একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

দু’দলের চ্যালেঞ্জ একক প্রার্থী মনোনয়ন

প্রতি আসনে ৩-৫ জন প্রার্থী * বিজয় নিশ্চিত ভেবে মনোনয়ন পেতে মরিয়া * একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকায় তৃণমূলে বাড়ছে বিরোধ * সুবিধাবাদীদের ভিড়ে যোগ্য ও ত্যাগীরা কোণঠাসা

  হাবিবুর রহমান খান ও রেজাউল করিম প্লাবন ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপি ও আওয়ামী লীগ
ফাইল ছবি

আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সব দল অংশ নেবে এমনটা ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে দেশের বড় দুই রাজনৈতিক দল। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী মাঠে নেমে পড়েছে। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নেয়ার ঘোষণা না দিলেও ভেতরে ভেতরে পুরোদমে প্রস্তুতি নিচ্ছে। দু’দলই ব্যস্ত প্রার্থী বাছাইয়ে। তবে একক প্রার্থী দেয়াই তাদের মূল সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কারণ, প্রতিটি আসনে রয়েছে তিন থেকে পাঁচজন করে প্রার্থী। নির্বাচন সামনে রেখে তারা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। দীর্ঘদিন যারা নিষ্ক্রিয় ছিলেন তারাও পর্দার আড়াল থেকে বের হয়ে আসছেন। মনোনয়ন পেতে শুরু করেছেন জোর লবিং-তদবির।

সুবিধাবাদীদের কারণে দু’দলেরই যোগ্য ও ত্যাগী নেতারা কোণঠাসা। এ ইস্যুতে বিভক্ত হয়ে পড়ছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরাও। অনেক স্থানে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে তা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উভয় দলের প্রার্থীরা ভাবছেন, এবার মনোনয়ন পেলেই বিজয় নিশ্চিত। এ কারণে তারা যে কোনো ভাবে দলের মনোনয়ন পেতে মরিয়া। আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা ভাবছেন মনোনয়ন পেলেই বিজয় নিশ্চিত। কাজেই মনোনয়ন পেতে জোর তদিবর চালাচ্ছেন।

বিএনপিতেও একই অবস্থা। তাদের ধারণা নির্দলীয়-নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে বিএনপির প্রার্থী সহজেই জয়লাভ করবে। এ ভাবনা থেকেই তারা মনোনয়ন পাওয়ার জন্য জোর লবিং করছেন।

সূত্র জানায়, প্রতিটি আসনে ক্ষমতাসীনদের একাধিক প্রার্থী থাকায় যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীর খোঁজে নানা মাধ্যমের সহায়তা নেয়া হচ্ছে। নানা ভাবে জরিপ চালানো হচ্ছে। এ বিষয়ে খোদ প্রধানমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ আছে। এছাড়া একাধিক উপায়ে সংগ্রহ করা হচ্ছে সম্ভাব্য প্রার্থীর তথ্য-উপাত্ত।

প্রতিটি সংসদীয় আসনে তিন থেকে পাঁচজনের একটি তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। সেখান থেকেই চূড়ান্ত করা হবে একক প্রার্থী। তবে তা মোটেই সহজ হবে না বলে মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, একজনকে মনোনয়ন দিলে অন্যরা বিরোধিতা করবে।

ফলে তৃণমূলের কোন্দল আরও মারাত্মক রূপ নেবে। যা নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করছেন নীতিনির্ধারকরা। বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। তারপরও প্রতিটি আসনে অন্তত তিন থেকে চারজন সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। এদের মধ্যে আছেন নতুন মুখ। মনোনয়ন চূড়ান্ত না হলেও এদের অধিকাংশই নিজের পক্ষে জোর প্রচার চালাচ্ছেন।

মনোনয়ন কেন্দ্র করে দলের বিভক্তি ও কোন্দল ভাবিয়ে তুলেছে দু’দলের হাইকমান্ডকে। সামনে যাতে এ ইস্যুতে কোন্দল মাথাচাড়া দিয়ে ওঠতে না পারে সেজন্য এখন থেকেই কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ১৫টি টিম তৃণমূল সফর করেছে।

দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সিনিয়র নেতারা বর্তমানে উত্তরবঙ্গ সফরে আছেন। নির্বাচনকেন্দ্রিক কোন্দল নিরসনই তাদের মূল লক্ষ্য। বিএনপিও সম্প্রতি তৃণমূল সফর শেষ করেছে। কিন্তু সব জায়গায় সমস্যার সমাধান হয়নি।

যেসব এলাকায় এখনও কোন্দল আছে ওইসব এলাকার নেতাদের ঢাকায় ডেকে সংকট নিরসনের চেষ্টা চলছে। এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় নেতারা শিগগিরই ফের তৃণমূল সফরের কথা ভাবছেন।

জানতে চাইলে আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. আবদুর রাজ্জাক যুগান্তরকে বলেন, একাধিক প্রার্থী থাকবেই। পার্টির পর্যবেক্ষণ রিপোর্ট, দলীয় প্রধানের পর্যবেক্ষণ ও বিভিন্ন সংস্থার রিপোর্টে যার নাম ওঠে আসবে তাকেই মনোনয়ন দেয়া হবে। তিনি বলেন, অনেক বড় দল। বিভিন্ন আসনে একাধিক নেতার প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবেই। তবে যাকে মনোনয়ন দেয়া হবে সবাই তার পক্ষেই কাজ করবেন।

এ প্রসঙ্গে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি সবসময় নির্বাচনের জন্য তৈরি। বিএনপির মতো জনপ্রিয় দলে প্রতিটি আসনে একাধিক প্রার্থী থাকাটাই স্বাভাবিক। তবে এদের মধ্য থেকে যারা যোগ্য তাদেরই মনোনয়ন দেয়া হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা বদলে বিশ্বাসী। একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন ও জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার দাবিতেই আমরা আন্দোলন করছি। এমন একটা নির্বাচন হতে হবে যাতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন হয়।

আওয়ামী লীগ : আওয়ামী লীগের সবাই এখন মনোনয়ন প্রত্যাশী। নৌকার পক্ষে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার গণসংযোগের নির্দেশনার পর ছোট-বড় প্রায় সব নেতার মধ্যেই প্রার্র্থী হওয়ার প্রতিযোগিতা তীব্র হয়েছে।

বিভিন্ন জরিপের ফল পর্যালোচনায় জানা গেছে, ৩০০ আসনে নৌকার পক্ষে দেড় হাজারের বেশি আওয়ামী লীগ নেতা এখন নির্বাচনী মাঠে। ফলে একক প্রার্থী নির্ধারণই দলটির বড় সমস্যা। তবে সবাইকে নির্বাচনী মাঠে রেখে বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ রিপোর্টের ভিত্তিতে একক প্রার্থী নির্ধারণ করা হচ্ছে বলে আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য কাজী জাফর উল্লাহ সম্প্রতি যুগান্তরকে বলেন, বিভিন্ন সংস্থা এবং দলের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনোনয়ন চূড়ান্ত করছেন। যেসব আসনে যাদের মনোনয়ন দিলে জয় নিশ্চিত হবে এমন নেতাদের মনোনয়নের জন্য ‘সবুজ সংকেত’ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এখানে গোপনীয়তা বলে কিছু নেই। একটি আসনে কমপক্ষে ৪-৫ জন করে নেতা দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী। সম্ভবত সে কারণেই তা প্রকাশ করছেন না নেতারা।

বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে নেতাকর্মীরা মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তাদের অনেকে দলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে নিজ নিজ এলাকায় বর্তমান এমপি, নিজের কিংবা অন্য কোনো নেতা বা মনোনয়ন প্রত্যাশী কোনো বড় ভাইয়ের পক্ষে নৌকার গণসংযোগ করছেন। প্রতিটি নির্বাচনী আসনে এসব ছোট-বড় নেতার বিলবোর্ড, ব্যানার, পোস্টারে ছেঁয়ে গেছে। আসনগুলোতে নৌকার প্রচারের চেয়ে নেতারা আত্মপ্রচারই বেশি করছেন।

মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাদের অনেক কেন্দ্রীয় নেতা আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে। তবে দল থেকে বারবার বলা হচ্ছে, মনোনয়ন যাকেই দেয়া হোক তার পক্ষে নৌকার প্রচার-প্রচারণা করতে হবে। নৌকাকে জিতিয়ে আনতে হবে।

আওয়ামী লীগ নীতিনির্ধারকরা মনে করেন, একাদশ জাতীয় নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও আওয়ামী লীগের জন্য চ্যালেঞ্জিং। এ নির্বাচন কোনো ভাবেই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির মতো হবে না। বিনা ভোটে এমপি হওয়ারও সুযোগও আর থাকছে না। তাই জনপ্রিয় ও স্বচ্ছ ইমেজের ব্যক্তিরাই প্রার্থী হিসেবে প্রাধান্য পাবেন।

ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ হাইকমান্ড মনোনয়ন প্রত্যাশীদের উদ্দেশে বলেছেন- এলাকায় যাও, জনগণের মন জয় করে মনোনয়ন নাও। যারা এলাকাবিমুখ, নেতাকর্মীদের সঙ্গে সম্পর্ক নেই এমন ব্যক্তিকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হবে না। তারা বলেন, প্রার্থী যেই হোক নৌকার পক্ষে কাজ করতে হবে। নৌকাকে জিতিয়ে আনতে হবে।

প্রার্থী নির্ধারণে বিশেষ কৌশলের কথা জানিয়ে আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারক পর্যায়ের এক নেতা যুগান্তরকে বলেন, প্রতিটি আসনে আওয়ামী লীগের কমপক্ষে চার থেকে পাঁচজন নেতা মনোনয়ন প্রত্যাশী। এদের মধ্যে কমপক্ষে তিনজন নেতা আছেন যারা মনোনয়ন দৌড়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে। দলের ও বিভিন্ন পর্যবেক্ষণ রিপোর্র্টে এ তিনজন নেতার নাম আগে-পরে করে ওঠে এসেছে।

এখান থেকে একজনকে প্রার্থী নির্ধারণ করা কষ্টকর। এছাড়া বর্তমান এমপিদের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতারও অগ্রাধিকার দিতে হবে। সব বিষয় বিবেচনা করে প্রার্থী বাছাইয়ে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। আওয়ামী লীগের আরেকটি সূত্র বলছে, প্রার্থী বাছাইয়ে বেশ কিছু শর্ত জুড়ে দেয়া হয়েছে। ২৬ জানুয়ারি থেকে আওয়ামী লীগের ১৫টি সাংগঠনিক টিম নির্বাচনী সফরে থেকে তৃণমূলে তা প্রচার করেছে।

বিএনপি : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যাওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিলেও প্রস্তুতিতে পিছিয়ে নেই বিএনপি। গোপনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করছে দলটির হাইকমান্ড। প্রতিটি আসনে তিন স্তরের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকা তৈরি করা হচ্ছে। লন্ডনে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সরাসরি এ বিষয়টি মনিটরিং করছেন। তার নির্দেশে স্থায়ী কমিটির এক সদস্য আসনভিত্তিক সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা তৈরি শুরু করেছেন।

সূত্র জানায়, তালিকা তৈরি করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন দলটির নীতিনির্ধারকরা। প্রতিটি আসনে ৩-৪ জন সম্ভাব্য প্রার্র্থী মাঠে সক্রিয়। সাবেক মন্ত্রী-এমপিদের সঙ্গে মনোনয়ন যুদ্ধে নেমেছেন একধিক তরুণ প্রার্থী। আবার যারা দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয় ছিলেন এমন অনেক নেতাও দৌড়-ঝাঁপ শুরু করেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে দিয়েছেন। সুবিধাবাদী ও নিষ্ক্রিয়রা নির্বাচনী মাঠে সক্রিয় হওয়ায় যোগ্য ও ত্যাগী নেতাকর্র্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে চরম ক্ষোভ ও হতাশা।

জানা গেছে, ২০০১ ও ২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা মনোনয়ন পেয়েছিলেন সেই তালিকার ওপর ভিত্তি করেই এবার সম্ভাবনা তালিকা করা হচ্ছে। ওই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী নেতাদের মধ্যে যারা অসুস্থ, নিষ্ক্রিয় ও যাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ছিল তারা সম্ভাব্য তালিকা থেকে বাদ পড়ছেন। এসব আসনে দেখা যেতে পারে নতুন মুখ।

এদিকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় কাজ করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সাধারণ ভোটারদের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়ানোর পাশাপাশি দলের তৃণমূল নেতাদের খোঁজখবর রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। হাইকমান্ডের এমন নির্দেশ পেয়ে সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজ এলাকায় বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন। চেয়ারপারসনের মুক্তির দাবিতে লিফলেট বিতরণসহ কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।

জানতে চাইলে ফরিদপুর সদর আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী মাহবুবুল হাসান ভূঁইয়া পিংকু যুগান্তরকে বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে কাজ করে আসছি। কেন্দ্র ঘোষিত যে কোনো কর্মসূচি পালন করছি। কিন্তু নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় সুযোগসন্ধানী অনেক নেতা মনোনয়ন পেতে চেষ্টা চালাচ্ছেন। নেতাকর্মীদের বিপদে-আপদে তারা কখনও দাঁড়াননি। অতীতে দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। তৃণমূল তাদের কখনও মেনে নেবে না। তাদের মনোনয়ন দেয়া হলে নির্বাচনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।

ঘটনাপ্রবাহ : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter