যুগান্তরকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বি. চৌধুরী

দেশ অত্যাচারে জর্জরিত জনগণ অধিকারবঞ্চিত

ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করতে হবে * ঘুষকে ‘স্পিড মানি’তে রূপান্তরিত করা হয়েছে * জনগণের মন জয় করার মতো কিছু করতে পারেনি সরকার

  শেখ মামুনূর রশীদ ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী
বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এবং যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী। ফাইল ছবি

সাবেক রাষ্ট্রপতি, বিকল্প ধারা বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট এবং যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেছেন, দেশ আজ অত্যাচারে জর্জরিত, অধিকারবঞ্চিত, নুব্জপিষ্ঠ।

এ অবস্থা থেকে মানুষকে মুক্ত করতেই হবে। যখন দেখি, কারচুপির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচন হয়, তখন সন্দেহ হয়- ভবিষ্যতে সঠিক নির্বাচন হবে কি না? এ অবস্থা থেকে উত্তরণে যে কোনো মূল্যে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায় করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। এই দাবিতে মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আগামী দিনে আমরা ভারসাম্যের রাজনীতি চাই। একমাত্র ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই একটি স্বেচ্ছাচার, সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের রাজনীতির ভিত্তি স্থাপিত হতে পারে। দেশের মানুষ এবং রাজনৈতিক নেতাদের এটাও বুঝতে হবে, ভবিষ্যতে ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করে দেশকে একটি গণতান্ত্রিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করা সম্ভব।

মঙ্গলবার যুগান্তরকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে বি. চৌধুরী এসব কথা বলেন। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব প্রবীণ এই রাজনীতিক পেশায় চিকিৎসক। একাধিকবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। মন্ত্রী ছিলেন, ছিলেন সংসদ উপনেতা। হয়েছিলেন রাষ্ট্রপতিও।

দলের সঙ্গে মতদ্বৈততায় একপর্যায়ে এ পদ থেকে বিদায় নেন। একই সঙ্গে ছাড়েন বিএনপি। এরপর গড়ে তোলেন ‘বিকল্প ধারা বাংলাদেশ’ নামে নতুন একটি রাজনৈতিক দল। প্রায় দু’বছর আগে বিকল্প ধারা বাংলাদেশ, আ স ম আবদুর রবের নেতৃত্বাধীন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি এবং মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্য মিলে গঠিত হয় নয়া রাজনৈতিক জোট যুক্তফ্রন্ট।

বি. চৌধুরী এই জোটেরও চেয়ারম্যান। সম্প্রতি বিশিষ্ট আইনজীবী ও সংবিধানপ্রণেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন গণফোরামের সঙ্গে মিলে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নেন তারা। এই ঐক্য সরকারবিরোধী বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যে গড়াবে বলেও আশাবাদী তারা।

যুগান্তরকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই ঐক্যের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেন বি. চৌধুরী। এছাড়াও দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, এ অবস্থা থেকে উত্তরণ, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন, নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা না-করা, বিএনপির সঙ্গে জোট গঠন, জামায়াতে ইসলামীকে জোটে রাখা না-রাখাসহ নানা ইস্যুতে খোলামেলা কথা বলেন তিনি।

আগামী দিনে কেমন বাংলাদেশ, কেমন সরকার দেখতে চান- সেই স্বপ্নের কথাও শোনান প্রবীণ এই রাজনীতিক। সাক্ষাৎকারের বিবরণ নিচে দেয়া হল-

যুগান্তর : আপনার দৃষ্টিতে দেশের বর্তমান অবস্থা এখন কেমন? কী মনে হয় আপনার? এ অবস্থা থেকে উত্তরণের উপায় কী?

বি. চৌধুরী : দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নাজুক। সামাজিক পরিস্থিতি ভয়াবহ। খুন, গুম, হত্যা, রাহাজানি, নারী নির্যাতন নিত্যদিনের ঘটনা। সড়কে লাশের মিছিল। অর্থনৈতিক পরিস্থিতিও ভয়াবহ। ঘুষকে ‘স্পিড মানি’তে রূপান্তরিত করেছে এই সরকারের একটি মন্ত্রণালয়। গুম হওয়ার শঙ্কা, রাস্তায় গাড়িচাপার ভয়, হাসপাতালে অবহেলা, রাজনীতিতে কথা বলার একচ্ছত্র আধিপত্য সরকারি দলের। মিটিং-মিছিল তাদের ইচ্ছাধীন। বিরোধী দলকে মিটিং-মিছিল করতে দেয়া হয় না। সংবাদপত্র, টেলিভিশন সরকারের কড়া নজরদারিতে, বাকস্বাধীনতাবঞ্চিত। ভোটের আসল ফল থেকে বঞ্চিত গাজীপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের ভোটাররা। এগুলোই হচ্ছে চক্রান্তের নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ। এখানেই শেষ নয়- দুর্নীতি সর্বগ্রাসী, মায়েরা আতঙ্কগ্রস্ত। কোটা ও সড়ক আন্দোলনে আক্রমণকারী গুণ্ডাদের গ্রেফতার করা হয় না। চাপাতি, লাঠি, হাতুড়িধারী সরকারি গুণ্ডারা নিরীহ মানুষকে আক্রমণ করলে পুলিশ তাদের পাহারা দেয়। তখন গণতন্ত্র সম্পর্কে সংশয় জাগে। এসবই গণতন্ত্র ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অবমাননা। যখন দেখি, কারচুপির মাধ্যমে মেয়র নির্বাচন হয়, তখন সন্দেহ হয়- ভবিষ্যতে সঠিক নির্বাচন হবে কি না? আসল কথা- দেশ আজ অত্যাচারে জর্জরিত, অধিকারবঞ্চিত, ন্যুব্জপিষ্ঠ।

যুগান্তর : আদৌ কি এ অবস্থা থেকে উত্তরণ সম্ভব, আপনি কী মনে করেন?

বি. চৌধুরী : ইনশাল্লাহ, অবশ্যই সম্ভব। জনগণকে জাগিয়ে দিতে হবে।

যুগান্তর : জাতীয় নির্বাচনের আর বেশি দিন নেই। অক্টোবরে নির্বাচনকালীন সরকার। ডিসেম্বরে নির্বাচন। অনেকে বলছেন, আপনার বা আপনাদের (যুক্তফ্রন্ট এবং গণফোরাম) নেতৃত্বে সরকারবিরোধী বৃহত্তর একটি জোট গঠিত হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এই জোট একসঙ্গে আন্দোলন, নির্বাচন এবং পরবর্তী সময়ে সরকার গঠন করবে। এ বক্তব্যের সত্যতা বা সম্ভাবনা কতটুকু?

বি. চৌধুরী : বিষয়টি এখন ক্রমশ প্রকাশ্য।

যুগান্তর : বৃহত্তর জাতীয় ঐক্যে কি বিএনপিও থাকবে? আর এই ঐক্যের রূপরেখাই বা কী হবে?

বি. চৌধুরী : দেশের সব গণতান্ত্রিক দেশপ্রেমিক শক্তির ঐক্য চাই। যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে না, তারা বাদ। ঐক্যের রূপরেখা কী হবে, তা এখনই বলা সম্ভব না। সময়ই কথা বলবে।

যুগান্তর : এক্ষেত্রে আপনার পক্ষ থেকে কোনো রোডম্যাপ দেয়া হবে কি না? কিংবা অভিন্ন রূপরেখা আসবে কি না?

বি. চৌধুরী : রূপরেখা, রোডম্যাপ তৈরি হচ্ছে।

যুগান্তর : বৃহত্তর ঐক্যের মাধ্যমে রাজনৈতিক ‘গুণগত’ মানোন্নয়ন হবে কি না?

বি. চৌধুরী : যদি যুক্তফ্রন্টের কর্মসূচি ও দর্শনের মাধ্যমে ঐক্য হয়, তবে ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠিত হবে। ইতিহাস বারবার স্মরণ করিয়ে দেয়- একদলীয় ক্ষমতা প্রয়োগ রাজনৈতিক কর্মীদের মধ্যে উচ্ছৃঙ্খলতা বাড়িয়ে দেয়। রাজনৈতিক নেতা, সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের মধ্যে দুর্নীতির প্রবণতা বাড়ায়। ফলে সরকার দেশের স্বার্থের বদলে দলীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দেয়। এ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় ভারসাম্যের রাজনীতি প্রতিষ্ঠা করা।

যুগান্তর : সবার অংশগ্রহণে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কীভাবে সম্ভব?

বি. চৌধুরী : একটি অস্থির অগণতান্ত্রিক সরকারশাসিত রাষ্ট্রে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের কোনো ভবিষ্যৎ সৃষ্টি করতে পারবে কি? উত্তর হচ্ছে- পারবে না। তাই যে কোনো মূল্যে অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবি আদায় করতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। অগণতান্ত্রিক এবং অস্থির দলীয় সরকারের অধীনে সবার অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। একমাত্র নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনেই সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনকেও (ইসি) বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে। অন্ততপক্ষে নির্বাচনের এক মাস আগ থেকে এবং ভোটের পর আরও ১০ দিন শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় (নির্বাচনে) ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতাসহ সেনাবাহিনী মোতায়েনের ব্যবস্থা করতে হবে।

যুগান্তর : সরকারি দলের নেতারা দাবি করছেন তারা আগের চেয়ে এখন আরও শক্তিশালী। আগামী নির্বাচনেও তারা জয়ী হবেন এবং সরকার গঠন করবেন। আপনি কী মনে করেন?

বি. চৌধুরী : ‘স্বপ্নের বিরানি’তে তারা ইচ্ছেমতো ঘি ঢালতে পারেন। আসলে তারা জনগণের কাছাকাছিও নেই। জনগণের মন জয় করার মতো তেমন কিছু করতে পারেননি। কোটা আন্দোলন ও নিরাপদ সড়ক আন্দোলন তাদের জনগণের হৃদয় থেকে অনেক দূরে সরিয়ে দিয়েছে। তাদের রাজনৈতিক শঠতা, ছলচাতুরী, গুণ্ডামি এবং পুলিশ ব্যবহার জনগণ পছন্দ করেনি। সঠিক নির্বাচন হলে বাংলাদেশের মানুষ তা দেখিয়ে দেবে।

যুগান্তর : বর্তমান সংসদ বহাল রেখে এবং সরকারি দলের অধীনে নির্বাচন হলে তা কতটা গ্রহণযোগ্য হবে? আপনারা কি এ অবস্থায় নির্বাচনে অংশ নেবেন?

বি. চৌধুরী : সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হতে পারে না। হলেও এ নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না। আর আমরা কী করব- সময়ই বলবে। আগাম মন্তব্য করা ঠিক হবে না।

যুগান্তর : আপনারা কি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীন এবং সংসদ বহাল থাকা অবস্থায় নির্বাচনে যাবেন?

বি. চৌধুরী : সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন হতে পারে না। বাংলাদেশের ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার ও সঠিক নির্বাচন আদায় করে ছাড়বেই।

যুগান্তর : নির্বাচনে গেলে আপনাদের প্রস্তুতি কী? আপনারা এককভাবে নাকি জোটগতভাবে নির্বাচন করবেন?

বি. চৌধুরী : এ বিষয়টিও ক্রমশ প্রকাশ্য।

যুগান্তর : বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধভাবে নির্বাচনের সম্ভাবনা আছে কি না? এক্ষেত্রে কত আসন চাইবেন তাদের কাছে? আওয়ামী লীগের শরিকরা যেমন নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছে, বিএনপির সঙ্গে জোট হলে আপনারাও কি ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করবেন?

বি. চৌধুরী : কোনো সম্ভাবনাই উড়িয়ে দেয়া যায় না। আমরা ভারসাম্যের রাজনীতি করব। এটা একটা অগ্রিম প্রশ্ন।

যুগান্তর : আগামী দিনে কী ধরনের সরকার দেখতে চান?

বি. চৌধুরী : পরিপূর্ণ গণতান্ত্রিক সরকার দেখতে চাই। সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত দেশপ্রেমিক সরকার দেখতে চাই। উদার গণতন্ত্রের প্রতীক এবং জনগণের বন্ধু- এমন সরকার দেখতে চাই। যেখানে রাজনীতির ভারসাম্যের দরুন জনতার ওপর স্বেচ্ছাচারী সরকারের জুলুম থাকবে না। একমাত্র ভারসাম্যের রাজনীতিই স্বেচ্ছাচারমুক্ত বাংলাদেশ গঠন করতে পারে। এ দেশের ইতিহাস থেকে এ শিক্ষাই পাওয়া গেছে, নির্বাচনে কোনো দল এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে দেশে স্বেচ্ছাচারী সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়।

যুগান্তর : ২২ সেপ্টেম্বর ঐক্য প্রক্রিয়ার উদ্যোগে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নাগরিক সমাবেশ। আপনার অর্থাৎ যুক্তফ্রন্টের নেতারা কি এতে উপস্থিত থাকবেন?

বি. চৌধুরী : ক্রমশ প্রকাশ্য বিষয়টি।

যুগান্তর : আপনি এবং ড. কামাল একসঙ্গে জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে কাজ করার ঘোষণা দিয়েছেন। আপনারা আসলে কী করতে চান? আপনাদের কৌশল কী হবে?

বি. চৌধুরী : সময় আসেনি এ বিষয়ে কথা বলার। তাই পরে বলব।

যুগান্তর : বিএনপি আপনার সঙ্গে সুবিচার করেনি। তারা কি তাদের ওই কৃতকর্মের জন্য আপনার কাছে দুঃখ প্রকাশ করেছে কখনও? আপনি কি আশা করেন যে বিএনপি তার ভুলের জন্য দুঃখ প্রকাশ করুক?

বি. চৌধুরী : বিএনপির কাছেই এ প্রশ্ন করুন।

যুগান্তর : আপনি আগামী দিনে আবার রাষ্ট্রপতি হতে চান। ড. কামাল হোসেন হবেন প্রধানমন্ত্রী। এমন একটি কথা অনেকে বলাবলি করছেন। আপনার আগ্রহের সত্যতা কতটুকু?

বি. চৌধুরী : আমি স্পষ্টভাবে বলেছি, এমপি, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি কোনোটাই হওয়ার ইচ্ছা আমার আর নেই। এই বয়সে আমার একটি স্বপ্ন- সন্ত্রাসমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ। যেখানে উন্নয়ন ও গণতন্ত্র হাত ধরাধরি করে চলবে।

যুগান্তর : জামায়াতকে না ছাড়লেও কি বিএনপির সঙ্গে জোট করবেন?

বি. চৌধুরী : আমরা আগেই বলেছি, যারা স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে, সেসব দেশপ্রেমিক গণতান্ত্রিক দলের সঙ্গে ঐক্য করব।

যুগান্তর : আপনি তো ক্ষমতার ভারসাম্য চান, সেটা কী করে সম্ভব? আপনার প্রস্তাব কী?

বি. চৌধুরী : এ বিষয়ে এরই মধ্যে বেশ কিছু ব্যাখ্যা দিয়েছি, আরও ব্যাখ্যা দেব।

যুগান্তর : বিকল্প রাজনীতি গড়ে তোলার যে উদ্যোগ আপনি নিয়েছিলেন, তা কি এখনও আছে? নাকি থেমে গেছে?

বি. চৌধুরী : আমাদের রাজনীতি তো বিকল্প শক্তি। এটা ভারসাম্য উত্থানের রাজনীতি। ভবিষ্যতে যেন কোনো একক দল ক্ষমতার ছড়ি ঘুরাতে না পারে।

যুগান্তর : আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

বি. চৌধুরী : আপনাকে ধন্যবাদ এবং আপনার মাধ্যমে পাঠকদেরও অশেষ ধন্যবাদ।

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter