প্রত্যাহার হচ্ছে ক্রয় সীমা
jugantor
ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড
প্রত্যাহার হচ্ছে ক্রয় সীমা

  মিজান চৌধুরী  

২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডলার সংকট কাটাতে এবার সঞ্চয়পত্রের স্কিম ‘ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে’ বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়া হচ্ছে। আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং সোনালী ব্যাংকের পৃথক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

পাশাপাশি সঞ্চয়পত্র কেনার সময় প্রবাসীদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের পরিবর্তে পাসপোর্ট গ্রহণের বিধান চালুর অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রস্তাবগুলোর যৌক্তিকতা পর্যালোচনা করতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে তারা অর্থ বিভাগের নির্দেশনা ও চিঠি পেয়েছে। সহসাই এ নিয়ে পর্যালোচনা করে অর্থ বিভাগকে সুপারিশ জানিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়কে ডাকা হবে।

সূত্র জানায়, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে আলাদাভাবে চিঠি দিয়েছে আরব আমিরাতের বাংলাদেশ দূতাবাস। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত (আরব আমিরাত দূতাবাস) মোহাম্মদ আবু জাফর ওই চিঠি দেন। এতে ওয়েজ আনার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়া হলে ডলারে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নতুন করে ডলারে বিনিয়োগ আসার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। এদিকে ডলারের সংকট কাটাতে উল্লিখিত বন্ডে বিনিয়োগ সীমা তুলে নেওয়ার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে পৃথক প্রস্তাব দিয়েছে সোনালী ব্যাংক।

অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেওয়ার যৌক্তিকতা সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ দূতাবাসে।

দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মোহাম্মদ মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এই প্রস্তাবের বড় কারণ হচ্ছে এখানে অনেক প্রবাসী আছেন। তাদের অনেকই এ বন্ডের নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছেন। সারা বছর সুদ যুক্ত হয়ে সেটি আরও বেড়েছে। এখন বছর শেষে অটোরিনিউল হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বর্ধিত অংশ তুলে নিচ্ছেন। আবার নতুন অনেক প্রবাসী এ বন্ডে অধিক হারে বিনিয়োগ করতে চাইলেও পারছেন না। এখানে বিনিয়োগের একটি বড় কারণ হচ্ছে, সুদের হার ১২ শতাংশ। যা বর্তমান দেশের সব আমানতের সুদের হারের চেয়ে বেশি। নির্দিষ্ট সীমা থাকায় বেশি বিনিয়োগ আসছে না। কাজেই ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিলে প্রবাসীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ আসবে। আর অধিকাংশ বিনিয়োগ হবে ডলারে। যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এসব বিবেচনায় সরকারের কাছে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান একজন প্রবাসী সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা বা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রায় ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড কিনতে পারেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মরতরাও এ বন্ড কিনতে পারেন। বিভিন্ন স্লটে যেমন ২৫ হাজার, ৫০ হাজার, ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ এবং ৫০ লাখ টাকায়ও কেনা যায়। এ বন্ডে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মৃত্যুঝুঁকির সুবিধা রয়েছে। এ বন্ডের বিপরীতে ঋণ নেওয়া যায়। প্রতি ৬ মাস অন্তর এই বন্ডের সুদ দেওয়া হয়। ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়ায় কেউ চাইলেই এর বেশি কিনতে পারেন না। সেই সীমারেখা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে।

দুটি প্রস্তাব তুলে ধরে ১৭ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এসব প্রস্তাবের ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে ১১ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগ একটি চিঠি দিয়েছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমকে। ওই চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় সঞ্চয়পত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে এনআইডির পরিবর্তে পাসপোর্ট গ্রহণ এবং ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা রহিতকরণ/বর্ধিতকরণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং সোনালী ব্যাংক পৃথকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ওই প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য এই বন্ডের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়া হলে এই স্কিমে (ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড) প্রবাসীরা আরও বেশি অঙ্কে বিনিয়োগ করতে পারবেন। যার অধিকাংশ বিনিয়োগ হবে মার্কিন ডলারে। এতে ডলারের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পাবে, যা যোগ হবে রিজার্ভে। বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়। এতে আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। দেখা দেয় মারাত্মক ডলার সংকট। যে কারণে অস্থিতিশীলতাসহ বেড়ে যায় ডলারের মূল্য। এ ডলার সাশ্রয় করতে সরকার নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই মধ্যে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ক্রয় সীমা তুলে নেওয়া হলে বৈদেশিক মুদ্রা যুক্ত হওয়ার রাস্তাটি আরও প্রশস্ত হবে।

ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড

প্রত্যাহার হচ্ছে ক্রয় সীমা

 মিজান চৌধুরী 
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

ডলার সংকট কাটাতে এবার সঞ্চয়পত্রের স্কিম ‘ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে’ বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়া হচ্ছে। আরব আমিরাতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং সোনালী ব্যাংকের পৃথক প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

পাশাপাশি সঞ্চয়পত্র কেনার সময় প্রবাসীদের জন্য জাতীয় পরিচয়পত্রের পরিবর্তে পাসপোর্ট গ্রহণের বিধান চালুর অনুরোধ জানানো হয়েছে। প্রস্তাবগুলোর যৌক্তিকতা পর্যালোচনা করতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগকে এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া গেছে এসব তথ্য।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে তারা অর্থ বিভাগের নির্দেশনা ও চিঠি পেয়েছে। সহসাই এ নিয়ে পর্যালোচনা করে অর্থ বিভাগকে সুপারিশ জানিয়ে দেওয়া হবে। এর আগে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক মন্ত্রণালয়কে ডাকা হবে।

সূত্র জানায়, ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের কাছে আলাদাভাবে চিঠি দিয়েছে আরব আমিরাতের বাংলাদেশ দূতাবাস। বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত (আরব আমিরাত দূতাবাস) মোহাম্মদ আবু জাফর ওই চিঠি দেন। এতে ওয়েজ আনার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ক্রয়ের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়া হলে ডলারে বিনিয়োগ বৃদ্ধি, নতুন করে ডলারে বিনিয়োগ আসার যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। এদিকে ডলারের সংকট কাটাতে উল্লিখিত বন্ডে বিনিয়োগ সীমা তুলে নেওয়ার জন্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগকে পৃথক প্রস্তাব দিয়েছে সোনালী ব্যাংক।

অর্থ মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দেওয়ার যৌক্তিকতা সম্পর্কে জানতে যোগাযোগ করা হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে বাংলাদেশ দূতাবাসে।

দূতাবাসের ডেপুটি হেড অব মিশন মোহাম্মদ মিজানুর রহমান যুগান্তরকে বলেন, এই প্রস্তাবের বড় কারণ হচ্ছে এখানে অনেক প্রবাসী আছেন। তাদের অনেকই এ বন্ডের নির্ধারিত সীমার চেয়ে বেশি বিনিয়োগ করেছেন। সারা বছর সুদ যুক্ত হয়ে সেটি আরও বেড়েছে। এখন বছর শেষে অটোরিনিউল হচ্ছে না। বাধ্য হয়ে বর্ধিত অংশ তুলে নিচ্ছেন। আবার নতুন অনেক প্রবাসী এ বন্ডে অধিক হারে বিনিয়োগ করতে চাইলেও পারছেন না। এখানে বিনিয়োগের একটি বড় কারণ হচ্ছে, সুদের হার ১২ শতাংশ। যা বর্তমান দেশের সব আমানতের সুদের হারের চেয়ে বেশি। নির্দিষ্ট সীমা থাকায় বেশি বিনিয়োগ আসছে না। কাজেই ঊর্ধ্বসীমা তুলে নিলে প্রবাসীদের কাছ থেকে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ আসবে। আর অধিকাংশ বিনিয়োগ হবে ডলারে। যা দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এসব বিবেচনায় সরকারের কাছে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমান একজন প্রবাসী সর্বোচ্চ এক কোটি টাকা বা সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রায় ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড কিনতে পারেন। এছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মরতরাও এ বন্ড কিনতে পারেন। বিভিন্ন স্লটে যেমন ২৫ হাজার, ৫০ হাজার, ১ লাখ, ২ লাখ, ৫ লাখ ও ১০ এবং ৫০ লাখ টাকায়ও কেনা যায়। এ বন্ডে ৪০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত মৃত্যুঝুঁকির সুবিধা রয়েছে। এ বন্ডের বিপরীতে ঋণ নেওয়া যায়। প্রতি ৬ মাস অন্তর এই বন্ডের সুদ দেওয়া হয়। ক্রয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সীমা বেঁধে দেওয়ায় কেউ চাইলেই এর বেশি কিনতে পারেন না। সেই সীমারেখা তুলে দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে।

দুটি প্রস্তাব তুলে ধরে ১৭ আগস্ট অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ। এসব প্রস্তাবের ব্যাপারে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে ১১ সেপ্টেম্বর অর্থ বিভাগ একটি চিঠি দিয়েছে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগের সিনিয়র সচিব এবং জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু হেনা মো. রহমাতুল মুনিমকে। ওই চিঠিতে বলা হয়, জাতীয় সঞ্চয়পত্র ইস্যুর ক্ষেত্রে এনআইডির পরিবর্তে পাসপোর্ট গ্রহণ এবং ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ডে বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা রহিতকরণ/বর্ধিতকরণে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং সোনালী ব্যাংক পৃথকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে অর্থ বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট অন্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে এ সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ করা হলো।

এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে জানান, ওই প্রস্তাবটি বিবেচনার জন্য এই বন্ডের ঊর্ধ্বসীমা তুলে নেওয়া হলে এই স্কিমে (ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড) প্রবাসীরা আরও বেশি অঙ্কে বিনিয়োগ করতে পারবেন। যার অধিকাংশ বিনিয়োগ হবে মার্কিন ডলারে। এতে ডলারের প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পাবে, যা যোগ হবে রিজার্ভে। বিষয়টি নিয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।

ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলসহ সব ধরনের পণ্যের দাম বৃদ্ধি পায়। এতে আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি হয়। দেখা দেয় মারাত্মক ডলার সংকট। যে কারণে অস্থিতিশীলতাসহ বেড়ে যায় ডলারের মূল্য। এ ডলার সাশ্রয় করতে সরকার নানা ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এরই মধ্যে ওয়েজ আর্নার ডেভেলপমেন্ট বন্ড ক্রয় সীমা তুলে নেওয়া হলে বৈদেশিক মুদ্রা যুক্ত হওয়ার রাস্তাটি আরও প্রশস্ত হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন