সেন্ট লুসিয়ায় বৃষ্টিই ভরসা বাংলাদেশের
jugantor
সেন্ট লুসিয়ায় বৃষ্টিই ভরসা বাংলাদেশের

  ক্রীড়া প্রতিবেদক  

২৮ জুন ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বৃষ্টি তৃতীয়দিন থেকেই চেপে বসেছে সেন্ট লুসিয়ায়। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে প্রায় নিশ্চিত হার এড়াতে সেই বৃষ্টিই বাংলাদেশের শেষ ভরসা। তবে তাতেও শেষ রক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। শেষ দুদিনে বৃষ্টি যতই বাগড়া দিক না কেন, এক সেশন খেলা হলেই অনায়াসে জয় তুলে নিতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রোববার সেন্ট লুসিয়া টেস্টের বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয়দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৩২/৬। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতেও প্রয়োজন তখনো ৪২ রান। হাতে চার উইকেট। নুরুল হাসান সোহান ১৬ রানে ব্যাট করছিলেন। তার সঙ্গে উইকেটে ছিলেন ১৩ বলে কোনো রান না পাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ। সোমবার সকালে টানা দুই ঘণ্টার মতো বৃষ্টি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে চতুর্থদিনের খেলা শুরু হতে পারেনি। এই প্রতিবেদন খেলা পর্যন্ত খেলা শুরু হয়নি।

আরেকটি সিরিজ শেষ হতে গেল কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের গল্প পালটাল না। প্রথম ইনিংসে তাও ব্যাটিংয়ে কিছুটা বলার মতো কিছুটা রসদ ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে সেই হতাশার গল্প। ওপেনার তামিম ইকবালের দেখানো পথে একের পর এক উইকেট ছুড়ে বড় হারের সামনে টাইগাররা। আগেরদিন বৃষ্টির আগে তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ তৃতীয় সেশনে হারায় আরও তিনটি। দুটি এলবিডব্লিউর বাইরে বাকি চার ব্যাটার আউট হয়েছেন অফ স্ট্যাম্পের বেশ বাইরের বল তাড়ার চেষ্টায়।

ওই শটগুলোই প্রমাণ করে দিয়েছে, উইকেটে টিকে থাকার মানসিকতা ছিলই না তাদের।

তামিম আউট হয়ে কেমার রোচকে দারুণ এক মাইলফলকে পৌঁছানোর পর উৎসবের সুযোগ করে দেন। ক্যারিয়ারে আড়াইশ’তম উইকেট পেয়ে যান রোচ। এরপর এই ডানহাতি পেসারের বাজে বলে দুটি চার মেরে উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেন মাহমুদুল হাসান। তিনিও উইকেটের বাইরের বল খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন। এনামুল হককে একের পর এক ইনসুইঙ্গার করছিলেন রোচ। সেগুলো ভালোভাবে ছাড়ছিলেনও তিনি। কিন্তু স্ট্যাম্পে থাকা একটি ব্ল খেললেও সেটা ব্যাটে লাগাতে পারেননি। আম্পায়ার এলবিডব্লুর আবেদনে সাড়া দিলে রিভিউ নেন এনামুল। কিন্তু তাতে রক্ষা হয়নি। তার আউটের সঙ্গে আবার বৃষ্টিও শুরু হয় সেন্ট লুসিয়ায়। এরপর সফল রিভিউ নিয়ে লিটন দাসকে ফেরান জেডেন সিলসে। কঠিন সময় পার করার ভালো চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন নাজমুল হোসেন। কিন্তু তিনিও আলজারি জোসেফের করা স্ট্যাম্পের বাইরের বলে খেলতে গিয়ে আউট হয়ে ফেরেন। তিনি করেন ৪২ রান। তখন লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য সাকিব আল হাসানের ওপর তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তিনিও পানি পানের বিরতির পর উইকেট ছুড়ে আসেন। বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ১১৮/৬। এরপর নুরুর হাসান ও মিরাজ দিনের বাকিটা সময় উইকেট না হারিয়ে কাটিয়ে দেন।

সেন্ট লুসিয়ায় বৃষ্টিই ভরসা বাংলাদেশের

 ক্রীড়া প্রতিবেদক 
২৮ জুন ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বৃষ্টি তৃতীয়দিন থেকেই চেপে বসেছে সেন্ট লুসিয়ায়। সিরিজের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্টে প্রায় নিশ্চিত হার এড়াতে সেই বৃষ্টিই বাংলাদেশের শেষ ভরসা। তবে তাতেও শেষ রক্ষা হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। শেষ দুদিনে বৃষ্টি যতই বাগড়া দিক না কেন, এক সেশন খেলা হলেই অনায়াসে জয় তুলে নিতে পারে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। রোববার সেন্ট লুসিয়া টেস্টের বৃষ্টিবিঘ্নিত তৃতীয়দিন শেষে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ১৩২/৬। ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতেও প্রয়োজন তখনো ৪২ রান। হাতে চার উইকেট। নুরুল হাসান সোহান ১৬ রানে ব্যাট করছিলেন। তার সঙ্গে উইকেটে ছিলেন ১৩ বলে কোনো রান না পাওয়া মেহেদী হাসান মিরাজ। সোমবার সকালে টানা দুই ঘণ্টার মতো বৃষ্টি হওয়ায় নির্ধারিত সময়ে চতুর্থদিনের খেলা শুরু হতে পারেনি। এই প্রতিবেদন খেলা পর্যন্ত খেলা শুরু হয়নি।

আরেকটি সিরিজ শেষ হতে গেল কিন্তু বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের গল্প পালটাল না। প্রথম ইনিংসে তাও ব্যাটিংয়ে কিছুটা বলার মতো কিছুটা রসদ ছিল। দ্বিতীয় ইনিংসে সেই হতাশার গল্প। ওপেনার তামিম ইকবালের দেখানো পথে একের পর এক উইকেট ছুড়ে বড় হারের সামনে টাইগাররা। আগেরদিন বৃষ্টির আগে তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ তৃতীয় সেশনে হারায় আরও তিনটি। দুটি এলবিডব্লিউর বাইরে বাকি চার ব্যাটার আউট হয়েছেন অফ স্ট্যাম্পের বেশ বাইরের বল তাড়ার চেষ্টায়।

ওই শটগুলোই প্রমাণ করে দিয়েছে, উইকেটে টিকে থাকার মানসিকতা ছিলই না তাদের।

তামিম আউট হয়ে কেমার রোচকে দারুণ এক মাইলফলকে পৌঁছানোর পর উৎসবের সুযোগ করে দেন। ক্যারিয়ারে আড়াইশ’তম উইকেট পেয়ে যান রোচ। এরপর এই ডানহাতি পেসারের বাজে বলে দুটি চার মেরে উইকেটে থিতু হওয়ার চেষ্টা করেন মাহমুদুল হাসান। তিনিও উইকেটের বাইরের বল খেলতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে স্লিপে ক্যাচ তুলে দিয়ে ফেরেন। এনামুল হককে একের পর এক ইনসুইঙ্গার করছিলেন রোচ। সেগুলো ভালোভাবে ছাড়ছিলেনও তিনি। কিন্তু স্ট্যাম্পে থাকা একটি ব্ল খেললেও সেটা ব্যাটে লাগাতে পারেননি। আম্পায়ার এলবিডব্লুর আবেদনে সাড়া দিলে রিভিউ নেন এনামুল। কিন্তু তাতে রক্ষা হয়নি। তার আউটের সঙ্গে আবার বৃষ্টিও শুরু হয় সেন্ট লুসিয়ায়। এরপর সফল রিভিউ নিয়ে লিটন দাসকে ফেরান জেডেন সিলসে। কঠিন সময় পার করার ভালো চেষ্টা করে যাচ্ছিলেন নাজমুল হোসেন। কিন্তু তিনিও আলজারি জোসেফের করা স্ট্যাম্পের বাইরের বলে খেলতে গিয়ে আউট হয়ে ফেরেন। তিনি করেন ৪২ রান। তখন লড়াইয়ে টিকে থাকার জন্য সাকিব আল হাসানের ওপর তাকিয়ে ছিল বাংলাদেশ। তিনিও পানি পানের বিরতির পর উইকেট ছুড়ে আসেন। বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ১১৮/৬। এরপর নুরুর হাসান ও মিরাজ দিনের বাকিটা সময় উইকেট না হারিয়ে কাটিয়ে দেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন