নয়াপল্টন এলাকা দিনভর অবরুদ্ধ মানুষের ভোগান্তি
jugantor
নয়াপল্টন এলাকা দিনভর অবরুদ্ধ মানুষের ভোগান্তি
মির্জা ফখরুলকেও বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নয়াপল্টনে সংঘর্ষ ও গ্রেফতারের ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয় নাইটিঙ্গেল ও ফকিরাপুল মোড়। ব্যস্ততম এই সড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকায় আশপাশের এলাকায়ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস হওয়ায় এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ। দুই মোড় থেকে কেবল জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িতদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। সবাইকে পড়তে হয় পুলিশের তল্লাশির মুখে। দিনভর নয়াপল্টন এলাকা অবরুদ্ধ থাকার পর বিকাল ৪টার দিকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় সড়ক। এই সময়ের মধ্যে ৩টার দিকে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহের জন্য নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে। ডগ স্কোয়াড দলের সদস্যরাও ভেতরে তল্লাশি চালায়। নয়াপল্টন এলাকার সড়কের দুই পাশের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেও বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
পুলিশ বলছে, বুধবার সংঘর্ষের ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করতে এসব সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে যা করণীয়, তার সবই করবে পুলিশ।
সকাল থেকে নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত দু’পাশের সড়ক বন্ধ থাকায় এ এলাকার দোকানপাটও বন্ধ দেখা যায়। ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও গ্রাহকের সংখ্যা ছিল কম। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সরেজমিন দেখা যায়, দুই পাশের মোড়েই সাধারণ মানুষের ঝটলা। এ সময় রবিন হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী জানান, সকালে দোকান খুলতে এসেছিলাম। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তা খুলতে দেওয়া হয়নি। জহুরুল ইসলাম নামের একজন চাকরিজীবী জানান, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কিন্তু তাকে ফকিরাপুল মোড় থেকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। পরে অনুরোধ করলে তল্লাশির পর যেতে দেওয়া হয়। মনিরা খাতুন নামের এক গৃহিণী জানান, দুই ছেলেকে নিয়ে রিকশায় স্কুলে যাচ্ছিলাম। নাইটিঙ্গেল মোড়ে ব্যারিকেড থাকায় যেতে পারছি না। এখন অন্য দিকে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করব।
মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এনামুল হক মিঠু জানান, ভেতরে তাদের ক্রাইম সিনের লোকজন কাজ করছেন। নিরাপত্তা বজায় রাখতে সবাইকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।
এদিকে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় রাস্তা খুলে দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও এর আশপাশে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরা যাতে এ এলাকায় অবস্থান? নিতে না পারেন, সেজন্য কিছুক্ষণ পরপর টহল দিতে দেখা যায়। সন্ধ্যার দিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়ক হয়ে একটি মিছিল বের করেন। ‘বিএনপির গুন্ডারা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘রাজপথে নামবি না, পিঠের চামড়া থাকবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। অবশ্য এর আগে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কিছুসংখ্যক নেতাকর্মী স্লোগান দিতে গেলে নাইটিঙ্গেল এলাকায় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। বেলা সোয়া ২টা থেকে পৌনে ৩টা পর্যন্ত চারজনকে আটক করে পুলিশ।
সড়ক বন্ধ করার পর সকাল থেকে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে সাংবাদিকরা অবস্থান করতে পারলেও দুপুর সোয়া ২টার দিকে সাংবাদিকদের বের করে দেওয়া হয়। এরপর ২টার দিকে নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে সিআইডির ক্রাইম সিনের দুটি গাড়ি ভেতরে প্রবেশ করে। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দায়িত্বরত গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ৩টার দিকে ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহের জন্য কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে। ডগ স্কোয়াড দলের সদস্যরাও ভেতরে তল্লাশি চালায়।
নয়াপল্টন এলাকার দুই দিকের সড়ক খুলে দেওয়ার পর সরেজমিন দেখা যায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা নেই। এটি খোলা অবস্থায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশে অবস্থান নেন।
পুলিশি বাধায় নয়াপল্টন কার্যালয়ে যেতে পারেনি মির্জা ফখরুল : বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে চাইলে বাধার মুখে পড়েন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাকে বিজয়নগর মোড়ে থামিয়ে দেয় পুলিশ। পরে বিএনপি মহাসচিব পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাকে জানানো হয়, সেখানে কেউ যেতে পারবে না। বিএনপি মহাসচিবকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে না দেওয়ার বিষয়ে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের ক্রাইম সিনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে যেতে দেওয়া হবে না। পুলিশের ওপর সেখান থেকে বোমা নিক্ষপ করা হয়েছে। আমরা সেই জায়গাটি ‘প্লেস অব অকারেন্স’ হিসাবে বিবেচনা করছি। সিআইডি ক্রাইম সিন নিয়ে কাজ করছে। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে কেউ যেতে পারবে না।’
পরে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি দলের মহাসচিব। আমাকে আমার দলীয় কার্যালয়ে যেতে দেয়নি পুলিশ; বরং তারা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছে। তারাই সেখানে বোমা ও লাঠিসোঁটা রেখেছে। তারাই বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে পুরোপুরি নস্যাৎ করার জন্য পরিকল্পনা করেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির অফিসে বোমা বা এ ধরনের কোনো কিছুই ছিল না। একটি দলের মহাসচিব যদি অফিসে যেতে না পারেন, তাহলে কী করে এখানে গণতন্ত্র থাকবে! এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান মির্জা ফখরুল। একই সঙ্গে অবিলম্বে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলিশ প্রত্যাহার এবং ১০ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে দেওয়া ও আটক নেতাকর্মীর মুক্তির দাবি জানান তিনি।

নয়াপল্টন এলাকা দিনভর অবরুদ্ধ মানুষের ভোগান্তি

মির্জা ফখরুলকেও বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি
 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

নয়াপল্টনে সংঘর্ষ ও গ্রেফতারের ঘটনার পর বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ব্যারিকেড দিয়ে রাখা হয় নাইটিঙ্গেল ও ফকিরাপুল মোড়। ব্যস্ততম এই সড়কে যানচলাচল বন্ধ থাকায় আশপাশের এলাকায়ও তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস হওয়ায় এতে চরম দুর্ভোগে পড়ে সাধারণ মানুষ। দুই মোড় থেকে কেবল জরুরি সেবার সঙ্গে জড়িতদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। সবাইকে পড়তে হয় পুলিশের তল্লাশির মুখে। দিনভর নয়াপল্টন এলাকা অবরুদ্ধ থাকার পর বিকাল ৪টার দিকে জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয় সড়ক। এই সময়ের মধ্যে ৩টার দিকে সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহের জন্য নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে। ডগ স্কোয়াড দলের সদস্যরাও ভেতরে তল্লাশি চালায়। নয়াপল্টন এলাকার সড়কের দুই পাশের বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এদিকে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকেও বিএনপি কার্যালয়ে ঢুকতে দেওয়া হয়নি।
পুলিশ বলছে, বুধবার সংঘর্ষের ঘটনার পর নিরাপত্তা জোরদার করতে এসব সিসি ক্যামেরা বসানো হয়। ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, জনগণের নিরাপত্তার স্বার্থে যা করণীয়, তার সবই করবে পুলিশ।
সকাল থেকে নাইটিঙ্গেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত দু’পাশের সড়ক বন্ধ থাকায় এ এলাকার দোকানপাটও বন্ধ দেখা যায়। ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান খোলা থাকলেও গ্রাহকের সংখ্যা ছিল কম। সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সরেজমিন দেখা যায়, দুই পাশের মোড়েই সাধারণ মানুষের ঝটলা। এ সময় রবিন হোসেন নামের এক ব্যবসায়ী জানান, সকালে দোকান খুলতে এসেছিলাম। কিন্তু নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে তা খুলতে দেওয়া হয়নি। জহুরুল ইসলাম নামের একজন চাকরিজীবী জানান, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। কিন্তু তাকে ফকিরাপুল মোড় থেকে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। পরে অনুরোধ করলে তল্লাশির পর যেতে দেওয়া হয়। মনিরা খাতুন নামের এক গৃহিণী জানান, দুই ছেলেকে নিয়ে রিকশায় স্কুলে যাচ্ছিলাম। নাইটিঙ্গেল মোড়ে ব্যারিকেড থাকায় যেতে পারছি না। এখন অন্য দিকে ঘুরে যাওয়ার চেষ্টা করব। 
মতিঝিল বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) এনামুল হক মিঠু জানান, ভেতরে তাদের ক্রাইম সিনের লোকজন কাজ করছেন। নিরাপত্তা বজায় রাখতে সবাইকে ঢুকতে দেয়া হচ্ছে না।
এদিকে রাজধানীর নয়াপল্টন এলাকায় রাস্তা খুলে দেওয়ার পর বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ও এর আশপাশে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা যায়। পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরা যাতে এ এলাকায় অবস্থান? নিতে না পারেন, সেজন্য কিছুক্ষণ পরপর টহল দিতে দেখা যায়। সন্ধ্যার দিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়ক হয়ে একটি মিছিল বের করেন। ‘বিএনপির গুন্ডারা হুঁশিয়ার সাবধান’, ‘রাজপথে নামবি না, পিঠের চামড়া থাকবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। অবশ্য এর আগে খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে কিছুসংখ্যক নেতাকর্মী স্লোগান দিতে গেলে নাইটিঙ্গেল এলাকায় পুলিশ তাদের ধাওয়া দেয়। বেলা সোয়া ২টা থেকে পৌনে ৩টা পর্যন্ত চারজনকে আটক করে পুলিশ।
সড়ক বন্ধ করার পর সকাল থেকে নয়াপল্টন বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে সাংবাদিকরা অবস্থান করতে পারলেও দুপুর সোয়া ২টার দিকে সাংবাদিকদের বের করে দেওয়া হয়। এরপর ২টার দিকে নাইটিঙ্গেল মোড় হয়ে সিআইডির ক্রাইম সিনের দুটি গাড়ি ভেতরে প্রবেশ করে। নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দায়িত্বরত গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, ৩টার দিকে ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহের জন্য কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে। ডগ স্কোয়াড দলের সদস্যরাও ভেতরে তল্লাশি চালায়।
নয়াপল্টন এলাকার দুই দিকের সড়ক খুলে দেওয়ার পর সরেজমিন দেখা যায়, বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের মূল ফটকে তালা নেই। এটি খোলা অবস্থায় রয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুলসংখ্যক সদস্য কার্যালয়ের সামনে ও আশপাশে অবস্থান নেন। 
পুলিশি বাধায় নয়াপল্টন কার্যালয়ে যেতে পারেনি মির্জা ফখরুল : বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে চাইলে বাধার মুখে পড়েন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাকে বিজয়নগর মোড়ে থামিয়ে দেয় পুলিশ। পরে বিএনপি মহাসচিব পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। তাকে জানানো হয়, সেখানে কেউ যেতে পারবে না। বিএনপি মহাসচিবকে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে যেতে না দেওয়ার বিষয়ে সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘আমাদের ক্রাইম সিনের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাউকে যেতে দেওয়া হবে না। পুলিশের ওপর সেখান থেকে বোমা নিক্ষপ করা হয়েছে। আমরা সেই জায়গাটি ‘প্লেস অব অকারেন্স’ হিসাবে বিবেচনা করছি। সিআইডি ক্রাইম সিন নিয়ে কাজ করছে। কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত সেখানে কেউ যেতে পারবে না।’ 
পরে মির্জা ফখরুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি দলের মহাসচিব। আমাকে আমার দলীয় কার্যালয়ে যেতে দেয়নি পুলিশ; বরং তারা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা বলছে। তারাই সেখানে বোমা ও লাঠিসোঁটা রেখেছে। তারাই বিএনপির শান্তিপূর্ণ সমাবেশকে পুরোপুরি নস্যাৎ করার জন্য পরিকল্পনা করেছে।’ 
তিনি আরও বলেন, ‘বিএনপির অফিসে বোমা বা এ ধরনের কোনো কিছুই ছিল না। একটি দলের মহাসচিব যদি অফিসে যেতে না পারেন, তাহলে কী করে এখানে গণতন্ত্র থাকবে! এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান মির্জা ফখরুল। একই সঙ্গে অবিলম্বে দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে পুলিশ প্রত্যাহার এবং ১০ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ সমাবেশ করতে দেওয়া ও আটক নেতাকর্মীর মুক্তির দাবি জানান তিনি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন