বাংলাদেশ ব্যাংক বিএসইসির মতপার্থক্য: মির্জ্জা আজিজ
jugantor
বাংলাদেশ ব্যাংক বিএসইসির মতপার্থক্য: মির্জ্জা আজিজ

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেছেন, শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি অস্বাভাবিক। এর অন্যতম কারণ হতে পারে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মতপার্থক্য।

তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এই দুই সংস্থার কিছুটা মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমতে পারে। বাজারে এর প্রভাব পড়া অস্বাভাবিক নয়। এ ছাড়া বেশ কিছু কোম্পানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছিল। এসব কোম্পানির মূল্যসংশোধন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এর প্রভাব পড়েছে। যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে সোমবার তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জ্জা আজিজ বলেন, বাজারের এই পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। বিভিন্ন শেয়ারের মূল্য কারসাজির সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিএসইসির সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ানো নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ নয়।

এ ক্ষেত্রে শুধু বিএসইসি নয়, স্টক এক্সচেঞ্জেরও কিছু করণীয় রয়েছে। কেউ অস্বাভাবিক শেয়ার লেনদেন করলে স্টক এক্সচেঞ্জের উচিত তাদেরকে চিহ্নিত করা। তার মতে, দেশের শেয়ারবাজারে মূল সমস্যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট। এই সংকট কাটাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে একদিকে চাহিদা ধরে রাখা এবং অপর দিকে ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্য দিকে বিনিয়োগকারীদের শেয়ারের মৌলভিত্তি দেখে বিনিয়োগ করা উচিত। এর বিনিয়োগকারীদেরও গুজবে শেয়ার লেনদেন বন্ধ করতে হবে। কারণ বিনিয়োগকারীরা সচেতন না হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার খুব বেশি কিছু করার থাকে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক বিএসইসির মতপার্থক্য: মির্জ্জা আজিজ

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেছেন, শেয়ারবাজারের বর্তমান পরিস্থিতি অস্বাভাবিক। এর অন্যতম কারণ হতে পারে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) মতপার্থক্য।

তিনি বলেন, বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে এই দুই সংস্থার কিছুটা মতপার্থক্য সৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে বিনিয়োগকারীদের আস্থা কমতে পারে। বাজারে এর প্রভাব পড়া অস্বাভাবিক নয়। এ ছাড়া বেশ কিছু কোম্পানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছিল। এসব কোম্পানির মূল্যসংশোধন হয়েছে। সামগ্রিকভাবে এর প্রভাব পড়েছে। যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে সোমবার তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জ্জা আজিজ বলেন, বাজারের এই পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। বিভিন্ন শেয়ারের মূল্য কারসাজির সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তাকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। বিএসইসির সাবেক এই চেয়ারম্যান বলেন, কোনো কোম্পানির শেয়ারের দাম বাড়ানো নিয়ন্ত্রক সংস্থার কাজ নয়।

এ ক্ষেত্রে শুধু বিএসইসি নয়, স্টক এক্সচেঞ্জেরও কিছু করণীয় রয়েছে। কেউ অস্বাভাবিক শেয়ার লেনদেন করলে স্টক এক্সচেঞ্জের উচিত তাদেরকে চিহ্নিত করা। তার মতে, দেশের শেয়ারবাজারে মূল সমস্যা বিনিয়োগকারীদের আস্থা সংকট। এই সংকট কাটাতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এ ক্ষেত্রে একদিকে চাহিদা ধরে রাখা এবং অপর দিকে ভালো শেয়ারের সরবরাহ বাড়ানো জরুরি। পাশাপাশি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অন্য দিকে বিনিয়োগকারীদের শেয়ারের মৌলভিত্তি দেখে বিনিয়োগ করা উচিত। এর বিনিয়োগকারীদেরও গুজবে শেয়ার লেনদেন বন্ধ করতে হবে। কারণ বিনিয়োগকারীরা সচেতন না হলে নিয়ন্ত্রক সংস্থার খুব বেশি কিছু করার থাকে না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন