সিপিডির বাজেট পর্যালোচনা

ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্যের কোনো সুরাহা হয়নি

নতুন বাংলাদেশের জন্য পুরাতন বাজেট * মধ্যবিত্তরা চাপে পড়বেন * জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনে দেড় লাখ কোটি টাকা বিনিয়োগ লাগবে * কর্পোরেট কর কমানো ভ্রান্ত পদক্ষেপ * সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পদক্ষেপ নেই

  যুগান্তর রিপোর্ট ০৯ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্যের কোনো সুরাহা হয়নি
সিপিডির বাজেট পর্যালোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ছবি: যুগান্তর

নতুন বাংলাদেশের জন্য পুরাতন বাজেট ঘোষণা করেছে সরকার। এতে নিু ও উচ্চবিত্তরা সুবিধা পেলেও মধ্যবিত্তরা চাপে পড়বেন। বাজেটে ব্যাংকিং খাতে নৈরাজ্যের কোনো সুরাহা না করে উল্টো আড়াই শতাংশ কর্পোরেট কর কমানো হয়েছে। এতে কোনো ইতিবাচক ফল আসবে না। এ ছাড়া বাজেটের বেশকিছু বিষয় অস্পষ্ট। সামষ্টিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় দিকনির্দেশনা নেই। লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি অর্জনে সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা নতুন বিনিয়োগ লাগবে; যা অসম্ভব। রাজধানীর স্থানীয় একটি হোটেলে শুক্রবার বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির (সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ) বাজেট পর্যালোচনায় এসব বিষয় উঠে এসেছে। সংস্থাটির মতে, প্রস্তাবিত বাজেটের অনেক কিছুই অস্পষ্ট। এর মধ্যে ভর্তুকি, ইকুইটি ইনভেস্টমেন্টের নামে টাকা বিনিয়োগ এবং বিভিন্ন কর অন্যতম। এ ছাড়া ব্যাংকের কর্পোরেট কর কমিয়ে মালিকপক্ষকে আরও সুবিধা দেয়া একটি ভ্রান্ত পদক্ষেপ বলে মনে করে সিপিডি।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সিপিডির সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য, ড. মোস্তাফিজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন, গবেষণা পরিচালক ড. খোন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম ও রিসার্চ ফেলো তৌফিকুল ইসলাম খান।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, এবারের বাজেটে সাম্যনীতির পরিপন্থী ভ্রান্ত আরেকটি সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে, যা হল- ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্পোরেট কর আড়াই শতাংশ কমানো। আমরা পরিষ্কারভাবে এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছি। আমরা মনে করি, ব্যাংক খাতে যে নৈরাজ্য চলছে, তার কোনো সমাধান না করে, মালিকপক্ষকে এ ধরনের সুবিধা দিতে পুরো খাতের জন্য উল্টো সংকেত দেয়া হয়েছে। এর আগে ব্যাংকের পরিচালকদেও মেয়াদ বাড়িয়ে একই কাজ করা হয়েছিল। এর ফলে কোনো ধরনের ইতিবাচক ফল আসবে না। তিনি বলেন, যদিও বাজেট এক বছরের জন্য তৈরি হয়, কিন্তু মধ্য মেয়াদে এর তাৎপর্য রয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেট নির্বাচনী বছরের এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার শেষ বছরের বাজেট। ফলে দুটি বিষয়ের মধ্য দিয়ে আমরা বাজেট মূল্যায়নের চেষ্টা করেছি। প্রথমত, অর্থনীতিতে সাম্প্রতিক সময়ে যেসব চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে, তা মোকাবেলায় বাজেটে কী পদক্ষেপ রয়েছে। অর্থাৎ এ বাজেট দিয়ে সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা যাবে কিনা। দ্বিতীয়ত, জিডিপির যে প্রবৃদ্ধির কথা বলা হচ্ছে, তাতে গরিব ও নিুআয়ের মানুষের কতটা অন্তর্ভুক্তি রয়েছে। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের অর্থনীতির দ্বৈত উত্তরণ ঘটেছে। ইতিমধ্যে নিুমধ্যম আয়ে উন্নীত হয়েছে দেশ। এ ছাড়া উন্নয়নশীল দেশের প্রাথমিক স্বীকৃতি মিলেছে। এ ছাড়া এ মুহূর্তে ১০ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অবস্থান করছে। বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম বাড়ছে। চীন ও ভারতের মতো দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। পশ্চিমা বিশ্ব বাণিজ্যিক সংঘর্ষের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি কিছু সমস্যা রয়েছে। এগুলো হল- ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ স্থবির হয়ে আছে। কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধির হার দুর্বল, রাজস্ব আয় দুর্বল হয়ে যাচ্ছে। বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের হারে গুণগতমান কমছে। বড় ধরনের সমস্যা রয়েছে ব্যাংক ও পুঁজিবাজারে। কৃষকরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পান না। বৈদেশিক আয়-ব্যয়ের ক্ষেত্রে ইতিমধ্যে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। বাণিজ্য শর্তের দুর্বলতা দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্যে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। মানবসম্পদ ও উৎপাদনশীলতা দুর্বল অবস্থানে। সাম্প্রতিক সময়ে দারিদ্র্য বিমোচনের হার ক্রমান্বয়ে কমছে। মানুষের মধ্যে বৈষম্য বাড়ছে। মধ্যমেয়াদি আর্থিক কাঠামোর ক্ষেত্রে যে ধরনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল, বাস্তবে তার চেয়ে কম। এ ছাড়া সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় চিড় ধরেছে। এই চিড় বড় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, অর্থনীতিতে বর্তমানে যেসব শক্তির জায়গা রয়েছে, তা হল প্রবৃদ্ধি ও সরকারি বিনিয়োগ ভালো। রেমিটেন্স রফতানি মোটামুটি ভালো অবস্থানে। মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সামজিক সুরক্ষার জায়গা শক্তিশালী হচ্ছে এবং বৈদেশিক সাহায্য প্রবাহ বাড়ছে। আর শক্তিগুলোকে কাজে লাগিয়ে সমস্যা মোকাবেলায় কী ধরনের বাজেটীয় পদক্ষেপ থাকা উচিত, সেটি দেখার বিষয়।

দেবপ্রিয় বলেন, আগামী অর্থবছরে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে। এটি কার্যকর করতে হলে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যে লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, তা বাস্তবায়নে বেসরকারি খাতকে গত বছরের চেয়ে আরও ১ লাখ ১৭ হাজার কোটি টাকা বেশি বিনিয়োগ করতে হবে। পাশাপাশি সরকারি বিনিয়োগ আরও ৩০ হাজার কোটি টাকা বাড়াতে হবে। সব মিলিয়ে আরও প্রায় দেড় লাখ কোটি টাকা অতিরিক্ত বিনিয়োগ করতে হবে। এতে পুঁজির উৎপাদনশীলতা কমে যাবে। এ ছাড়া বাজেটে যে ৫ দশমিক ৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতি ধরা হয়েছে, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।

তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধির অঙ্ক নিয়ে বিভিন্ন কথা হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কথা হল, বিড়াল ছোট না বড় তা দেখার বিষয় নয়, বিড়াল ইঁদুর মারে কিনা। প্রবৃদ্ধির অঙ্ক যাই হোক সেখানে গবির মানুষের অন্তর্ভুক্তি আছে কিনা সেটি দেখতে হবে। কিন্তু তা হচ্ছে না। ক্রমেই বৈষম্য বাড়ছে। অর্থাৎ শ্রম ও উদ্যোগের তুল নায় পুঁজি ও সম্পদশালীদের এই অর্থনীতি অনেক বেশি পুরস্কৃত করছে। এটি মেধাভিত্তিক অর্থনীতির জন্য খুব ভালো খবর নয়। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে নিুবিত্তদের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া উচ্চবিত্তরা আনুতোষিক ব্যয়ের জন্য ৭৫ লাখ টাকা করে পাবেন। বিভিন্ন করের কারণে মধ্যবিত্তরা চাপে পড়বেন। মধ্যবিত্তদের ছোট ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে কর বাড়ানো হয়েছে। এটি অর্থনীতির সাম্যনীতিতে পড়ে না।

দেবপ্রিয় আরও বলেন, অর্থনীতিতে আরেকটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তা হল বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়ের পতন ঘটছে। এর ফলে উন্নয়নের সুবিধা গরিব মানুষ পাচ্ছেন না। অন্যদিকে সরকার বর্তমানে যে ঋণ নিচ্ছে, তার ৬০ শতাংশই অভ্যন্তরীণ উৎসের। এতে আগামী ৪ থেকে ৫ বছরের মধ্যে দায় পরিশোধের ক্ষেত্রে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হবে। বৈদেশিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সামগ্রিক ঘাটতি যেমন বেড়েছে, একইভাবে বৈদেশিক লেনদেনের চলতি হিসাবে ঘাটতি বাড়ছে। বর্তমানে এটি আশঙ্কাজনক অবস্থায় চলে গেছে। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় রফতানি, রেমিটেন্স ও বৈদেশিক সাহায্য তিনটিই বেড়েছে। এরপরও চলতি হিসাবে ঘাটতি বৃদ্ধি অস্বাভাবিক। এর বড় কারণ দেশের আমদানি ব্যয় অনেক বেশি বেড়েছে।

দেবপ্রিয় বলেন, আগামীতেও আমদানির যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, তা উন্নয়ন প্রকল্পের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। প্রকৃত আমদানি আরও বাড়বে। এতে বৈদেশিক লেনদেনের ওপর চাপ সৃষ্টি হবে। এর ফলে টাকার বিনিময় হারে প্রভাব পড়বে। এটি বাজেট শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে ব্যতয় ঘটাবে। তিনি বলেন, বাজেট কাঠামোর মধ্যে একটি সমস্যা রয়েছে। প্রতিবছর রাজস্ব আয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়, তা সংশোধিত বাজেটের ভিত্তিতে। কিন্তু সংশোধিত বাজেট বাস্তবায়ন হয় না। ফলে লক্ষ্যমাত্রা এমনিতে বেড়ে যায়। এ বছরও রাজস্ব আয়ে ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ধরা হয়েছে। বাস্তবে তা হবে ৪০ শতাংশ। আর এ লক্ষ্যমাত্রা অবাস্তব। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেট মধ্যবিত্তের ওপর চাপ বাড়াবে। কারণ রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে প্রত্যক্ষ করের লক্ষ্যমাত্রা ২৯ শতাংশ। কিন্তু পরোক্ষ কর থেকে আদায় হবে ৩৫ শতাংশ। যা মধ্যবিত্তদের ওপর বেশি প্রভাব ফেলবে। অন্যদিকে বড় করদাতা ইউনিট হল এলটিইউ। প্রতিবছর এখানে কর বাড়ে। কিন্তু এখানে লক্ষ্যমাত্রা ২ হাজার ৩৭০ কোটি টাকা কমানো হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সিপিডির সন্দেহ হল ব্যাংক খাতে কর্পোরেট করের যে রেয়াত দেয়া হয়েছে, তার প্রভাবে এ খাতে কর আদায় কমে যাবে।

তিনি বলেন, ব্যয়ের ক্ষেত্রে জনপ্রশাসনে যাবে ৪৫ শতাংশ এবং ঋণের সুদ পরিশোধে যাবে সাড়ে ১৪ শতাংশ। এতে অভ্যন্তরীণ ঋণের জন্য সুদ দিতে হবে প্রায় ১৩ হাজার কোটি টাকা। অন্যদিকে বাজেটে আরেক বিষয় অস্পষ্ট। মূলধন ও ইকুইটিতে বিনিয়োগের জন্য সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা রাখা রয়েছে। এটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতিতে যাবে, নাকি অন্য কোথায় যাবে, তা পরিষ্কার নয়। এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতার জন্য একটি পরিষ্কার ব্যাখ্যা থাকা দরকার। সিপিডির সম্মানিত ফেলো বলেন, ঘাটতি অর্থায়নের ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। কারণ সঞ্চয়পত্রের মাধ্যমে ঋণ নিলে সুদ বাড়বে। অন্যদিকে ব্যাংক থেকে নিলে বেসরকারি উদ্যোক্তারা ঋণ পাবেন না। এতে বিনিয়োগে প্রভাব পড়বে। তার মতে, এডিপি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ৫টি বড় খাতে বরাদ্দ ৭০ শতাংশ। এর মধ্যে পরিবহন ও যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, ভৌত অবকাঠামো, গ্রামের উন্নয়ন এবং শিক্ষা। বাকি ১২টি খাতে ৩০ শতাংশ যাবে। আর পুরো এডিপিতে প্রকল্পের মধ্যে অর্ধেকের বেশি চলমান প্রকল্প। এ ক্ষেত্রে প্রকল্প আটকে রাখার জন্য নামে মাত্র টাকা দেয়া হয়। বর্তমানে ৬৪টি প্রকল্পে শুধু ১ লাখ টাকা করে দেয়া হয়েছে। ৯০টি বিনিয়োগ প্রকল্পে ১ কোটি বা তার চেয়ে কম টাকা দেয়া হয়েছে। আর পিপির কোনো প্রকল্প এখানে নেই। ব্যক্তি খাতে আয়ের ক্ষেত্রে কোনো পরিবর্তন আসেনি।

তিনি আরও বলেন, আমরা নীতিগতভাবে কালো টাকা সাদা করার বিরোধিতা করছি। কারণ নৈতিকভাবে এটি গ্রহণযোগ্য নয়। এ ছাড়া অর্থমন্ত্রীও বিভিন্ন সময়ে বলেছেন, এর ফলে বড় অঙ্কের অর্থ মূল ধারায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়নি। এ ক্ষেত্রে ভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নেয়ার প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। ভ্যাটের ক্ষেত্রে শুধু ৯ থেকে কমিয়ে ৫ স্তর করা হয়েছে। কিন্তু এর বাইরে ভ্যাট আইন কার্যকরের ব্যাপারে কোনো বক্তব্য নেই। অন্যদিকে এ আইন গত বছর স্থগিত করা হয়েছিল। আগামী বছর তা কার্যকর করতে হবে। কিন্তু এবারের বাজেটে তার প্রস্তুতিমূলক কোনো কিছু দেখছি না। অন্যদিকে উবার ও পাঠাওয়ের মতো অ্যাপভিত্তিক পরিবহনে কর আরোপ করা হয়েছে। এটি যৌক্তিক বলে মনে হয়নি। বাজেটে জবাবহিদিতার ক্ষেত্রেও ঘাটতি রয়েছে। আইন অনুসারে প্রতি তিন মাস পরপর সংসদে মূল্যায়ন রিপোর্ট দিতে হয়। কিন্তু সেগুলো ওইভাবে আসছে না।

ঘটনাপ্রবাহ : বাজেট ২০১৮

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter