ভলভো বাসের অধ্যায় শেষ করল বিআরটিসি
jugantor
ভলভো বাসের অধ্যায় শেষ করল বিআরটিসি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ অক্টোবর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বাস

ভলভো বাসের অধ্যায় শেষ করল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ করপোরেশন (বিআরটিসি)। ৫০টি বাসের মধ্যে ৪৯টিই পরিত্যক্ত হিসাবে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এসব বাস ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। বর্তমানে এসব বাস সংস্থাটির ডিপোতে জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে আরামদায়ক এ বাসের বিদায় ঘটল। তবে একটি ভলভো বাস সচল থাকায় সেটি রয়ে গেছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ভলভো বাস ১৯৯৮ সালে কেনা হয়েছে। এসব বাসের আয়ুষ্কাল ছিল ১২ বছর। অনেক আগেই এগুলোর আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়ায় টেন্ডারের মাধ্যমে ৪৯টি বাস বিক্রি করেছি।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এগুলোর কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া গেছে। বাসের পার্টস, বডিসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি পরীক্ষা যে প্রাক্কলিত দর ধরা হয়েছে সেই অনুযায়ী বিক্রি করা হয়েছে। এর আগেও একবার টেন্ডার আহ্বান করা হলেও কেউ তখন অংশ নেয়নি। তবে এবার ভালো সাড়া পেয়েছি। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যেসব বাস মেরামত করে লাভজনক হয়, সেগুলো মেরামত করা হয়েছে। কিন্তু এগুলো মেরামত করেও লাভ হতো না।

জানা গেছে, বছরের পর বছর ধরে বাসগুলো অকেজো অবস্থায় পড়ে ছিল। অনেক বাসে আগাছাও জন্ম নিয়েছে। সুইডেন থেকে কেনা এসব বাস মেরামতের পেছনে ব্যয় হয় ১২ কোটি টাকা। তবুও সচল করা যায়নি। উল্টো মেরামতের নামে দফায় দফায় চলেছে হরিলুট। এছাড়া রক্ষণাবেক্ষণের চেয়ে নতুন বাস কেনায় আগ্রহ বেশি কর্তৃপক্ষের।

আরও জানা গেছে, ২০০১-০২ সালে সুইডেনের ভলভো কোম্পানির ৫০টি আধুনিক দ্বিতল বাস ঢাকার রাস্তায় নামে। দেখতে সুন্দর, আরামদায়ক এসব বাস বেশ আলোচিত হয়। কিন্তু এ বাসগুলোও পাঁচ বছরের মধ্যে অকেজো হতে শুরু করে। বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ইজারা দিয়ে চালানোর কারণে দ্রুত বাসগুলো বিকল হয় বলে বিআরটিসির কর্মকর্তারা জানান। অথচ বিআরটিসির আগে থেকে বেসরকারি বিভিন্ন কোম্পানি দূরপাল্লার পথে ভলভো কোম্পানির বাস চালাচ্ছে।

ভলভো বাসের অধ্যায় শেষ করল বিআরটিসি

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ অক্টোবর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
বাস
মিরপুর ডিপোতে পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে ভলভো বাস -যুগান্তর

ভলভো বাসের অধ্যায় শেষ করল বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ করপোরেশন (বিআরটিসি)। ৫০টি বাসের মধ্যে ৪৯টিই পরিত্যক্ত হিসাবে টেন্ডারের মাধ্যমে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছে। শিগগিরই এসব বাস ক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানকে বুঝিয়ে দেওয়া হবে। বর্তমানে এসব বাস সংস্থাটির ডিপোতে জীর্ণশীর্ণ অবস্থায় পড়ে আছে। এর মধ্যে আরামদায়ক এ বাসের বিদায় ঘটল। তবে একটি ভলভো বাস সচল থাকায় সেটি রয়ে গেছে। খবর সংশ্লিষ্ট সূত্রের।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বিআরটিসির চেয়ারম্যান মো. তাজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ভলভো বাস ১৯৯৮ সালে কেনা হয়েছে। এসব বাসের আয়ুষ্কাল ছিল ১২ বছর। অনেক আগেই এগুলোর আয়ুষ্কাল শেষ হয়ে যাওয়ায় টেন্ডারের মাধ্যমে ৪৯টি বাস বিক্রি করেছি।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এগুলোর কাঙ্ক্ষিত দাম পাওয়া গেছে। বাসের পার্টস, বডিসহ বিভিন্ন যন্ত্রপাতি পরীক্ষা যে প্রাক্কলিত দর ধরা হয়েছে সেই অনুযায়ী বিক্রি করা হয়েছে। এর আগেও একবার টেন্ডার আহ্বান করা হলেও কেউ তখন অংশ নেয়নি। তবে এবার ভালো সাড়া পেয়েছি। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, যেসব বাস মেরামত করে লাভজনক হয়, সেগুলো মেরামত করা হয়েছে। কিন্তু এগুলো মেরামত করেও লাভ হতো না।

জানা গেছে, বছরের পর বছর ধরে বাসগুলো অকেজো অবস্থায় পড়ে ছিল। অনেক বাসে আগাছাও জন্ম নিয়েছে। সুইডেন থেকে কেনা এসব বাস মেরামতের পেছনে ব্যয় হয় ১২ কোটি টাকা। তবুও সচল করা যায়নি। উল্টো মেরামতের নামে দফায় দফায় চলেছে হরিলুট। এছাড়া রক্ষণাবেক্ষণের চেয়ে নতুন বাস কেনায় আগ্রহ বেশি কর্তৃপক্ষের।

আরও জানা গেছে, ২০০১-০২ সালে সুইডেনের ভলভো কোম্পানির ৫০টি আধুনিক দ্বিতল বাস ঢাকার রাস্তায় নামে। দেখতে সুন্দর, আরামদায়ক এসব বাস বেশ আলোচিত হয়। কিন্তু এ বাসগুলোও পাঁচ বছরের মধ্যে অকেজো হতে শুরু করে। বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে ইজারা দিয়ে চালানোর কারণে দ্রুত বাসগুলো বিকল হয় বলে বিআরটিসির কর্মকর্তারা জানান। অথচ বিআরটিসির আগে থেকে বেসরকারি বিভিন্ন কোম্পানি দূরপাল্লার পথে ভলভো কোম্পানির বাস চালাচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন