তথ্য না চাওয়ার ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট
jugantor
সুইস ব্যাংক
তথ্য না চাওয়ার ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

১২ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে অর্থ জমাকারী বাংলাদেশিদের তথ্য কেন জানতে চাওয়া হয়নি-তা জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষকে রোববারের মধ্যে এ তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। ওইদিনই আদালত এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দেবেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নজরে এনে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

হাইকোর্ট বলেন, সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পড়েছি। বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দরকার। কী পরিমাণ অর্থ সুইস ব্যাংকে পাচার হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার ও দুদক কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ বা দুদক কোনো তথ্য দিতে পারেনি আদালতকে। তবে আদালত তাদের বক্তব্য শোনেন এবং রোববারের মধ্যে তা জানাতে নির্দেশ দেন। হাইকোর্ট এ বিষয়ে সুইস রাষ্ট্রদূতের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের অনুলিপিও দাখিল করতে বলেন।

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বুধবার ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাতালি শুয়া বলেন, সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ রাখার বিষয়ে নির্দিষ্ট করে বাংলাদেশ সরকার কোনো তথ্য চায়নি।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। আমিন উদ্দিন মানিক পরে সাংবাদিকদের বলেন, সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করা অর্থের বেশিরভাগই অবৈধ পথে যাওয়া। বাংলাদেশিদের অর্থ রাখার বিষয়ে নির্দিষ্ট করে দেশটির সরকারের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে কিনা তা জানতে চেয়েছেন আদালত। আমরা বলেছি, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) খোঁজ নিয়ে আদালতকে জানাব।

সুইস ব্যাংক

তথ্য না চাওয়ার ব্যাখ্যা চান হাইকোর্ট

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
১২ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকে অর্থ জমাকারী বাংলাদেশিদের তথ্য কেন জানতে চাওয়া হয়নি-তা জানাতে বলেছেন হাইকোর্ট। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও রাষ্ট্রপক্ষকে রোববারের মধ্যে এ তথ্য জানাতে বলা হয়েছে। ওইদিনই আদালত এ বিষয়ে পরবর্তী আদেশ দেবেন। বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ নজরে এনে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

হাইকোর্ট বলেন, সুইস রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে পড়েছি। বিষয়টি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা দরকার। কী পরিমাণ অর্থ সুইস ব্যাংকে পাচার হয়েছে এবং এ বিষয়ে সরকার ও দুদক কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষ বা দুদক কোনো তথ্য দিতে পারেনি আদালতকে। তবে আদালত তাদের বক্তব্য শোনেন এবং রোববারের মধ্যে তা জানাতে নির্দেশ দেন। হাইকোর্ট এ বিষয়ে সুইস রাষ্ট্রদূতের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের অনুলিপিও দাখিল করতে বলেন।

ডিপ্লোম্যাটিক করেসপন্ডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ (ডিক্যাব) আয়োজিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বুধবার ঢাকায় নিযুক্ত সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত নাতালি শুয়া বলেন, সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশিদের অর্থ রাখার বিষয়ে নির্দিষ্ট করে বাংলাদেশ সরকার কোনো তথ্য চায়নি।

আদালতে দুদকের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক। আমিন উদ্দিন মানিক পরে সাংবাদিকদের বলেন, সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে জমা করা অর্থের বেশিরভাগই অবৈধ পথে যাওয়া। বাংলাদেশিদের অর্থ রাখার বিষয়ে নির্দিষ্ট করে দেশটির সরকারের কাছে তথ্য চাওয়া হয়েছে কিনা তা জানতে চেয়েছেন আদালত। আমরা বলেছি, এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক ও বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটে (বিএফআইইউ) খোঁজ নিয়ে আদালতকে জানাব।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন