বেগমগঞ্জে সহিংসতায় বুলুসহ ১৫ নেতা!
jugantor
স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ফয়সালের জবানবন্দি
বেগমগঞ্জে সহিংসতায় বুলুসহ ১৫ নেতা!
আরও ৮ জন গ্রেফতার, তিনজন রিমান্ডে

  নোয়াখালী ও কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৭ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় গ্রেফতার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ফয়সাল ইনাম কমল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সহিংস ঘটনায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলুসহ বিএনপি ও জামায়াতের ১৫ নেতার সম্পৃক্ততা আছে বলে ফয়সাল জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার এসব তথ্য জানান।

এদিকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের আদালতে হাজির করা হলে তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। দুপুরে পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার ফয়সালকে সোমবার রাতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাঈদীন নাঁহীর আদালতে হাজির করা হয়।

বিচারক ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামি ফয়সালের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দিতে ফয়সাল চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক সহিংস ঘটনার উসকানিদাতা হিসাবে বুলুসহ বিএনপি-জামায়াতের ১৫ জন নেতার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য দেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এবং আসামিদের গ্রেফতারের স্বার্থে অন্যদের নাম জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে কুমিল্লার ঘটনার পর থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করাসহ উসকানিমূলক পোস্ট দিয়েছেন ফয়সাল। এ ঘটনার উসকানিদাতা ও ইন্ধনদাতা হিসাবে ফয়সালকে চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় সোমবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।

শহীদুল ইসলাম আরও জানান, ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও নোয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপির তিন নেতাকর্মীসহ আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন : সুধারাম থানার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন (৩৩), বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইমরান হোসেন নিশান (২০), একই ওয়ার্ডের মো. রনি (২০), চৌমুহনী পৌরসভার মীরওয়ারিশ গ্রামের বিএনপি সমর্থক মো. ইউসুফ (৩০), চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আক্তারুজ্জামান (৫০), সোনাইমুড়ী উপজেলার রবিউল হোসেন ওরফে রনি (৩২), লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সাহেদুল ইসলাম (২২) এবং হাতিয়া পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক ছেরাজুল হক বেচু (৪২)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিশান মন্দিরের টাকা লুটের কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার দিন চৌমুহনী ব্যাংক রোডের রামঠাকুর মন্দির থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা লুট করে তারা ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়েছে বলে নিশান স্বীকার করেছে। নিশান ৮ হাজার টাকা ভাগে পায়। এর মধ্যে ৫ হাজার ৫০০ টাকা সে খরচ করে। বাকি ২৫০০ টাকা তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম আরও জানান, ১০ জনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হলে তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। আলী আজগর, নুরুল ইসলাম সুমন ও নুরুল ইসলাম জীবনের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মঙ্গলবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী সোনিয়া আক্তার আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তাদের বেগমগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে।

১৫ অক্টোবর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিত্যানন্দ বিগ্রহ মন্দির (ইসকন), শ্রীশ্রী রামঠাকুর চন্দ্র আশ্রম মন্দির এবং শ্রীশ্রী রাধামাধব জিউর মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মন্দিরে সহিংসতার ঘটনায় করা ২৬টি মামলায় এ পর্যন্ত ২০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯০ জন বিভিন্ন মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। তাদের দেওয়া তথ্য, ভিডিও চিত্র এবং গোয়েন্দা প্রতিবেদনের মাধ্যমে আরও ১১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সহিংসতাকারীদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ : সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে পুঁজি করে নোয়াখালী জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ করেছে জেলা বিএনপি। মঙ্গলবার নোয়াখালী পৌরসভার রশিদ কলোনির বিএনপির অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। এতে জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সলিম উল্যাহ বাহার হিরন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান পলাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, বিএনপি সর্বদাই ধর্মীয় সৌহার্দ ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে। সরকার মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা হিসাবে পরিকল্পিত এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আর এ ঘটনাকে পুঁজি করে বিএনপি নেতাকর্মীদের মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। ধর্মীয় সহিংসতা নিয়ে ইতোমধ্যে নোয়াখালীতে অনেক মামলা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার সময় অনেকে এলাকায় ছিলেন না। বেগমগঞ্জের ঘটনায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলুকে হুকুমের আসামিও করা হয়েছে। রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধ করাসহ অবিলম্বে গ্রেফতার নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান তারা।

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ফয়সালের জবানবন্দি

বেগমগঞ্জে সহিংসতায় বুলুসহ ১৫ নেতা!

আরও ৮ জন গ্রেফতার, তিনজন রিমান্ডে
 নোয়াখালী ও কোম্পানীগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৭ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সাম্প্রদায়িক সহিংসতার ঘটনায় গ্রেফতার জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সহসভাপতি ফয়সাল ইনাম কমল আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সহিংস ঘটনায় বিএনপির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলুসহ বিএনপি ও জামায়াতের ১৫ নেতার সম্পৃক্ততা আছে বলে ফয়সাল জবানবন্দি দিয়েছেন। মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার এসব তথ্য জানান।

এদিকে এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের আদালতে হাজির করা হলে তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। দুপুরে পুলিশ সুপারের সভাকক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জেলা পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম জানান, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় গ্রেফতার ফয়সালকে সোমবার রাতে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সাঈদীন নাঁহীর আদালতে হাজির করা হয়।

বিচারক ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামি ফয়সালের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি রেকর্ড করেন। জবানবন্দিতে ফয়সাল চৌমুহনীতে সাম্প্রদায়িক সহিংস ঘটনার উসকানিদাতা হিসাবে বুলুসহ বিএনপি-জামায়াতের ১৫ জন নেতার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য দেন। তবে তদন্তের স্বার্থে এবং আসামিদের গ্রেফতারের স্বার্থে অন্যদের নাম জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে কুমিল্লার ঘটনার পর থেকে ফেসবুকে বিভিন্ন ভিডিও আপলোড করাসহ উসকানিমূলক পোস্ট দিয়েছেন ফয়সাল। এ ঘটনার উসকানিদাতা ও ইন্ধনদাতা হিসাবে ফয়সালকে চিহ্নিত করে তার বিরুদ্ধে বেগমগঞ্জ মডেল থানায় সোমবার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়।

শহীদুল ইসলাম আরও জানান, ২৪ ঘণ্টায় সিলেট ও নোয়াখালীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিএনপির তিন নেতাকর্মীসহ আরও আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন : সুধারাম থানার ৮নং ধর্মপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সুমন (৩৩), বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ইমরান হোসেন নিশান (২০), একই ওয়ার্ডের মো. রনি (২০), চৌমুহনী পৌরসভার মীরওয়ারিশ গ্রামের বিএনপি সমর্থক মো. ইউসুফ (৩০), চৌমুহনী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের আক্তারুজ্জামান (৫০), সোনাইমুড়ী উপজেলার রবিউল হোসেন ওরফে রনি (৩২), লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার সাহেদুল ইসলাম (২২) এবং হাতিয়া পৌর বিএনপির প্রচার সম্পাদক ছেরাজুল হক বেচু (৪২)। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নিশান মন্দিরের টাকা লুটের কথা স্বীকার করেছে। ঘটনার দিন চৌমুহনী ব্যাংক রোডের রামঠাকুর মন্দির থেকে ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা লুট করে তারা ভাগবাঁটোয়ারা করে নিয়েছে বলে নিশান স্বীকার করেছে। নিশান ৮ হাজার টাকা ভাগে পায়। এর মধ্যে ৫ হাজার ৫০০ টাকা সে খরচ করে। বাকি ২৫০০ টাকা তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম আরও জানান, ১০ জনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে আবেদন করা হলে তিনজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। আলী আজগর, নুরুল ইসলাম সুমন ও নুরুল ইসলাম জীবনের একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। মঙ্গলবার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক কাজী সোনিয়া আক্তার আসামিদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। তাদের বেগমগঞ্জ থানায় নেওয়া হয়েছে।

১৫ অক্টোবর বেগমগঞ্জ উপজেলার চৌমুহনী শ্রীশ্রী রাধাকৃষ্ণ গৌর নিত্যানন্দ বিগ্রহ মন্দির (ইসকন), শ্রীশ্রী রামঠাকুর চন্দ্র আশ্রম মন্দির এবং শ্রীশ্রী রাধামাধব জিউর মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। মন্দিরে সহিংসতার ঘটনায় করা ২৬টি মামলায় এ পর্যন্ত ২০১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে ৯০ জন বিভিন্ন মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি। তাদের দেওয়া তথ্য, ভিডিও চিত্র এবং গোয়েন্দা প্রতিবেদনের মাধ্যমে আরও ১১১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সহিংসতাকারীদের গ্রেফতারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিএনপি নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ : সাম্প্রদায়িক সহিংসতাকে পুঁজি করে নোয়াখালী জেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গণগ্রেফতার ও পুলিশি হয়রানির অভিযোগ করেছে জেলা বিএনপি। মঙ্গলবার নোয়াখালী পৌরসভার রশিদ কলোনির বিএনপির অস্থায়ী দলীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়। এতে জেলা বিএনপির সভাপতি গোলাম হায়দার বিএসসি, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সলিম উল্যাহ বাহার হিরন, জেলা কৃষক দলের সভাপতি অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান পলাশ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি নেতারা বলেন, বিএনপি সর্বদাই ধর্মীয় সৌহার্দ ও সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে। সরকার মানুষের দৃষ্টি ভিন্ন খাতে নেওয়ার অপচেষ্টা হিসাবে পরিকল্পিত এ ঘটনা ঘটিয়েছে। আর এ ঘটনাকে পুঁজি করে বিএনপি নেতাকর্মীদের মামলায় জড়িয়ে গ্রেফতার করা হচ্ছে। ধর্মীয় সহিংসতা নিয়ে ইতোমধ্যে নোয়াখালীতে অনেক মামলা হয়েছে। প্রতিটি মামলায় বিএনপি নেতাকর্মীদের আসামি করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার সময় অনেকে এলাকায় ছিলেন না। বেগমগঞ্জের ঘটনায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলুকে হুকুমের আসামিও করা হয়েছে। রাজনৈতিক হয়রানি বন্ধ করাসহ অবিলম্বে গ্রেফতার নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান তারা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন