খালেদা জিয়া না থাকলে আ.লীগও থাকবে না
jugantor
ছাত্রদলের সমাবেশে মির্জা ফখরুল
খালেদা জিয়া না থাকলে আ.লীগও থাকবে না

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ফখরুল

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন বলেই এখনো আওয়ামী লীগ টিকে আছে। দেশনেত্রী না থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে না।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিন। অন্যথায় সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। সেই আন্দোলনেই সরকারের পতন হবে। কাজেই আর বিলম্ব করবেন না। তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন।

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে এই সমাবেশ হয়।

এতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঢাকা মহানগরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতির কারণে এক পর্যায়ে সড়কে যানবাহন চালাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের ছাত্ররা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। অনেকে গুম হয়েছে, খুন হয়েছে। কারাগারে এখনো ছাত্রনেতারা নির্যাতন ভোগ করছেন। এ দেশকে মুক্ত করতে হলে যুবকদের জেগে উঠতে হবে।

তরুণদের জেগে উঠতে হবে, ছাত্রদলকে জেগে উঠতে হবে। বাংলাদেশে সব বিজয় অর্জন হয়েছে ছাত্রদের নেতৃত্বে। তিনি বলেন, আজকে আবার সেই ছাত্রদলকে জেগে উঠতে হবে, নেতৃত্ব দিতে হবে।

আন্দোলনের মধ্য দিয়েই দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে তারা ভেবেছিলেন, বোধহয় শেষ হয়ে গেল বিএনপি।

শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জায়গা। তা হয়নি। ঠিক একইভাবে বলতে চাই, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সঠিকভাবেই তার উত্তরাধিকারী নির্বাচন করেছেন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে।

তারই নেতৃত্বে এই দল এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক, সার্বভৌমত্বের প্রতীক, গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনি আছেন বলেই এখনো গণতন্ত্রের সংগ্রাম চলছে। তিনি আছেন বলেই এখন আমাদের শত্রুরা সীমান্তে ভয় পায়।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, এ দেশকে যারা করদরাজ্য বানাতে চায়, তারাই দেশনেত্রীকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এ কথা মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে।

ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান বলেন, অবিলম্বে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-সাবেক ছাত্রনেতা ফজলুল হক মিলন, নাজিম উদ্দিন আলম, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, এবিএম মোশাররফ হোসেন, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আমিরুল ইসলাম আলিম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, আকরামুল হাসান, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।

ছাত্রদলের সমাবেশে মির্জা ফখরুল

খালেদা জিয়া না থাকলে আ.লীগও থাকবে না

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৫ ডিসেম্বর ২০২১, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ফখরুল
খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ছাত্রদলের সমাবেশে বক্তৃতা করছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর - যুগান্তর

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, খালেদা জিয়া বেঁচে আছেন বলেই এখনো আওয়ামী লীগ টিকে আছে। দেশনেত্রী না থাকলে আওয়ামী লীগও থাকবে না।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিন। অন্যথায় সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে। সেই আন্দোলনেই সরকারের পতন হবে। কাজেই আর বিলম্ব করবেন না। তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। 

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এক সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে এই সমাবেশ হয়।

এতে কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও ঢাকা মহানগরের কয়েক হাজার নেতাকর্মী অংশ নেন। নেতাকর্মীদের উপস্থিতির কারণে এক পর্যায়ে সড়কে যানবাহন চালাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের ছাত্ররা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। অনেকে গুম হয়েছে, খুন হয়েছে। কারাগারে এখনো ছাত্রনেতারা নির্যাতন ভোগ করছেন। এ দেশকে মুক্ত করতে হলে যুবকদের জেগে উঠতে হবে।

তরুণদের জেগে উঠতে হবে, ছাত্রদলকে জেগে উঠতে হবে। বাংলাদেশে সব বিজয় অর্জন হয়েছে ছাত্রদের নেতৃত্বে। তিনি বলেন, আজকে আবার সেই ছাত্রদলকে জেগে উঠতে হবে, নেতৃত্ব দিতে হবে।

আন্দোলনের মধ্য দিয়েই দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানো নিশ্চিত করতে হবে। মির্জা ফখরুল বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যা করে তারা ভেবেছিলেন, বোধহয় শেষ হয়ে গেল বিএনপি।

শেষ হয়ে গেল বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের জায়গা। তা হয়নি। ঠিক একইভাবে বলতে চাই, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া সঠিকভাবেই তার উত্তরাধিকারী নির্বাচন করেছেন আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে।

তারই নেতৃত্বে এই দল এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের স্বাধীনতার প্রতীক, সার্বভৌমত্বের প্রতীক, গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনি আছেন বলেই এখনো গণতন্ত্রের সংগ্রাম চলছে। তিনি আছেন বলেই এখন আমাদের শত্রুরা সীমান্তে ভয় পায়।

ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি ড. আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, এ দেশকে যারা করদরাজ্য বানাতে চায়, তারাই দেশনেত্রীকে দুনিয়া থেকে সরিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। এ কথা মানুষ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে।

ডাকসুর সাবেক ভিপি আমান উল্লাহ আমান বলেন, অবিলম্বে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। তা না হলে কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।

ছাত্রদলের সভাপতি ফজলুর রহমান খোকনের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলের পরিচালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন-সাবেক ছাত্রনেতা ফজলুল হক মিলন, নাজিম উদ্দিন আলম, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, এবিএম মোশাররফ হোসেন, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, আমিরুল ইসলাম আলিম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুল কাদির ভুঁইয়া জুয়েল, আকরামুল হাসান, ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফ মাহমুদ জুয়েল প্রমুখ।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন