খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতি

বিচার চলবে কিনা আদেশ ২০ সেপ্টেম্বর

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা

  যুগান্তর রিপোর্ট ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিচার চলবে কিনা আদেশ ২০ সেপ্টেম্বর

খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে কারা অভ্যন্তরে স্থাপিত আদালতে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার বিচার চলবে কিনা, সে বিষয়ে আদেশের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আদালত।

একই সঙ্গে ওই দিন এ মামলায় খালেদা জিয়ার জামিনের বিষয়েও সিদ্ধান্ত দেবেন আদালত। কারাগারের ভেতরে স্থাপিত অস্থায়ী আদালতের বিচারক (ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ) ড. মো. আখতারুজ্জামান বৃহস্পতিবার এ দিন ধার্য করেন। এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল মৌখিকভাবে আবেদন করে বলেছেন, খালেদা জিয়া আদালতে আসতে অনিচ্ছুক।

আর তিনি না আসার অজুহাতে অপর দুই আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করছেন না তাদের আইনজীবী। আর এভাবে যুক্তিতর্ক শুরু না করলে আপনি (বিচারক) এ মামলার যুক্তিতর্ক সমাপ্ত করে রায়ের দিন ধার্য করে দিন। একই সঙ্গে খালেদা জিয়া আদালতে না এলে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালতের বিচার কাজ পরিচালনার কথা বলেন দুদকের এ আইনজীবী। তবে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা জানিয়েছেন, আদালতের প্রতি অনাস্থা নয়, অসুস্থতার কারণেই আদালতে আসতে পারেননি খালেদা জিয়া। তাদের দাবি, কারা কর্তৃপক্ষ এ বিষয়টিকে আদালতে ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে। এদিকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে কাভার্ড ভ্যান পোড়ানোর মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর করেছেন কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। বৃহস্পতিবার বিকালে খালেদা জিয়ার জামিনের অধিকতর শুনানি শেষে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজের বিচারক কেএম সামছুল আলম এ আদেশ দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের জন্য বৃহস্পতিবার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু বুধবারের মতো এদিনও (বৃহস্পতিবার) খালেদা জিয়া মামলায় হাজিরা দিতে আদালতে আসতে ‘অনিচ্ছা’ পোষণ করেন। বেলা ১১টা ৪৪ মিনিটের দিকে বিচারক এজলাসে উঠলে আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়। শুরুতেই রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, মামলার দুই আসামি জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য আছে। আর মামলার অপর আসামি খালেদা জিয়া আজও (বৃহস্পতিবার) আদালতে হাজির হতে ‘অনিচ্ছা’ পোষণ করেছেন। মামলার যুক্তিতর্ক কার্যক্রম শুরু করা যেতে পারে। এদিকে খালেদা জিয়ার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। খালেদা জিয়া সেদিন (৫ সেপ্টেম্বর) এসেছিলেন, তার কাছ থেকে আমরা তা শুনেছি। তার চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে কিনা, জানি না। কেন তিনি আদালতে আসতে অনিচ্ছুক তা আমরা জানি না। আপনি (বিচারক) আইনি ব্যাখ্যা চেয়েছেন, আরও ব্যাখ্যা দেব। কিন্তু তার আগে খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে চাই।

খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন- প্রথমত, খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার চলবে কিনা; দ্বিতীয়ত, খালেদা জিয়ার জামিন বর্ধিত করা যায় কিনা, তৃতীয়ত, জেল কর্তৃপক্ষ বলেছে তিনি (খালেদা জিয়া) আদালতে আসতে ‘অনিচ্ছুক’- এ তিন বিষয়ে আপনি (বিচারক) আমাদের (খালেদা জিয়ার আইনজীবী) কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন। ফৌজদারি কার্যবিধিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট বলা আছে। খালেদা জিয়া এ মামলায় জামিনে আছেন। তবে অপর মামলায় কাস্টডিতে আছেন। জেল কর্তৃপক্ষ তাকে কারাগারে রাখতে পারে না। আপনি (বিচারক) বলেছেন, তাই তারা রেখেছে। এখন তিনি আপনার কাস্টডিতে আছেন। আমরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চাই। এখন তিনি কী কারণে আদালতে আসতে অনিচ্ছুক? কারণ হল, তিনি অসুস্থ। অসুস্থ বলেই তিনি আদালতে আসতে পারছেন না। আমরা আদালতের ওপর আস্থা রেখেছি। আর আস্থা রেখেই কথা বলছি। আস্থা না থাকলে আদালতে আসতাম না। তিনি আরও বলেন, খালেদা জিয়ার না আসার কারণ অসুস্থতা কিন্তু কারা কর্তৃপক্ষ যেভাবে বলেছে, তাতে মনে হচ্ছে খালেদা জিয়া আসতে অপারগতা প্রকাশ করেছেন।

ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থা সিআরপিসি (ফৌজদারি কার্যবিধি) ছাড়া চলতে পারে না। উনার (খালেদা জিয়া) অনুপস্থিতিতে বিচার চলতে পারে না। খালেদা জিয়া কেন আদালতে এলেন না, আদালত অনুমতি দিলে সাক্ষাৎ করে আমরা তা জানতে পারি। এ মুহূর্তে না আসার মানে এই নয় যে, আপনার (বিচারক/আদালত) ওপর আস্থা নেই।

অপর আইনজীবী আকতারুজ্জামান বলেন, এখানে আদালত স্থাপনে যে গেজেট হয়েছে তাতে স্পেশাল জজ কিংবা বিশেষ জজ আদালত বলা নেই। ফৌজদারি কার্যবিধির ৯-এর ২ ধারায় এ আদালত গঠন করা হয়েছে। আর সংবিধানের ১১৬ ধারায় সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে, আদালত স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সুপ্রিমকোর্টের অনুমতি নিতে হবে।

এরপর জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম বলেন, এ মামলায় তিনজন উপস্থিত আসামি। খালেদা জিয়া কারাগারে, দু’জন জামিনে। এ ছাড়া অপরজন পলাতক। আর খালেদা জিয়ার পক্ষে আমরা সবাই প্যানেল আইনজীবী। আদালতের বিরুদ্ধে আমাদের কোনো অভিযোগ নেই। আদালত আগে যেখানে ছিল সেটা উন্মুক্ত আদালত ছিল। এটা উন্মুক্ত আদালত নয়। এ ইস্যুটা প্রধান বিচারপতির কাছে এখনও পেন্ডিং আছে। আমরা খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে বিচার কাজ চালাতে পারি না। খালেদা জিয়া উপস্থিত না হলে কোরাম পূর্ণ হয় হবে না।

জবাবে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, আদালত যেসব বিষয় জানতে চেয়েছেন, সেসব বিষয়ে আইন দেখান। এভাবে ইনিয়ে-বিনিয়ে বলায় লাভ নেই। খালেদা জিয়া যদি না আসেন, তাহলে তাকে ছাড়াও আমরা মামলা চালাতে পারব। এখন তারা (খালেদা জিয়ার আইনজীবী) খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করতে চান। ভালো কথা, তারা জেল কোড অনুসারে দেখা করতে পারেন। দুই আসামির পক্ষে বলা হয়েছে, এটা উন্মুক্ত আদালত নয়। এখানে যুক্তিতর্ক হবে না। যুক্তিতর্ক না চললে খালেদা জিয়ার জামিন বর্ধিত করা সঠিক নয়। জামিনে থাকতে চাইলে যুক্তিতর্কে অংশ নিতে হবে। আপনি (আমিনুল ইসলাম) আরেকজনের কাঁধে চড়েছেন। খালেদা জিয়া না থাকলে তাকে বাদ দিয়ে মামলা পরিচালনা করতে পারব। আইন আপনাদের কাছে আইন মনে হয় না! মনে হয় মুড়ি-মুড়কি। জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খানের পক্ষে যুক্তিতর্ক শুরু করেন। খালেদা জিয়া না থাকতে পারলে অসুস্থ থাকলে চিকিৎসা হবে। তার আইনজীবীরা থাকবেন। কেন তাদের (জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান) পক্ষে যুক্তিতর্ক করবেন না? খালেদা জিয়াসহ সব আসামিকে সর্বোচ্চ সুবিধা দেব, তবে আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে নয়।

এরপর তিনি আদালতের উদ্দেশে বলেন, তাকে (খালেদা জিয়া) ডিসপেন্স (উপস্থিতি ব্যতিরেকে) করে দেন। তার পক্ষে তার আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত থাকবেন। আর যদি যুক্তিতর্ক না করেন, তাহলে যুক্তিতর্ক সমাপ্ত করে মামলার পরবর্তী তারিখ রায়ের জন্য দিন ধার্য করেন।

প্রত্যুত্তরে খালেদা জিয়ার আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, ডিসপেন্স শব্দটি তার জন্য প্রযোজ্য, যিনি জামিনে থাকেন। আমাদের বক্তব্য- খালেদা জিয়া অসুস্থ, আপনি (বিচারক) তার মুখ থেকেই তা শুনেছেন। সরকারও উপলব্ধি করেছে তার চিকিৎসার। তিনি অসুস্থ বলেই আদালতে আসতে পারেননি। তবে তিনি তো আর অনন্তকাল অসুস্থ থাকবেন না। বিচার কাজে সহযোগিতা না করা আমাদের কারও উদ্দেশ্য নয়। এরপর আমিনুল ইসলাম বলেন, গত ৮ ফেব্রুয়ারি রায়ের পর একই প্রশ্ন উঠেছিল। তখন পাবলিক প্রসিকিউটর (মোশাররফ হোসেন কাজল) বলেছিলেন, একজনের অনুপস্থিতিতে বিচার হবে না। আরেকজনের কাঁধে বন্দুক রেখে শিকার করতে চাই না। উনার (কাজল) আট মাস আগে এক সুর, আর এখন পাল্টা কথা বলছেন। একজন আসামির বিচার দেখা বা শোনার সাংবিধানিক অধিকার আছে। উনি (খালেদা জিয়া) কি আদালতে আবেদন দিয়ে বলেছেন যে বিচার শুনবেন না?

সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, খালেদা জিয়া বলেছিলেন, অন্যান্য আসামি কি বলল তা তিনি শুনতে চান। আমরা জাস্ট সময় চেয়েছি। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার স্বাস্থ্যগত অবস্থার বিষয় না জেনে আপনার (বিচারক) কাছে আইনগত ব্যাখ্যা দেয়া ঠিক হবে না।

খালেদা জিয়ার আইনজীবীদের উদ্দেশে বিচারক বলেন, কারা কর্তৃপক্ষ বলেছে, উনি আসবেন না, অনিচ্ছুক। আপনাদের ব্যাখ্যা কি? জবাবে মাসুদ আহমেদ তালুকদার বলেন, খালেদা জিয়া এখানে এসে বলে গেছেন যে তিনি অসুস্থ। তার চিকিৎসায় মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এ মেডিকেল বোর্ডের রেজাল্ট তো অনন্তকাল ঝুলে থাকবে না। সাত থেকে ১০ দিনের বেশি সময় লাগবে না।

প্রত্যুত্তরে মোশাররফ হোসেন কাজল বলেন, এ ধরনের সুযোগ নেই। কাস্টডিতে যদি লেখা থাকে তিনি অসুস্থ। তাহলে সময় নেয়া যায়। যেহেতু তিনি আসতে চান না। প্রয়োজনে তিনি জেলেই থাকবেন, কল ও ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আদালত পরিচালিত হতে পারে। আর উনাকে জোর করে আনা তো আর শোভন নয়। এখন তিনি অনিচ্ছুক থাকলে আইনজীবীদের দায়িত্ব নিতে হবে। আর যেহেতু তিনি আসতে চাইছেন না, সেহেতু বাকিদের যুক্তিতর্ক শুরু করা হোক। আর যুক্তিতর্ক শুরু না করলে আপনি (বিচারক) রায়ের দিন ধার্য করে দিন।

এরপর বিচারক বলেন, খালেদা জিয়ার সঙ্গে তার আইনজীবীদের সাক্ষাতের বিষয়টি কারা কর্তৃপক্ষ দেখবেন। জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও মনিরুল ইসলাম খান জামিনে থাকবেন। আর খালেদা জিয়ার জামিন ও তাকে ছাড়া আদালত পরিচালনা করা যায় কিনা- এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেন আদালত। বেলা ১টা ১০ মিনিটের দিকে আদালতের কার্যক্রম শেষ হয়।

চলতি বছরের ৩০ জানুয়ারি এ মামলায় খালেদা জিয়াসহ সব আসামির সর্বোচ্চ সাজা অর্থাৎ ৭ বছর কারাদণ্ড দাবি করে দুদক প্রসিকিউশন। জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট রাজধানীর তেজগাঁও থানায় মামলাটি করে দুদক। তদন্ত শেষে ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি খালেদা জিয়াসহ চারজনকে আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। এরপর ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে আসামিদের বিচার শুরু হয়। খালেদা জিয়া ছাড়া মামলার অপর আসামিরা হলেন- তার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছ চৌধুরীর তৎকালীন একান্ত সচিব (বর্তমানে বিআইডব্লিউটিএ’র নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক) জিয়াউল ইসলাম মুন্না ও ঢাকার সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান। মামলায় হারিছ চৌধুরী পলাতক। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা রয়েছে। আর অপর দুই আসামি জামিনে আছেন।

কুমিল্লায় কাভার্ড ভ্যান পোড়ানোর মামলায় জামিন নামঞ্জুর : কুমিল্লা ব্যুরো জানায়, চৌদ্দগ্রামে কাভার্ড ভ্যান পোড়ানোর মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন নামঞ্জুর করেছেন কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজ আদালত। বৃহস্পতিবার বিকালে খালেদা জিয়ার জামিনের অধিকতর শুনানি শেষে কুমিল্লা জেলা ও দায়রা জজের বিচারক কেএম সামছুল আলম এ আদেশ দেন। এর আগে বুধবার বিকালে পূর্বনির্ধারিত জামিনের শুনানি শেষে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত জামিন শুনানি মুলতবি করা হয়েছিল।

খালেদা জিয়ার জামিন শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষে অংশ নেন পিপি মোস্তাফিজুর রহমান লিটন ও খালেদা জিয়ার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন তাইফুর আলম ও কাইমুল হক রিংকু। ২০১৫ সালের ২৫ জানুয়ারি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সদরের পৌর এলাকার হায়দারপুলে একটি কাভার্ড ভ্যানে আগুন দেয়ার ঘটনা ঘটে। পরদিন চৌদ্দগ্রাম থানার এসআই নুরুজ্জামান হাওলাদার বাদী হয়ে থানায় বিএনপির চেয়ারপারসনসহ ২০ দলের স্থানীয় ৩২ জনের বিরুদ্ধে মামলাটি করেন। মামলায় খালেদা জিয়াকে নাশকতায় হুকুমের আসামি করা হয়।

ঘটনাপ্রবাহ : কারাগারে খালেদা জিয়া

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter