শিল্পকারখানা সপ্তাহে একদিন বন্ধ থাকবে
jugantor
শিল্পকারখানা সপ্তাহে একদিন বন্ধ থাকবে

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১২ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে সারা দেশের সব ধরনের শিল্পকারখানা সপ্তাহে একদিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ শ্রম আইন ধারায় জনস্বার্থে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ধার্য করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আজ বন্ধ থাকবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ষোলোশহর, কালুরঘাট, মুরাদপুর, অক্সিজেন, নাসিরাবাদ, মহোরা, হাটহাজারি। ময়মনসিংহ অঞ্চলের নগরজলফই, বাজিতপুর, পুংলি, পালিমা, শীবপুর, কাগমারীপাড়া, কালিহাতি, নগরবাড়ি, এশাপুর, কামারঠি, কদমতলি, ঘাটালি, বরছনা, কুতুবপুর, সাগরদিঘি, তৈলধারা। সিলেট অঞ্চলে-খান টি গার্ডেন, চিকনগুল, খাদিমনগর টি গার্ডেন, ইউপিভিসি পাইপ ও ব্রিক ফিল্ড, ঘাটেরচর, আলুবাগান পোল ফ্যাক্টরি, ধামাল টি গার্ডেন, সোনাপুর টি গার্ডেন, সামানবাগ টি গার্ডেন, পাঠারিয়া টি গার্ডেন, ক্লিভডন টি গার্ডেন, ডালডপুর টি গার্ডেন, কাপনাপারাই টি গার্ডেন, রতনপুর টি গার্ডেন, সাগরনাল টি গার্ডেন, ফুলতলা টি গার্ডেন। কুমিল্লা অঞ্চলে-হোসাইন আলম নগর, বাহাদপুর, খাড়িয়ালা, ধানের ডালা, আলমনগর, সোনারামপুর, সোহাগপুর। ঢাকা ১-মৌচাক, ভান্নারা, শফিপুর, ফুলবাড়িয়া, সাভার। ঢাকা-৩, আড়ালিয়া, ঢুলিভিটা, ধামরাই, একমি, রেডিও, সাভার। ঢাকা-৪, কলাতিয়া, কেরানীগঞ্জ। গাজীপুর-১-জয়দেবপুর ও সালনা। গাজীপুর-২-কাপাসিয়া, আমরাইদ, টোক, সিংহশ্রী, ঘাগুটিয়া, তরাগাও, বারিশাবো, চাঁদপুর। মুন্সীগঞ্জ : আটপাড়া, কালির আটপাড়া। মানিকগঞ্জ : নয়াডিঙ্গি। নারায়ণগঞ্জ-১ : তারাব। নারায়ণগঞ্জ-২-ভুলতা, গাউসিয়া শিল্প এলাকা। নরসিংদী-১ : পলাশ, ঘোড়াশাল, বাগদি। নরসিংদী-২-চোয়ালা শিল্প এলাকা, শাহে প্রতাপ, শালিধা, বাগঘাটা, বিষনন্দী, সিলমান্দি, করিমপুর, নজরপুর। ময়মনসিংহ-১-গোপালপুর, ঝাওয়াইল, নলিন। ময়মনসিংহ-২-গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, বেরাইদের চালা, গোরো পাড়া, আশপাড়া, চন্নাপাড়া। টাঙ্গাইলের নাগরপুর। কুমিল্লা-২ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড, পিপুলিয়া, বিবিরবাজার, লক্ষ্মীপুর, কনেশতলা। কুমিল্লা-৩ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে গৌরিপুর বাজার, ভিটিকান্দি, জামালদী, বাউসিয়া, ভবেরচর, ছোটরায়পুরা। চট্টগ্রাম-১ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে কর্ণফুলী। চট্টগ্রাম-৩ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে পিরেরচর (বেজা), আবুরহাট। রংপুর-১ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে শুকুরের হাট, খোড়াগাছ, বালারহাট, অন্নদানগর, মাদারগঞ্জ। রংপুর-২ অঞ্চলের মধ্যে মন্থনা, ইকরচালী ও পাগলাপীর। নীলফামারী অঞ্চলে পচারহাট, ছোটপুল, নবাবগঞ্জবাজার, কাজীফার্ম। দিনাজপুর-১ অঞ্চলের মধ্যে ধুকুরঝাড়ি, হুসনা, বিরল পৌর এলাকা, মঙ্গলপুর এবং বিরল উপজেলার সব ইউনিয়ন। ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে জাদুরানি হাট, বনগাঁও, হরিপুর বাজার, গোয়ালঝাড় বাজার, দেবনগর, শালবাহান। কুষ্টিয়া অঞ্চলের পোড়াদহ ও খোকসা।

এভাবে শনিবার, রোববারসহ সপ্তাহের একেকদিনে একেক শিল্প এলাকা বন্ধ রাখা হবে। এই সিদ্ধান্ত শিগগিরই কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। এর আগে ৭ আগস্ট বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ বিভাগ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে জানিয়েছিলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ে সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিল্পকারখানার মালিকরাও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হয়েছেন। দ্রুতই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এতে দৈনিক প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।


শিল্পকারখানা সপ্তাহে একদিন বন্ধ থাকবে

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১২ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

বিদ্যুৎ সরবরাহ নির্বিঘ্ন করতে সারা দেশের সব ধরনের শিল্পকারখানা সপ্তাহে একদিন বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. নাসির উদ্দিন আহমেদ স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ শ্রম আইন ধারায় জনস্বার্থে সাপ্তাহিক বন্ধের দিন ধার্য করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী আজ বন্ধ থাকবে চট্টগ্রাম অঞ্চলের ষোলোশহর, কালুরঘাট, মুরাদপুর, অক্সিজেন, নাসিরাবাদ, মহোরা, হাটহাজারি। ময়মনসিংহ অঞ্চলের নগরজলফই, বাজিতপুর, পুংলি, পালিমা, শীবপুর, কাগমারীপাড়া, কালিহাতি, নগরবাড়ি, এশাপুর, কামারঠি, কদমতলি, ঘাটালি, বরছনা, কুতুবপুর, সাগরদিঘি, তৈলধারা। সিলেট অঞ্চলে-খান টি গার্ডেন, চিকনগুল, খাদিমনগর টি গার্ডেন, ইউপিভিসি পাইপ ও ব্রিক ফিল্ড, ঘাটেরচর, আলুবাগান পোল ফ্যাক্টরি, ধামাল টি গার্ডেন, সোনাপুর টি গার্ডেন, সামানবাগ টি গার্ডেন, পাঠারিয়া টি গার্ডেন, ক্লিভডন টি গার্ডেন, ডালডপুর টি গার্ডেন, কাপনাপারাই টি গার্ডেন, রতনপুর টি গার্ডেন, সাগরনাল টি গার্ডেন, ফুলতলা টি গার্ডেন। কুমিল্লা অঞ্চলে-হোসাইন আলম নগর, বাহাদপুর, খাড়িয়ালা, ধানের ডালা, আলমনগর, সোনারামপুর, সোহাগপুর। ঢাকা ১-মৌচাক, ভান্নারা, শফিপুর, ফুলবাড়িয়া, সাভার। ঢাকা-৩, আড়ালিয়া, ঢুলিভিটা, ধামরাই, একমি, রেডিও, সাভার। ঢাকা-৪, কলাতিয়া, কেরানীগঞ্জ। গাজীপুর-১-জয়দেবপুর ও সালনা। গাজীপুর-২-কাপাসিয়া, আমরাইদ, টোক, সিংহশ্রী, ঘাগুটিয়া, তরাগাও, বারিশাবো, চাঁদপুর। মুন্সীগঞ্জ : আটপাড়া, কালির আটপাড়া। মানিকগঞ্জ : নয়াডিঙ্গি। নারায়ণগঞ্জ-১ : তারাব। নারায়ণগঞ্জ-২-ভুলতা, গাউসিয়া শিল্প এলাকা। নরসিংদী-১ : পলাশ, ঘোড়াশাল, বাগদি। নরসিংদী-২-চোয়ালা শিল্প এলাকা, শাহে প্রতাপ, শালিধা, বাগঘাটা, বিষনন্দী, সিলমান্দি, করিমপুর, নজরপুর। ময়মনসিংহ-১-গোপালপুর, ঝাওয়াইল, নলিন। ময়মনসিংহ-২-গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি, বেরাইদের চালা, গোরো পাড়া, আশপাড়া, চন্নাপাড়া। টাঙ্গাইলের নাগরপুর। কুমিল্লা-২ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে কুমিল্লা ইপিজেড, পিপুলিয়া, বিবিরবাজার, লক্ষ্মীপুর, কনেশতলা। কুমিল্লা-৩ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে গৌরিপুর বাজার, ভিটিকান্দি, জামালদী, বাউসিয়া, ভবেরচর, ছোটরায়পুরা। চট্টগ্রাম-১ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে কর্ণফুলী। চট্টগ্রাম-৩ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে পিরেরচর (বেজা), আবুরহাট। রংপুর-১ অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে শুকুরের হাট, খোড়াগাছ, বালারহাট, অন্নদানগর, মাদারগঞ্জ। রংপুর-২ অঞ্চলের মধ্যে মন্থনা, ইকরচালী ও পাগলাপীর। নীলফামারী অঞ্চলে পচারহাট, ছোটপুল, নবাবগঞ্জবাজার, কাজীফার্ম। দিনাজপুর-১ অঞ্চলের মধ্যে ধুকুরঝাড়ি, হুসনা, বিরল পৌর এলাকা, মঙ্গলপুর এবং বিরল উপজেলার সব ইউনিয়ন। ঠাকুরগাঁও অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে জাদুরানি হাট, বনগাঁও, হরিপুর বাজার, গোয়ালঝাড় বাজার, দেবনগর, শালবাহান। কুষ্টিয়া অঞ্চলের পোড়াদহ ও খোকসা।

এভাবে শনিবার, রোববারসহ সপ্তাহের একেকদিনে একেক শিল্প এলাকা বন্ধ রাখা হবে। এই সিদ্ধান্ত শিগগিরই কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে। এর আগে ৭ আগস্ট বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে বিদ্যুৎ বিভাগ ও ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠক শেষে জানিয়েছিলেন, জ্বালানি সাশ্রয়ে সপ্তাহের একেক দিন একেক এলাকার শিল্পকারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। শিল্পকারখানার মালিকরাও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত হয়েছেন। দ্রুতই এ সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। এতে দৈনিক প্রায় ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।


 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন