এলএনজি সরবরাহ নিয়ে বিপাকে পেট্রোবাংলা

দুদকের মামলা আতঙ্কে রাঘববোয়ালরা

গ্যাস-বিদ্যুৎ খাতের দুর্নীতি নিয়ে মাঠে নামছে ক্যাব * এলএনজি সরবরাহে সমন্বয়হীনতা বড় বাধা * অনুমোদন দেয়া শিল্পে জরুরিভিত্তিতে গ্যাস সংযোগ নিশ্চিত করা না হলে ক্ষমতা অপব্যবহারের দায়ে নির্ঘাত দুদকে মামলা হবে, যা ইতিহাসে চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির মামলা হিসেবে পরিচিতি পাবে- মন্তব্য বিশ্লেষকদের

প্রকাশ : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  মুজিব মাসুদ

প্রতীকী ছবি

প্রধানমন্ত্রীর জ্বালানি উপদেষ্টার নেতৃত্বে বিশেষ কমিটি ২০১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানির অধীনস্থ মেসার্স বাংলাবাজার গার্মেন্টস অ্যান্ড টেক্সটাইল লিমিটেডকে নতুন গ্যাস সংযোগের অনুমোদন দেয়। কিন্তু গত ২০ মাসেও পেট্রোবাংলা এই কোম্পানিকে গ্যাস সংযোগ দিতে পারেনি। কোম্পানিটিকে গ্যাস সংযোগ দেয়ার জন্য ৬ ইঞ্চি ব্যাসের সাড়ে ৪ কিলোমিটার বিতরণ বা সার্ভিস লাইন নির্মাণের দরকার ছিল। নিজস্ব অর্থায়নে কোম্পানিটি এই সার্ভিসলাইন নির্মাণ করার জন্য পেট্রোবাংলার কাছে আবেদন করেন আরও ২ বছর আগে। কিন্তু সেই আবেদনও অগ্রাহ্য করেছে পেট্রোবাংলা। কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, অনুমতি পেলে এতদিনে তারা নিজেদের অর্থায়নে এই সার্ভিসলাইনটি নির্মাণ করতে পারতেন। এতে লাভবান হতো সরকার। সার্ভিসলাইন থাকলে জালালাবাদ কোম্পানি এই কোম্পানির কাছে প্রতি ঘণ্টায় ৮২ হাজার ৪১৭ ঘনফুট উচ্চ মূল্যের এলএনজি বিক্রি করতে পারত।

একই সময়ে শাহজীবাজারের মেসার্স কেকো কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজও বিশেষ কমিটির কাছ থেকে গ্যাস সংযোগের অনুমোদন পেয়েও গ্যাস পায়নি। তাদেরও ৮ ইঞ্চি ব্যাসের দেড় কিলোমিটার সার্ভিসলাইন দরকার ছিল। ১৬ মাস আগে নিজের টাকায় এই লাইন নির্মাণ করতে পেট্রোবাংলার কাছে আবেদন করেও কোনো সাড়া পায়নি। অভিযোগ আছে, এসব আবেদন নিয়ে পেট্রোবাংলার সংশ্লিষ্ট পরিচালক আইয়ুব খান চৌধুরীর অফিস কক্ষে কেউ প্রবেশ করতে পারেন না। দেখা করা তো দূরের কথা, তার রুমের সামনে দিয়ে কেউ হাঁটাহাঁটি করলেও তিনি সিকিউরিটি গার্ড ডেকে এনে হাঁটতে নিষেধ করে দেন। এ কারণে মাসের পর মাস এসব আবেদন পড়ে থাকলেও কেউ জানতে পারে না।

মঙ্গলবার এসব বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য পেট্রোবাংলায় গিয়েও পরিচালক (পরিকল্পনা) আইয়ুব খান চৌধুরীর সঙ্গে দেখা করার অনুমতি পাওয়া যায়নি। দায়িত্বরত একজন সিকিউরিটি গার্ড জানান, ‘স্যারের রুমে সাংবাদিক প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আছে।’

জানা গেছে, হবিগঞ্জের মেসার্স কণিকা কমার্শিয়াল লিমিটেড গ্যাস সংযোগের অনুমোদন পায় গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে। অনুমোদনের চিঠি পেয়েই কোম্পানিটি নিজস্ব অর্থায়নে ৬ ইঞ্চি ব্যাসের ১৭ কিলোমিটার বিতরণ বা সার্ভিসলাইন নির্মাণের জন্য পেট্রোবাংলার কাছে চিঠি দেন। কিন্তু কে শোনে কার কথা। পেট্রোবাংলা কর্তৃপক্ষ নির্বিকার। এর মধ্যে একাধিকবার জালালাবাদ বিতরণ কোম্পানি সার্ভিসলাইন নির্মাণের জন্য পেট্রোবাংলার অনুমোদন চেয়ে চিঠি দিলেও সেসব চিঠিও পাত্তা দেয়নি পেট্রোবাংলা।

এই দুটি কোম্পানির সার্ভিসলাইন নির্মিত হলে এখন সরকার ঘণ্টায় ৮৬ হাজার ১২১ ঘনফুট উচ্চমূল্যের এলএনজি বিক্রি করতে পারত। একই সময়ে বিশেষ কমিটির কাছ থেকে গ্যাস সংযোগের অনুমোদন পেয়েও দেশের অন্যতম বৃহৎ একটি শিল্পগোষ্ঠী এখন পর্যন্ত গ্যাস পায়নি। এই শিল্প গ্রুপের টায়ার কোম্পানির জন্য ৮ ইঞ্চি ব্যাসের সাড়ে ৬ কিলোমিটার বিতরণ লাইন দরকার। প্রায় ১ বছর আগে এই বিতরণ লাইন নিজস্ব অর্থায়নে নির্মাণ করতে পেট্রোবাংলার কাছে আবেদনও করে প্রতিষ্ঠানটি। কিন্তু অদ্যাবধি অনুমোদন মেলেনি। কোম্পানি সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, সরকারের অনুমোদন পেলে অনেক আগেই তাদের লাইনটির নির্মাণ কাজ শেষ হয়ে যেত। এতে সরকার মাসে ১১ লাখ ৩০ হাজার ৮৬০.৫২ ঘনমিটার এলএনজি বিক্রি করার সুযোগ পেত।

এই চিত্র শুধু জালালাবাদ গ্যাস ট্রান্সমিশন কোম্পানির। এ রকম আরও দুই হাজারের বেশি আবেদন পড়ে রয়েছে তিতাস গ্যাস, কর্ণফুলী, বাখরাবাদ, পশ্চিমাঞ্চল গ্যাস কোম্পানির টেবিলে টেবিলে। কিন্তু বিতরণ লাইন না থাকায় বিশেষ কমিটির অনুমোদন পেয়েও গ্যাস পাচ্ছে না সংশ্লিস্ট গ্রাহকরা। কোম্পানিগুলো নিজের টাকায় বিতরণ লাইন নির্মাণ করতে চাইলেও অনুমোদন পেতে এখন সরকারের দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। অথচ সরকার উচ্চমূল্যের এলএনজি (তরল প্রাকৃতিক গ্যাস) আমদানি করে এখন গ্রাহক সংকটে গ্যাস দিতে পারছে না। বাধ্য হয়ে শত শত কোটি টাকা গচ্চা দিয়ে পুরো গ্যাস ঢালছে কর্ণফুলী গ্যাস কোম্পানিতে। বিতরণ লাইন ও সার্ভিস লাইন না থাকায় অন্য কোম্পানির কাছেও এলএনজি পৌঁছাতে পারছে না। এই সুযোগে কর্ণফুলী বিতরণ কোম্পানির হাজার হাজার অবৈধ গ্রাহক গ্যাস পেয়ে যাচ্ছে।

জানা গেছে, এলএনজিবাহী প্রথম জাহাজ দেশে পৌঁছানোর পর গত ১৪ জুন জ্বালানি উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরীর নেতৃত্বে সরকারের বিশেষ কমিটির এক সভায় গ্রাহক অর্থায়নে নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ তথা সার্ভিসলাইন নির্মাণের মাধ্যমে অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানে গ্যাস সংযোগ প্রদানের নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়। ওই সভায় জ্বালানি উপদেষ্টা পেট্রোবাংলাকে দ্রুত একটি প্রস্তাবনা পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেন। কিন্তু গত ৩ মাসেও পেট্রোবাংলার ওই সিন্ডিকেট এ প্রস্তাবনা পাঠাতে পারেনি।

গ্যাস সংযোগ নিয়ে এ রকম নজিরবিহীন বাস্তবতার মুখে জ্বালানি সেক্টরের বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী ও ভুক্তভোগীদের অনেকে যুগান্তরকে বলেন, এ জন্য সংশ্লিষ্টদের কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি পেতে হবে। তারা বলছেন, আজ যারা ক্ষমতার অপব্যবহার করে ষড়যন্ত্রকারীদের সঙ্গী হয়ে দেশের এত বড় ক্ষতি করেছে তাদের এ জন্য চরম মূল্য দিতে হবে। দুর্নীতির অপরাধে অবশ্যই একদিন কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। ইতিহাস এমন সাক্ষ্যই দেয়।

কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)-এর জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম যুগান্তরকে বলেন, শুধু সমন্বয় না থাকায় আজ এলএনজি নিয়ে বড় ধরনের সংকটের মুখে সরকার। আরও ২ বছর আগে থেকে সরকার হাঁকডাক দিয়ে আসছে এলএনজি আমদানির।

কিন্তু উপযুক্ত গ্রাহক ঠিক না করে এলএনজি আনা ঠিক হয়নি। তার মতে, শুধু যেসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে গ্যাস সংযোগের অনুমতি দিয়েছিল তাদের আঙিনা পর্যন্ত সার্ভিসলাইন নির্মাণের অনুমতি দিলেও আজ এলএনজি সরবরাহ নিয়ে এরকম বিপাকে পড়তে হতো না। তিনি বলেন, এ জন্য সংশ্লিষ্টদের এক সময় জবাবদিহি করতেই হবে। এমনকি অনেকে মামলার আসামিও হতে পারেন। কারণ অসংখ্য সংক্ষুব্ধ গ্রাহক আছেন যারা সব ধরনের অবকাঠামো তৈরি করেও গ্যাসের অভাবে এখনও শিল্পকারখানা চালু করতে পারছেন না।

শামসুল আলম বলেন, সাগরে এলএনজিবাহী জাহাজ পড়ে আছে। মার্কিন কোম্পানি এক্সেলারেট এনার্জিও গ্যাস বিতরণের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু মাঠপর্যায়ে পর্যাপ্ত পাইপলাইন, সঞ্চালনলাইন ও অবকাঠামো না থাকায় এলএনজি সরবরাহ করা যাচ্ছে না। এ কারণে শত শত কোটি টাকার গ্যাস নষ্ট হচ্ছে। তিনি ক্যাবের পক্ষ থেকে এলএনজি নিয়ে এরকম অনিয়ম, দুর্নীতি, অপচয় ও বিশৃঙ্খলার তদন্ত করবেন বলেও জানান। একই সঙ্গে এসব অনিয়মের সঙ্গে কারা কারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে মামলা করারও সুপারিশ করবেন বলে জানান। তিনি বলেন, আমরা কয়লাখনি দুর্নীতি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছি। এখন গ্যাস, এলএনজি, বিদ্যুৎ সেক্টরের অনিয়ম, দুর্নীতি, সমন্বয়হীনতা, নিয়ে তদন্ত শুরু করব। কারণ সরকারের একার পক্ষে এত বিশাল দুর্নীতি সামাল দেয়া সম্ভব হবে না। সে লক্ষ্যে ক্যাবও তদন্ত করে সরকারের কাছে সুপারিশ করবে।

এদিকে কর্ণফুলী গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (কেজিডিসিএল) সোমবার থেকে আরও ২০ মিলিয়ন বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু করেছে। এলএনজি (লিকুইড ন্যাচারাল গ্যাস) নিয়ে দ্বিতীয় জাহাজ মহেশখালীর মাতারবাড়ি ভাসমান টার্মিনালে নোঙর করার পর পাইপলাইনের মাধ্যমে এই গ্যাস সরবরাহ শুরু করে কোম্পানিটি। এর আগে প্রথম জাহাজ আসার পর গত প্রায় এক মাস ধরে দৈনিক ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট এলএনজি সরবরাহ করে আসছিল কেজিডিসিএল।

কেজিডিসিএলের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মিজানুর রহমান সোমবার সন্ধ্যায় যুগান্তরকে বলেন, দুপুরে ২৮০ মিলিয়ন ঘনফুট থেকে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবাহ করা হয়। অর্থাৎ এখন থেকে প্রতিদিন ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হবে। সরবরাহ ঠিক থাকলে চট্টগ্রামে বিশেষ করে শিল্পকারখানায় আর গ্যাস সংকট থাকবে না। সাধারণত চট্টগ্রামে দৈনিক প্রায় সাড়ে চারশ’ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার কথা বলা হলেও অনেক শিল্পকারখানা ও প্ল্যান্ট রয়েছে যেগুলো পুরোদমে উৎপাদনে যেতে পারে না। যন্ত্রপাতি পুরনো এবং বিকল হওয়ার কারণে এসব শিল্পকারখানার সক্ষমতা শতভাগ নেই। তাই ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসেই চাহিদা মিটবে। কিন্তু এরপর যদি আরও ৫০-৮০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হয় তাহলে সংকটে পড়তে হবে।

খোদ পেট্রোবাংলার একজন শীর্ষ কর্মকর্তা যুগান্তরকে বলেন, সরকার ২০১৭ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে ২২০টি কোম্পানিকে গ্যাস সংযোগের অনুমোদন দেয়। এর আগে আরও সাড়ে ৫শ’র মতো শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে গ্যাস সংযোগের অনুমোদন দেয়া হয়। কিন্তু বিতরণ লাইন বা সার্ভিসলাইন না থাকায় ওই দুই তালিকার অধিকাংশ শিল্পপ্রতিষ্ঠানকে গ্যাস সংযোগ দিতে পারেনি। সম্প্রতি এলএনজি আমদানিকে সামনে রেখে আরও ২ হাজারের বেশি শিল্পকারখানাকে গ্যাস সংযোগের অনুমোদন দিয়েছে। বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার জরিপে দেখা গেছে, এসব শিল্পপ্রতিষ্ঠানেরও অধিকাংশের বিতরণ বা সার্ভিস লাইন নেই।

ওই কর্মকর্তা বলেন, তারা এখন চোখে-মুখে সরষে ফুল দেখছেন। কারণ দীর্ঘ ২০ মাস হয়ে গেলেও সরকার সংশ্লিষ্ট শিল্পপ্রতিষ্ঠানের আঙিনা পর্যন্ত সার্ভিসলাইন নির্মাণ করে তাদের গ্যাস সংযোগের সুযোগ করে দেয়নি। এমনকি কোম্পানিগুলো নিজস্ব অর্থায়নে সার্ভিস লাইন নির্মাণের অনুমতি চাইলেও তাদের অনুমোদন দেয়া হয়নি। সরকার যেসব গ্রাহককে টার্গেট করে এলএনজি আমদানি করেছে এখন সার্ভিস লাইন না থাকায় তাদেরও এলএনজি দিতে পারছে না। বাধ্য হয়ে পূর্ণমাত্রায় এলএনজি জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করতে পারছে না। এদিকে একের পর এক এলএনজিবাহী জাহাজ ভিড়ছে বঙ্গোপসাগরের ভাসমান টার্মিনাল ঘিরে। এ অবস্থায় সরকার বড় ধরনের বিপাকে পড়তে যাচ্ছে বলে তিনি আশঙ্কা করেন। তার মতে, সরকারের উচিত অনুমোদন পাওয়া শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকদের সঙ্গে জরুরিভিত্তিতে বৈঠক করে তাদের চাহিদা অনুযায়ী সার্ভিসলাইন নির্মাণে সহায়তা করা। অন্যথায় এই এলএনজি সাগরে ফেলে দেয়া ছাড়া কোনো বিকল্প থাকবে না। আর তাতে সবাইকে দুদকের মামলার আসামি হতে হবে। আর তা হবে বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ ও চাঞ্চল্যকর দুর্নীতির মামলা।

এদিকে ১ লাখ ৩৮ হাজার ঘনমিটার এলএনজি নিয়ে দ্বিতীয় জাহাজটি মহেশখালীর মাতারবাড়ি টার্মিনালে ভিড়েছে রোববার। জাহাজ থেকে ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিটস (এফএসআরইউ) এ এলএনজি স্থানান্তরের কাজ শুরু করে। সোমবার সকাল ৮টা থেকে আনোয়ারার রাঙ্গাদিয়ায় নির্মিত সেন্ট্রাল জেনারেটিং স্টেশন (সিজিএস)-এর মাধ্যমে রূপান্তরিত এই এলএনজি গ্যাস চট্টগ্রামে সরবরাহ লাইনে যোগ হয়।