মাদকবিরোধী অভিযান

সাত জেলায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১১

  যুগান্তর ডেস্ক ২৫ মে ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

দেশে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে সাত জেলায় আরও ১১ জন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে ফেনীতে দু’জন, কুমিল্লায় দু’জন এবং নারায়ণগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া কক্সবাজারের মহেশখালী একজন করে মোট সাতজন নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত হয়েছে। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে এসব ঘটনা ঘটে। কর্মকর্তারা জানান, অভিযানের সময় মাদক ব্যবসায়ী বা পাচারকারীরা নিরাপত্তা বাহিনীর ওপর গুলিবর্ষণ করেছে। আত্মরক্ষার্থে নিরাপত্তা বাহিনী পাল্টা গুলি চালালে তারা নিহত হয়। নিহত সবার বিরুদ্ধে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। এদিকে মাগুরায় দু’জন এবং সাতক্ষীরা ও কক্সবাজারে একজন করে মোট চারজনের গুলিবিদ্ধ লাশ পাওয়া গেছে। পুলিশের দাবি, এরা সবাই মাদক চোরাকারবারে জড়িত ছিল। তাদের বিরুদ্ধেও থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে নিজেদের মধ্যে গোলাগুলিতে তারা নিহত হয়েছে। মাদকবিরোধী অভিযানে এ নিয়ে গত ১০ দিনে বিভিন্ন স্থানে ৫৮ জন নিহত হল।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পুলিশ মাদকবিরোধী অভিযান শুরু করে ১৮ মে। র‌্যাব শুরু করে ৪ মে। পুলিশের অভিযানে এ পর্যন্ত সাড়ে পাঁচ হাজার মাদক ব্যবসায়ী ও মাদকসেবীকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পাঁচ হাজার মামলা হয়েছে। তা ছাড়া র‌্যাবের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে পাঁচ শতাধিক।

র‌্যাব সদর দফতর থেকে জানানো হয়, র‌্যাব ৪ মে থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মাদকবিরোধী ৬৩৮টি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে। এসব অভিযানে ৭৬১ জন গ্রেফতার হয়েছে। গ্রেফতারদের কাছ থেকে ৪০ কোটি টাকার ইয়াবা ট্যাবলেট, হেরোইন, ফেনসিডিল, গাঁজা এবং মদ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া এ সময় ৩৪৭টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে র‌্যাব। এসব আদালতের মাধ্যমে দুই হাজার ৮৭৮ জনকে গ্রেফতার করে দুই হাজার ৩৯৩ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়।

র‌্যাব পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান যুগান্তরকে বলেন, সুনির্দিষ্ট তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতেই মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযান চলছে। ‘বন্দুকযদ্ধে’ যারা মারা যাচ্ছে তারা তালিকাভুক্ত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী। প্রত্যেকের নামে একাধিক মামলা আছে। তিনি জানান, মাদকের সঙ্গে অস্ত্রের একটি সম্পর্ক আছে। তাই বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে গেলে তারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। আত্মরক্ষার্থে র‌্যাবও গুলি চালায়।

মাদকবিরোধী অভিযান নিয়ে ব্যুরো ও প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

কুমিল্লা : কুমিল্লায় পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। একজনের নাম বাবুল ওরফে লম্বা বাবুল (৩৫) এবং অপরজনের নাম রাজিব (২৬)। বুধবার রাত ১টার দিকে জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসংলগ্ন আমানগণ্ডা সলাকান্দা নতুন রাস্তার মাথায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ লম্বা বাবুল নিহত হয়। সে উপজেলার বৈদ্দেরখিল গ্রামের হাফেজ আহাম্মদের ছেলে। আর ওই রাতেই (২টার দিকে) দক্ষিণ উপজেলার চৌয়ারাসংলগ্ন ঢাকা-চট্টগ্রাম পুরাতন ট্যাংক রোডের গোয়ালমথন এলাকায় বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয় রাজিব। সে সদর দক্ষিণ উপজেলার কোটবাড়িসংলগ্ন চাঙ্গিনী গ্রামের মৃত শাহ আলমের ছেলে। উভয়ই তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী বলে দাবি পুলিশের। দুই স্থান থেকেই অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে।

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল ফয়সাল জানান, নিহত বাবুলের বিরুদ্ধে মাদক আইনে পাঁচটি মামলা রয়েছে। সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম জানান, রাজিবের বিরুদ্ধে থানায় ১৩টি মামলা রয়েছে।

সিদ্ধিরগঞ্জ : নরায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে ১৭ মামলার আসামি, মাদক ব্যবসায়ী সেলিম ওরফে ফেন্সি সেলিম নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ছয়জন। বৃহস্পতিবার ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের দক্ষিণ নিমাইকাসারী ক্যানেলপাড় বজলু খানের খালি জায়গায় এ ঘটনা ঘটে। সেলিম ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সিদ্ধিরগঞ্জের নিমাইকাসারী বাঘমারা এলাকার আবুল কাশেম ওরফে গাঞ্জা কাশেমের ছেলে। কাশেম এলাকায় গাঁজার ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে। সেলিমের মা মর্জিনা বেগমও মাদক ব্যবসায়ের সঙ্গে জড়িত। সেলিমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় ১৭টি মামলা রয়েছে।

পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে একটি একনলা বন্দুক, একটি সুইসগিয়ার চাকু, পাঁচ বোতল ফেনসিডিল এবং প্রায় ৫০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেছে।

ফেনী : ফেনীর ফুলগাজীতে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ দুই মাদক ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার আনন্দপুর-জামুড়া সড়কে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় পুলিশের তিন এসআইসহ আট পুলিশ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি, তিনটি কার্তুজ, ৭০০ পিস ইয়াবা, দেড়শ’ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতরা হল- মজনু মিঞা ওরফে মনির ও শাহামিরান শামীম। মজনু মিয়া ফুলগাজী উপজেলার মনতলা গ্রামের মোস্তফা হোসেনের ছেলে। আর শাহামিরান শামীম উপজেলার আনন্দপুরের মাইজ গ্রামের ফটিক মিঞার ছেলে।

ফুলগাজী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ুন কবির জানান, নিহতদের নামে মাদক ও অস্ত্র আইনে ১০টি করে মামলা রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাদের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে দু’জনকে গ্রেফতার করতে যায়। এ সময় তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশ পাল্টা গুলি চালালে তারা গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হয়।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : জেলার আখাউড়ায় ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মাদক ও হত্যা মামলার এক আসামি নিহত হয়েছে। তার নাম আমির খাঁ (৪০)। সে উপজেলার সীমান্তবর্তী চানপুর গ্রামের মৃত সুরুজ খাঁর ছেলে। আখাউড়া থানার ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার জানান, বুধবার রাতে পুলিশের একটি দল আখাউড়া-ধরখার সড়কের বনগজ স্টিল ব্রিজসংলগ্ন পাকা রাস্তার মোড়ে মাদকবিরোধী অভিযানে যায়। এ সময় আগে থেকে ওঁৎ পেতে থাকা আমির খাঁ ও তার সহযোগীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে গুলিবিদ্ধ হয়ে আমির খাঁর মৃত্যু হয়। নিহত আমিরের বিরুদ্ধে আখাউড়া থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে দুটি ও একটি হত্যা মামলাসহ ১২টি মামলা রয়েছে।

কালীগঞ্জ (সাতক্ষীরা) : সাতক্ষীরার কালীগঞ্জে আবদুল আজিজ (৪৫) নামে এক মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সে সাতক্ষীরা সদর উপজেলার পরানদাহ গ্রামের কেরামত আলীর ছেলে। কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে স্থানীয় গ্রামপুলিশ সূত্রে খবর পেয়ে পুলিশ উপজেলার ভাড়াশিমলা ইউনিয়নের চৌবাড়িয়ার সিদ্ধের পুকুর নামক স্থান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মৃতদেহটি উদ্ধার করে। মৃতদেহের পাশ থেকে দেশে তৈরি পিস্তল, চার রাউন্ড গুলি, একটি নতুন গামছা, একটি মোবাইল ফোন ও ৪৮ বোতল ভারতীয় ফেনসিডিল পাওয়া গেছে। নিহত আবদুল আজিজের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় হত্যা, ডাকাতি, মাদক চোরচালানিসহ বিভিন্ন অপরাধে ১৪টি মামলা রয়েছে। মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বে ওই যুবক নিহত হয়েছে বলে ধারণা করছে পুলিশ।

কক্সবাজার : কক্সবাজার শহরের উত্তরণ পাহাড়ি এলাকা থেকে মোহাম্মদ হাসান (৩৫) নামে এক ইয়াবা ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত হাসান কলাতলী আদর্শগ্রাম এলাকার মৃত খুইল্যাহ মিয়ার ছেলে।

মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ ফরিদ উদ্দীন খন্দকার বলেন, ইয়াবা ব্যবসায়ীদের দু’গ্রুপের গোলাগুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানের কথা জানতে পেরে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইয়াবা ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হাসানের লাশ পাওয়া যায়। ঘটনাস্থলে একটি দেশীয় বন্দুক ও দুই রাউন্ড গুলি পাওয়া গেছে। নিহত হাসানের বিরুদ্ধে চট্টগ্রামেও একটি ইয়াবা মামলা রয়েছে।

রাতে মহেশখালী প্রতিনিধি জানান, কক্সবাজারের মহেশখালীতে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এক ইয়াবা ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। এ সময় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়। মহেশখালী থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ জানান, বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১০টার কিছু সময় পর পুলিশ খবর পায় বড় মহেশখালীর পাহাড়তলী এলাকায় দুই সন্ত্রাসী বাহিনীর মধ্যে মাদক ব্যবসা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে বন্দুকযুদ্ধ চলছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি ইউনিট ওই এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি ছোড়ে। পুলিশও আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায়। আধ ঘণ্টাব্যাপী বন্দুকযুদ্ধের পর সন্ত্রাসীরা পিছু হটে। এ সময় পুলিশ এক ব্যক্তিকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে। তার নাম মোস্তাক আহমদ (৩৫)। তিনি বড় মহেশখালী পাহাড়তলী এলাকার আনোয়ার পাশার ছেলে। পরে তাকে উদ্ধার করে মহেশখালী হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের তরফ থেকে ৪০ রাউন্ড গুলি ছোড়া হয়। পুলিশ জানায়, ঘটনাস্থল থেকে ৩০ রাউন্ড গুলির খোসা, ৪টি বন্দুক, ৭ রাউন্ড তাজা কার্তুজ ও ১০০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

ওসি আরও জানান, স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ী মোহাম্মদ উল্লাহ ও আরিফ উল্লাহর মধ্যে মাদক ব্যবসার বিরোধের জের ধরে এ বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

মাগুরা : মাগুরা শহরতলির পারনান্দুয়ালি হাউজিং প্রজেক্ট এলাকা থেকে বুধবার রাতে আইয়ুব হোসেন (৫০) ও মিজানুর রহমান কালু (৪২) নামে দু’জনের গুলিবিদ্ধ লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মাগুরার সহকারী পুলিশ সুপার ছয়েরুদ্দিন আহমেদ জানান, মাদক চোরাকারবারিদের দু’পক্ষের ‘গোলাগুলিতে’ দু’জন নিহত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আইয়ুব হোসেনের নামে হত্যা ও মাদক আইনে ১৮টি এবং মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২১টি মামলা রয়েছে। আইয়ুব শহরতলির নিজনান্দুয়ালি গ্রামের জব্বার শেখের ছেলে। আর মিজান শহরের ভায়না টিটিডিসি পাড়া এলাকার আবদুল বারিক মিয়ার ছেলে।

ঈশ্বরদী (পাবনা) : ঈশ্বরদীতে পুলিশের গুলিতে দুলাল হোসেন জয় নামে এক মাদক ব্যবসায়ী আহত হয়েছে। বুধবার রাত দেড়টার দিকে ঈশ্বরদী তুঁত ফার্মের পাশের রাস্তায় দীপু সরদারের পরিত্যক্ত গোডাউনের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ জানায়, মাদকবিরোধী অভিযানের সময় মাদক ব্যবসায়ীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ককটেল ছোড়ে। পুলিশ গুলি ছুড়ে পাল্টা জবাব দিলে দুলাল আহত হয়। তার পায়ে গুলি লেগেছে। তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

 

 

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
bestelectronics

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
.