জাতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল
jugantor
বিএনপির শোক র‌্যালি
জাতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৭ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের ‘স্বেচ্ছাচারিতা চরমে’ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার ভয়াবহ স্বৈরাচারে রূপ নিয়েছে। তাদের আর সময় দেওয়া যাবে না। তারা এখন জাতির জন্যে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবিলম্বে ফ্যাসিস্ট সরকারকে অপসারণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার বিকালে নয়াপল্টনের কার্যালয়ের সামনে শোক র‌্যালি পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার এতটা ভয়াবহ স্বৈরাচার ও কর্তৃত্ববাদীতে রূপ নিয়েছে যে, আমাদের ঘরে-ঘরে গিয়ে পুলিশ তল্লাশি করছে এবং নাম নিচ্ছে। কিন্তু সব ভয় উপেক্ষা করে দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, তরুণ-যুবকেরা জেগে উঠেছে। প্রতিদিন এই স্বৈরাচারী সরকারের পতনের লক্ষ্যে, তাদের সরিয়ে দিতে মিছিলে মানুষ বাড়ছে। আমরা অনেক রক্ত দিয়েছি, আমরা আরও রক্ত দেব। কিন্তু মানুষকে মুক্ত করবই।

তিনি বলেন, আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব, পেছনে ফিরব না। সরকারকে বাধ্য করব পদত্যাগ করতে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে। সংসদ বিলুপ্ত করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে নতুন পার্লামেন্ট এবং নতুন সরকার গঠন করা হবে।?

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যাতে সঠিক তথ্য জানতে না পারে, গণমাধ্যম যেন এই সরকারের দুর্নীতি প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য তারা ২৯টি বিভাগকে ‘তাদের কাছ থেকে কোনো খবর সংগ্রহ কিংবা তারা কাউকে কোনো খবর দেবে না’-এরকম সার্কুলার দিয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে-তাদের দুর্নীতি, চুরি, স্বেচ্ছাচারিতা ঢেকে রাখার জন্য সঠিক খবর থেকে জাতিকে বঞ্চিত করে রাখতে চায়।

ভোলায় নুরে আলম, আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জের শাওন প্রধান, মুন্সীগঞ্জের শহীদুল ইসলাম শাওন ও যশোরের আব্দুল আলিম হত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। নয়াপল্টন থেকে শোক র‌্যালিটি কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল রেঁস্তোরার মোড় হয়ে নয়াপল্টনের সড়ক দিয়ে আরামবাগ মোড় ঘুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে যোগ দিতে দুপুর ১টা থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ভিড় করেন নেতাকর্মীরা। বিএনপিসহ দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ব্যানার, কালো পতাকাসহ খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে র‌্যালিতে অংশ নেন। এদিকে র‌্যালিকে ঘিরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তার বলায় গড়ে তোলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, রাজবাড়ীতে একজন মহিলা নেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুইটা বাচ্চা আছে তার। কি অপরাধ? অপরাধ হচ্ছে সে সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লিখেছে। গণতান্ত্রিক দেশে যে কারও সমালোচনা করার অধিকার আছে, প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার রয়েছে। এদের অত্যাচারের মাত্রা কোন জায়গায় গেছে যে, তারা একজন নারীকে পর্যন্ত গভীর রাতে গিয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে ইনশাআল্লাহ আমরা ঘরে ফিরে যাব। এর আগে নয়।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও আমিনুল হকের পরিচালনায় শোক র‌্যালি পূর্ব এ সমাবেশে মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান ও দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম বক্তব্য রাখেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুস সালাম আজাদ, কামরুজ্জামান রতন, সরাফত আলী সপু, শামীমুর রহমান শামীম, মীর নেওয়াজ আলী, সাইফুল আলম নিরব, সেলিম রেজা হাবিব, শিরিন সুলতানা ছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোনায়েম মুন্না, মামুন হাসান, ইসহাক সরকার, এসকে জিলানি, রাজীব আহসান, ইয়াসীন আলী, আহমেদ খান, শহীদুল ইসলাম বাবুল, আবদুর রহিম, শাহ নেছারুল হক, নজরুল ইসলাম তালুকদার, আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা এতে অংশ নেন।

লেবার পার্টি ও এনপিপির সঙ্গে বিএনপির সংলাপ : এদিকে আগামীতে যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে একমত হয়েছে ২০ দলীয় জোটের শরিক লেবার পার্টি ও এনপিপি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির সঙ্গে পৃথক সংলাপের পর নেতারা একথা জানান।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি যুগপৎ আন্দোলনের দাবিনামা নিয়ে আলোচনা করেছি। অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ, একটা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, সংসদ বাতিল, নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি এসব দাবির বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।

বেলা সাড়ে ১১টায় দলীয় জোটের অন্যতম শরিক ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মির্জা ফখরুল। এনপিপির প্রতিনিধি দলের অন্যরা হলেন-মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, আ হ ম জহির হোসেন হাকিম, নবী চৌধুরী, শরিফ মনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, ফরিদউদ্দিন, ফখরুজ্জামান, হাসিবুর রহমান ও আবুল কালাম আজাদ।

এর আগে সকাল ১০টায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির মহাসচিব। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন-ফারুক রহমান, এসএম ইউসুফ আলী, আমিনুল ইসলাম রাজু, আলাউদ্দিন আলী, জহিরুল হক, আমিনুল ইসলাম, রামকৃষ্ণ সাহা, হুমায়ুন কবির ও খন্দকার মিরাজুল ইসলাম। এ দুই বৈঠকে বিএনপির মহাসচিবের সঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানও উপস্থিত ছিলেন।

দ্বিতীয় দফায় এরই মধ্যে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), এলডিপি ও কল্যাণ পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেছে বিএনপি।

বিএনপির শোক র‌্যালি

জাতির জন্য বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে সরকার: মির্জা ফখরুল

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৭ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

সরকারের ‘স্বেচ্ছাচারিতা চরমে’ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, সরকার ভয়াবহ স্বৈরাচারে রূপ নিয়েছে। তাদের আর সময় দেওয়া যাবে না। তারা এখন জাতির জন্যে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। অবিলম্বে ফ্যাসিস্ট সরকারকে অপসারণ করতে হবে। বৃহস্পতিবার বিকালে নয়াপল্টনের কার্যালয়ের সামনে শোক র‌্যালি পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, সরকার এতটা ভয়াবহ স্বৈরাচার ও কর্তৃত্ববাদীতে রূপ নিয়েছে যে, আমাদের ঘরে-ঘরে গিয়ে পুলিশ তল্লাশি করছে এবং নাম নিচ্ছে। কিন্তু সব ভয় উপেক্ষা করে দেশের মানুষ জেগে উঠেছে, তরুণ-যুবকেরা জেগে উঠেছে। প্রতিদিন এই স্বৈরাচারী সরকারের পতনের লক্ষ্যে, তাদের সরিয়ে দিতে মিছিলে মানুষ বাড়ছে। আমরা অনেক রক্ত দিয়েছি, আমরা আরও রক্ত দেব। কিন্তু মানুষকে মুক্ত করবই।

তিনি বলেন, আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যাব, পেছনে ফিরব না। সরকারকে বাধ্য করব পদত্যাগ করতে, নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে। সংসদ বিলুপ্ত করে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের মধ্য দিয়ে জনগণের ভোটে নতুন পার্লামেন্ট এবং নতুন সরকার গঠন করা হবে।?

মির্জা ফখরুল বলেন, বাংলাদেশের মানুষ যাতে সঠিক তথ্য জানতে না পারে, গণমাধ্যম যেন এই সরকারের দুর্নীতি প্রকাশ করতে না পারে তার জন্য তারা ২৯টি বিভাগকে ‘তাদের কাছ থেকে কোনো খবর সংগ্রহ কিংবা তারা কাউকে কোনো খবর দেবে না’-এরকম সার্কুলার দিয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে-তাদের দুর্নীতি, চুরি, স্বেচ্ছাচারিতা ঢেকে রাখার জন্য সঠিক খবর থেকে জাতিকে বঞ্চিত করে রাখতে চায়।

ভোলায় নুরে আলম, আব্দুর রহিম, নারায়ণগঞ্জের শাওন প্রধান, মুন্সীগঞ্জের শহীদুল ইসলাম শাওন ও যশোরের আব্দুল আলিম হত্যার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসাবে এই কর্মসূচি পালন করা হয়। নয়াপল্টন থেকে শোক র‌্যালিটি কাকরাইলের নাইটিঙ্গেল রেঁস্তোরার মোড় হয়ে নয়াপল্টনের সড়ক দিয়ে আরামবাগ মোড় ঘুরে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে শেষ হয়। র‌্যালিতে যোগ দিতে দুপুর ১টা থেকে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ভিড় করেন নেতাকর্মীরা। বিএনপিসহ দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মী ব্যানার, কালো পতাকাসহ খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে র‌্যালিতে অংশ নেন। এদিকে র‌্যালিকে ঘিরে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ এর আশপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কঠোর নিরাপত্তার বলায় গড়ে তোলেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, রাজবাড়ীতে একজন মহিলা নেত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। দুইটা বাচ্চা আছে তার। কি অপরাধ? অপরাধ হচ্ছে সে সামাজিক মাধ্যমে স্ট্যাটাস দিয়েছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে লিখেছে। গণতান্ত্রিক দেশে যে কারও সমালোচনা করার অধিকার আছে, প্রত্যেকটি মানুষের অধিকার রয়েছে। এদের অত্যাচারের মাত্রা কোন জায়গায় গেছে যে, তারা একজন নারীকে পর্যন্ত গভীর রাতে গিয়ে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টে।

স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, এই শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করে এই স্বৈরাচারী সরকারের পতন ঘটিয়ে ইনশাআল্লাহ আমরা ঘরে ফিরে যাব। এর আগে নয়।

মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু ও আমিনুল হকের পরিচালনায় শোক র‌্যালি পূর্ব এ সমাবেশে মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমান উল্লাহ আমান ও দক্ষিণের আহ্বায়ক আবদুস সালাম বক্তব্য রাখেন। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা হাবিবুর রহমান হাবিব, রুহুল কবির রিজভী, খায়রুল কবির খোকন, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, নাজিম উদ্দিন আলম, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, আবদুস সালাম আজাদ, কামরুজ্জামান রতন, সরাফত আলী সপু, শামীমুর রহমান শামীম, মীর নেওয়াজ আলী, সাইফুল আলম নিরব, সেলিম রেজা হাবিব, শিরিন সুলতানা ছাড়াও অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, মোনায়েম মুন্না, মামুন হাসান, ইসহাক সরকার, এসকে জিলানি, রাজীব আহসান, ইয়াসীন আলী, আহমেদ খান, শহীদুল ইসলাম বাবুল, আবদুর রহিম, শাহ নেছারুল হক, নজরুল ইসলাম তালুকদার, আবুল কালাম আজাদসহ বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতারা এতে অংশ নেন।

লেবার পার্টি ও এনপিপির সঙ্গে বিএনপির সংলাপ : এদিকে আগামীতে যুগপৎ আন্দোলনের বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে একমত হয়েছে ২০ দলীয় জোটের শরিক লেবার পার্টি ও এনপিপি। বৃহস্পতিবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির সঙ্গে পৃথক সংলাপের পর নেতারা একথা জানান।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, আমরা বাংলাদেশ লেবার পার্টি ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি যুগপৎ আন্দোলনের দাবিনামা নিয়ে আলোচনা করেছি। অবৈধ ফ্যাসিস্ট সরকারের পদত্যাগ, একটা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন, সংসদ বাতিল, নতুন নির্বাচন কমিশনের অধীনে একটা গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়াসহ নেতাকর্মীদের মুক্তি এসব দাবির বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।

বেলা সাড়ে ১১টায় দলীয় জোটের অন্যতম শরিক ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসেন মির্জা ফখরুল। এনপিপির প্রতিনিধি দলের অন্যরা হলেন-মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা, আ হ ম জহির হোসেন হাকিম, নবী চৌধুরী, শরিফ মনির হোসেন, বেলাল আহমেদ, ফরিদউদ্দিন, ফখরুজ্জামান, হাসিবুর রহমান ও আবুল কালাম আজাদ।

এর আগে সকাল ১০টায় বাংলাদেশ লেবার পার্টির সঙ্গে বৈঠক করেন বিএনপির মহাসচিব। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ১০ সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন-ফারুক রহমান, এসএম ইউসুফ আলী, আমিনুল ইসলাম রাজু, আলাউদ্দিন আলী, জহিরুল হক, আমিনুল ইসলাম, রামকৃষ্ণ সাহা, হুমায়ুন কবির ও খন্দকার মিরাজুল ইসলাম। এ দুই বৈঠকে বিএনপির মহাসচিবের সঙ্গে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানও উপস্থিত ছিলেন।

দ্বিতীয় দফায় এরই মধ্যে জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর), এলডিপি ও কল্যাণ পার্টির সঙ্গে সংলাপ করেছে বিএনপি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন