থাইল্যান্ডে ডে কেয়ার সেন্টারে হামলায় নিহত ৩৮
jugantor
থাইল্যান্ডে ডে কেয়ার সেন্টারে হামলায় নিহত ৩৮

  যুগান্তর ডেস্ক  

০৭ অক্টোবর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

থাইল্যান্ডের একটি প্রি-স্কুল ডে কেয়ার সেন্টারে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হয়েছে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী, শিশুসহ ৩৮ জন। নিহতদের মধ্যে দুই বছর বয়সি শিশুও রয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১২টায় দেশটির উত্তর-পূর্বের নং বুয়া লামফু নামক এলাকার উথাই সাওয়ান শহরে এই নির্মম হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ২২ জন। বন্দুক হামলার পর হামলাকারী নিজ স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথচান ওচা বলেছেন, ‘এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা।’ বিবিসি।

মাদকাসক্ত হামলাকারী পানায়া কামড়াব (৩৪) একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। একটি শটগান, একটি পিস্তল এবং একটি ছুরি নিয়ে ডে কেয়ার সেন্টারের শিশু এবং বয়স্কদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। কিন্তু কেন এই হামলা চালান তিনি সে সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, পানায়া যে আগ্নেয়াস্ত্রটি ব্যবহার করেছিল সেটি তার নামে বৈধভাবে নিবন্ধিত। পুলিশের ধারণা, হামলার আগে হামলাকারী অ্যামফিটামিন নামক মাদক গ্রহণ করেছিল। মাদক সংক্রান্ত ঘটনায় গত বছর বরখাস্ত হন পানায়া। বুয়া লামফু প্রদেশের এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য পাওয়া যায়। আলজাজিরা।

জেলা কর্মকর্তা জিদাপা বোনসুম জানান, ‘বন্দুকধারী যখন দুপুরের খাবারের সময় সেন্টারে প্রবেশ করে তখন ৩০ জন শিশু সেখানে অবস্থান করছিল। হামলাকারী প্রথমেই ৪-৫ জন স্টাফের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা একজন শিক্ষিকাও ছিলেন তার মধ্যে। গুলিবর্ষণ দেখে অনেকে ভেবেছিল এখানে বাজি ফোটানো হচ্ছে।’

হামলায় বেঁচে যাওয়া এক শিক্ষক স্থানীয় গণমাধ্যমে জানান, ‘হামলাকারীর ছেলেও এই ডে কেয়ার সেন্টারের শিক্ষার্থী ছিল। হামলাকারী নিজেও নিয়মিত তার ছেলেকে সেখানে নিয়ে যেতেন।’ তবে হামলার সময় ছেলে বাড়িতেই ছিল। ঘটনার পরপরই সে তার ছেলেকে এবং স্ত্রীকে হত্যা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে খাবার বিরতির সময় এই হামলা চালানো হয় তখন অধিকাংশ শিশুই ঘুমিয়ে ছিল। এ ধরনের বন্দুক হামলার ঘটনা থাইল্যান্ডে বিরল। তবে ২০২০ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এক সেনা সদস্যের গুলিতে ২৯ জন নিহত ও ৫৭ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

থাইল্যান্ডে ডে কেয়ার সেন্টারে হামলায় নিহত ৩৮

 যুগান্তর ডেস্ক 
০৭ অক্টোবর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

থাইল্যান্ডের একটি প্রি-স্কুল ডে কেয়ার সেন্টারে সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত হয়েছে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা নারী, শিশুসহ ৩৮ জন। নিহতদের মধ্যে দুই বছর বয়সি শিশুও রয়েছে। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বেলা সাড়ে ১২টায় দেশটির উত্তর-পূর্বের নং বুয়া লামফু নামক এলাকার উথাই সাওয়ান শহরে এই নির্মম হত্যাযজ্ঞের ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে শিশুর সংখ্যা ২২ জন। বন্দুক হামলার পর হামলাকারী নিজ স্ত্রী-সন্তানকে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করে বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ। প্রধানমন্ত্রী প্রায়ুথচান ওচা বলেছেন, ‘এটি একটি হৃদয়বিদারক ঘটনা।’ বিবিসি।

মাদকাসক্ত হামলাকারী পানায়া কামড়াব (৩৪) একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। একটি শটগান, একটি পিস্তল এবং একটি ছুরি নিয়ে ডে কেয়ার সেন্টারের শিশু এবং বয়স্কদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। কিন্তু কেন এই হামলা চালান তিনি সে সম্পর্কে এখনো কোনো তথ্য জানা যায়নি। পুলিশ জানিয়েছে, পানায়া যে আগ্নেয়াস্ত্রটি ব্যবহার করেছিল সেটি তার নামে বৈধভাবে নিবন্ধিত। পুলিশের ধারণা, হামলার আগে হামলাকারী অ্যামফিটামিন নামক মাদক গ্রহণ করেছিল। মাদক সংক্রান্ত ঘটনায় গত বছর বরখাস্ত হন পানায়া। বুয়া লামফু প্রদেশের এক সিনিয়র পুলিশ কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য পাওয়া যায়। আলজাজিরা।

জেলা কর্মকর্তা জিদাপা বোনসুম জানান, ‘বন্দুকধারী যখন দুপুরের খাবারের সময় সেন্টারে প্রবেশ করে তখন ৩০ জন শিশু সেখানে অবস্থান করছিল। হামলাকারী প্রথমেই ৪-৫ জন স্টাফের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা একজন শিক্ষিকাও ছিলেন তার মধ্যে। গুলিবর্ষণ দেখে অনেকে ভেবেছিল এখানে বাজি ফোটানো হচ্ছে।’

হামলায় বেঁচে যাওয়া এক শিক্ষক স্থানীয় গণমাধ্যমে জানান, ‘হামলাকারীর ছেলেও এই ডে কেয়ার সেন্টারের শিক্ষার্থী ছিল। হামলাকারী নিজেও নিয়মিত তার ছেলেকে সেখানে নিয়ে যেতেন।’ তবে হামলার সময় ছেলে বাড়িতেই ছিল। ঘটনার পরপরই সে তার ছেলেকে এবং স্ত্রীকে হত্যা করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দুপুরে খাবার বিরতির সময় এই হামলা চালানো হয় তখন অধিকাংশ শিশুই ঘুমিয়ে ছিল। এ ধরনের বন্দুক হামলার ঘটনা থাইল্যান্ডে বিরল। তবে ২০২০ সালে সম্পত্তি নিয়ে বিরোধের জেরে এক সেনা সদস্যের গুলিতে ২৯ জন নিহত ও ৫৭ জন আহত হওয়ার ঘটনা ঘটে।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন