সুদ হার না কমালে বাজেটের সুফল মিলবে না

  শাহ আলম খান ০৫ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ড. আবুল বারকাত

উন্নয়নের সঙ্গে বিনিয়োগের সম্পর্ক নিবিড়। আর বিনিয়োগের সঙ্গে পারস্পরিক বিরোধ উচ্চ সুদ হারের। এ বিরোধ দূর করা না গেলে অর্থনীতিতে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ হবে না, শিল্পায়নও বেশিদূর এগোবে না। এমন মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত।

যুগান্তর : কর্পোরেট কর কমানোর জোরালো দাবি প্রায় সব মহলের। গণহারে তা কমানো হলে রাজস্ব আয়ে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর বিকল্প সমাধান কী হতে পারে?

ড. আবুল বারকাত : বিদ্যমান বাস্তবতায় কর্পোরেট কর যৌক্তিক করার প্রয়োজন আছে। কিন্তু সেটি করার আগে কেন এ দাবি উঠছে- তার উপসম হওয়াটা জরুরি। এক্ষেত্রে বিকল্প সমাধানে যাওয়াই যুক্তিযুক্ত হবে।

কারণ কর্পোরেট কর ও সুদ হার- এ দুইয়ের মধ্যে একটা পারস্পরিক এবং আত্মিক সম্পর্ক আছে। এর যে কোনো একটা ইস্যুতে সরকারকে আপস করতেই হবে। আমি মনে করি, সুদ হার সিঙ্গেল ডিজিটে নির্ধারণ করা গেলে তখন কর্পোরেট কর না কমালেও চলবে।

এতে ব্যবসায়ীরা অখুশি হবেন না। বাস্তবতা হচ্ছে সুদ হার অনেক বেশি বলেই তার থেকে পরিত্রাণ পেতে এ দাবি আসছে। সুদ হার ওঠানামা করলেও দেশে বার্ষিক গড় সুদ সাধারণত ১৪-১৫ শতাংশের মধ্যে আবর্তিত হচ্ছে।

এটা অনেক উচ্চহারের। এরও নিশ্চয়তা নেই। উদ্যোক্তাকে সেটা ২০ শতাংশ পর্যন্তই দিতে হচ্ছে। নানা কারণেই এটা হচ্ছে। ব্যাংকিং সিস্টেমে উচ্চ সুদহারের এ রক্তক্ষরণ বন্ধ করা এখন সময়ের দাবি। এটা না করা গেলে লক্ষ্যচ্যুত হতে পারে সরকারের অনেক অর্জন এবং আগামীর ভিশন।

যুগান্তর : ব্যাংক ঋণের সুদ হার কেন সিঙ্গেল ডিজিটে কার্যকর থাকছে না?

বারকাত : ব্যাংক মালিকরা চায় না বলেই ব্যাংক ঋণের সুদ হার কমছে না। তাই ব্যবসায়ীদের বারবার সিঙ্গেল ডিজিট করার দাবিও প্রতিফলিত হচ্ছে না। আমার দৃষ্টিতে বিষয়টি এরকমই। দায়িত্বশীলদের মনে রাখা দরকার, ডাবল ডিজিট সুদে (১০ শতাংশের বেশি) বিশ্বের কোথাও শিল্পায়ন সফল হয়নি।

বাংলাদেশেও এটা বেশিদূর এগোবে না। বরং বিনিয়োগে যারা এসেছেন তারাও এক সময় বের হওয়ার পথ খুঁজবেন। বুঝতে হবে শিল্পায়ন ও ব্যবসা-বাণিজ্য গতিশীল না থাকলে ব্যাংকও সচল থাকবে না। আমি মনে করি, জাতীয় স্বার্থেই এ ইস্যুতে ব্যাংক, সরকার ও ব্যবসায়ী সাবইকে ঐকমত্যে আসতে হবে।

যুগান্তর : বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়াতে বাজেটে কী করণীয় থাকতে পারে?

বারকাত : বেসরকারি বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য ব্যবসার খরচ কমিয়ে আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রেও ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটের (৮-৯ শতাংশ) হলে ব্যবসায় বড় অংশের খরচ কমে আসবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা থাকলে উদ্যোক্তাদের মধ্যে স্বস্তি আসবে। তারা নতুন বিনিয়োগে উৎসাহিত হবেন। তবে বিনিয়োগ বাড়াতে উদ্যোক্তাকে এগিয়ে আসার জন্য শক্তির জোগান হিসেবে প্রণোদনাও দেয়া যেতে পারে।

সেটা সব খাতে না দিয়ে সরকার নির্বাচিত অগ্রাধিকার খাতে দেয়াই যুক্তিযুক্ত হবে। এছাড়া শিল্প স্থাপনের জন্য উদ্যোক্তার সহজ ভূমিপ্রাপ্তি, দুর্নীতি কমাতে ক্ষতি হ্রাস কৌশল চিহ্নিত, বিদ্যুৎ-জ্বালানির সহজলভ্যতাসহ বিভিন্ন অবকাঠামোর সৃষ্টি এবং চলমান প্রকল্পগুলোর দ্রুত ও টেকসই বাস্তবায়নে নজর দিতে হবে।

পাশাপাশি ব্যাংক-বীমা, কাস্টমস, দলিল-দস্তাবেজসহ ব্যবসা দ্রুতায়ন সংশ্লিষ্ট নীতিসহায়ক অনেক সংযোগ পদক্ষেপ আছে, যা ব্যবসার খরচ কমাতে ভূমিকা রাখে, বাজেটে সেগুলোর সেবাপ্রাপ্তিও আরও সহজ এবং দ্রুততর করার নিশ্চয়তার ঘোষণা দিতে হবে। আইনশৃঙ্খলা উন্নয়ন ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাও এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য বিষয়।

যুগান্তর : মানবসম্পদ উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রতিবার বাজেটেই গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। বাস্তবে তার প্রতিফলন কমই দেখা যাচ্ছে। এক্ষেত্রে বাজেটে কী ধরনের সংস্কার হওয়া উচিত?

বারকাত : মানবসম্পদ উন্নয়নের মূলমন্ত্র হচ্ছে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ক্রমাগত উন্নয়ন। দেশে এ দুটি খাতেই বৈষম্য ও দুর্নীতি খুব প্রবল। যে কারণে অনেক উদ্যোগ থাকলেও তার সুফল দৃশ্যমান হচ্ছে না।

বিশেষ করে শিক্ষা ব্যবস্থা এখন অনেকটা বাজারের পণ্যে পরিণত হয়েছে। যা শুভ লক্ষণ নয়। অন্যদিকে দেশে এখনও প্রতি ৩ জন শিক্ষার্থীর একজন মাদ্রাসাগামী, যা ওই শিক্ষার্থীর কর্মসংস্থানের জন্য সহায়ক নয়। এ শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রগতিমুখী সংস্কার দরকার। সাধারণ ধারার শিক্ষার প্রয়োজন আছে।

কিন্তু তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কর্মমুখী শিক্ষা। দেশে কর্মমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ রয়েছে, যা পর্যাপ্ত নয়। সর্বত্র চালু করা যায়নি। কারণ গোটা শিক্ষা ব্যবস্থাতেই গলদ রয়েছে।

রাষ্ট্রীয়ভাবে প্রয়োজনীয় ব্যয় বরাদ্দেরও আছে অপর্যাপ্ততা। যেটুকু আছে, সেখানেও কোন খাতে কত থাকা উচিত ভিন্ন ভিন্নভাবে সেটি সুনির্দিষ্ট করা হচ্ছে না।

মানবসম্পদ উন্নয়নের সুফল পেতে এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষা নিশ্চিতের জন্য প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ, বিশেষায়িত এবং ভোকেশনালসহ মূলধারা ও মাদ্রাসা শিক্ষার বাজেট আলাদাভাবে দেখানো জরুরি।

এর পাশাপাশি শিক্ষায় বরাদ্দ বর্তমান জিডিপির ১ দশমিক ৯ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৮ শতাংশে নিয়ে যাওয়া দরকার। কারিগরি শিক্ষার পাশাপাশি নারী শিক্ষার উন্নয়ন, নারী উদ্যোক্তার জন্য ঋণনীতি পরিবর্তন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দিতে হবে বাজেটে।

এর সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে মাথাপিছু ব্যয় ৩ ডলার থেকে বৃদ্ধি করে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চাহিদা অনুযায়ী ১২ ডলারে নিয়ে যেতে হবে। তাহলেই প্রত্যাশিত ফল পাওয়া যাবে।

যুগান্তর : প্রতি বছরই দাবি করা হচ্ছে কাঙ্ক্ষিত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জিত হচ্ছে। অথচ ব্যক্তি খাতের বিনিয়োগ শূন্যের কোঠায়। শুধু সরকারি বিনিয়োগের ওপর দাঁড়িয়ে এ উচ্চতর প্রবৃদ্ধির দাবি সঠিক কিনা?

বারকাত : এ দাবি ভ্রান্ত নয়। তবে ১৬ কোটি মানুষের বাংলাদেশে ‘দেশের মাটি থেকে উত্থিত উন্নয়ন দর্শন’ এবং বৈষম্য অসমতা হ্রাসকারী মানবিক উন্নয়ন দর্শনই হওয়া উচিত আমাদের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের কেন্দ্রীয় দর্শন। এ প্রক্রিয়ায় মানুষের জন্য ৫ ধরনের সুযোগ সৃষ্টি করতেই হবে। তা হল অর্থনৈতিক সুযোগ, সামাজিক সুবিধাদি, স্বচ্ছতার গ্যারান্টি, সুরক্ষার নিশ্চয়তা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা। এসব নিশ্চিত হলেই বিনিয়োগসহ নানামুখী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থনীতি আরও সচল হবে।

যুগান্তর : উচ্চ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন সত্ত্বেও দেশে বৈষম্য প্রকট হচ্ছে? এ বৈষম্য রোধে বাজেটে করণীয় কী?

বারকাত : উচ্চ প্রবৃদ্ধির সুফল প্রান্তিক জনগণের কাছে পৌঁছাতে হলে সরকারকে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার বাড়ানোর একমুখী চিন্তা পরিহার করতে হবে। একই সঙ্গে সেই ঊর্ধ্বগতির প্রবৃদ্ধিতে বৈষম্য হ্রাসমুখী বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেয়া উচিত।

এক্ষেত্রে রাজস্ব আয়ে ভ্যাটের মতো পরোক্ষ করের তুলনায় প্রত্যক্ষ কর অর্থাৎ ব্যক্তির আয় ও সম্পদের ওপর কর হার ও আওতা বৃদ্ধিই হতে পারে সবচেয়ে কার্যকরী উপায়। বিশেষ করে ধনীদের সম্পদে অতিরিক্ত কর বসাতে হবে।

দেশে ব্যক্তিগত আয়ের ভিত্তিতে ১ কোটি টাকা কর দেন এমন লোকের সংখ্যা ৫০-এর বেশি হবে না। অথচ দেশে এ সংখ্যা হবে ৫০ হাজারের বেশি। তাদেরও করজালে আনতে হবে।

এর পাশাপাশি বেকারত্ব হ্রাসে কার্যকরী পদক্ষেপ থাকা জরুরি। এসব ক্ষেত্রে বাজেটে এমন পথ ও পদ্ধতির নির্দেশনা থাকতে হবে- যার মাধ্যমে বৈষম্য ও অসমতা ক্রমান্বয়ে হ্রাস পায়। একই সঙ্গে উৎপাদনশীল খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়, যা কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনমান উন্নয়নের জন্য সহায়ক হয়।

যুগান্তর : উন্নয়নশীল দেশের চূড়ান্ত স্বীকৃতি অর্জনে অনেক প্রস্তুতির দরকার। এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ কী? আগামী বাজেটে এটি কতটা গুরুত্ব পাওয়া উচিত?

বারকাত : মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদের উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা- ‘জাতিসংঘের ইকোনমিক ও সোস্যাল কাউন্সিল’-এর বিবেচ্য এ তিনটি মানদণ্ড অর্জনের পর বাংলাদেশ উন্নয়নশীলের প্রাথমিক স্বীকৃতি পেয়েছে। এখন সূচকগুলোর সব কটিতে ধারাবাহিকতা ধরে রাখাটাই হবে বড় চ্যালেঞ্জ।

সেখানে সময়ও কিন্তু খুব বেশি হাতে নেই। তাই আগামী লক্ষ্য হওয়া উচিত চলমান উন্নয়নকে আরও উন্নতির দিকে নিয়ে যাওয়া এবং তার মাধ্যমে অর্জিত প্রবৃদ্ধি অন্তর্ভুক্তিমূলক হওয়া।

এজন্য উন্নয়নের সব স্তরে গৃহীত কর্মপরিকল্পনা এবং তার বাস্তবায়ন প্রক্রিয়াটি সুদূরপ্রসারী ও টেকসই হতে হবে। পরিবর্তন আনতে হবে অভ্যন্তরীণ সার্বিক ব্যবস্থাপনায়।

মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন, স্বল্প আয়কে উচ্চ আয়ে রূপ দেয়া এবং বিনিয়োগের নিু প্রবাহকে উল্লেখযোগ্য হারে উন্নীত করতে না পারলে অর্থনৈতিক উন্নতি ও ব্যবস্থাপনা টেকসই হবে না। উল্টো প্রাথমিক স্বীকৃতি থেকেও ছিটকে পুনরায় এলডিসির কাতারেই অপেক্ষা করতে হবে আরও কিছু কাল।

এ জন্য প্রস্তুতিমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য আগামী বছর থেকেই ব্যয়ের বাজেট বড় করতে হবে। একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পাশাপাশি রফতানি উন্নয়ন ও বহুমুখীকরণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও গুণগত বাস্তবায়নে জোর দিতে হবে। বাজেটে এসব বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা উচিত।

যুগান্তর : টাকা পাচার নিয়ে বারবার বিতর্ক হচ্ছে। কেন পাচার বাড়ছে? এটা বন্ধে বাজেটে কী ধরনের সংস্কার পদক্ষেপ থাকা উচিত?

বারকাত : বিদেশে রাখলে নিরাপদ থাকবে এমন ভাবনা, দেশে বিনিয়োগ করা যাচ্ছে না এমন অজুহাত এবং অভ্যন্তরীণ বহুমুখী অস্থিতিশীলতার কারণেই টাকা পাচারের প্রবণতা বাড়ছে।

প্রতি বছর ৭০-৮০ হাজার কোটি টাকার সমপরিমাণ অর্থ দেশ থেকে পাচার হচ্ছে। তবে এটা রোধ করা সম্ভব। কারণ টাকা পাচারের অন্যতম উপায় হচ্ছে আমদানি-রফতানি পদ্ধতি।

এছাড়া আরও যেসব উপায়ে টাকা পাচারের সুযোগ রয়েছে- সেসব খাত ও দুর্বলতা চিহ্নিত করে তার ফাঁকফোকর বন্ধ করতে হবে। এর সঙ্গে নিয়ন্ত্রক সংস্থার আধুনিকায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং এ সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামোর কার্যকর সংস্কার ও সমন্বয় জরুরি।

বাজেটে এ বিষয়ে কি নির্দেশনা থাকছে তা জানা নেই। তবে পাচারের রাস্তা বন্ধ করার আরও একটি উপায় হচ্ছে- সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে সরকারের অর্থনৈতিক কূটনীতি জোরদার করা।

এর মাধ্যমে বিদেশে পাচার হওয়া উল্লেখযোগ্য টাকা আইনি প্রক্রিয়ায় পুনরায় দেশে ফেরত আনা সম্ভব। একই সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিদেরও শাস্তি নিশ্চিত করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতি বছর সরকারের রাজকোষও সমৃদ্ধ হয়।

ঘটনাপ্রবাহ : বাজেট ২০১৮

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter