বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের ফের সতর্ক করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
jugantor
বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের ফের সতর্ক করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

২৭ নভেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের আবারও সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, অনেক রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিরূপ মন্তব্য করছেন। তাদের এসব বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এর পরও তারা না শুনলে, সময়মতো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শনিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক অনুষ্ঠান শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ গত নির্বাচনে রাশিয়ার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছে তাদের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপের জন্য। ২০ থেকে ২১ জন কূটনীতিককে তারা বের করে দিয়েছেন। তারা শক্তিশালী, সেজন্য এটি করতে পেরেছে। আমাদের সেই শক্তি নেই। সেজন্য এ পথে যাই না। সময় হলে আমরাও অ্যাকশনে যাব। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিদের উপদেশের প্রয়োজন নেই জানিয়ে তিনি বলেন, তারা বলতে পারেন, আমরা শুনতে পারি। একটা সিস্টেম আছে, শিষ্টাচার আছে। তারা যদি কিছু বলতে চান, তারা সরকারকে জানাতে পারেন।

সম্প্রতি জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন, সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করবে বলে তাদের বলছে। তাই আগামী নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেবে বলে তার আশা। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এক আলোচনায় নির্বাচন নিয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইতো নাওকি।

২০১৮ সালের নির্বাচনসংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে ইতো নাওকি বলেন, ‘আমি শুনেছি, (গত নির্বাচনে) পুলিশের কর্মকর্তারা আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করেছেন। আমি অন্য কোনো দেশে এমন দৃষ্টান্তের কথা শুনিনি।’ আমি আশা করব, এবার তেমন সুযোগ থাকবে না বা এমন ঘটনা ঘটবে না। ইতো নাওকি বলেন, কাজেই এখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া দরকার। এটাই তার দৃঢ় প্রত্যাশা।

বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের ফের সতর্ক করলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
২৭ নভেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আব্দুল মোমেন বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের আবারও সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, অনেক রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিরূপ মন্তব্য করছেন। তাদের এসব বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে। এর পরও তারা না শুনলে, সময়মতো তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শনিবার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক অনুষ্ঠান শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মতো দেশ গত নির্বাচনে রাশিয়ার প্রতি অসন্তুষ্ট হয়েছে তাদের অভ্যন্তরীণ নির্বাচনে হস্তক্ষেপের জন্য। ২০ থেকে ২১ জন কূটনীতিককে তারা বের করে দিয়েছেন। তারা শক্তিশালী, সেজন্য এটি করতে পেরেছে। আমাদের সেই শক্তি নেই। সেজন্য এ পথে যাই না। সময় হলে আমরাও অ্যাকশনে যাব। দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে বিদেশিদের উপদেশের প্রয়োজন নেই জানিয়ে তিনি বলেন, তারা বলতে পারেন, আমরা শুনতে পারি। একটা সিস্টেম আছে, শিষ্টাচার আছে। তারা যদি কিছু বলতে চান, তারা সরকারকে জানাতে পারেন।

সম্প্রতি জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি বলেন, সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করবে বলে তাদের বলছে। তাই আগামী নির্বাচনে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো অংশ নেবে বলে তার আশা। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এক আলোচনায় নির্বাচন নিয়ে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন ইতো নাওকি।

২০১৮ সালের নির্বাচনসংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে ইতো নাওকি বলেন, ‘আমি শুনেছি, (গত নির্বাচনে) পুলিশের কর্মকর্তারা আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভর্তি করেছেন। আমি অন্য কোনো দেশে এমন দৃষ্টান্তের কথা শুনিনি।’ আমি আশা করব, এবার তেমন সুযোগ থাকবে না বা এমন ঘটনা ঘটবে না। ইতো নাওকি বলেন, কাজেই এখানে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া দরকার। এটাই তার দৃঢ় প্রত্যাশা।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন