শেষ মুহূর্তে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে প্রার্থীরা

  মুসতাক আহমদ ও শাহ সামসুল হক রিপন, গাজীপুর থেকে ২৫ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

গাজীপুর
ছবি: যুগান্তর

মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীদের শেষদিনের প্রচার-প্রচারণায় রোববার উৎসবমুখর ছিল গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকা। এদিন ছিল প্রচারের শেষদিন। প্রত্যুষেই অনেক প্রার্থী বেরিয়ে পড়েন। মধ্যরাতে শেষ সময় পর্যন্ত চলে জনগণের দ্বারে দ্বারে ভোট প্রার্থনা। প্রার্থীদের পক্ষে কর্মী-সমর্থকদের মিছিলে মুখরিত ছিল পুরো সিটি কর্পোরেশন এলাকা।

শেষদিনের প্রচারে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় ঢল নামে। স্থানীয় নেতাকর্মীর সঙ্গে খুলনার নবনির্বাচিত মেয়র, শীর্ষ পর্যায়ের নেতাসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা যোগ দেন। বিএনপি প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে শেষদিনের প্রচারণা চালান।

এছাড়া এদিন আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির দুই মেয়র প্রার্থী সংবাদ সম্মেলন করেও ভোট প্রার্থনা করেন। তারা ভোটারদের নির্ভয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানান। অবশ্য এ সময় প্রধান দুই মেয়র প্রার্থী পরস্পরের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ নানা অভিযোগও উত্থাপন করেন। মেয়র পদের অন্য ৫ প্রার্থীও এদিন প্রচার-প্রচারণা চালান।

রোববার আওয়ামী লীগের প্রার্থী নৌকা প্রতীকের জাহাঙ্গীর আলমের প্রচার শুরু হয় গাজীপুরের সালনায় পথসভায় অংশ নেয়ার মাধ্যমে। সকাল ৯টার দিকে ওই পথসভায় অসংখ্য মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় জাহাঙ্গীর আলম বললেন, নির্বাচনে নৌকার পক্ষে জোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। গাজীপুরের মানুষ উন্নয়নের পক্ষে ভোট দেবেন। তারা আর অনুন্নয়ের পথে থাকতে চান না। গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বললেন, প্রচারে গিয়ে দেখেছি নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সবার স্বতঃস্ফূর্ত মনোভাব। আগে গাজীপুর উন্নয়ন বঞ্চিত হয়েছে। এ বঞ্চনা অবসানের সময় হয়েছে।

এরপর পর জাহাঙ্গীর আলম কোনাবাড়ি যান। সেখান থেকে বাসন এলাকার চৌরাস্তায় পথসভা করেন। এখানে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ অঞ্চলেই আমি বেড়ে উঠেছি। নেতা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছি। এখানকার মানুষের ভোট পাওয়া আমার অধিকার। তাদের ভালোবাসাতেই আজ আমি জাহাঙ্গীর আলম হয়েছি। আপনাদের জন্যই সত্তর বছরের দলটির মেয়র প্রার্থী আমি হতে পেরেছি। আপনারা নিশ্চয়ই আমার সম্মান রাখবেন।

তিনি বলেন, গাজীপুরে এখন হাঁটা-চলার মতো রাস্তাঘাট নেই। বর্তমান মেয়র কিছুই করেননি। তিনি জানান, এখন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সরকার। নির্বাচিত হলে তার পরিকল্পনা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরে তা বাস্তবায়নের কথা বলবেন। বাসনের সভার পর জাহাঙ্গীর আলম জয়দেবপুরে ২৪নং ওয়ার্ডে যান। সেখানে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। তারপর কোনাবাড়িতে গিয়ে সভা করেন।

দুপুরে ছয়দানা এলাকায় নিজ বাসভবনে সংবাদ সম্মেলন করেন জাহাঙ্গীর আলম। উন্নয়নের স্বার্থে তাকে নির্বাচিত করার জন্য সাংবাদিকদের মাধ্যমে জনগণের কাছে আবেদন করে জাহাঙ্গীর বলেন, বিএনপির প্রার্থী হাসান সরকার এখন ভোট না চেয়ে অভিযোগ করে বেড়াচ্ছেন। তিনি গাজীপুরে একাধিক ভোট ডাকাতির নির্বাচন করেছেন। ভোটের জন্য রক্তাক্ত করেছেন মানুষকে। আমি চাই না এখানে কোনো রক্ত ঝরুক।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এ যাবৎ নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের একটি উদাহরণ বিএনপির প্রার্থী দিতে পারবেন না। তিনি আমাকে, আমার পরিবার, দল ও প্রতীককে যে ভাষায় আক্রমণ করে কথা বলেছেন তা তার মতো সিনিয়র ব্যক্তির কাছে আশা করি না।

জাহাঙ্গীর আলম বলেন, আমাদের প্রিয় নেতা আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি হত্যা মামলায় সাজা হয়েছে হাসান সরকারের ভাই নুরুল ইসলাম সরকারের। আদালত তাকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছেন। এই খুনি পরিবার এখন মানুষের কাছে ভোট চাইছে। এ সময় নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও মহানগর সভাপতি আজমত উল্লাহ খান উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনের পর জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর শহরের শিববাড়ি এবং আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে, টঙ্গী মিলগেট, গাছা বাজার ও বোর্ডবাজার এলাকায় পথসভায় বক্তব্য দেন। বিকালে মহানগরীর ৫৭টি ওয়ার্ডের নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের জনতা এলাকায় মিছিল করেন।

প্রচারে আ’লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা : শেষদিনে খুলনার নবনির্বাচিত মেয়র তালুকদার আবদুল খালেককে নিয়ে গাজীপুর শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রচার চালান আওয়ামী লীগ প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম।

এছাড়া সকাল ও বিকালে প্রচারে অংশ নেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিৎ রায় নন্দী, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী। তারা সকালে শহরের কাশিমপুর এলাকার তিনটি ওয়ার্ডে এবং বিকালে জেলা সদরের কালীমন্দির এলাকায় প্রচার চালান।

এ সময় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এছাড়া একটি সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে তিনি নির্বাচনী আচরণবিধি সম্পর্কে প্রশ্নের মুখে পড়েন।

তখন তিনি বিষয়টি জানেন না বলে উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের কোনো নির্দেশনার কথা আমি জানি না। তিনি আরও বলেন, এখানে প্রচারণা চালাতে আসিনি। আপনারা যেহেতু নজরে এনেছেন, এখন আর মতবিনিময় সভা চালু রাখা হবে না। এরপরই তিনি সভা স্থগিত করেন।

এর কিছুক্ষণ পর বিজিএমইর সাবেক সভাপতি আতিকুল ইসলামকে নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে আসেন আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম। সংবাদ সম্মেলন শুরুর আগে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মিডিয়া সেল থেকে আচরণবিধির বিষয়টি অবহিত করা হয়। বিষয়টি জানার পর আতিকুল ইসলামসহ অন্য অতিথিরা সংবাদ সম্মেলন থেকে চলে যান।

আওয়ামী লীগ নেতাদের প্রচারে অংশ নেয়া প্রসঙ্গে জাহাঙ্গীর আলম বলেন, এখানে সব জেলার লোক থাকে। এটি ব্যবসায়িক এলাকা। এখানে অনেক কারখানার মালিক আছেন, তারা আমার পক্ষে প্রচার চালিয়েছেন।

এ ব্যাপারে গাজীপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট সঞ্জীব কুমার দেবনাথ সাংবাদিকদের জানান, এ ব্যাপারে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে ১২ জুন। এ বিষয়ে নির্বাচনে রিটার্নিং কর্মকর্তা রকিব উদ্দিন মণ্ডল বলেন, এ ব্যাপারে মাঠে ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সক্রিয় আছেন। তারাই ব্যবস্থা নেবেন।

বিএনপি প্রার্থীর প্রচারণা : প্রচারণার শেষ দিনে ধানের শীষ প্রতীকে ২০ দলীয় জোট মেয়র প্রার্থী মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার একদিকে প্রচারণায় ব্যস্ত সময় কাটান। তার সকাল শুরু হয় পুলিশি হয়রানির শিকার দলীয় নেতাকর্মীদের অভিযোগ শোনার মাধ্যমে। বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিযোগ নিয়ে আসা নেতাকর্মীদের তিনি সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত নিজ বাসভবনে এবং দুপুর ১টা থেকে আড়াইটা পর্যন্ত জেলা বিএনপি অফিসে সময় দেন।

তিনি পুলিশ ও সরকারি দলের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনের দিন কেন্দ্র পাহারা দেয়ার জন্য নেতাকর্মীর প্রতি আহ্বান জানান। তিনি পরে ৫৭ নম্বর ওয়ার্ডের টঙ্গী বাজারসহ আশপাশের এলাকায় গণসংযোগ করেন। জেলা ও টঙ্গী থানা বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতারা তার সঙ্গে ছিলেন। পথসভায় হাসান উদ্দিন সরকার বলেন, নির্যাতিত মজলুম গণমানুষের বদ দোয়া ও অভিশাপে এবার নৌকা তলিয়ে যাবে। ন্যূনতম সুষ্ঠু ভোট হলে ধানের শীষের বিজয় সুনিশ্চিত।

হাসান সরকার এ সময় অভিযোগ করে বলেন, কাশিমপুরের ৫নং ওয়ার্ডে আবির হোসেন নামের এক কর্মীকে আওয়ামী লীগ ক্যাডাররা মারধর করে ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট ছিনিয়ে নিয়েছে এবং জোরপূর্বক তার গলায় নৌকার ব্যাজ ঝুলিয়ে ছবি তুলেছে।

এছাড়া গাজীপুরের ৫টি সিনেমা হল কর্তৃপক্ষকে জোরপূর্বক বাধ্য করে তাদের পর্দায় আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যাকাণ্ডকে পুঁজি করে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। সব বাধা-বিপত্তি উপেক্ষা করে মঙ্গলবার যথাসময়ে সবাইকে ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ধানের শীষে সিল মারার জন্য তিনি অনুরোধ জানান।

শেষ দিনে ধানের শীষের মিছিলে মিছিলে মুখরিত ছিল নগরীর প্রতিটি ওয়ার্ড। গাজীপুর জেলা ছাত্রদল সভাপতি সরাফত হোসেনের নেতৃত্বে ৫৬নং ওয়ার্ডে ধানের শীষের পক্ষে একটি বিশাল মিছিল বের হয়।

ধানের শীষের প্রতীকের মেয়র প্রার্থীর প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সোহরাব উদ্দিন অভিযোগ করেন, বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচন পরিচালনার দায়িত্বে যারা আছেন এবং যারা কেন্দ্রে এজেন্টের দায়িত্ব পালন করবেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের বাড়িতে গিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে খোঁজখবর নিচ্ছেন। আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এমনটি করা হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। তবে এসবে নেতাকর্মীদের ভীত না হতে তিনি আহ্বান জানান।

এদিকে শেষদিন বিএনপি প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, পার্শ্ববর্তী জেলা-উপজেলা থেকে নৌকার পক্ষে জাল ভোট দেয়ার জন্য আওয়ামী লীগের ক্যাডার বাহিনী ও সন্ত্রাসীদের ভাড়া করে গাজীপুরে এনে জড়ো করা হচ্ছে। বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা নির্বাচনী এলাকা ত্যাগ করলেও আওয়ামী লীগের বহিরাগত কেন্দ্রীয় নেতা ও ক্যাডাররা এখনও এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

ইসলামী ঐক্যজোটের প্রার্থীর পক্ষে গণসংযোগ : দলীয় মেয়র পদপ্রার্থী আলহাজ মাওলানা ফজলুর রহমানের মিনার প্রতীকের পক্ষে ব্যাপক গণসংযোগ ও প্রচারণা চালিয়েছেন ইসলামী ঐক্যজোট নেতাকর্মীরা। সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নগরীর জয়দেবপুর, শিববাড়ী মোড়, চান্দনা চৌরাস্তা, শালনা, কোনাবাড়ী ভোগড়া বাসন সড়ক, সাইনবোর্ড, বোর্ড বাজার, টঙ্গী এলাকায় বিশাল গাড়িবহর, মোটরসাইকেল শোভাযাত্রাসহ প্রচারণা চালান।

প্রচারণাকালে ইসলামী ঐক্যজোট মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, ভোট একটি পবিত্র আমানত। এ আমানতের খেয়ানত করলে পরকালে আল্লাহর কাছে জবাবদিহি করতে হবে। তিনি বলেন, শিল্পনগরী গাজীপুরকে মডেল নগরীতে পরিণত করতে আপনারা মিনার প্রতীকে ভোট দিয়ে সৎ ও যোগ্য মেয়র প্রার্থী নির্বাচিত করতে হবে।

কাউন্সিলর প্রার্থীদের প্রচার : প্রচারণার শেষ দিনে সরাসরি ও সংরক্ষিত আসনের ৩৩৮ জন প্রার্থীর প্রচারণায় সরগরম ছিল গোটা এলাকা। তাদের সমর্থক ও কর্মীদের মিছিলে মিছিলে মুখরিত ছিল শহরের অলিগলি। প্রতিটি ওয়ার্ডে প্রতীক নিয়ে আলাদা মিছিল বের হয়।

ওইসব মিছিলের কারণে ব্যস্ততম শহরে যানজট তৈরি হয়। প্রচারণায় বিভিন্ন প্রার্থী তাদের জয় ছিনিয়ে নেয়ার ব্যাপারে নিজ নিজ প্রতিপক্ষ প্রার্থীর ব্যাপারে অভিযোগ তোলেন। ৩৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী ৪ জন।

এরা হলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক নির্বাহী সদস্য ও বর্তমান ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক গাছা ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল আলম ও একই ইউনিটের সাবেক ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান এবং বিএনপি নেতা দেলোয়ার হোসেন। আবদুল্লাহ আল মামুন যুগান্তরকে জানান, আমার প্রতিপক্ষ কাউন্সিলর প্রার্থী মশিউর রহমানের কর্মী-সমর্থকরা মোটরসাইকেল মহড়া দিয়ে প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে তারা দুই হাজার ব্যালটে সিল মারবে। যে কোনোভাবে তারা তাদের প্রার্থীকে জয়ী করবে।

ঘটনাপ্রবাহ : গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter