যারা সন্ত্রাস পছন্দ করে তারাই র‌্যাবকে পছন্দ করে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
jugantor
যারা সন্ত্রাস পছন্দ করে তারাই র‌্যাবকে পছন্দ করে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২২ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, র‌্যাব সদস্যরা কাজেকর্মে খুবই দক্ষ ও পারদর্শী। তারা দুর্নীতিগ্রস্ত নয়। এজন্য তারা জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। তাদের কারণে দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমে গেছে।

গুটিকয়েক লোক যারা আইনশৃঙ্খলা পছন্দ করে না, যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পছন্দ করে তারাই র‌্যাবকে পছন্দ করে না। কারণ র‌্যাব তাদের বিরুদ্ধে কাজ করে। তিনি আরও বলেন, দুটি ক্ষেত্রে র‌্যাব অন্যায় করেছিল, সেগুলোর বিচার হয়েছে। শাস্তিও হয়েছে। আর এ র‌্যাব তৈরি করেছে আমেরিকান ও ব্রিটিশরা।

শুক্রবার সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় তিনি এসব কথা বলেন। দিরাই উপজেলার নগদিপুর গ্রামের চারটি স্কুল পরিদর্শন শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, গত কয়েক বছরে হলি আর্টিজানের মতো কোনো সন্ত্রাসী তৎপরতা দেশে দেখা যায়নি। র‌্যাবের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও এটা স্বীকার করেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোয় আমরা সব তথ্য জানাব। কারণ অনেকেই একতরফা তথ্য পেয়েছে। যারা র‌্যাবকে পছন্দ করে না তারা এমন তথ্য দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সব দেশেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে কিছু মৃত্যু হয়। বাংলাদেশেও কিছু হয়েছে। আগে বেশি ছিল তবে এখন খুবই কম। একটা মৃত্যু হলে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়, তদন্ত হয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে ড. মোমেন বলেন, আপনারা জানেন দুটি ক্ষেত্রে র‌্যাব অন্যায় করেছিল, সেগুলোর বিচারও হয়েছে। শাস্তিও হয়েছে। আর র‌্যাব তৈরি করেছে আমেরিকান ও ব্রিটিশরা। তাদের (র‌্যাব সদস্যদের) প্রশিক্ষণ দিয়েছেন আমেরিকানরা। তাদের নিয়মকানুন ও কাজকর্ম (রুলস অ্যান্ড এনগেজমেন্ট) শিখিয়েছেন আমেরিকানরা।

মানুষের সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করতে হয়, কেমন করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হয়-সবকিছুই তারা শিখিয়েছেন। র‌্যাবের কোনো দুর্বলতা থাকলে, কোনো কাজে মানবাধিকার লঙ্ঘন হলে অবশ্যই নতুন করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। তবে হঠাৎ করে কোনো ব্যক্তি বিশেষের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া মোটেই ন্যায়সঙ্গত নয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, বলা হচ্ছে-গত ১০ বছরে বাংলাদেশে ৬০০ জন নিখোঁজ (মিসিং) হয়েছেন। কিন্তু আমেরিকায় প্রতি বছর এক লাখ মানুষ নিখোঁজ (মিসিং) হন। এর দায়দায়িত্ব কে নেবে? আর আমাদের দেশে যারা নিখোঁজ হন তারা তো পরবর্তী সময়ে আবার বের হয়ে আসেন।

তিনি বলেন, সব তথ্য যাচাই-বাছাই না করে এবং না জেনেই বড় বড় বিদেশি মানুষ অভিযোগ করে থাকেন। যারা অভিযোগ করছেন-তাদের বলি আসেন, দেখেন। লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করেন। এরপর সিদ্ধান্ত নেবেন।

দিরাই উপজেলায় যুক্তরাজ্যের জেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জিল্লুর হোসাইনের নাগরিক সংবর্ধনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন যোগ দেন। এতে ব্রিটিশ এমপি পল ব্রিস্টো ও টম হান্ট এবং কমনওয়েলখ এন্টারপ্রাইজের সিইও এবং বিনিয়োগ কাউন্সিল সামান্থা কোহেন, সংরক্ষিত মহিলা এমপি শামীমা শাহরিয়ার খানম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যারা সন্ত্রাস পছন্দ করে তারাই র‌্যাবকে পছন্দ করে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২২ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, র‌্যাব সদস্যরা কাজেকর্মে খুবই দক্ষ ও পারদর্শী। তারা দুর্নীতিগ্রস্ত নয়। এজন্য তারা জনগণের আস্থা অর্জন করেছে। তাদের কারণে দেশে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড কমে গেছে।

গুটিকয়েক লোক যারা আইনশৃঙ্খলা পছন্দ করে না, যারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পছন্দ করে তারাই র‌্যাবকে পছন্দ করে না। কারণ র‌্যাব তাদের বিরুদ্ধে কাজ করে। তিনি আরও বলেন, দুটি ক্ষেত্রে র‌্যাব অন্যায় করেছিল, সেগুলোর বিচার হয়েছে। শাস্তিও হয়েছে। আর এ র‌্যাব তৈরি করেছে আমেরিকান ও ব্রিটিশরা।

শুক্রবার সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় তিনি এসব কথা বলেন। দিরাই উপজেলার নগদিপুর গ্রামের চারটি স্কুল পরিদর্শন শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, গত কয়েক বছরে হলি আর্টিজানের মতো কোনো সন্ত্রাসী তৎপরতা দেশে দেখা যায়নি। র‌্যাবের কারণেই এটা সম্ভব হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরও এটা স্বীকার করেছে। সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোয় আমরা সব তথ্য জানাব। কারণ অনেকেই একতরফা তথ্য পেয়েছে। যারা র‌্যাবকে পছন্দ করে না তারা এমন তথ্য দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, সব দেশেই আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হাতে কিছু মৃত্যু হয়। বাংলাদেশেও কিছু হয়েছে। আগে বেশি ছিল তবে এখন খুবই কম। একটা মৃত্যু হলে দ্রুত বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়, তদন্ত হয়।

সাংবাদিকদের উদ্দেশে ড. মোমেন বলেন, আপনারা জানেন দুটি ক্ষেত্রে র‌্যাব অন্যায় করেছিল, সেগুলোর বিচারও হয়েছে। শাস্তিও হয়েছে। আর র‌্যাব তৈরি করেছে আমেরিকান ও ব্রিটিশরা। তাদের (র‌্যাব সদস্যদের) প্রশিক্ষণ দিয়েছেন আমেরিকানরা। তাদের নিয়মকানুন ও কাজকর্ম (রুলস অ্যান্ড এনগেজমেন্ট) শিখিয়েছেন আমেরিকানরা।

মানুষের সঙ্গে কীভাবে ব্যবহার করতে হয়, কেমন করে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হয়-সবকিছুই তারা শিখিয়েছেন। র‌্যাবের কোনো দুর্বলতা থাকলে, কোনো কাজে মানবাধিকার লঙ্ঘন হলে অবশ্যই নতুন করে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। তবে হঠাৎ করে কোনো ব্যক্তি বিশেষের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া মোটেই ন্যায়সঙ্গত নয়।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, বলা হচ্ছে-গত ১০ বছরে বাংলাদেশে ৬০০ জন নিখোঁজ (মিসিং) হয়েছেন। কিন্তু আমেরিকায় প্রতি বছর এক লাখ মানুষ নিখোঁজ (মিসিং) হন। এর দায়দায়িত্ব কে নেবে? আর আমাদের দেশে যারা নিখোঁজ হন তারা তো পরবর্তী সময়ে আবার বের হয়ে আসেন।

তিনি বলেন, সব তথ্য যাচাই-বাছাই না করে এবং না জেনেই বড় বড় বিদেশি মানুষ অভিযোগ করে থাকেন। যারা অভিযোগ করছেন-তাদের বলি আসেন, দেখেন। লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করেন। এরপর সিদ্ধান্ত নেবেন।

দিরাই উপজেলায় যুক্তরাজ্যের জেড গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা জিল্লুর হোসাইনের নাগরিক সংবর্ধনায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন যোগ দেন। এতে ব্রিটিশ এমপি পল ব্রিস্টো ও টম হান্ট এবং কমনওয়েলখ এন্টারপ্রাইজের সিইও এবং বিনিয়োগ কাউন্সিল সামান্থা কোহেন, সংরক্ষিত মহিলা এমপি শামীমা শাহরিয়ার খানম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন