শঙ্কার মধ্যেও নির্বাচনী রোডম্যাপে বিএনপি

চলছে প্রার্থী বাছাই ও ইশতেহার তৈরির কাজ * খালেদা জিয়াসহ সব নেতার মামলা আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলার প্রস্তুতি

  হাবিবুর রহমান খান ২১ জানুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বিএনপি

নির্বাচনকালীন সরকারের ধরন এখনও চূড়ান্ত না হওয়া এবং খালেদা জিয়ার মামলার রায়সহ নানা শঙ্কার মধ্যেই পুরোদমে ভোটের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপের প্রাথমিক খসড়া তৈরি করেছে দলটি। এরই অংশ হিসেবে দলীয় প্রার্থী বাছাই, ইশতেহার তৈরি ও নির্বাচনকেন্দ্রিক সাংগঠনিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতাদের নেতৃত্বে ৭৭টি সাংগঠনিক দল এরই মধ্যে মাঠপর্যায়ে সফর ও কর্মিসভা সম্পন্ন করেছে। প্রতিকূল পরিবেশের কারণে অনেক এলাকায় তা সম্ভব হয়নি। এসব স্থানে কর্মিসভার কাজ অব্যাহত রয়েছে।

এছাড়া জিয়া অরফানেজ ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার বিচার প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই নির্বাচনী সফরে বের হবেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। রোহিঙ্গা ইস্যুতে চেয়ারপারসনের কক্সবাজার সফরে নেতাকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে দলের মধ্যে চাঙ্গাভাব ফিরে আসে। নীতিনির্ধারকসহ দল সমর্থিত বুদ্ধিজীবীরাও জেলা সফরে বের হতে চেয়ারপারসনকে পরামর্শ দিচ্ছেন। কিন্তু সপ্তাহে দুই-তিন দিন আদালতে হাজিরা থাকায় এ মুহূর্তে সফর নিয়ে কোনো পরিকল্পনা করতে পারছেন না। মামলার বিষয়টি ফয়সালা হওয়ার পরই জেলা ও বিভাগ সফরের পরিকল্পনা করা হবে। তবে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে করা ১৪টি মামলা বিশেষ আদালতে স্থানান্তর করাকে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখছে বিএনপি। চেয়ারপারসনসহ সিনিয়র নেতারা যাতে নির্বাচনী কাজে সময় দিতে না পারেন, সেজন্যই এ মামমলাগুলো স্থানান্তর করা হয়েছে বলে অভিযোগ তাদের। মামলাগুলো রাজনৈতিক ও আইনগতভাবে মোকাবেলার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন দলটির নেতাকর্মীরা। এ ব্যাপারে হাইকমান্ডের বার্তা নিয়ে এরই মধ্যে তৃণমূল সফর করেছেন দলটির সিনিয়র নেতারা।

সূত্র জানায়, নির্বাচনে অংশ নিতে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের পাশাপাশি প্রতিপক্ষ প্রার্থীর অবস্থা, মাঠপর্যায়ে সাংগঠনিক অবস্থাসহ সার্বিক বিষয়ে প্রতিটি সাংগঠনিক টিম একটি করে প্রতিবেদন কেন্দ্রে জমা দেবে। ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে। নির্বাচনী রোডম্যাপের অংশ হিসেবে সারা দেশে পোলিং এজেন্টের তালিকা তৈরি ও তাদের কেন্দ্রীয়ভাবে প্রশিক্ষণের চিন্তাভাবনা রয়েছে। এছাড়া প্রতিটি ভোট কেন্দ্রে একটি করে কমিটি করা হবে। নির্বাচনী রেজাল্ট শিট হাতে পাওয়ার পর তাদের কেন্দ্র ত্যাগ করার নির্দেশ দেয়া হবে। প্রতিটি ভোট কেন্দ্রের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখতে প্রত্যেক সংসদীয় আসনে একটি মনিটরিং টিম গঠন করা হবে। ওই টিম পুরো নির্বাচনী এলাকার চিত্র সংগ্রহ করবে। কেন্দ্রীয়ভাবে গঠিত মনিটরিং টিমকে তারা যে কোনো ঘটনা তাৎক্ষণিক অবহিত করবে। পরিস্থিতি মোকাবেলায় কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় বার্তা পাঠানো হবে। নির্বাচন সংক্রান্ত সবকিছুই কেন্দ্র থেকে নিয়ন্ত্রণ করার চিন্তাভাবনা রয়েছে।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি নির্বাচনমুখী দল। আমরা নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতার পালাবদলে বিশ্বাসী। নির্দলীয় সরকারের অধীনে সব দলের অংশগ্রহণে একটি অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে বলে আমরা আশা করি।

তিনি বলেন, চেয়ারপারসনের মামলা নিয়ে সরকার নানা ষড়যন্ত্র করছে। তাকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখার পাঁয়তারা করছে। ১৪টি মামলা বিশেষ আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে, যাতে চেয়ারপারসনসহ সিনিয়র নেতারা নির্বাচনী কাজে অংশ নিতে না পারেন। মামলা নিয়েই যাতে আদালতে ব্যস্ত থাকতে হয়। কিন্তু তাকে ছাড়া বিএনপি কোনো নির্বাচনে অংশ নেবে না। বিএনপি চেয়ারপারসনকে মিথ্যা মামলায় সাজা দেয়া হলে সেই ব্যাপারে আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে মোকাবেলার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে।

ফখরুল বলেন, বিএনপির প্রাণ হচ্ছে তৃণমূল। সেই তৃণমূলের অবস্থা এবং তাদের চাওয়া-পাওয়া জানতে এরই মধ্যে আমাদের কেন্দ্রীয় টিম জেলা সফর করেছে। তাদের মতামতের পাশাপাশি কেন্দ্রের কিছু বার্তাও দেয়া হয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রস্তুতি আমাদের রয়েছে। আমাদের প্রতিটি আসনে একাধিক যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থী রয়েছে। তৃণমূলের মতামত নিয়ে জনপ্রিয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হবে।

সূত্র জানায়, আপতত দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার পক্ষে অনড় দলটির হাইকমান্ড। তাই সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচনের লক্ষ্যে সহায়ক সরকারের একটি রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে। উপযুক্ত সময়ে এ রূপরেখা ঘোষণা করা হবে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ প্রসঙ্গে বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু করতে যথাসময়ে আমরা সহায়ক সরকারের রূপরেখা তুলে ধরব। আমরা মনে করি, প্রত্যেকটি বিষয়ের একটি সময় আছে। সেই সঠিক সময়েই আমরা সহায়ক সরকারের রূপরেখা জাতির সামনে তুলে ধরব।

সহায়ক সরকারের রূপরেখা প্রস্তুত করার পাশাপাশি একাদশ সংসদ নির্বাচনের ইশতেহার তৈরির কাজও শুরু করেছে দলটি। বিএনপি সমর্থিত বুদ্ধিজীবী ও বিভিন্ন পেশার বিশিষ্টজনদের এর সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে। ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ‘ভিশন ২০৩০’ শিরোনামে যে খসড়া পরিকল্পনার সারসংক্ষেপ তুলে ধরেছিলেন, সেটির আলোকে বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার তৈরি করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি হাইকমান্ডের বিশ্বস্ত কিছু লোক দিয়ে সারা দেশে মাঠপর্যায়ে ভোটারদের মনোভাব জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে দুই দলের সম্ভাব্য জনপ্রিয় প্রার্থীর পাশাপাশি নির্বাচনী ইশতেহারে কী কী আসা উচিত, তা জানার চেষ্টা চলছে। সাংগঠনিকভাবে দলকে শক্তিশালী করতে এরই মধ্যে প্রায় অর্ধশত জেলা কমিটি শেষ করা হয়েছে। বাকি কমিটিগুলো দ্রুত সময়ে করার প্রক্রিয়া চলছে। যোগ্য ও ত্যাগীদের এরই মধ্যে নির্বাচন করার সবুজসংকেত দেয়া হয়েছে। প্রায় একশ’ আসনে এবারও কোনো প্রার্থী পরিবর্তন হওয়ার সম্ভাবনা কম। শতাধিক আসনে নতুন মুখ দেখা যেতে পারে। তরুণ এবং বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে যারা রাজপথে ছিলেন, তাদের কপাল খুলতে পারে। এছাড়া ২০ দলীয় জোটের শরিকদের জন্য কিছু আসন ফাঁকা রাখা হবে। আবার জোটের বাইরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নেতার সঙ্গে যদি সমঝোতা হয়, তাদের সঙ্গে সমন্বয় করারও চিন্তা আছে।

সূত্র জানায়, হাইকমান্ডের বার্তা নিয়ে তৃণমূল সফরে যাওয়া বেশ কয়েকজন নেতাদের সঙ্গে আলাপকালে জানা যায়, তারা মূলত তিনটি ইস্যুকে কেন্দ্র করে এ সফরে গিয়েছেন, প্রথমত, আগামী নির্বাচনের প্রস্তুতি। এ প্রস্ততির মধ্যে প্রতিটি আসনে জনপ্রিয় প্রার্থীদের সম্পর্কে খোঁজখবর নেয়া। দ্বিতীয়ত, সর্বশেষ সাংগঠনিক চিত্র। স্থানীয়ভাবে কোন্দল থাকলে তা মিটিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা। তৃতীয়ত, প্রয়োজনে আন্দোলনে নামার জন্য দলকে প্রস্তুত করা। এক্ষেত্রে বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারাধীন দুটি দুর্নীতির মামলার রায়-পরবর্তী করণীয় সম্পর্কেও দিকনির্দেশনা দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি নির্দলীয় সরকারের দাবিতে প্রয়োজনে আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন সামনে রেখে সরকার নানা টোপ দিয়ে বিএনপিতে বিভেদ তৈরি করতে পারে। এ আশঙ্কা থেকে নেতাকর্মীদের যে কোনো পরিস্থিতিতে ঐক্যবদ্ধ থাকার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। দলের নেতাকর্মী ও জনগণের কাছে নিজেদের অবস্থান সুসংহত রেখে ঠাণ্ডা মাথায় নীরবে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার দিনক্ষণ পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া। এ সময় সরকারের পক্ষ থেকে নানা রকম ফাঁদ তৈরি করা হবে। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা যাতে কোনো ফাঁদে পা না দেয়, সে ব্যাপারেও বার্তা দেয়া হচ্ছে। কেন্দ্র থেকে তৃণমূল পর্যন্ত সবাইকে দলের চেয়ারপারসনের সিদ্ধান্তের বাইরে অন্য কারও নির্দেশ না মানতে কঠোর বার্তা দেয়া হয়েছে।

তৃণমূলের প্রধান সমন্বয়ক বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান যুগান্তরকে বলেন, আমরা যে কোনো সময় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত। এখনও আমাদের সেই প্রস্তুতি আছে। সাংগঠনিকভাবে বিএনপি বর্তমানে অনেক বেশি গোছাল ও শক্তিশালী। তবে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিয়েই আমাদের যত শঙ্কা।

সম্প্রতি পাবনা জেলার সফর করে আসা বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু যুগান্তরকে বলেন, তৃণমূল আন্দোলন ও নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত আছে। তারপরও আগামীতে তাদের করণীয় কী হবে, সে ব্যাপারে কেন্দ্রের কিছু বার্তা দেয়া হয়েছে। প্রতিটি আসনে দলের যোগ্য ও জনপ্রিয় সম্ভাব্য প্রার্থী ছাড়াও প্রতিপক্ষ দলের প্রার্থীদের ব্যাপারে তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। এবার যোগ্য ও জনপ্রিয় প্রার্থীদের হাইকমান্ড মনোনয়ন দেবে। কারণ আগামী নির্বাচন দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই হাইকমান্ডও নানা মাধ্যমে প্রার্থীদের ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশে দলীয় পোলিং এজেন্টদের তালিকা তৈরি ও তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণের চিন্তাভাবনা রয়েছে। প্রতিটি কেন্দ্রে একটি করে কমিটি থাকবে। সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কর্মকর্তার স্বাক্ষরযুক্ত রেজাল্টশিট হাতে না পেয়ে কেউ যাতে কেন্দ্র ত্যাগ না করে, সে ব্যাপারে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হবে। কোন কেন্দ্রে হারলাম বা জিতলাম, সেটা বড় কথা নয়। যথাযথ প্রক্রিয়ায় ফল ঘোষণা হচ্ছে কিনা, সেটা জানা-ই আমাদের মূল লক্ষ্য থাকবে। যাতে ফল নিয়ে কেউ লুকোচুরি খেলতে না পারে।

দলটির কয়েকজন নীতিনির্ধারক যুগান্তরকে বলেন, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিএনপি। বিশেষ করে দলটির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মামলা ও পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে এখন থেকেই হিসাব কষতে শুরু করেছেন তারা। উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় সার্বিক প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। চেয়ারপারসনের মামলা নিয়ে নেতাকর্মীরা যাতে উদ্বিগ্ন না হন, এমন বার্তা তৃণমূলে পাঠানো হচ্ছে। কেন্দ্রের যে কোনো সিদ্ধান্ত যাতে একযোগে পালন করা হয়, সে ব্যাপারে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেয়া হবে।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী অ্যাডভোকেট সানাউল্লাহ মিয়া যুগান্তরকে বলেন, সবকিছু বিবেচনা করে বিচারক রায় দিলে জিয়া অরফানেজ ও ট্রাস্ট মামলায় বেকসুর খালাস পাবেন বিএনপি চেয়ারপারসন। তারপরও অন্য কিছু হলে সে ব্যাপারে তাদের আইনগত প্রস্তুতি রয়েছে। আইনের পাশাপাশি রাজনৈতিক প্রস্তুতি নিয়ে রাখা হচ্ছে।

তিনি বলেন, বিএনপিকে মামলার ফাঁদে ফেলে নির্বাচনী কার্যক্রম থেকে দূরে রাখার নীলনকশার অংশ হিসেবে চেয়ারপারসনের ১৪টি মামলা বিশেষ আদালতে স্থানান্তর করা হয়েছে। যাতে তিনি নির্বাচনী কাজে যুক্ত হতে না পারেন।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter