রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হলো ইউক্রেনের চার অঞ্চল
jugantor
পুতিনের ঘোষণা
রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হলো ইউক্রেনের চার অঞ্চল
ন্যাটোতে যাওয়ার আবেদন ইউক্রেনের

  যুগান্তর ডেস্ক   

০১ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক সমালোচনা উপেক্ষা করে শুক্রবার ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চারটি অঞ্চল হলো-ইউক্রেনের খেরসন, জাপোরিঝঝিয়া, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক। এ বিষয়ে চুক্তি সইয়ের আগে পুতিন বলেন, যে চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করা হচ্ছে, অঞ্চলগুলোর শাসকরাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্তকে পছন্দ করেছে। এই অঞ্চলগুলো যেকোনো উপায়ে রক্ষা করবে মস্কো। একই সঙ্গে সেখানকার বাসিন্দাদের রাশিয়ার নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এদিকে পুতিনের এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার সামরিক খাতসহ বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এছাড়া ইইউ আরও নিষেধাজ্ঞা দেবে বলে জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের।

আগামী কয়েকদিনে আনুষ্ঠানিক আরও কিছু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অঞ্চলগুলো রাশিয়া ফেডারেশনভুক্ত হবে। প্রেসিডেন্ট পুতিনের চুক্তিতে সইয়ের পর এ সংক্রান্ত নথি যাবে রাশিয়ার সাংবিধানিক আদালতে। এরপর রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিুকক্ষ স্টেট দুমা ও উচ্চকক্ষ ফেডারেল কাউন্সিলে এসব চুক্তি অনুমোদন পেতে হবে। পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের অনুমোদনের পর পুতিন আনুষ্ঠানিকভাবে ওই চার অঞ্চলকে ভূখণ্ডভুক্ত করে নেওয়ার নথিতে সই করবেন।

চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে রাশিয়াজুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা। মস্কোর কেন্দ্রস্থল বিখ্যাত রেড স্কয়ারে সেনা মোতায়েন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইউক্রেনের ওই চার অঞ্চলে মস্কোর নিযুক্ত নেতারা উপস্থিত ছিলেন। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে ঘোষণার আগে ইউক্রেনের ওই অঞ্চলগুলোতে গণভোটের আয়োজন করে মস্কো। ভোটে চার অঞ্চলের অধিকাংশ বাসিন্দা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন বলে রুশ গণমাধ্যমগুলোর খবরে উঠে আসে। যদিও ইউক্রেন ও দেশটির পশ্চিমা মিত্ররা প্রথম থেকে এ ভোটকে ‘ভাঁওতাবাজি’ আখ্যা দিয়ে আসছে।

এই চার অঞ্চল নিজেদের অংশ ঘোষণার লক্ষ্যে মস্কোর ক্রেমলিন হলে শুক্রবার বেলা ৩টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। পুতিন বক্তৃতা করেন এবং নথিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

ইউক্রেনের চার অঞ্চল রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্তি উপলক্ষ্যে মস্কো শহরে ছিল উৎসবের আমেজ। পাশাপাশি ইউক্রেনের কিয়েভে ছিল চাপা উত্তেজনা। রাশিয়ার এই দখলের পর কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। জেলেনস্কি তার দেশকে দ্রুত ন্যাটোভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি টেলিগ্রামে এক পোস্টে বলেন, আমরা ইতিমধ্যে মিত্রতার মানদণ্ডের সঙ্গে আমাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছি। ন্যাটোতে দ্রুত যোগ দিতে ইউক্রেনের আবেদনে স্বাক্ষর করে আমরা দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছি। এর আগে বৃহস্পতিবার জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার তথাকথিত গণভোটের কোনো মূল্য নেই। ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ফিরিয়ে আনা হবে। রুশ পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

ইউক্রেনের ভূমি রাশিয়ার দখলে যাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে গণভোট দিয়ে সেই এলাকা রুশ ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এবার খেরসন, জাপোরিঝঝিয়া, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে গেল। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন শুক্রবার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে ১৫ শতাংশ ভূখণ্ড ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল। এসব এলাকা হাতছাড়া হওয়ায় ইউক্রেনের কৃষি উৎপাদন ১৩ থেকে ১৬ শতাংশ কমে যাবে। দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, এই ভূখণ্ডের আয়তন ৯০ হাজার বর্গকিলোমিটার, যা কিনা হাঙ্গেরি কিংবা পর্তুগালের মতো দেশের ভূখণ্ডের সমান।

রাশিয়ার সামরিক খাতসহ বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা : পুতিন ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে নিজেদের অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করার পর দেশটির ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িত রাশিয়ার সমরাস্ত্র নির্মাণশিল্প মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স ছাড়াও দেশটির বড় দুটি আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, রাশিয়ার আর্থিক খাতের তিন নেতা, রাশিয়ার কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পরিবারের সদস্য এবং রাশিয়ার আইনসভার ২৭৮ জন সদস্য এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন।

এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ) ঘোষণা দিয়েছে, তারা রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধজ্ঞা আরোপ করবে। তবে ইইউর পক্ষ থেকে যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে, সেটি নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। হাঙ্গেরি বলেছে, এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় জ্বালানি থাকলে তারা তাতে সমর্থন দেবে না। রাশিয়ার মিত্র হিসাবে পরিচিত সার্বিয়া, কাজাখস্তানও জানিয়েছে, রাশিয়ার এই পদক্ষেপের স্বীকৃতি তারা দেবে না। আর ইউক্রেন ও রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলে বসানো তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানও পুতিনের এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এর আগে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সাত দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ। যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।

পুতিনের ঘোষণা

রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হলো ইউক্রেনের চার অঞ্চল

ন্যাটোতে যাওয়ার আবেদন ইউক্রেনের
 যুগান্তর ডেস্ক  
০১ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ব্যাপক সমালোচনা উপেক্ষা করে শুক্রবার ইউক্রেনের চারটি অঞ্চলকে রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্তির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। চারটি অঞ্চল হলো-ইউক্রেনের খেরসন, জাপোরিঝঝিয়া, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক। এ বিষয়ে চুক্তি সইয়ের আগে পুতিন বলেন, যে চার অঞ্চলকে রাশিয়ায় যুক্ত করা হচ্ছে, অঞ্চলগুলোর শাসকরাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষ রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্তকে পছন্দ করেছে। এই অঞ্চলগুলো যেকোনো উপায়ে রক্ষা করবে মস্কো। একই সঙ্গে সেখানকার বাসিন্দাদের রাশিয়ার নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এদিকে পুতিনের এমন পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার সামরিক খাতসহ বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এছাড়া ইইউ আরও নিষেধাজ্ঞা দেবে বলে জানিয়েছে। খবর রয়টার্সের। 

আগামী কয়েকদিনে আনুষ্ঠানিক আরও কিছু প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে অঞ্চলগুলো রাশিয়া ফেডারেশনভুক্ত হবে। প্রেসিডেন্ট পুতিনের চুক্তিতে সইয়ের পর এ সংক্রান্ত নথি যাবে রাশিয়ার সাংবিধানিক আদালতে। এরপর রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিুকক্ষ স্টেট দুমা ও উচ্চকক্ষ ফেডারেল কাউন্সিলে এসব চুক্তি অনুমোদন পেতে হবে। পার্লামেন্টের উভয় কক্ষের অনুমোদনের পর পুতিন আনুষ্ঠানিকভাবে ওই চার অঞ্চলকে ভূখণ্ডভুক্ত করে নেওয়ার নথিতে সই করবেন।

চুক্তি সইয়ের অনুষ্ঠান উপলক্ষ্যে রাশিয়াজুড়ে নেওয়া হয় কঠোর নিরাপত্তা। মস্কোর কেন্দ্রস্থল বিখ্যাত রেড স্কয়ারে সেনা মোতায়েন করা হয়। অনুষ্ঠানে ইউক্রেনের ওই চার অঞ্চলে মস্কোর নিযুক্ত নেতারা উপস্থিত ছিলেন। রাশিয়ার মূল ভূখণ্ডের অংশ হিসেবে ঘোষণার আগে ইউক্রেনের ওই অঞ্চলগুলোতে গণভোটের আয়োজন করে মস্কো। ভোটে চার অঞ্চলের অধিকাংশ বাসিন্দা রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে রায় দিয়েছেন বলে রুশ গণমাধ্যমগুলোর খবরে উঠে আসে। যদিও ইউক্রেন ও দেশটির পশ্চিমা মিত্ররা প্রথম থেকে এ ভোটকে ‘ভাঁওতাবাজি’ আখ্যা দিয়ে আসছে। 

এই চার অঞ্চল নিজেদের অংশ ঘোষণার লক্ষ্যে মস্কোর ক্রেমলিন হলে শুক্রবার বেলা ৩টায় অনুষ্ঠান শুরু হয়। পুতিন বক্তৃতা করেন এবং নথিপত্রে স্বাক্ষর করেন।

ইউক্রেনের চার অঞ্চল রাশিয়ায় অন্তর্ভুক্তি উপলক্ষ্যে মস্কো শহরে ছিল উৎসবের আমেজ। পাশাপাশি ইউক্রেনের কিয়েভে ছিল চাপা উত্তেজনা। রাশিয়ার এই দখলের পর কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হবে, তা নিয়ে বৈঠক ডেকেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। জেলেনস্কি তার দেশকে দ্রুত ন্যাটোভুক্ত করার আবেদন জানিয়েছেন। তিনি টেলিগ্রামে এক পোস্টে বলেন, আমরা ইতিমধ্যে মিত্রতার মানদণ্ডের সঙ্গে আমাদের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছি। ন্যাটোতে দ্রুত যোগ দিতে ইউক্রেনের আবেদনে স্বাক্ষর করে আমরা দৃঢ় পদক্ষেপ নিচ্ছি। এর আগে বৃহস্পতিবার জেলেনস্কি বলেছেন, রাশিয়ার তথাকথিত গণভোটের কোনো মূল্য নেই। ইউক্রেনের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ফিরিয়ে আনা হবে। রুশ পদক্ষেপের কঠোর জবাব দেওয়া হবে।

ইউক্রেনের ভূমি রাশিয়ার দখলে যাওয়ার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া দখল করে গণভোট দিয়ে সেই এলাকা রুশ ফেডারেশনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এবার খেরসন, জাপোরিঝঝিয়া, দোনেৎস্ক ও লুহানস্ক অঞ্চল রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে চলে গেল। রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিন শুক্রবার যে ঘোষণা দিয়েছেন, তাতে ১৫ শতাংশ ভূখণ্ড ইউক্রেনের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেল। এসব এলাকা হাতছাড়া হওয়ায় ইউক্রেনের কৃষি উৎপাদন ১৩ থেকে ১৬ শতাংশ কমে যাবে। দ্য গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, এই ভূখণ্ডের আয়তন ৯০ হাজার বর্গকিলোমিটার, যা কিনা হাঙ্গেরি কিংবা পর্তুগালের মতো দেশের ভূখণ্ডের সমান। 

রাশিয়ার সামরিক খাতসহ বিভিন্ন ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নতুন মার্কিন নিষেধাজ্ঞা : পুতিন ইউক্রেনের চার অঞ্চলকে নিজেদের অংশ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করার পর দেশটির ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ দপ্তর জানিয়েছে, ইউক্রেন যুদ্ধে জড়িত রাশিয়ার সমরাস্ত্র নির্মাণশিল্প মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স ছাড়াও দেশটির বড় দুটি আন্তর্জাতিক অস্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান, রাশিয়ার আর্থিক খাতের তিন নেতা, রাশিয়ার কিছু জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পরিবারের সদস্য এবং রাশিয়ার আইনসভার ২৭৮ জন সদস্য এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় রয়েছেন।

এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নও (ইইউ) ঘোষণা দিয়েছে, তারা রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধজ্ঞা আরোপ করবে। তবে ইইউর পক্ষ থেকে যে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হবে, সেটি নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। হাঙ্গেরি বলেছে, এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় জ্বালানি থাকলে তারা তাতে সমর্থন দেবে না। রাশিয়ার মিত্র হিসাবে পরিচিত সার্বিয়া, কাজাখস্তানও জানিয়েছে, রাশিয়ার এই পদক্ষেপের স্বীকৃতি তারা দেবে না। আর ইউক্রেন ও রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলে বসানো তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানও পুতিনের এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছেন। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে এর আগে রাশিয়ার বিরুদ্ধে সাত দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইইউ। যুক্তরাষ্ট্র ইউক্রেনকে আরও অস্ত্র দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন