅনশন’, অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন এসব কর্মসূচি পালন করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে বিএসএমএমইতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিএসএমএমইউর সি-ব্লকের সামনে শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

ব্যুরো, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ঢাবি : শাহবাগে সকালে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘গণঅনশন ও গণঅবস্থান’ কর্মসূচি শুরু করে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। পরে তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অবস্থান নেয় বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। একপর্যায়ে একটি অংশ শাহবাগ মোড় অবরোধ করে। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির পানি পান করিয়ে আন্দোলনকারীদের অনশন ভাঙান। পরে বিক্ষোভ মিছিল শাহবাগ মোড় ছেড়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের দিকে পদযাত্রা করে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হন অবরোধকারীরাও।

কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ঘোষিত আট দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামসহ সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ‘চল চল ঢাকায় চল’ স্লোগানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানানো হয়। এছাড়া ৪ নভেম্বর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শ্যামাপূজায় দীপাবলি উৎসব বর্জন করে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে নিজ নিজ মন্দিরে নীরবতা পালন এবং মন্দির-মণ্ডপ ফটকে কালো কাপড় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বিরোধী স্লোগান সংবলিত ব্যানার টানানোর প্রতিবাদী কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানানো হয়। তারা যেসব দাবি জানান তার মধ্যে রয়েছে-১. শারদীয় দুর্গোৎসব চলাকালে এবং পরবর্তী সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন জেলায় সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতা তদন্তে সুপ্রিমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে। ২. সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সব মন্দির, বাড়িঘর পুনর্নির্মাণ, গৃহহীনদের পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান ছাড়াও আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা ও নিহতদের প্রতিটি পরিবারকে অন্যূন ২০ লাখ টাকা প্রদান বিকল্পে প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের একজনকে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরিতে নিয়োগের ব্যবস্থা করত হবে। ৩. নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক হামলাকারী ও তাদের পেছনে থাকা চক্রান্তকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে বিশেষ ক্ষমতা আইন, সন্ত্রাস দমন আইনের আওতায় এনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত সময়ে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এগুলোসহ ৮ দফা দাবি। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, এই হামলা শুধু হিন্দুদের ওপর হামলা নয়, গোটা বাঙালির ওপর হামলা। প্রশাসনের গাফিলতির কারণে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়েছে। তাদের একটা অংশ এর জন্য দায়ী।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘হামলার পর আমি রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি, সেখানে তারা বলেছে আমাদের মা আসবে কবে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারা আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন। আপনি তাদের কাছে গিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে সংহতি জানান।
গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরী বলেন, এ সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে ব্যবসা করে। কর্মসূচিতে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত বলেন, আমরা বারবার আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছি, আন্দোলন করছি, কিন্তু বিচার পাচ্ছি না। কর্মসূচিতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নিমচন্দ্র ভৌমিক বলেন, আমরা এই সাম্প্রদায়িক হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। কর্মসূচিতে মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিনা আক্তার এমপি, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব পলাশ কান্তি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।

কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ, বাংলাদেশ সনাতন কল্যাণ জোট, বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশন, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি), বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতি, জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি, বাংলাদেশ মাইনোরিটি সংগ্রাম পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু লীগ, মাইনোরিটি রাইটস ফোরামের বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম ও হিন্দু ছাত্র ফোরাম, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংরক্ষণ সমিতি, ইন্টারন্যাশনাল শ্রীশ্রী হরি গুরুচাঁদ মতুয়া মিশন, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ অংশ নেয়।
সন্ধ্যায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মশাল সমাবেশ করেছে ‘প্রজন্মান্তরে নারীবাদী মৈত্রী’। সমাবেশে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী নানা ধরনের স্লোগান দেন। এতে সংগঠনটির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সেখানে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শনিবার ‘রুখে দাও ধর্ম সন্ত্রাস’ শিরোনামে দিনব্যাপী প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ। সকাল ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত পাঁচ দফা দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে চলচ্চিত্র সংসদ।

বরিশাল : বরিশালে সকাল থেকে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। যেখানে নগরী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরের নেতা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়।
সিলেট : সিলেটে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও টিআইবির মাধ্যমে গঠিত সনাকের যৌথ উদ্যোগে শনিবার বিকালে নগরীর চৌহাট্টার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করা হয়েছে। সুজন সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ সাহেদার পরিচালনায় শুরুতে ধারণাপত্র পাঠ করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগ অধ্যাপক ও সুজন সদস্য তাহমিনা ইসলাম।

রাজশাহী : রাজশাহীতে বিক্ষোভ-সমাবেশ ও গণঅনশন কর্মসূচি থেকে এখনই দেশ থেকে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিষদাঁত উপড়ে ফেলার দাবি জানানো হয়েছে। নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের রাজশাহী জেলা ও মহানগর গণঅনশন কর্মসূচি শুরু করে। পরে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ময়মনসিংহ : গণঅনশন ও গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর শাখা। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর শহীদ ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে অবস্থান নিয়ে গণঅনশন পালন করছে তারা।
কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জে গণঅনশন, গণঅবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল করছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। শহরের কালীবাড়িতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়।

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) : ঢাকার নবাবগঞ্জে গণঅনশন-গণঅবস্থান ও মৌন মিছিল করেছে সংগঠনের উপজেলা শাখার নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। শনিবার সকাল থেকে নবাবগঞ্জ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে গণঅনশনে অংশগ্রহণ করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক নরেশ চন্দ্র সরকার, আকাশ সিদ্ধা, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতা দেবাশীষ চন্দ, উপজেলা যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি অনুপম দত্ত নিপু, সহসভাপতি রতন ডি কস্তা, উপজেলা ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি রিমন দাস, উপজেলা ব্রাহ্মণ যুব-কিশোর সংসদের সভাপতি মিঠুন চক্রবর্তী প্রমুখ।
রংপুর : রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটি শনিবার সকাল ৬টায় থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। পরে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ফরিদপুর : আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের উদ্যোগে ফরিদপুরে ‘সম্প্রতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকাল ৫টায় ফরিদপুর প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে বিশাল একটি শান্তি শোভাযাত্রা বের হয়।

চট্টগ্রাম : সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুজন জেলা সভাপতি ও অর্থনীতিবিদ প্রফেসর সিকান্দার খানের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন নগর পরিকল্পনাবিদ সুভাষ বড়ুয়া, উদ্যোক্তা রওশন আরা চৌধুরী প্রমুখ।

গাইবান্ধা : বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার জেলা শহরের ডিবি রোডের ১নং ট্রাফিক মোড়ে মানববন্ধন করা হয়েছে। নীলফামারী : সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তির শোভাযাত্রা করেছে কৃষক লীগ নীলফামারী জেলা শাখা। দলীয় কার্যালয় থেকে এ শোভাযাত্রা বের হয়।

টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এছাড়া, স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর), ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ), বরগুনা, নেত্রকোনা, সাতক্ষীরা, রাঙামাটি, দিনাজপুর, শেরপুর, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ, লক্ষ্মীপুর, খাগড়াছড়ি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চাঁদপুর, ঝালকাঠি, ভোলা, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল, নীলফামারী, ফেনী, রাজবাড়ী, নোয়াখালী, কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়ার কুমারখালী, ভোলার লালমোহন, ময়মনসিংহের গৌরীপুর, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, সিলেটের ওসামানীনগর, বরিশালের বানারীপাড়া, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ, নেত্রকোনার বারহাট্টা, সুনামগঞ্জের দিরাই, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, পিরোজপুরের নাজিরপুর, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, কুড়িগ্রামের উলিপুর, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, ঝালকাঠির রাজাপুর, পটুয়াখালী ও দক্ষিণ, হবিগঞ্জের মাধবপুর, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, ফরিদপুরের মধুখালী, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, নীলফামারীর সৈয়দপুর, পিরোজপুরের কাউখালী, নীলফামারীর জলঢাকা, সিলেটের গোলাপগঞ্জ, নেত্রকোনার পূর্বধলা, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, নেত্রকোনার মদন, পাবনার সুজানগর, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরের রামগতি, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ও ভূয়াপুর এবং ময়মনসিংহের ধোবাউড়া প্রতিনিধি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন।

সম্প্রীতি সমাবেশ অব্যাহত 

সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি

 যুগান্তর ডেস্ক 
২৪ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ভোলা
ভোলায় সম্প্রীতি সমাবেশ। ছবি: সংগৃহীত

সারা দেশে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়, বাড়িঘর, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের প্রতিবাদে সম্প্রীতি সমাবেশ-শান্তি শোভাযাত্রা, অনশন, বিক্ষোভ ও মানববন্ধন অব্যাহত রয়েছে। হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বানে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে শনিবারও এসব কর্মসূচি পালিত হয়। সুশাসনের জন্য নাগরিকও (সুজন) দেশব্যাপী বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেছে। এছাড়া, গাইবান্ধায় ওয়ার্কার্স পার্টি, নীলফামারীতে কৃষক লীগ, পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে আওয়ামী লীগ বিক্ষোভ ও সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী সমাবেশ করেছে। এসব সমাবেশে বক্তারা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। কিন্তু বিচারহীনতার সংস্কৃতির কারণে এসব ঘটনার পুনরাবৃত্তি থামছে না। দলমত নির্বিশেষে এ দেশে সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি। তা না হলে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর একের এক এ ধরনের ঘটনা ঘটতেই থাকবে। এদিকে, বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন, সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনার পুনর্নির্মাণসহ আট দফা দাবিতে শাহবাগ অবরোধ, শাহবাগে ‘গণঅনশন’, অবস্থান ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিভিন্ন সংগঠন এসব কর্মসূচি পালন করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) উপাচার্য ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে দেশে সাম্প্রদায়িক হামলা হয়েছে। সম্প্রতি বিভিন্ন এলাকায় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখার লক্ষ্যে বিএসএমএমইতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিএসএমএমইউর সি-ব্লকের সামনে শনিবার দুপুরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধন কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, চিকিৎসক, কর্মকর্তা, নার্স ও কর্মচারীরা অংশ নেন।

ব্যুরো, স্টাফ রিপোর্টার ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

ঢাবি : শাহবাগে সকালে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ‘গণঅনশন ও গণঅবস্থান’ কর্মসূচি শুরু করে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। পরে তাদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে অবস্থান নেয় বিভিন্ন ধর্মীয় সংগঠন। একপর্যায়ে একটি অংশ শাহবাগ মোড় অবরোধ করে। পরে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে মানবাধিকার কর্মী খুশি কবির পানি পান করিয়ে আন্দোলনকারীদের অনশন ভাঙান। পরে বিক্ষোভ মিছিল শাহবাগ মোড় ছেড়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের দিকে পদযাত্রা করে। তাদের সঙ্গে যুক্ত হন অবরোধকারীরাও।

কর্মসূচি থেকে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ ঘোষিত আট দফা দাবি বাস্তবায়ন না হলে আগামী বছর ফেব্রুয়ারিতে চট্টগ্রামসহ সারা দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে ‘চল চল ঢাকায় চল’ স্লোগানে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা কর্মসূচি পালন করা হবে বলে জানানো হয়। এছাড়া ৪ নভেম্বর হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের শ্যামাপূজায় দীপাবলি উৎসব বর্জন করে সন্ধ্যা ৬টা থেকে ৬টা ১৫ মিনিট পর্যন্ত কালো কাপড়ে মুখ ঢেকে নিজ নিজ মন্দিরে নীরবতা পালন এবং মন্দির-মণ্ডপ ফটকে কালো কাপড় সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বিরোধী স্লোগান সংবলিত ব্যানার টানানোর প্রতিবাদী কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানানো হয়। তারা যেসব দাবি জানান তার মধ্যে রয়েছে-১. শারদীয় দুর্গোৎসব চলাকালে এবং পরবর্তী সময়ে সারা দেশের বিভিন্ন জেলায় সংঘটিত সাম্প্রদায়িক সহিংসতা তদন্তে সুপ্রিমকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করতে হবে। ২. সাম্প্রদায়িক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সব মন্দির, বাড়িঘর পুনর্নির্মাণ, গৃহহীনদের পুনর্বাসন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের যথাযথ ক্ষতিপূরণ প্রদান ছাড়াও আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা ও নিহতদের প্রতিটি পরিবারকে অন্যূন ২০ লাখ টাকা প্রদান বিকল্পে প্রতিটি পরিবারের সদস্যদের একজনকে যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরিতে নিয়োগের ব্যবস্থা করত হবে। ৩. নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক হামলাকারী ও তাদের পেছনে থাকা চক্রান্তকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে বিশেষ ক্ষমতা আইন, সন্ত্রাস দমন আইনের আওতায় এনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে দ্রুত সময়ে তাদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। এগুলোসহ ৮ দফা দাবি। কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, এই হামলা শুধু হিন্দুদের ওপর হামলা নয়, গোটা বাঙালির ওপর হামলা। প্রশাসনের গাফিলতির কারণে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা হয়েছে। তাদের একটা অংশ এর জন্য দায়ী।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, ‘হামলার পর আমি রংপুরসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় গিয়েছি, সেখানে তারা বলেছে আমাদের মা আসবে কবে? মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারা আপনার দিকে তাকিয়ে আছেন। আপনি তাদের কাছে গিয়ে মাথায় হাত বুলিয়ে সংহতি জানান। 
গণফোরাম নেতা সুব্রত চৌধুরী বলেন, এ সরকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলে ব্যবসা করে। কর্মসূচিতে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি মিলন কান্তি দত্ত বলেন, আমরা বারবার আঘাতপ্রাপ্ত হচ্ছি, আন্দোলন করছি, কিন্তু বিচার পাচ্ছি না। কর্মসূচিতে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি অধ্যাপক নিমচন্দ্র ভৌমিক বলেন, আমরা এই সাম্প্রদায়িক হামলার দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। কর্মসূচিতে মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক শিরিনা আক্তার এমপি, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব পলাশ কান্তি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া প্রমুখ বক্তব্য দেন।

কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইসকন), বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাসংঘ, বাংলাদেশ সনাতন কল্যাণ জোট, বাংলাদেশ বুড্ডিস্ট ফেডারেশন, অ্যাসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি), বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংস্কার সমিতি, জন্মাষ্টমী উদ্যাপন পরিষদ, বাংলাদেশ বৌদ্ধ সমিতি, বাংলাদেশ মাইনোরিটি সংগ্রাম পরিষদ, বাংলাদেশ হিন্দু লীগ, মাইনোরিটি রাইটস ফোরামের বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু ফোরাম ও হিন্দু ছাত্র ফোরাম, বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু সমাজ সংরক্ষণ সমিতি, ইন্টারন্যাশনাল শ্রীশ্রী হরি গুরুচাঁদ মতুয়া মিশন, বাংলাদেশ হরিজন ঐক্য পরিষদ, জাতীয় আদিবাসী পরিষদ অংশ নেয়।
সন্ধ্যায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী মশাল সমাবেশ করেছে ‘প্রজন্মান্তরে নারীবাদী মৈত্রী’। সমাবেশে সংগঠনটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত থেকে সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী নানা ধরনের স্লোগান দেন। এতে সংগঠনটির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এ সময় সেখানে সংহতি জানিয়ে উপস্থিত ছিলেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও অন্যতম ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শনিবার ‘রুখে দাও ধর্ম সন্ত্রাস’ শিরোনামে দিনব্যাপী প্রতিবাদী কর্মসূচি পালন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ। সকাল ১০টা থেকে বিকাল পর্যন্ত পাঁচ দফা দাবিতে গণস্বাক্ষর কর্মসূচি পালন করে চলচ্চিত্র সংসদ। 

বরিশাল : বরিশালে সকাল থেকে অশ্বিনী কুমার হল চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ। যেখানে নগরী ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন মন্দিরের নেতা এবং সনাতন ধর্মাবলম্বী ও বিভিন্ন সংগঠন অংশ নেয়। 
সিলেট : সিলেটে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) ও টিআইবির মাধ্যমে গঠিত সনাকের যৌথ উদ্যোগে শনিবার বিকালে নগরীর চৌহাট্টার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করা হয়েছে। সুজন সিলেট জেলা কমিটির সভাপতি ফারুক মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহ সাহেদার পরিচালনায় শুরুতে ধারণাপত্র পাঠ করেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগ অধ্যাপক ও সুজন সদস্য তাহমিনা ইসলাম। 

রাজশাহী : রাজশাহীতে বিক্ষোভ-সমাবেশ ও গণঅনশন কর্মসূচি থেকে এখনই দেশ থেকে সাম্প্রদায়িক শক্তির বিষদাঁত উপড়ে ফেলার দাবি জানানো হয়েছে। নগরীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্টে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের রাজশাহী জেলা ও মহানগর গণঅনশন কর্মসূচি শুরু করে। পরে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
ময়মনসিংহ : গণঅনশন ও গণঅবস্থান কর্মসূচি পালন করেছে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর শাখা। সকাল ৬টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর শহীদ ফিরোজ-জাহাঙ্গীর চত্বরে অবস্থান নিয়ে গণঅনশন পালন করছে তারা। 
কিশোরগঞ্জ : কিশোরগঞ্জে গণঅনশন, গণঅবস্থান ও বিক্ষোভ মিছিল করছে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। শহরের কালীবাড়িতে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। 

নবাবগঞ্জ (ঢাকা) : ঢাকার নবাবগঞ্জে গণঅনশন-গণঅবস্থান ও মৌন মিছিল করেছে সংগঠনের উপজেলা শাখার নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। শনিবার সকাল থেকে নবাবগঞ্জ উপজেলার কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে গণঅনশনে অংশগ্রহণ করেন নেতাকর্মীরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের আহ্বায়ক নরেশ চন্দ্র সরকার, আকাশ সিদ্ধা, উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতা দেবাশীষ চন্দ, উপজেলা যুব ঐক্য পরিষদের সভাপতি অনুপম দত্ত নিপু, সহসভাপতি রতন ডি কস্তা, উপজেলা ছাত্র ঐক্য পরিষদের সভাপতি রিমন দাস, উপজেলা ব্রাহ্মণ যুব-কিশোর সংসদের সভাপতি মিঠুন চক্রবর্তী প্রমুখ।
রংপুর : রংপুর জেলা ও মহানগর কমিটি শনিবার সকাল ৬টায় থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নগরীর বঙ্গবন্ধু ম্যুরাল চত্বরে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। পরে নগরীতে বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। 

ফরিদপুর : আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের উদ্যোগে ফরিদপুরে ‘সম্প্রতি সমাবেশ ও শান্তি শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিকাল ৫টায় ফরিদপুর প্রেস ক্লাব চত্বর থেকে বিশাল একটি শান্তি শোভাযাত্রা বের হয়। 

চট্টগ্রাম : সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন), চট্টগ্রাম জেলার উদ্যোগে শনিবার চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব চত্বরে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। সুজন জেলা সভাপতি ও অর্থনীতিবিদ প্রফেসর সিকান্দার খানের সভাপতিত্বে ও সম্পাদক অ্যাডভোকেট আখতার কবির চৌধুরীর সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন নগর পরিকল্পনাবিদ সুভাষ বড়ুয়া, উদ্যোক্তা রওশন আরা চৌধুরী প্রমুখ।

গাইবান্ধা : বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি গাইবান্ধা জেলা শাখার উদ্যোগে শনিবার জেলা শহরের ডিবি রোডের ১নং ট্রাফিক মোড়ে মানববন্ধন করা হয়েছে। নীলফামারী : সম্প্রীতি সমাবেশ ও শান্তির শোভাযাত্রা করেছে কৃষক লীগ নীলফামারী জেলা শাখা। দলীয় কার্যালয় থেকে এ শোভাযাত্রা বের হয়। 

টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইল প্রেস ক্লাবের সামনে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) জেলা শাখার উদ্যোগে মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। 

এছাড়া, স্বরূপকাঠি (পিরোজপুর), ধোবাউড়া (ময়মনসিংহ), বরগুনা, নেত্রকোনা, সাতক্ষীরা, রাঙামাটি, দিনাজপুর, শেরপুর, গোপালগঞ্জ, নওগাঁ, লক্ষ্মীপুর, খাগড়াছড়ি, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, চাঁদপুর, ঝালকাঠি, ভোলা, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, স্টাফ রিপোর্টার টাঙ্গাইল, নীলফামারী, ফেনী, রাজবাড়ী, নোয়াখালী, কুড়িগ্রাম, কুষ্টিয়ার কুমারখালী, ভোলার লালমোহন, ময়মনসিংহের গৌরীপুর, কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া, সিলেটের ওসামানীনগর, বরিশালের বানারীপাড়া, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ, হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ, নেত্রকোনার বারহাট্টা, সুনামগঞ্জের দিরাই, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর, পিরোজপুরের নাজিরপুর, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া, নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ, কুড়িগ্রামের উলিপুর, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ, ঝালকাঠির রাজাপুর, পটুয়াখালী ও দক্ষিণ, হবিগঞ্জের মাধবপুর, জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী, ফরিদপুরের মধুখালী, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী, পটুয়াখালীর কুয়াকাটা, নীলফামারীর সৈয়দপুর, পিরোজপুরের কাউখালী, নীলফামারীর জলঢাকা, সিলেটের গোলাপগঞ্জ, নেত্রকোনার পূর্বধলা, মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান, নেত্রকোনার মদন, পাবনার সুজানগর, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ, লক্ষ্মীপুরের রামগতি, ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া, টাঙ্গাইলের মির্জাপুর ও ভূয়াপুর এবং ময়মনসিংহের ধোবাউড়া প্রতিনিধি এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাঠিয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন