জিকে শামীম ও ৭ দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন
jugantor
অস্ত্র মামলার রায়
জিকে শামীম ও ৭ দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন

  আদালত প্রতিবেদক  

২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অস্ত্র আইনের মামলায় বিতর্কিত ঠিকাদার কথিত যুবলীগ নেতা এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীমের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর গুলশান থানায় করা একই মামলায় তার সাত দেহরক্ষীকেও যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিচার শুরুর আড়াই বছরের মাথায় ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম রোববার দুপুরে রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সব আসামির লাইসেন্স করা অস্ত্র রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জিকে শামীমের আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম অনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মক্কেলের ওপর অন্যায় করা হয়েছে। যে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে সে ধারায় সাজা হয়নি। আমাকে তো চার্জ অলটারের বিষয় জানানো হয়নি। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়েছে ১৯(ই) ধারায়, কিন্তু সাজা দেওয়া হয়েছে ১৯(এ) ধারায়। এই চার্জ কখন পরিবর্তন হলো, তা আমরা জানি না।’

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির রায় আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বলেন, যে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে সেই ধারাতেই রায় হয়েছে। ১৯(ই) ধারায় বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে চার্জগঠন হয়েছে। সেই ধারাতেই সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। এখানে চার্জ পরিবর্তন হয়নি, এ নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

রায় ঘোষণার আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় জিকে শামীমকে। মামলার সাজাপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন জিকে শামীমের দেহরক্ষী দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ২৮ আগস্ট বিচারক রায়ের জন্য দিন ঠিক করে দেন।

রায়ের পর আসামিদের আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কঠোর পুলিশ পাহারায় আদালত কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে জিকে শামীম সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে ‘ফাঁসানো’ হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

আদালতে উপস্থিত জিকে শামীমের স্ত্রী শামীমা সুলতানা বলেন, সাজা হবে জানতাম। কিন্তু এতটা হবে বুঝিনি। আপিল করবেন আমাদের আইনজীবীরা। জিকে শামীমের অস্ত্রের লাইসেন্স আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সেই মর্মে অস্ত্রের মালিকানা সংক্রান্ত প্রমাণপত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহারের মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করেছেন।

অথচ তাকে বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। বাসা থেকে জব্দ অস্ত্রের মাধ্যমে কীভাবে ভয়ভীতি দেখানো হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়। তা ছাড়া কোনো সাক্ষীও আদালতে ভয়ভীতি দেখানোর বিষয়ে কোনো কথা বলেননি।’

২০১৯ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর এই প্রথম শামীমের বিরুদ্ধে কোনো মামলার রায় হলো। তার বিরুদ্ধে মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনেও মামলা রয়েছে। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানে নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার হন জিকে শামীম। নিকেতন এ-ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাড়িতে তার অফিসে ১১ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব। সে সময় তার কার্যালয় থেকে এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থ পাচার আইনে তিনটি মামলা করে র‌্যাব। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাগুলো বিচারাধীন। এছাড়া ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগপত্র করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। মামলায় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি পাবলিক প্রসিকিউটর মো. সালাহউদ্দিন হাওলাদার এবং সাবিনা আক্তার দীপা। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মো. শাহিনুর ইসলাম অনি, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ আইনজীবী। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছে মর্মে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এসএম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগদান করেন তিনি। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি জিকে শামীমের দেহরক্ষী হিসাবে যোগদান করে কাজ করে আসছিলেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন।

এছাড়া অন্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেন। এর মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।

অস্ত্র মামলার রায়

জিকে শামীম ও ৭ দেহরক্ষীর যাবজ্জীবন

 আদালত প্রতিবেদক 
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

অস্ত্র আইনের মামলায় বিতর্কিত ঠিকাদার কথিত যুবলীগ নেতা এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম ওরফে জিকে শামীমের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রাজধানীর গুলশান থানায় করা একই মামলায় তার সাত দেহরক্ষীকেও যাবজ্জীবন দণ্ড দেওয়া হয়েছে। বিচার শুরুর আড়াই বছরের মাথায় ঢাকার ৪ নম্বর বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক শেখ ছামিদুল ইসলাম রোববার দুপুরে রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে সব আসামির লাইসেন্স করা অস্ত্র রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় জিকে শামীমের আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম অনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মক্কেলের ওপর অন্যায় করা হয়েছে। যে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে সে ধারায় সাজা হয়নি। আমাকে তো চার্জ অলটারের বিষয় জানানো হয়নি। তিনি বলেন, তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হয়েছে ১৯(ই) ধারায়, কিন্তু সাজা দেওয়া হয়েছে ১৯(এ) ধারায়। এই চার্জ কখন পরিবর্তন হলো, তা আমরা জানি না।’

অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির রায় আসায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। রাষ্ট্রপক্ষের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর সালাহউদ্দিন হাওলাদার বলেন, যে ধারায় অভিযোগ গঠন করা হয়েছে সেই ধারাতেই রায় হয়েছে। ১৯(ই) ধারায় বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহারের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে চার্জগঠন হয়েছে। সেই ধারাতেই সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন সাজা হয়েছে। এখানে চার্জ পরিবর্তন হয়নি, এ নিয়ে বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।

রায় ঘোষণার আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয় জিকে শামীমকে। মামলার সাজাপ্রাপ্ত অপর আসামিরা হলেন জিকে শামীমের দেহরক্ষী দেলোয়ার হোসেন, মুরাদ হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, সহিদুল ইসলাম, কামাল হোসেন, সামসাদ হোসেন ও আমিনুল ইসলাম। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এ মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। রাষ্ট্রপক্ষে ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং যুক্তিতর্ক শুনানি শেষে গত ২৮ আগস্ট বিচারক রায়ের জন্য দিন ঠিক করে দেন।

রায়ের পর আসামিদের আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। কঠোর পুলিশ পাহারায় আদালত কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় নিজেকে নির্দোষ দাবি করে জিকে শামীম সাংবাদিকদের বলেন, আমাকে ‘ফাঁসানো’ হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

আদালতে উপস্থিত জিকে শামীমের স্ত্রী শামীমা সুলতানা বলেন, সাজা হবে জানতাম। কিন্তু এতটা হবে বুঝিনি। আপিল করবেন আমাদের আইনজীবীরা। জিকে শামীমের অস্ত্রের লাইসেন্স আছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সেই মর্মে অস্ত্রের মালিকানা সংক্রান্ত প্রমাণপত্র আদালতে দাখিল করা হয়েছে। মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে বৈধ অস্ত্রের অবৈধ ব্যবহারের মাধ্যমে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি করেছেন।

অথচ তাকে বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে ও অস্ত্র জব্দ করা হয়েছে। বাসা থেকে জব্দ অস্ত্রের মাধ্যমে কীভাবে ভয়ভীতি দেখানো হলো, তা আমাদের বোধগম্য নয়। তা ছাড়া কোনো সাক্ষীও আদালতে ভয়ভীতি দেখানোর বিষয়ে কোনো কথা বলেননি।’

২০১৯ সালে গ্রেফতার হওয়ার পর এই প্রথম শামীমের বিরুদ্ধে কোনো মামলার রায় হলো। তার বিরুদ্ধে মাদক ও মানি লন্ডারিং আইনেও মামলা রয়েছে। ২০১৯ সালের ২০ সেপ্টেম্বর গুলশানে নিজ কার্যালয়ে সাত দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার হন জিকে শামীম। নিকেতন এ-ব্লকের ৫ নম্বর রোডের ১৪৪ নম্বর বাড়িতে তার অফিসে ১১ ঘণ্টা অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করে র‌্যাব। সে সময় তার কার্যালয় থেকে এক কোটি ৮০ লাখ টাকা, ৯ হাজার ইউএস ডলার, ৭৫২ সিঙ্গাপুরের ডলার, ১৬৫ কোটি টাকার এফডিআর, অস্ত্র ও বিপুল পরিমাণ বিদেশি মদ উদ্ধার করা হয়। পরে তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও অর্থ পাচার আইনে তিনটি মামলা করে র‌্যাব। মামলার এজাহারে শামীমকে চাঁদাবাজ, টেন্ডারবাজ, অবৈধ মাদক ও জুয়ার ব্যবসায়ী বলে উল্লেখ করা হয়। এরপর তার বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। মামলাগুলো বিচারাধীন। এছাড়া ২০১৯ সালের ২৭ অক্টোবর আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা র‌্যাব-১ এর উপপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলায় অভিযোগপত্র জমা দেন। ২০২০ সালের ২৮ জানুয়ারি আসামিদের অব্যাহতির আবেদন নাকচ করে অভিযোগপত্র করে বিচার শুরুর আদেশ দেন একই আদালত। মামলায় ১০ জন আদালতে সাক্ষ্য দেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন সরকারি পাবলিক প্রসিকিউটর মো. সালাহউদ্দিন হাওলাদার এবং সাবিনা আক্তার দীপা। আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন মো. শাহিনুর ইসলাম অনি, শফিকুল ইসলাম প্রমুখ আইনজীবী। মামলার অভিযোগে বলা হয়, আসামি আমিনুল ইসলাম জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে লাইসেন্সপ্রাপ্ত হয়েছে মর্মে ডকুমেন্ট দেখালেও তা যাচাইয়ে তার সঠিকতা খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ওই অস্ত্রের নকল কাগজপত্র নিয়ে ২০১৭ সালে প্রথমে এসএম বিল্ডার্স কোম্পানিতে যোগদান করেন তিনি। পরে ২০১৯ সালের মাঝামাঝি জিকে শামীমের দেহরক্ষী হিসাবে যোগদান করে কাজ করে আসছিলেন। তিনি মূলত অবৈধ অস্ত্রটি ৭০ হাজার টাকায় ক্রয় করে জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে কাগজপত্র তৈরি করেন।

এছাড়া অন্য আসামিরা নিরাপত্তার অজুহাতে অস্ত্রের লাইসেন্সপ্রাপ্ত হলেও তারা শর্ত ভঙ্গ করে অস্ত্র প্রকাশ্যে বহন, প্রদর্শন ও ব্যবহার করে লোকজনের মধ্যে ভয়ভীতি সৃষ্টি করতেন। এর মাধ্যমে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, মাদক ও জুয়ার ব্যবসা করে স্বনামে-বেনামে বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন