বজ্রপাতে আট জেলায় ১১ জনের মৃত্যু

প্রকাশ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

  যুগান্তর ডেস্ক

আট জেলায় বুধবার বজ্রপাতে ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সুনামগঞ্জে তিন ও সাতক্ষীরায় দু’জন মারা গেছেন। বাকি ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে নেত্রকোনা, বাগেরহাট, রাঙ্গামাটি, দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও ফরিদপুরে। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর-

সুনামগঞ্জ ও ধর্মপাশা : জেলার ছাতক উপজেলার জয়নগর গ্রাম ও সুরমা নদীতে বজ্রপাতে হৃদয় দাস ও মামুন মিয়া নামের দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। হৃদয় উপজেলার নোয়ারাই ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামের লুলু দাসের ছেলে। এ সময় রঞ্জন দাস দেবনাথ নামে আরও এক কিশোর আহত হয়। একই উপজেলার সুরমা নদীতে বজ্রপাতে মামুন মিয়া নামের একজনের মৃত্যু হয়েছে। তার বাড়ি পিরোজপুর জেলায়। এছাড়া ধর্মপাশা উপজেলার মরিচাউড়ি হাওরে মাছ ধরতে গিয়ে মো. তোফায়েল নামের এক জেলের মৃত্যু হয়েছে। তিনি উপজেলার খালিসাকান্দা গ্রামের মো. মোস্তফার ছেলে।

সাতক্ষীরা : কালীগঞ্জের সাঁইহাটিতে বজদগ্ধ হয়েছে আরও দু’জন। তাদের সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মারা যাওয়া দুই ছাত্রী হল সাঁইহাটি গ্রামের বেল্লাল খাঁর মেয়ে বিলকিস খাতুন ও চাম্পাফুল গ্রামের আকবর আলির মেয়ে মুসলিমা খাতুন ময়না। গুরুতর দগ্ধ তেঁতুলিয়া গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সাথী সুলতানা ও বালাপোতা গ্রামের আবদুর রহিমের মেয়ে রুবিনা।

নেত্রকোনা ও কলমাকান্দা : জেলার কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতী ইউনিয়নের মুন্সীপুর গ্রামে বজ্রপাতে আজিজুল হক নামের এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সে মুন্সীপুর গ্রামের আবদুল জব্বারের ছেলে। কলমাকান্দা থানার ওসি মো. মাজহারুল করিম বলেন, ওই শিশুর পরিবারকে লাশ দাফনের জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা দেয়া হবে।

বাগেরহাট : শরণখোলা উপজেলার ধানসাগর ইউনিয়নের হোগলপাতি গ্রামে বজ্রপাতে বিপুল হালদার নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের বিমল হালদারের ছেলে।

কাউখালী (রাঙ্গামাটি) : কাউখালী উপজেলার ঘাগড়া ইউনিয়নের হাজাছড়ায় বজ্রপাতে সোহেল বিকাস চাকমা নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি হাজাছড়ি গ্রামের ইনন্দ চাকমার ছেলে। নিহতের পরিবারকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এএম জহিরুল হায়াত ২০ হাজার টাকার চেক প্রদান করেন।

দিনাজপুর : জেলার সদর উপজেলার আস্করপুর ইউনিয়নের সরস্বতীপুর গ্রামের মাঠে কাজ করার সময় বজ্রপাতে শাহাদাত হোসেন নামে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তিনি ওই গ্রামের মোশাররফ হোসেনের ছেলে। এ সময় আহত হন একই এলাকার শরিফউদ্দীনের ছেলে তৈমুর হোসেন।

গাইবান্ধা : পলাশবাড়ী উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের জামালপুর গ্রামে বজ্রপাতে ফয়সাল মণ্ডল নামে অষ্টম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। সে ওই গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে এবং পলাশবাড়ী স্টুডেন্ট কেয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের ছাত্র।

চরভদ্রাসন (ফরিদপুর) : চরভদ্রাসন উপজেলার হরিরামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম চর শালিপুর গ্রামে বজ্রপাতে সোহাগ মোল্যা নামে এক শিশুর মৃতু হয়েছে। সে ওই গ্রামের সাইদ মোল্যার ছেলে।