সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের ৪ হাজার কোটি টাকা

এক বছরে কমেছে ১ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা * অর্থনীতিবিদরা বলছেন- দুর্নীতির টাকা সুইস ব্যাংকে * বিশ্বে প্রথম অবস্থানে যুক্তরাজ্য ও উন্নয়নশীল দেশে সৌদি আরব * নির্বাচনী বছর হওয়ায় পাচার আরও বাড়বে

  মনির হোসেন ২৯ জুন ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের ৪ হাজার কোটি টাকা

সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে (সুইস ব্যাংক) বাংলাদেশিদের সঞ্চয় কিছুটা কমেছে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশিদের মোট সঞ্চয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৪৮ কোটি কোটি ১৩ লাখ ফ্রাঙ্ক। স্থানীয় মুদ্রায় যা ৪ হাজার ১৩৯ কোটি টাকা (প্রতি সুইস ফ্রাঙ্ক ৮৬ টাকা হিসাবে)।

এই পরিমাণ টাকা দেশের কমপক্ষে ১০টি বেসরকারি ব্যাংকের পরিশোধিত মূলধনের সমান। ২০১৬ সালে সঞ্চয়ের পরিমাণ ছিল ৫ হাজার ৬০০ কোটি টাকা। এ হিসাবে আলোচ্য বছরে সঞ্চয় কমেছে ১ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। শতকরা হিসাবে যা ৩৫ শতাংশ।

এ ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তান ও ভারতের পরেই বাংলাদেশের অবস্থান। বৃহস্পতিবার সুইস ন্যাশনাল ব্যাংকের প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে কোনো বাংলাদেশি তার নাগরিকত্ব গোপন রেখে টাকা জমা করলে, তার তথ্য এ প্রতিবেদনে নেই। অর্থনীতিবিদরা বলছেন, বিনিয়োগ না হওয়ায় পুঁজি পাচার হচ্ছে।

আর নির্বাচনী বছর হওয়ায় চলতি বছর শেষে পাচার আরও বাড়বে। ২০১৭ সালে বাংলাদেশের কমলেও বিশ্বের অন্যান্য দেশের আমানত বেড়েছে। আমানত রাখার ক্ষেত্রে এ বছরও বিশ্বে প্রথম অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য এবং উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে প্রথম সৌদি আরব।

এ প্রসঙ্গে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন বিষয়টি গভীর উদ্বেগজনক। কারণ সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশের যে টাকা রাখা হয়েছে, সেটা মূলত দুর্নীতির।

তিনি বলেন, মূলত তিনটি কারণে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচার হয়। এর মধ্যে প্রধান হচ্ছে দুর্নীতি। দুর্নীতি বেড়েছে বলেই অর্থ পাচার হচ্ছে।

এ ছাড়া দেশে বিনিয়োগের পরিবেশ না থাকা, রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা ও নিরাপত্তাহীনতার কারণেও অর্থ পাচার বাড়ছে। তার মতে, অর্থ পাচার রোধ করতে হলে দুর্নীতি কমিয়ে আনার বিকল্প নেই। পাশাপাশি বিনিয়োগ পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে হবে।

নাগরিক জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাও জরুরি। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আবু হেনা মোহাম্মদ রাজী হাসান যুগান্তরকে বলেন, ঢালাওভাবে পাচারের তথ্য যেভাবে বলা হচ্ছে, তা ঠিক না।

কারণ এ প্রতিবেদনে সুইস ব্যাংকের টাকার মধ্যে বিদেশে অবস্থান করা বাংলাদেশি নাগরিকদের আমানতের তথ্যও রয়েছে। এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী সংসদে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, টাকা পাচার রোধে বাংলাদেশ ব্যাংক সব সময় কাজ করছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি।

বাংলাদেশিদের আমানত : ২০১৭ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানতের পরিমাণ হচ্ছে ৪৮ কোটি ১৩ লাখ ফ্রাঙ্ক, ২০১৬ সালে ছিল ৬৬ কোটি ১৯ লাখ, ২০১৫ সালে ৫৫ কোটি ০৮ লাখ, ২০১৪ সালে ৫০ কোটি ৬০ লাখ, ২০১৩ সালে ৩৭ কোটি ২০ লাখ, ২০১২ সালে ২২ কোটি ৯০ লাখ এবং ২০১১ সালে ছিল ১৫ কোটি ২০ লাখ ফ্রাঙ্ক। স্বর্ণালংকার, শিল্পকর্ম এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র জমা রাখলে তার আর্থিক মূল্যমানের হিসাব আমানতে যোগ হয় না।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানিত ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য যুগান্তরকে বলেন, নির্বাচনী বছরে বড় একটি আশঙ্কার কারণ টাকা পাচার।

নির্বাচনের খরচ মেটাতে বিদেশ থেকে যেভাবে রেমিটেন্স (প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ) আসে, তার চেয়েও বেশি টাকা বিদেশে পাচার হয়। এ ক্ষেত্রে দেশে অস্থিতিশীলতার আশঙ্কা থাকলে আরও বেশি পাচার হয়। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের আমদানি ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। একই সঙ্গে বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবৃদ্ধির সীমা অতিরিক্ত বাড়ছে।

সে অনুপাতে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বাড়ছে না। এ ক্ষেত্রে সিপিডি বারবার বলে আসছে, আমদানির আড়ালে বিদেশে অর্থ পাচার হচ্ছে কিনা- বিষয়গুলোয় মনোযোগ দেয়া দরকার।

তিনি বলেন, ঋণ বাড়বে, আমদানি বাড়বে কিন্তু বিনিয়োগ হবে না- এটা কী ধরনের কথা! এখানে টাকা পাচার বিষয়টি সামনে চলে আসে। তার মতে, টাকা তছরুপের তিনটি খাত। এগুলো হল- ব্যাংকিং খাত, শেয়ারবাজার এবং আমদানি খাত।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে পণ্য আমদানির নামে বিদেশে পাচার করা। ফলে খেলাপি ঋণ বাড়তে থাকে।

মোট আমানত : প্রতিবেদন অনুসারে আলোচ্য সময়ে সুইস ব্যাংকে বিশ্বের সব দেশের আমানত বেড়েছে। সুইজারল্যান্ডের ২৫৩টি ব্যাংকে ২০১৭ সালে আমানতের স্থিতি দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৫ হাজার কোটি ফ্রাঙ্ক। ২০১৬ সালে আমানতের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৩২ হাজার কোটি। এ হিসাবে আমানত বেড়েছে ৩ হাজার কোটি ফ্রাঙ্ক। এ ছাড়া ২০১৫ সালে সুইস ব্যাংকে বিদেশিদের মোট আমানত ছিল ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি ফ্রাঙ্ক, ২০১৪ সালে ১ লাখ ৩৮ হাজার কোটি, ২০১৩ সালে ১ লাখ ২৩ হাজার কোটি, ২০১২ সালে ১ লাখ ২৯ হাজার কোটি, ২০১১ সালে ১ লাখ ৪০ হাজার কোটি, ২০১০ সালে ১ লাখ ৩৪ হাজার কোটি এবং ২০০৯ সালে ১ লাখ ৩৩ হাজার কোটি ফ্রাঙ্ক।

অন্যদিকে গত বছরের শেষদিকে প্রকাশিত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে- ২০০৫ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত গত ১০ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৬ লাখ কোটি টাকার বেশি পাচার হয়েছে।

এর মধ্যে ২০১৪ সালে পাচার হয়েছে ৭৬ হাজার কোটি টাকা। টাকা পাচারের তথ্য এসেছে জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি ইউএনডিপির রিপোর্ট এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অনুসন্ধানী সাংবাদিকদের সংগঠন আইসিআইজে প্রকাশিত পানামা ও প্যারাডাইস পেপারসে।

সূত্র বলছে, দুর্নীতি ও চোরাচালানের মাধ্যমে দেশ থেকে টাকা পাচার হচ্ছে। ওইসব টাকায় দুর্নীতিবাজরা বিদেশে সম্পদ গড়ে তুলছেন, জমা রাখছেন বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে।

সুইস ব্যাংকের বাইরে আরও অনেক ব্যাংকে বাংলাদেশের পাচারকারীদের টাকা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এর আগে মালয়েশিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্যে জানা যায়, বিদেশির জন্য মালয়েশিয়ান সরকারের সেকেন্ড হোম প্রকল্পে বাংলাদেশ দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী।

দেশ থেকে বিদেশে টাকা নিতে হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অনুমোদন লাগে। কিন্তু কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ পর্যন্ত কাউকে এ ধরনের কোনো অনুমোদন দেয়া হয়নি।

তারপরও বাংলাদেশ মালয়েশিয়ায় কীভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিনিয়োগকারী দেশ হল। কানাডায় রয়েছে বাংলাদেশি অধ্যুষিত অঞ্চল বেগম পাড়া। এ ছাড়া ব্রিটেন, হংকং, সিঙ্গাপুরের বিভিন্ন ব্যাংকেও বাংলাদেশিদের টাকা রয়েছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

টাকা পাচার বলার কারণ : সুইস ব্যাংক মূলত তাদের কাছে থাকা বিদেশিদের দেশভিত্তিক আমানতের তথ্য প্রকাশ করে। কিন্তু বাংলাদেশি আইনে কোনো নাগরিকের বিদেশি ব্যাংকে আমানত রাখার সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত কাউকে বিদেশে টাকা জমা রাখার বিশেষ অনুমোদনও দেয়া হয়নি। এ ছাড়া কোনো প্রবাসীও সরকারকে জানাননি যে তিনি সুইস ব্যাংকে টাকা জমা রেখেছেন। ফলে সূত্র বলছে, সুইস ব্যাংকে জমা পুরো টাকাটাই দেশ থেকে পাচার করা হয়েছে।

দীর্ঘ সময় ধরে ধনীদের অর্থ গোপনে জমা রাখার জন্য খ্যাত সুইজারল্যান্ড। ৮০ লাখ মানুষের এ দেশটিতে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ২৫৩টি ব্যাংক আছে।

বিশ্বের বড় বড় ধনী ব্যক্তি অর্থ পাচার করে দেশটির এসব ব্যাংকে জমা রাখে। ব্যাংকগুলোও কঠোর গোপনীয়তা রক্ষা করে। আগে সুইস ব্যাংকে জমা টাকার কোনো প্রতিবেদন প্রকাশ করা হতো না। এমন কি আমানতকারীর নাম-ঠিকানাও গোপন রাখা হতো।

একটি কোড নম্বরের ভিত্তিতে টাকা জমা রাখা হতো। কিন্তু ২০০২ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী টাকা পাচার রোধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ব্যাপকভাবে কার্যকর করা হয়।

এরপর আন্তর্জাতিক চাপে সুইস ব্যাংক জমা টাকার তথ্য প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয়। ফলে তারা ওই সময় থেকে বিভিন্ন দেশের জমা টাকার তথ্য প্রকাশ করছে। ওই প্রতিবেদনে কোন দেশের কত টাকা জমা আছে সে তথ্য তারা প্রকাশ করছে। আমানতকারীদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করছে না। ফলে পাচারকারীদের ঠেকানো যাচ্ছে না।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্লোবাল ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি (জিএফআই) প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দশ বছরে বাংলাদেশ থেকে ৬ লাখ কোটি টাকা পাচার হয়েছে।

যা দেশের মোট জাতীয় বাজেটের দেড়গুণ। প্রতিবছর গড়ে পাচার হয়েছে ৭০ হাজার কোটি টাকা। প্রতিবছরই পাচারের হার বাড়ছে।

এর মধ্যে শুধু ২০১৫ সালে পাচার হয়েছে ৭৬ হাজার কোটি টাকা। অর্থ পাচারে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতের পরই বাংলাদেশের অবস্থান।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের আমানত : সুইস ব্যাংকে আমানত রাখার দিক থেকে এ বছর প্রথম অবস্থানে যুক্তরাজ্য। ২০১৭ সালে দেশটির আমানতের পরিমাণ ৩৯ লাখ ৬৯২ কোটি ফ্রাঙ্ক, চীনের ১ হাজার ৫৯৫ কোটি, সোদি আরবের ১ হাজার ১২৭ কোটি এবং মালয়েশিয়ার ২৮৮ কোটি ফ্রাঙ্ক।

দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে প্রথম অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তান। আলোচ্য বছরে দেশটির আমানতের পরিমাণ ১১০ কোটি ফ্রাঙ্ক, আগের বছরে চেয়ে ৩৩ কোটি বেড়ে ভারতের ৯৯ কোটি, নেপালের ৩২ কোটি, আফগানিস্তানের ৪ কোটি এবং নেপালের ৬৫ লাখ ফ্রাঙ্ক আমানত রয়েছে।

সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচিতি : সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) হল সুইজারল্যান্ড সরকারের স্বাধীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বিশেষ আইন দ্বারা পরিচালিত এ ব্যাংকটি এর নীতিনির্ধারণ সবই স্বাধীন। ২০০ বছরের পুরনো ইউরোপের এ প্রতিষ্ঠানটি মুদ্রা পাচারকারীদের নিরাপদ স্বর্গ।

১৮৯১ সালে সুইজারল্যান্ডের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত একটি ধারার অধীনে ১৯০৭ সালে প্রতিষ্ঠানটি স্বাধীন কেন্দ্রীয় ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম শুরু করে। এরপর থেকে ব্যাংকটির মুদ্রানীতি এবং সুশৃঙ্খল কার্যক্রম বিশ্বের উন্নত দেশগুলো অনুসরণ করে।

তবে পাচারকারীদের আশ্রয়দাতা হিসেবে আন্তর্জাতিক মহলে দেশটির পরিচিতি রয়েছে। ব্যাপক সমালোচনার মুখে ২০০২ সাল থেকে দেশভিত্তিক আমানতকারীদের তথ্য প্রচার শুরু করেছে তারা। যেসব দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি রয়েছে, সেসব দেশের ব্যক্তিগত পর্যায়ে তথ্য দেয়া হয়।

এ কারণে সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশিদের আমানত কমেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ সুযোগ থাকলেও তা ব্যবহার করা হচ্ছে না। ফলে বাংলাদেশিরা সুইস ব্যাংককে এখনও পাচার করা অর্থ রাখার নিরাপদ স্থান মনে করে।

আরও পড়ুন
  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৯

converter
×