ড. এ কে আব্দুল মোমেননামা
jugantor
ড. এ কে আব্দুল মোমেননামা

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২০ আগস্ট ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ড. এ কে আব্দুল মোমেননামা

সব সময় আলোচনায় থাকতেই পছন্দ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে অতিকথনের কারণে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার খোরাক হচ্ছেন তিনি। নিয়মিতই ছুড়ছেন বিপজ্জনক শব্দ-বোমা। চাপে পড়ে উলটো গণমাধ্যমের কাঁধে দায় চাপিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছেন বারবার।

শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে ভারতের সহায়তা চেয়েছেন সর্বশেষ তার এমন বক্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। একটা দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দফায় দফায় এমন বালখিল্য দেখাবেন, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে মনে করছেন অনেকে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন অনেকটা হঠাৎ করেই মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে সরাসরি রাজনীতির মাঠে। ভাইয়ের (প্রয়াত অর্থমন্ত্রী) হাত ধরে সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে মনোনয়ন পান তিনি। ২০১৮-এর নির্বাচনে বিজয়ী হন। প্রথমবার এমপি হয়েই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। স্পর্শকাতর, গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচিত-সমালোচিত মোমেন।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে এক আলোচনাসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। শেখ হাসিনা আমাদের আদর্শ। তাকে টিকিয়ে রাখতে পারলে আমাদের দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে এবং সত্যিকারের সাম্প্রদায়িকতামুক্ত, অসাম্প্রদায়িক একটা দেশ হবে। সেজন্য শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারত সরকারকে সেটা করার অনুরোধ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতকে আরও বলেছি, আমরা উভয়ে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড কখনো প্রশ্রয় দেব না। এটা যদি আমরা করতে পারি, ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ের মঙ্গল। শেখ হাসিনা আছেন বলে ভারতের যথেষ্ট মঙ্গল হচ্ছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় বইছে। রাজনৈতিক দলগুলো এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো তার এ বক্তব্যকে পুঁজি করে সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছে। তার বক্তব্য নিয়ে সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও বিব্রত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ওনার দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। না হলে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। তার বক্তব্য নিয়ে চারদিকে যখন সমালোচনা, ঠিক তখনই মিডিয়ার ওপর দোষ চাপানোর কৌশল নিয়েছেন মোমেন।

শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের লক্ষ্য যে আমরা সস্তায় অ্যাফোরডেবল প্রাইসে প্রত্যেককে খাবার দিতে চাই। মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন করতে চাই। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা আমরা দেখতে চাই না, অস্থিরতা দেখতে চাই না।’ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনাদের মিডিয়া অনেক সময় এই অস্থিরতা বাড়ানোর জন্য অনেক বানোয়াট খবর-টবর দেয়। এটা খুব দুঃখজনক।’

এর আগে ১২ আগস্ট সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণবিষয়ক এক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ শ্রীলংকা হয়ে যাবে, একটি পক্ষ থেকে এমন প্যানিক ছড়ানো হচ্ছে। বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই। বৈশ্বিক মন্দায় অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা বেহেশতে আছি।’

তার এমন বক্তব্যের পর সব মহলে শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। খোদ আওয়ামী লীগও তার এমন মন্তব্যে বিব্রতবোধ করে। ভেবেচিন্তে কথা বলতে দলের পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু ওই বক্তব্যের পরও মিডিয়ার ওপর দোষ চাপিয়ে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা তো আমারে খায়া ফেললেন।’ যদিও পরে তার বক্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠক করেন মোমেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ব্লিঙ্কেনকে বলেছেন, ‘সামরিক বাহিনী থেকে জন্ম নেওয়া দলটি ছাড়া সব দল নির্বাচনে আসে। তাদের নির্বাচনে আনা একটি চ্যালেঞ্জ। তাদের ভোটে নিয়ে আসুন।

তার এমন বক্তব্য নিয়ে দেশে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ওই সময় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, এটা তার ব্যক্তিগত মত। পরে মোমেন দেশে ফিরে সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব দেননি। এটা ছিল একটা কথার কথা।

মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমেই ভারত সফরে যান মোমেন। ওই সময় পশ্চিমবঙ্গের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে গিয়ে বলেন, উভয় দেশের সম্পর্ক খুবই ভালো। অনেকটা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মতো। এটি নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়।

সম্প্রতি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জমা করা অর্থের বিষয়ে বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট তথ্য চায়নি বলে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তার এমন বক্তব্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিব্রতবোধ করে।

একটি দেশের রাষ্ট্রদূতকে এভাবে সরাসরি আক্রমণ করে বক্তব্য দেওয়া কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না বলে মনে করেন অনেকে।

ড. এ কে আব্দুল মোমেননামা

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২০ আগস্ট ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ
ড. এ কে আব্দুল মোমেননামা
ড. এ কে আব্দুল মোমেন। ফাইল ছবি

সব সময় আলোচনায় থাকতেই পছন্দ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। দায়িত্ব পাওয়ার পর থেকে অতিকথনের কারণে গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনার খোরাক হচ্ছেন তিনি। নিয়মিতই ছুড়ছেন বিপজ্জনক শব্দ-বোমা। চাপে পড়ে উলটো গণমাধ্যমের কাঁধে দায় চাপিয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা করছেন বারবার।

শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে ভারতের সহায়তা চেয়েছেন সর্বশেষ তার এমন বক্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে তোলপাড়। একটা দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী দফায় দফায় এমন বালখিল্য দেখাবেন, এটা বিশ্বাসযোগ্য নয় বলে মনে করছেন অনেকে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন অনেকটা হঠাৎ করেই মন্ত্রিত্ব পেয়েছিলেন। জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। সেখান থেকে সরাসরি রাজনীতির মাঠে। ভাইয়ের (প্রয়াত অর্থমন্ত্রী) হাত ধরে সিলেটের গুরুত্বপূর্ণ আসন থেকে মনোনয়ন পান তিনি। ২০১৮-এর নির্বাচনে বিজয়ী হন। প্রথমবার এমপি হয়েই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পান। স্পর্শকাতর, গুরুত্বপূর্ণ এ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে আলোচিত-সমালোচিত মোমেন।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামে এক আলোচনাসভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ভারতে গিয়ে বলেছি, শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখতে হবে। শেখ হাসিনা আমাদের আদর্শ। তাকে টিকিয়ে রাখতে পারলে আমাদের দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে এবং সত্যিকারের সাম্প্রদায়িকতামুক্ত, অসাম্প্রদায়িক একটা দেশ হবে। সেজন্য শেখ হাসিনাকে টিকিয়ে রাখার জন্য যা যা করা দরকার, আমি ভারত সরকারকে সেটা করার অনুরোধ করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভারতকে আরও বলেছি, আমরা উভয়ে উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড কখনো প্রশ্রয় দেব না। এটা যদি আমরা করতে পারি, ভারত ও বাংলাদেশ উভয়ের মঙ্গল। শেখ হাসিনা আছেন বলে ভারতের যথেষ্ট মঙ্গল হচ্ছে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন বক্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় বইছে। রাজনৈতিক দলগুলো এ নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে। বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো তার এ বক্তব্যকে পুঁজি করে সরকারের সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছে। তার বক্তব্য নিয়ে সরকার ও ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগও বিব্রত।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, ওনার দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হোক। না হলে অনেক ক্ষতি হয়ে যাবে। তার বক্তব্য নিয়ে চারদিকে যখন সমালোচনা, ঠিক তখনই মিডিয়ার ওপর দোষ চাপানোর কৌশল নিয়েছেন মোমেন।

শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী গণমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকারের লক্ষ্য যে আমরা সস্তায় অ্যাফোরডেবল প্রাইসে প্রত্যেককে খাবার দিতে চাই। মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন করতে চাই। কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা আমরা দেখতে চাই না, অস্থিরতা দেখতে চাই না।’ সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনাদের মিডিয়া অনেক সময় এই অস্থিরতা বাড়ানোর জন্য অনেক বানোয়াট খবর-টবর দেয়। এটা খুব দুঃখজনক।’

এর আগে ১২ আগস্ট সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের সম্প্রসারণ প্রকল্পে ভূমি অধিগ্রহণবিষয়ক এক মতবিনিময়সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ শ্রীলংকা হয়ে যাবে, একটি পক্ষ থেকে এমন প্যানিক ছড়ানো হচ্ছে। বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই। বৈশ্বিক মন্দায় অন্যান্য দেশের তুলনায় আমরা বেহেশতে আছি।’

তার এমন বক্তব্যের পর সব মহলে শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। খোদ আওয়ামী লীগও তার এমন মন্তব্যে বিব্রতবোধ করে। ভেবেচিন্তে কথা বলতে দলের পক্ষ থেকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়। কিন্তু ওই বক্তব্যের পরও মিডিয়ার ওপর দোষ চাপিয়ে তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা তো আমারে খায়া ফেললেন।’ যদিও পরে তার বক্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেন।

যুক্তরাষ্ট্র সফরে গিয়ে দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনের সঙ্গে বৈঠক করেন মোমেন। পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি জানান, বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি ব্লিঙ্কেনকে বলেছেন, ‘সামরিক বাহিনী থেকে জন্ম নেওয়া দলটি ছাড়া সব দল নির্বাচনে আসে। তাদের নির্বাচনে আনা একটি চ্যালেঞ্জ। তাদের ভোটে নিয়ে আসুন।

তার এমন বক্তব্য নিয়ে দেশে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। ওই সময় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে বলা হয়, এটা তার ব্যক্তিগত মত। পরে মোমেন দেশে ফিরে সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপিকে নির্বাচনে আনার জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রস্তাব দেননি। এটা ছিল একটা কথার কথা।

মন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর প্রথমেই ভারত সফরে যান মোমেন। ওই সময় পশ্চিমবঙ্গের একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পররাষ্ট্রমন্ত্রী দুই দেশের সম্পর্কের গভীরতা বোঝাতে গিয়ে বলেন, উভয় দেশের সম্পর্ক খুবই ভালো। অনেকটা স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের মতো। এটি নিয়েও ব্যাপক সমালোচনা হয়।

সম্প্রতি সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জমা করা অর্থের বিষয়ে বাংলাদেশ সুনির্দিষ্ট তথ্য চায়নি বলে সুইজারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যকে মিথ্যা বলে দাবি করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। তার এমন বক্তব্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিব্রতবোধ করে।

একটি দেশের রাষ্ট্রদূতকে এভাবে সরাসরি আক্রমণ করে বক্তব্য দেওয়া কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না বলে মনে করেন অনেকে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন