বৈদেশিক মুদ্রায় পুঁজি বিনিয়োগ করা যাবে বিদেশে
jugantor
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার
বৈদেশিক মুদ্রায় পুঁজি বিনিয়োগ করা যাবে বিদেশে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৮ জানুয়ারি ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের রপ্তানিকারকরা বাংলাদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় পুঁজি নিয়ে বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারবেন। যেসব রপ্তানিকারকের রিটেনশন (সংরক্ষিত) কোটায় পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে শুধু তারাই বিদেশি বিনিয়োগ করতে পারবেন। এর মধ্যে গত ৫ বছরের বার্ষিক গড় রপ্তানি আয়ের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বা সর্বশেষ নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে প্রদর্শিত নিট সম্পদের ২৫ শতাংশ এর মধ্যে যেটি কম সেই অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশে বিনিয়োগ করা যাবে।

এ বিষয়ে ২৬ জানুয়ারির তারিখ উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারকদের অবহিত করার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট-১৯৪৭ এর ২৭ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে মূলধনী হিসাবের লেনদেন (বিদেশে ইক্যুইটি বিনিয়োগ) বিধিমালা-২০২২ জারি করা হয়েছে। এর আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই সার্কুলার জারি করেছে।

বিধিমালায় বলা হয়, শুধু দেশের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো দেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশে পুঁজি নিয়ে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এ পুঁজি নিতে হবে রিটেনশন কোটা থেকে। ওই কোটায় পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা থাকতে হবে। একই সঙ্গে রপ্তানিকারকের আর্থিক সচ্ছলতাও থাকতে হবে। কোনো ঋণখেলাপি বা বড় অঙ্কের ঋণ অপরিশোধিত রয়েছে এমন কোনো রপ্তানিকারক বিদেশে পুঁজি বিনিয়োগ করতে পারবেন না।

রপ্তানিকারকরা তাদের মোট রপ্তানি আয়ের একটি অংশ রিটেনশন কোটায় বিদেশে তাদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে রাখতে পারেন। এ হিসাব থেকে অর্থ ব্যবসার উন্নয়নে খরচ করতে পারেন। ওই হিসাব থেকে বিদেশে পুঁজি বিনিয়োগ করার সুযোগ চেয়ে আসছিলেন রপ্তানিকারকরা। তার আলোকে এ সুযোগ দেওয়া হলো।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশ থেকে প্রতি বছর মোটা অঙ্কের অর্থ পাচার হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে আসছে। এ অনুমতি দেওয়ার ফলে এখন দেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা বৈধভাবে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ হবে। এ খাতে কঠোর তদারকি রাখতে হবে। তা না হলে যেসব বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে যাবে সেগুলো বা এর মুনাফা দেশে আসবে না।

তিনি বলেন, এতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে। তবে তদারকি বাড়াতে হবে।

এতে বলা হয়, বিদেশে বিনিয়োগ করতে হলে দেশ থেকে অনুমতি নিতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এতে সদস্য হিসাবে থাকবেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একজন নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের একজন কমিশনার, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের একজন সদস্য, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের নিবন্ধক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একজন সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন মহাপরিচালক, শিল্প মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মহাপরিচালক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের একজন যুগ্ম সচিব। কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক।

বিদেশে কোম্পানি গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা বিধিমালাতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদেশে গঠিত কোম্পানির সব পাওনা, যেমন মুনাফা বা লভ্যাংশ, সুদ, শেয়ার বিক্রয়লব্ধ অর্থ, বিনিয়োগ বিলুপ্তির ফলে অবশিষ্ট অর্থ, বেতন, রয়্যালটি, কারিগরি প্রজ্ঞাপন ফি, পরামর্শ ফি, কমিশন ইত্যাদি অর্জিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে পাঠাতে হবে। বিনিয়োগের কোনো শর্ত ভঙ্গ করা হলে তা মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।

এতে বলা হয়, সব দেশে পুঁজি বিনিয়োগ করা যাবে না। যেসব দেশে বাংলাদেশের নাগরিকদের কাজ করার ও তাদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে প্রেরণের কোনো বাধা নেই, বাংলাদেশের দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি রয়েছে, বাংলাদেশে বিনিয়োগসহ অন্যান্য অর্থ দেশে ফেরত আনার সুযোগ রয়েছে এবং বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় পুঁজি বিনিয়োগ, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তি রয়েছে ওইসব দেশে পুঁজি বিনিয়োগ করা যাবে।

যেসব দেশে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অফিস অব ফরেন অ্যাসেট কন্ট্রোল কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্স কর্তৃক যেসব দেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে ও বাংলাদেশের সঙ্গে যেসব দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই-ওইসব দেশে বিনিয়োগ করা যাবে না।

বিদেশি বিনিয়োগে আগ্রহী রপ্তানিকারকদের ক্রেডিট রেটিং গ্রেড দুই হতে হবে। বিনিয়োগ প্রস্তাবটি নির্ভরযোগ্য ও লাভজনক হতে হবে। থাকতে হবে বৈদেশিক আয়ের সম্ভাবনা।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্কুলার

বৈদেশিক মুদ্রায় পুঁজি বিনিয়োগ করা যাবে বিদেশে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

দেশের রপ্তানিকারকরা বাংলাদেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় পুঁজি নিয়ে বিদেশে বিনিয়োগ করতে পারবেন। যেসব রপ্তানিকারকের রিটেনশন (সংরক্ষিত) কোটায় পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা রয়েছে শুধু তারাই বিদেশি বিনিয়োগ করতে পারবেন। এর মধ্যে গত ৫ বছরের বার্ষিক গড় রপ্তানি আয়ের সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ বা সর্বশেষ নিরীক্ষিত বার্ষিক আর্থিক প্রতিবেদনে প্রদর্শিত নিট সম্পদের ২৫ শতাংশ এর মধ্যে যেটি কম সেই অর্থ বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশে বিনিয়োগ করা যাবে।

এ বিষয়ে ২৬ জানুয়ারির তারিখ উল্লেখ করে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। এটি সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারকদের অবহিত করার জন্য ব্যাংকগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর আগে চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট-১৯৪৭ এর ২৭ নম্বর ধারার ক্ষমতাবলে মূলধনী হিসাবের লেনদেন (বিদেশে ইক্যুইটি বিনিয়োগ) বিধিমালা-২০২২ জারি করা হয়েছে। এর আওতায় কেন্দ্রীয় ব্যাংক ওই সার্কুলার জারি করেছে।

বিধিমালায় বলা হয়, শুধু দেশের রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলো দেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রায় বিদেশে পুঁজি নিয়ে বিনিয়োগ করতে পারবেন। এ পুঁজি নিতে হবে রিটেনশন কোটা থেকে। ওই কোটায় পর্যাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রা থাকতে হবে। একই সঙ্গে রপ্তানিকারকের আর্থিক সচ্ছলতাও থাকতে হবে। কোনো ঋণখেলাপি বা বড় অঙ্কের ঋণ অপরিশোধিত রয়েছে এমন কোনো রপ্তানিকারক বিদেশে পুঁজি বিনিয়োগ করতে পারবেন না।

রপ্তানিকারকরা তাদের মোট রপ্তানি আয়ের একটি অংশ রিটেনশন কোটায় বিদেশে তাদের বৈদেশিক মুদ্রা হিসাবে রাখতে পারেন। এ হিসাব থেকে অর্থ ব্যবসার উন্নয়নে খরচ করতে পারেন। ওই হিসাব থেকে বিদেশে পুঁজি বিনিয়োগ করার সুযোগ চেয়ে আসছিলেন রপ্তানিকারকরা। তার আলোকে এ সুযোগ দেওয়া হলো।

এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশ থেকে প্রতি বছর মোটা অঙ্কের অর্থ পাচার হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংস্থার প্রতিবেদনে উঠে আসছে। এ অনুমতি দেওয়ার ফলে এখন দেশ থেকে বৈদেশিক মুদ্রা বৈধভাবে বিদেশে বিনিয়োগের সুযোগ হবে। এ খাতে কঠোর তদারকি রাখতে হবে। তা না হলে যেসব বৈদেশিক মুদ্রা বিদেশে যাবে সেগুলো বা এর মুনাফা দেশে আসবে না।

তিনি বলেন, এতে বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনায় এক ধরনের ঝুঁকি তৈরি হচ্ছে ঠিকই, কিন্তু এর সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পারলে ভালো ফল পাওয়া যেতে পারে। তবে তদারকি বাড়াতে হবে।

এতে বলা হয়, বিদেশে বিনিয়োগ করতে হলে দেশ থেকে অনুমতি নিতে হবে। এ জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের নেতৃত্বে ১৫ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এতে সদস্য হিসাবে থাকবেন আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের একজন অতিরিক্ত সচিব, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের একজন নির্বাহী সদস্য, বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের একজন কমিশনার, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর ভাইস চেয়ারম্যান, বিমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের একজন সদস্য, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর পরিদপ্তরের নিবন্ধক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের একজন সদস্য, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একজন মহাপরিচালক, শিল্প মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মহাপরিচালক, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, প্রবাসী কল্যাণ ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব এবং লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের একজন যুগ্ম সচিব। কমিটির সদস্য সচিব হিসাবে দায়িত্ব পালন করবেন বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা বিনিয়োগ বিভাগের মহাব্যবস্থাপক।

বিদেশে কোম্পানি গঠনের বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা বিধিমালাতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদেশে গঠিত কোম্পানির সব পাওনা, যেমন মুনাফা বা লভ্যাংশ, সুদ, শেয়ার বিক্রয়লব্ধ অর্থ, বিনিয়োগ বিলুপ্তির ফলে অবশিষ্ট অর্থ, বেতন, রয়্যালটি, কারিগরি প্রজ্ঞাপন ফি, পরামর্শ ফি, কমিশন ইত্যাদি অর্জিত হওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে বাংলাদেশে পাঠাতে হবে। বিনিয়োগের কোনো শর্ত ভঙ্গ করা হলে তা মানি লন্ডারিং আইনের আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে গণ্য হবে।

এতে বলা হয়, সব দেশে পুঁজি বিনিয়োগ করা যাবে না। যেসব দেশে বাংলাদেশের নাগরিকদের কাজ করার ও তাদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা দেশে প্রেরণের কোনো বাধা নেই, বাংলাদেশের দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি রয়েছে, বাংলাদেশে বিনিয়োগসহ অন্যান্য অর্থ দেশে ফেরত আনার সুযোগ রয়েছে এবং বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় পুঁজি বিনিয়োগ, উন্নয়ন ও সংরক্ষণ চুক্তি রয়েছে ওইসব দেশে পুঁজি বিনিয়োগ করা যাবে।

যেসব দেশে জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, অফিস অব ফরেন অ্যাসেট কন্ট্রোল কর্তৃক নিষেধাজ্ঞা রয়েছে, ফাইন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্স কর্তৃক যেসব দেশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা রয়েছে ও বাংলাদেশের সঙ্গে যেসব দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই-ওইসব দেশে বিনিয়োগ করা যাবে না।

বিদেশি বিনিয়োগে আগ্রহী রপ্তানিকারকদের ক্রেডিট রেটিং গ্রেড দুই হতে হবে। বিনিয়োগ প্রস্তাবটি নির্ভরযোগ্য ও লাভজনক হতে হবে। থাকতে হবে বৈদেশিক আয়ের সম্ভাবনা।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন