বাজেটে সহায়ক পদক্ষেপ

বিনিয়োগ-কর্মসংস্থান বাড়ার দিকনির্দেশনা নেই

  শাহ আলম খান ০৮ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাজেট
ছবি: সংগৃহীত

বর্ধিত বিনিয়োগ দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। বিনিয়োগ বাড়লে কর্মসংস্থানও বাড়ে। প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

তবে আগামী অর্থবছর জুড়ে বেসরকারি খাতে কী পরিমাণ বিনিয়োগ আসবে, কোন খাতে কত বিনিয়োগ হবে বা এর মাধ্যমে দেশে কত মানুষের কর্মসংস্থান তৈরি হবে- তা এবারের বাজেটেও সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। ফলে বাজেটে বিনিয়োগ সহায়ক কিছু পদক্ষেপের কথা বলা হলেও এতে আশ্বস্ত হতে পারছেন না উদ্যোক্তারা।

অন্যদিকে অর্থনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের এবারের বাজেটে বিনিয়োগ পরিপন্থী তেমন কিছু নেই। কিন্তু যেসব প্রতিশ্রুতির ফুলঝুরি দেয়া হয়েছে তাতে নতুন কিছু নেই। সবারই জানা বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে না পারলে কাঙ্ক্ষিত বিনিয়োগ আসবে না।

কিন্তু অর্থমন্ত্রী এবারের বাজেট বক্তৃতায়ও শুনিয়েছেন, দেশে বৈদেশিক বিনিয়োগ ও বেসরকারি বিনিয়োগের হার আশানুরূপ হারে না বাড়ার বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সঙ্গে পর্যালোচনা করছি। তিনি অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমে বিনিয়োগ আনার চেষ্টার কথা বলেন। তবে বাস্তবায়ন সক্ষমতা কতটা দেখাতে পারবেন সেই নিশ্চয়তা দিতে পারেননি। ব্যবসার খরচ কমিয়ে আনার কথা বলা হয়েছে। সেটার জন্য তিনি আরও ৫ বছর অপেক্ষার কথা বলেছেন। সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে বলেছেন, ছোট ভূখণ্ডের বিপুল জনসংখ্যার দেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা চ্যালেঞ্জের। তা সত্ত্বেও এ প্রচেষ্টা চলছে। সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনার সংস্কারের মাধ্যমে দক্ষতা বৃদ্ধি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, সম্পদের খাতভিত্তিক বণ্টনে দক্ষতার উন্নয়ন এবং গ্রহীতার দোরগোড়ায় সহজে সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাওয়ার কথা বলেছেন। বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে বিপুলসংখ্যক কর্মসংস্থান তৈরিতে এসব বিষয়ে বছরওয়ারী অগ্রগতি জরুরি হলেও তার উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপগুলোর বিষয়ে শুধু আশ্বাসেই সীমাবদ্ধ রয়ে গেছে।

এ প্রসঙ্গে শীর্ষ অর্থনীতিবিদ ও সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, সামগ্রিক অর্থনীতির আলোকে এবারের বাজেটের মূল চ্যালেঞ্জ হল বিনিয়োগ বাড়ানো। দেশের মোট বিনিয়োগের ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ আসে বেসরকারি খাত থেকে। কিন্তু এই অর্থবছরে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ কমে যাচ্ছে। আগামী অর্থবছরেও এই বিনিয়োগ বাড়বে এমন নিশ্চয়তা নেই। এটা না বাড়লে কর্মসংস্থান বাড়ানো যাবে না। কিন্তু বিনিয়োগ বাড়াতে যে ধরনের সংস্কার এবং উৎসাহমূলক পদক্ষেপ দরকার, এবারের বাজেটেও তা সুনির্দিষ্ট করা হয়নি। ফলে বিনিয়োগ বাড়বে বলে আমি মনে করি না।

ড. এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম আরও বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ। এই হারে প্রবৃদ্ধির জন্য জিডিপির ৩৫ শতাংশ বিনিয়োগ দরকার। কিন্তু এই পরিমাণ বিনিয়োগ আনা সম্ভব হবে না। তাছাড়া বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে বাজেটে ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে। এটি বাস্তবায়নের জন্য যে ধরনের প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা দরকার, এই মুহূর্তে তা সরকারের নেই।

পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের নির্বাহী পরিচালক ড. আহসান এইচ মনসুর যুগান্তরকে বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে আসলে বিনিয়োগ পরিপন্থী কিছু নেই। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বেশ ভালো উদ্যোগ এবার আমরা দেখছি। কিন্তু এসব উদ্যোগে বিনিয়োগ বেড়ে যাবে এমন নিশ্চয়তা কিন্তু নেই। কারণ সরকারি বিনিয়োগ বাড়ানোর উদ্যোগ থাকলেও গৃহীত পদক্ষেপে বেসরকারি বিনিয়োগ কতটা আসবে সেটি নির্ভর করবে কয়েকটি মৌল পদক্ষেপের ওপর। বিশেষ করে ওয়ান স্টপ সার্ভিসকে যত দ্রুত সম্ভব সর্বতোভাবে কার্যকর করা, অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর উন্নয়ন কাজ দ্রুত ত্বরান্বিত করা এবং প্রশাসনে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিতের সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন নিশ্চিত করার ওপর, যা এবারের বাজেটেও জোর দিয়ে এবং সুনির্দিষ্ট করে বলা সম্ভব হয়নি।

বিশ্লেষকরা বলছেন, জিডিপি ও কর্মসংস্থানে শিল্প খাতের তথা ম্যানুফ্যাকচারিংয়ের অবদান বাড়লে অর্থনৈতিক বিকাশের ধারা সুসংহত হয়। কিন্তু কর্মসংস্থানে শিল্প খাতের অবদান আশানুরূপ নয়। ২০১০ সালে শিল্প খাতে কর্মসংস্থানের অবদান ছিল ২৩.৩ শতাংশ। ২০১৬-১৭ অর্থবছরে তা ২০.৩ শতাংশে নেমে এসেছে। শ্রমবাজারে পর্যাপ্ত জনশক্তির উপস্থিতি থাকলেও নতুন শিল্পে অটোমেশন এবং উন্নত প্রযুক্তি প্রবর্তনের ফলে প্রত্যাশা অনুযায়ী শিল্প খাতে কর্মসংস্থান হচ্ছে না।

অর্থমন্ত্রী এখানে আশ্বাস দিয়ে বলেছেন, জাতীয় আয়ে আমরা শিল্প খাতের অবদান ৩০ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশে নিয়ে যেতে চাই। একইসঙ্গে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোও আমাদের লক্ষ্য। তাই শিল্প খাতের বিকাশে আমরা বাস্তবতা বিবেচনায় রাখব। বিশাল কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী, অপরিণত মূলধন বাজার সব মিলিয়ে শ্রমঘন-স্বল্প পুঁজিনির্ভর ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের প্রসারে গুরুত্ব দেয়া হবে।

বিনিয়োগ সহায়ক যেসব পদক্ষেপ : ওয়ানস্টপ সার্ভিস আইন ২০১৮ বাস্তবায়নের জন্য একই স্থান থেকে অনলাইনভিত্তিক ১৫০টি সেবা প্রদানের উদ্দেশ্যে সিঙ্গাপুরের আদলে সফটওয়্যার তৈরি করার কাজ প্রায় শেষ করে আনার কথা বলা হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেছেন, আশা করছি শিগগিরই এর মাধ্যমে যেকোনো বিনিয়োগ প্রস্তাব নির্ধারিত সময়ের মধ্যে এক স্থান থেকেই সকল প্রাসঙ্গিক সেবা দেয়া সম্ভব হবে। বিনিয়োগ সহায়ক অবকাঠামো সৃজন, জ্বালানিখাতের ব্যাপক উন্নয়ন, শিল্প স্থাপনে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও সহায়তা প্রদান এবং বিধি-বিধান ও আইন-কানুন সহজীকরণ করা হয়েছে।

আগামী ৫ বছরের মধ্যে ইজি অব ডুয়িং বিজনেস বা ব্যবসা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১০০ নিচে নামিয়ে আনার সর্বাÍক চেষ্টা শুরু হয়েছে। যেসব অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার কাজ চলছে সেসব অঞ্চলের ভেতরে-বাইরে পশ্চাৎপদ সংযোগ শিল্প-কারখানা তৈরির মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হবে।

২০১০ সালে অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন প্রণয়ন এবং ২০১১ সালে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের অধীনে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠা করা হয়। বর্তমানে বেজায় ওয়ানস্টপ সার্ভিসের আওতায় বিনিয়োগকারীদের প্রজেক্ট ক্লিয়ারেন্স, ভিসা রিকমেন্ডেশন ও অ্যাসিসট্যান্স, ওয়ার্ক পারমিট, ইম্পোর্ট/এক্সপোর্ট পারমিট অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০ হাজার হেক্টর জমিতে মোট ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা। এ পর্যন্ত ৭৬টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের অনুমোদন দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী এর থেকে ১০টি অঞ্চলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন।

এসব অঞ্চলে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীরা শিল্পস্থাপনের কাজ শুরু করেছেন। আরও ২৬ অঞ্চলের উন্নয়ন কাজ চলমান রয়েছে। প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চলের কাজ শেষ হলে অতিরিক্ত ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানি আয় বাড়বে। এতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে ১ কোটি মানুষের।

এ লক্ষ্যে অভ্যন্তরীণ চাহিদা, ভোগ ও বিনিয়োগ এবং বহিস্থ চাহিদা বা রফতানি বৃদ্ধির ওপর মনোযোগ দেয়ার কথা বলা হয়েছে বাজেটে। এজন্য রফতানি বৈচিত্র্যায়নে তৈরি পোশাকের বাইরে সম্ভাবনাময় পণ্য হিসাবে পাট ও পাটজাত দ্রব্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, কাপড় ও পলিথিনের স্পোর্টস, সু, হিমায়িত মাছ, প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, ওষুধ ও অপ্রচলিত পণ্য রফতানি বৃদ্ধির ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দেয়ার কথা বলা হয়েছে।

বিনিয়োগ টানতে যেসব উদ্যোগের কথা বলেছেন অর্থমন্ত্রী : আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা উন্নয়নে বেশ কিছু রাজস্ব নীতি গ্রহণ করেছেন। এ লক্ষ্যে তিনি টেক্সটাইল খাতে শুল্কছাড়ের সুবিধা বাড়িয়েছেন।

এ শিল্পের কাঁচামাল ফ্ল্যাক্স ফাইভার ও ফ্ল্যাক্স টো ওয়াস্ট আমদানিপর্যায়ে শুল্ক ও মূসক হার মওকুফ করা হয়েছে। আগে এর উপর ১০-১৫ শতাংশ পর্যন্ত কাস্টমস ডিউটি (সিডি) ও ভ্যাট কার্যকর ছিল। এছাড়া রেফ্রিজারেটর ও কম্প্রেসার শিল্পকে প্রতিরক্ষণের লক্ষ্যে এ খাতে ব্যবহৃত উপকরণ রেফ্রিজারেন্ট, প্রিন্টেড স্টিল শিট, (০.৩এমএম পুরুত্ব) কপার টিউব, ক্যাপাসিটর, কানেক্টর, টার্মিনাল ও ইলেকট্রিক এপারেটাসে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশে এবং ওয়েল্ডিং ওয়্যার, স্প্রিং ও গ্যাসকেটে আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস করা হয়েছে। মোটর সাইকেল উৎপাদন খাতে আগের বছরের ঘোষিত প্রণোদনা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি মোটর সাইকেল ও পার্টস উৎপাদনে চারটি এইচএস কোডে শুল্ক ছাড় দিয়ে ৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছেন।

এটি আগে ন্যূনতম ৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত ধার্য ছিল। টায়ার টিউব উৎপাদন শিল্পে কাঁচামাল প্যারাফিন ওয়াক্স এবং ফেনোলিক রেজিন আমদানিতে যথাক্রমে ১০ এবং ৫ শতাংশ শুল্ক ছাড় দেয়া হয়েছে। দেশে অবকাঠামো উন্নয়নে লৌহ ও ইস্পাতের অবদান অপরিসীম। তাই রডের উৎপাদন ব্যয় কমানোর লক্ষ্যে প্রস্তাবিত বাজেটে এর কাঁচামাল ফেরো এ্যালয়ের রেগুলেটরি ডিউটি (আরডি) ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

একইভাবে স্পঞ্জ আয়রন আমদানিতে স্পেসিফিক কাস্টমস ডিউটি প্রতি টনে ১০০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৮০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। দেশীয় শিল্প প্রতিরক্ষণের সুবিধার্থে মোবাইল ব্যাটারি চার্জার, ইউপিএস ও আইপএস এবং ভোল্টেজ স্ট্যাবিলাইজারের শুল্ক ১৫ শতাংশ কমানো হয়েছে। অটোমেটিক সার্কিট ব্রেকারের শুল্ক ১০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। ল্যাম্পহোল্ডারের ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ আরোপেরও প্রস্তাব করা হয়। একই সঙ্গে এ শিল্পের কাঁচামাল কার্বন রড, ফর্মড কোর আমদানিতে বিভিন্ন হারে শুল্ক কমানো হয়েছে।

এছাড়া পরিবহন খাতে মোটরচালিত যানবাহন উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করতে প্রস্তাবিত বাজেটে স্কুল বাস, হাইব্রিড মোটরগাড়ি, পুরনো গাড়ি এবং মোটরগাড়ির সিকেডি ও সিবিইউ আমদানি শুল্ক হ্রাস করা হয়। ওষুধ শিল্পে কাঁচামাল আমদানি পর্যায়ে শুল্ক রেয়াত সুবিধা দেয়া হয়েছে। গুঁড়ো দুধ প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের কাঁচামাল ফিল্ড মিল্ক পাউডার বাল্ক আমদানিতে শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী তার প্রস্তাবিত বাজেটে এসব পদক্ষেপের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, এর মাধ্যমে দেশীয় শিল্পের সক্ষমতা বাড়বে। এতে উদ্যোক্তার ব্যয় কমবে এবং বিনিয়োগে আগ্রহী হবে, যা কর্মসংস্থান বাড়াতেও সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) চেয়ারম্যান কাজী এম আমিনুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে বেশ কিছু বিনিয়োগ সহায়ক পদক্ষেপ আছে। একই সঙ্গে ট্রেডিংনির্ভর দেশকে প্রোডিউসিং কান্ট্রিতে নিয়ে যাওয়ারও একটা রূপরেখা আছে। এতে দেশীয় শিল্প সুরক্ষা পাবে। এসবের প্রভাবে দেশের অর্থনীতিতে একটা তেজীভাব পরিলক্ষিত হবে, যা পরোক্ষভাবে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে। তবে উন্নয়ন হচ্ছে একটি দীর্ঘতর প্রক্রিয়া। একটি বাজেটে তার সব প্রতিফলন ঘটে না। সে সুযোগও বাংলাদেশের মতো দেশের অর্থনীতিতে সীমিত।

ঘটনাপ্রবাহ : বাজেট ২০১৮

 

 

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter