সভা-সমাবেশের অধিকার রক্ষায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আহ্বান
jugantor
সভা-সমাবেশের অধিকার রক্ষায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আহ্বান

  যুগান্তর প্রতিবেদন  

০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ০০:০০:০০  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। বৃহস্পতিবার ফেসবুক পোস্টে দেওয়া বিবৃতিতে সভা-সমাবেশের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এতে পিটার হাস বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বুধবার ঢাকায় নিহত ও আহতদের পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে। আমরা ঢাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক সহিংসতার খবরে উদ্বিগ্ন। আইনের শাসনকে সম্মান জানাতে এবং সহিংসতা, হয়রানি ও ভয় দেখানো থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’ এতে আরও বলা হয়, ‘সহিংসতার এই খবরগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করতে এবং মতপ্রকাশ, সভা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষা করতে আমরা সরকারি কর্তৃপক্ষকে উৎসাহিত করছি।’ প্রসঙ্গত, আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের কর্মসূচি আছে। এ গণসমাবেশের স্থান নির্ধারণ নিয়ে সরকারি পক্ষ এবং বিএনপির মধ্যে মতপার্থক্য আছে। এ ঘটনাক্রম থেকেই বুধবার বিকালে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে। বুধবারই মকবুল আহমেদ নামে বিএনপির এক কর্মী নিহত হন। আহতরা চিকিৎসাধীন আছেন। অনেকে গ্রেফতার হন।
বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে জাতিসংঘ : জাতিসংঘের রাইটস টু ফ্রিডম অব পিসফুল অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড অব অ্যাসোসিয়েশনের রেপোর্টিয়ার এক টুইটে বাংলাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে প্রাণহানির ঘটনায় সরকারকে সতর্ক করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে টুইট বার্তায় তিনি জানান, ২০২২ সালের জুলাই থেকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে হামলা ও প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ফলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন পড়ার পর থেকে বাংলাদেশের ঘটনাবলির ওপর আমি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে হবে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে হবে।
অপর এক টুইটে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের অনুরূপ প্রতিবেদনের পর আমি ২০২১ সালে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ সরকারের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।

সভা-সমাবেশের অধিকার রক্ষায় মার্কিন রাষ্ট্রদূতের আহ্বান

 যুগান্তর প্রতিবেদন 
০৯ ডিসেম্বর ২০২২, ১২:০০ এএম  |  প্রিন্ট সংস্করণ

রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশের সঙ্গে বিএনপি নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় হতাহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাস। বৃহস্পতিবার ফেসবুক পোস্টে দেওয়া বিবৃতিতে সভা-সমাবেশের মৌলিক অধিকার রক্ষায় সরকারি কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়।
এতে পিটার হাস বলেছেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস বুধবার ঢাকায় নিহত ও আহতদের পরিবারবর্গের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছে। আমরা ঢাকায় ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিক সহিংসতার খবরে উদ্বিগ্ন। আইনের শাসনকে সম্মান জানাতে এবং সহিংসতা, হয়রানি ও ভয় দেখানো থেকে বিরত থাকতে সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’ এতে আরও বলা হয়, ‘সহিংসতার এই খবরগুলোর সুষ্ঠু তদন্ত করতে এবং মতপ্রকাশ, সভা ও শান্তিপূর্ণ সমাবেশের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষা করতে আমরা সরকারি কর্তৃপক্ষকে উৎসাহিত করছি।’ প্রসঙ্গত, আগামীকাল ১০ ডিসেম্বর ঢাকায় বিএনপির বিভাগীয় গণসমাবেশের কর্মসূচি আছে। এ গণসমাবেশের স্থান নির্ধারণ নিয়ে সরকারি পক্ষ এবং বিএনপির মধ্যে মতপার্থক্য আছে। এ ঘটনাক্রম থেকেই বুধবার বিকালে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে। বুধবারই মকবুল আহমেদ নামে বিএনপির এক কর্মী নিহত হন। আহতরা চিকিৎসাধীন আছেন। অনেকে গ্রেফতার হন।
বাংলাদেশের পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছে জাতিসংঘ : জাতিসংঘের রাইটস টু ফ্রিডম অব পিসফুল অ্যাসেম্বলি অ্যান্ড অব অ্যাসোসিয়েশনের রেপোর্টিয়ার এক টুইটে বাংলাদেশে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে প্রাণহানির ঘটনায় সরকারকে সতর্ক করেছে। বৃহস্পতিবার রাতে টুইট বার্তায় তিনি জানান, ২০২২ সালের জুলাই থেকে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে হামলা ও প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগের ফলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে। এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন পড়ার পর থেকে বাংলাদেশের ঘটনাবলির ওপর আমি ঘনিষ্ঠভাবে নজর রাখছি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকারের নিশ্চয়তা দিতে হবে এবং বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ থেকে বিরত থাকতে হবে।
অপর এক টুইটে তিনি বলেন, শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রাণঘাতী বলপ্রয়োগের অনুরূপ প্রতিবেদনের পর আমি ২০২১ সালে যোগাযোগ করে বাংলাদেশ সরকারের কাছে উদ্বেগ প্রকাশ করেছি।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন