যে গতিতে সূচকের উত্থান, তা যৌক্তিক নয়: ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী
jugantor
যে গতিতে সূচকের উত্থান, তা যৌক্তিক নয়: ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৬ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, গত ৬ মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক ৫০ শতাংশের মতো বেড়েছে। কিন্তু এই উত্থানের যৌক্তিক কোনো কারণ ছিল না। যদি এমন হতো কোম্পানিগুলো ভালো মুনাফা করছে বা ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে, তা হলে ভিন্নকথা ছিল।

তিনি বলেন, সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে শেয়ারবাজারের এই উত্থান মিলছে না। তিনি বলেন, উত্থানের একটি কারণ হতে পারে দীর্ঘদিন থেকে সূচক নিম্ন লেভেলে পড়েছিল। তবে যে গতিতে এবং যে সময়ের মধ্যে সূচকের উত্থান হয়েছে, তা যৌক্তিক নয়। যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, অস্বাভাবিক উত্থানের একটি কারণ হতে পারে ব্যবসা-বাণিজ্য খারাপ থাকায় মুদ্রবাজারে তারল্য সরবরাহ ছিল। এই বাড়তি তারল্যের একটি অংশ শেয়ারবাজারে এসেছে। তবে তার মতে, সামগ্রিকভাবে সূচকের বর্তমান অবস্থা অস্বাভাবিক নয়। ডিএসইর মূল্যসূচক ৭ হাজার ৩০০ পয়েন্ট খুবই যৌক্তিক। সমস্যা অন্য জায়গায়। কারণ সূচকের বর্তমান উত্থানের পেছনে ভালো শেয়ারের অবদান কম। অর্থাৎ ভালো কোম্পানির শেয়ারের দাম এখনো বাড়েনি।

এসব শেয়ার এখনো বিনিয়োগযোগ্য মূল্যে রয়েছে। কিন্তু ছোট ছোট দুর্বল কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম ২ থেকে ৩ গুণ বেশি বেড়েছে। আর এই দাম বৃদ্ধিকে বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। যেমন ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, মার্জিন ঋণ বাড়িয়ে দেওয়া এবং বড় বড় বিনিয়োগ আসছে-এ ধরনের কিছু কথা অস্বাভাবিক উত্থানের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী আরও বলেন, অস্বাভাবিক উত্থান হলে এখানে পতন হবেই।

কারণ যারা আজেবাজে শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে, তারাও আতঙ্কে আছে যেন আটকে না যায়। এই চিন্তা করে একটা পর্যায়ে এসে হয়তো বিক্রি করে দিচ্ছে। এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে বাজারে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায়, এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে। তার মতে, আতঙ্ক না ছড়ালে বাজার ঠিক হয়ে যাবে। আর আতঙ্ক ছড়ালে আরও পতনের আশঙ্কা রয়েছে।

যে গতিতে সূচকের উত্থান, তা যৌক্তিক নয়: ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৬ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, গত ৬ মাসে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) মূল্যসূচক ৫০ শতাংশের মতো বেড়েছে। কিন্তু এই উত্থানের যৌক্তিক কোনো কারণ ছিল না। যদি এমন হতো কোম্পানিগুলো ভালো মুনাফা করছে বা ভালো লভ্যাংশ দিচ্ছে, তা হলে ভিন্নকথা ছিল।

তিনি বলেন, সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে শেয়ারবাজারের এই উত্থান মিলছে না। তিনি বলেন, উত্থানের একটি কারণ হতে পারে দীর্ঘদিন থেকে সূচক নিম্ন লেভেলে পড়েছিল। তবে যে গতিতে এবং যে সময়ের মধ্যে সূচকের উত্থান হয়েছে, তা যৌক্তিক নয়। যুগান্তরের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী বলেন, অস্বাভাবিক উত্থানের একটি কারণ হতে পারে ব্যবসা-বাণিজ্য খারাপ থাকায় মুদ্রবাজারে তারল্য সরবরাহ ছিল। এই বাড়তি তারল্যের একটি অংশ শেয়ারবাজারে এসেছে। তবে তার মতে, সামগ্রিকভাবে সূচকের বর্তমান অবস্থা অস্বাভাবিক নয়। ডিএসইর মূল্যসূচক ৭ হাজার ৩০০ পয়েন্ট খুবই যৌক্তিক। সমস্যা অন্য জায়গায়। কারণ সূচকের বর্তমান উত্থানের পেছনে ভালো শেয়ারের অবদান কম। অর্থাৎ ভালো কোম্পানির শেয়ারের দাম এখনো বাড়েনি।

এসব শেয়ার এখনো বিনিয়োগযোগ্য মূল্যে রয়েছে। কিন্তু ছোট ছোট দুর্বল কিছু কোম্পানির শেয়ারের দাম ২ থেকে ৩ গুণ বেশি বেড়েছে। আর এই দাম বৃদ্ধিকে বিভিন্নভাবে উৎসাহিত করা হয়েছে। যেমন ব্যাংকের ২০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ, মার্জিন ঋণ বাড়িয়ে দেওয়া এবং বড় বড় বিনিয়োগ আসছে-এ ধরনের কিছু কথা অস্বাভাবিক উত্থানের পেছনে ভূমিকা রেখেছে। ফারুক আহমেদ সিদ্দিকী আরও বলেন, অস্বাভাবিক উত্থান হলে এখানে পতন হবেই।

কারণ যারা আজেবাজে শেয়ারের দাম বাড়িয়েছে, তারাও আতঙ্কে আছে যেন আটকে না যায়। এই চিন্তা করে একটা পর্যায়ে এসে হয়তো বিক্রি করে দিচ্ছে। এ অবস্থায় নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে সতর্কভাবে পদক্ষেপ নিতে হবে। বিশেষ করে বাজারে যাতে আতঙ্ক না ছড়ায়, এ ব্যাপারে উদ্যোগ নিতে হবে। তার মতে, আতঙ্ক না ছড়ালে বাজার ঠিক হয়ে যাবে। আর আতঙ্ক ছড়ালে আরও পতনের আশঙ্কা রয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন