বাংলাদেশ ব্যাংকের তদন্ত প্রতিবেদন

ঋণের সুদ ৯ শতাংশে আনেনি ৩৮ ব্যাংক

সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নেমেছে সরকারি ৮ ও বেসরকারি ২ ব্যাংকে * প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অমান্যকারী ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে -মন্তব্য বিশ্লেষকদের * ইসলামী ৭ ব্যাংকে বছর শেষে বিনিয়োগের নতুন হার নির্ধারিত হবে * বিদেশি ৯ ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে তাকিয়ে

  দেলোয়ার হুসেন ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

বাংলাদেশ ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক। ফাইল ছবি

ব্যাংক ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনার বিষয়ে কথা রাখেনি বেসরকারি খাতের ৩৮টি ব্যাংক। এ খাতের মাত্র দুটি ব্যাংক ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশে নামিয়েছে।

ছয় মাস মেয়াদি আমানতের সুদের হার ৬ শতাংশের মধ্যে নামিয়ে আনার ব্যাপারেও প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি বেসরকারি খাতের ১৪টি ব্যাংক।

তিন মাস মেয়াদি আমানতের মুনাফার হার ৬ শতাংশে নামানোর কথা রাখেনি বেসরকারি খাতের ২ ব্যাংক।

এ মাসের প্রথমদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালিত বিশেষ তদন্তে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, যেসব ব্যাংক মালিক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে আনেননি, তারা সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অমান্য করেছেন, যা কোনোভাবেই কাম্য হতে পারে না।

তারা মনে করেন, তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংককে অভিযুক্ত ব্যাংকগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। তা না হলে এ ধরনের তদন্ত রিপোর্ট কোনো কাজে আসবে না।

সূত্র জানায়, বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংক পরিদর্শনের চারটি বিভাগ থেকে সরকারি, বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলোতে এ তদন্ত পরিচালিত হয়।

ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর উদ্যোক্তা পরিচালকদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসের (বিএবি) আমানতের সুদের হার ৬ শতাংশ এবং ঋণের সুদের হার ৯ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা দিয়েছিল।

১ জুলাই থেকে এই হার কার্যকর করার কথা ছিল। গত আড়াই মাসের অধিক সময়েও বেশির ভাগ ব্যাংকে এটি বাস্তবায়িত হয়নি।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম বলেন, সুদের হার কমতে শুরু করেছে। এটি আরও কমবে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কঠোরভাবে তদারকি করা হচ্ছে।

বিএবির চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার বলেন, সুদের হার অনেক ব্যাংকেই কমেছে। আরও কমবে। এ জন্য বেসরকারি ব্যাংকগুলোকে ৬ শতাংশ সুদে সরকারি ব্যাংক থেকে আমানত দেয়ার কথা সেটি দেয়া হচ্ছে না। এ কারণে তারা কস্ট অব ফান্ড কমাতে পারছে না।

বেসরকারি খাতের দুটি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী বলেছেন, সুদের হার কমানোর বিষয়ে ব্যাংকের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরে পর্ষদে প্রস্তাব উপস্থাপন করেছে প্রায় সব ব্যাংক। কিন্তু কস্ট অব ফান্ড না কমার কারণে পর্ষদও সুদের হার কমানোর প্রস্তাবে সায় দিচ্ছে না।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, সুদের হার কমাতে হলে খেলাপি ঋণের লাগাম টেনে ধরতে হবে। প্রতি তিন মাস পরপর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হিসাবে দেখা যাচ্ছে খেলাপি ঋণ বেড়ে যাচ্ছে। এই ঊর্ধ্বগতি আগে ঠেকাতে হবে। তা না হলে ব্যাংকের খরচ কমবে না। কেননা খেলাপি ঋণের বিপরীতে ব্যাংককে প্রভিশন রাখতে হয়। এতে তাদের তহবিল আটকে যাচ্ছে। খরচ বেড়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে অন্যান্য খরচও কমাতে হবে। কম সুদে ব্যাংকগুলো এখন আমানত পাচ্ছে না। এদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। সব মিলে ব্যাংকিং খাতে এখন এক ধরনের ‘মিসম্যাচ’ বা সমন্বয়হীনতা চলছে। এগুলোকে ঠিক করতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের ওই তদন্ত প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, সরকারি খাতের ৮টি ব্যাংক ইতিমধ্যে বেশির ভাগ ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে এনেছে। বিদেশি ব্যাংকগুলোকে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি।

ফলে তারা এখন বাংলাদেশ ব্যাংকের দিকে তাকিয়ে আছে। বেসরকারি খাতের ৭টি ইসলামী ব্যাংক এ বছরের শেষদিকে তারা বিনিয়োগের মুনাফার নতুন হার নির্ধারণ করবে। কেননা তারা আগাম এই হার ঘোষণা করতে পারে না। তবে তারা মুনাফার হার কমাবে বলে জানিয়েছেন একাধিক ইসলামী ব্যাংকের নির্বাহীরা।

বিএবির পক্ষ থেকে প্রথমে ছয় মাস মেয়াদি আমানতের মুনাফার হার ৬ শতাংশে নামানোর কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু এতে তারল্য সংকট প্রকট হতে পারে এ কারণে পরে তিন মাস মেয়াদি আমানতের সুদের হার ৬ শতাংশ করার ঘোষণা দেয়। সরকারি ও বিদেশি ব্যাংকগুলো তিন ও ছয় মাস মেয়াদি আমানতের হার ৬ শতাংশের মধ্যেই নামিয়ে এনেছে।

বেসরকারি খাতের ন্যাশনাল ও মিডল্যান্ড ব্যাংকে এখনও তিন মাস মেয়াদি আমানতের সুদের হার ৬ শতাংশের বেশি রেখেছে। এর মধ্যে ন্যাশনাল ব্যাংকে ৬ থেকে ৭ শতাংশ এবং মিডল্যান্ড ব্যাংকে ৭ শতাংশ। বাকি ব্যাংকগুলোতে এই হার ৬ শতাংশ।

ছয় মাস মেয়াদি আমানতের সুদের হার ১৪টি ব্যাংকে ৬ শতাংশের বেশি। এর মধ্যে ব্র্যাক ব্যাংকে সাড়ে ৬, মার্কেন্টাইল ব্যাংকে ৬ দশমিক ৭৫, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকে সাড়ে ৭, আইএফআইসি ব্যাংকে সোয়া ৫ থেকে ১১, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকে সাড়ে ৬, ন্যাশনাল ব্যাংকে ৬ থেকে সাড়ে ৮, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে ৭, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকে ৬ থেকে পৌনে ৮, এনসিসি ব্যাংকে ৭, প্রিমিয়ার ব্যাংকে সাড়ে ৭, পূবালী ব্যাংকে ৫ থেকে সাড়ে ১২, মিডল্যান্ড ব্যাংকে ৮, এবি ব্যাংকে সাড়ে ৭ থেকে পৌনে ১১, মধুমতি ব্যাংকে ৮ থেকে ৯, ট্রাস্ট ব্যাংকে ৭ শতাংশ সুদ রয়েছে।

এক বছর মেয়াদি আমানতে সাড়ে ৩ থেকে সাড়ে ১২ শতাংশ এবং এক বছরের বেশি মেয়াদি আমানতে ৪ থেকে সাড়ে ১৩ শতাংশ সুদ রয়েছে। আমানতে সবচেয়ে কম সুদ দিচ্ছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক এবং সবচেয়ে বেশি সুদ দিচ্ছে পূবালী ও আইএফআইসি ব্যাংক।

বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মধ্যে কেবল আইএফআইসি ও ঢাকা ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে এনেছে। অন্য ব্যাংকগুলো তা করতে পারেনি। এর মধ্যে কিছু ব্যাংক ঋণের সর্বনিম্ন সীমা ৯ শতাংশে রেখেছে। তবে ঊর্ধ্বসীমা ৯ শতাংশের বেশি রেখেছে।

এতে গ্রাহকভেদে সুদের হার তারতম্য ঘটছে। তবে নতুন প্রজন্মের নয়টি ব্যাংক কম সুদে আমানত পাচ্ছে না বলে তারা ঋণের সুদের হারও বেশি কমাতে পারছে না। কেন্দ্রীয় ব্যাংকও এদের প্রতি কিছুটা নমনীয়।

প্রতিবেদন থেকে পাওয়া তথ্যে দেখা যায়, ব্যাংকগুলোর চলমান ঋণের সুদ ব্যাংক এশিয়ার ১১ থেকে ১২, ব্র্যাক ব্যাংকে ৯ থেকে সাড়ে ১২, মার্কেন্টাইলে ৯ থেকে ১২, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড কমার্সে ১৪, ডাচ্-বাংলায় সাড়ে ১০ থেকে সাড়ে ১৩, ইস্টার্র্নে সাড়ে ১০ থেকে ১১, সাউথইস্টে ৯ থেকে ১২, সিটি ব্যাংকে ৯ থেকে ১৬, মিউচুয়াল ট্রাস্টে ৯ থেকে ১২, ন্যাশনালে ১২ থেকে ১৪, যমুনা ব্যাংকে সাড়ে ১২, মেঘনা ব্যাংকে সাড়ে ১৩, বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংকে ৯ থেকে ১৪, স্ট্যান্ডার্ডে ৯ থেকে পৌনে ১৩, এনসিসিতে ৯ থেকে ১৮, প্রিমিয়ারে ১১ থেকে ১৬, ওয়ান ব্যাংকে ৯ থেকে সাড়ে ১৪, পূবালীতে ৯ থেকে সাড়ে ১৩, সীমান্ত ব্যাংককে ১১ থেকে ১২, মিডল্যান্ডে সাড়ে ৯ থেকে সাড়ে ১৬, এবিতে ৯ থেকে সাড়ে ১৩, মধুমতি ব্যাংকে পৌনে ১০ থেকে ১৬, ট্রাস্টে ৯ থেকে সাড়ে ১৪, উত্তরায় ১০ থেকে ১১ এবং প্রাইম ব্যাংকে ৯ থেকে সাড়ে ১৬ শতাংশ সুদ রয়েছে। যা তাদের ঘোষিত সুদের হারের চেয়ে অনেক বেশি।

এদিকে মেয়াদি ঋণের সুদ হার ব্র্যাক ব্যাংকে ১১ থেকে সাড়ে ১২, মার্কেন্টাইলে ৯ থেকে ১২, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড কমার্সে ১৪, ডাচ্-বাংলায় ৯ থেকে ১৩, সাউথইস্টে ৯ থেকে ১২, সিটি ব্যাংককে ৯ থেকে ১৬, মিউচুয়াল ট্রাস্টে ৯ থেকে সাড়ে ১৪, ন্যাশনালে ১২, যমুনায় সাড়ে ১২ থেকে ১৩, মেঘনায় ১৪ থেকে ১৫, বাংলাদেশ কমার্সে ৯ থেকে ১৪, স্ট্যান্ডার্ডে ৯ থেকে ১২, এনসিসিতে সাড়ে ৯ থেকে ১৮, প্রিমিয়ারে ৯ থেকে ১৬, ওয়ান ব্যাংকে ১০ থেকে ১৬, পূবালীতে ৯ থেকে সাড়ে ১৩, সীমান্তে সাড়ে ১১ থেকে ১২, মিডল্যান্ডে ৯ থেকে ১৮, এবিতে সাড়ে ১৩ থেকে ১৬, মধুমতিতে সাড়ে ৯ থেকে সাড়ে ১২, ট্রাস্টে সাড়ে ৯ থেকে ১৩, উত্তরায় ১০ থেকে ১১ এবং প্রাইম ব্যাংকে ৯ থেকে ১৭ শতাংশ।

সরকারি খাতের বেসিক ব্যাংক ৯ আগস্ট থেকে এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক ৬ সেপ্টেম্বর থেকে বেশির ভাগ ঋণের সুদ হার ৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। অন্য সরকারি ব্যাংকগুলো জুলাই থেকেই ঋণের সুদ ৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে।

উল্লেখ্য, ঋণের সুদের হার কমিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর মাধ্যমে অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার জন্য চলতি অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার আগেই সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে উদ্যোগ নেয়া হয়।

এ লক্ষ্যে ১৪ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে গণভবনে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর এক সভায় তিনি ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার জন্য নির্দেশ দেন। ওই সভায় ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতির ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) সাবেক সভাপতি ও স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান কাজী আকরাম উদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। তাকে উদ্দেশ করেই প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

পরে প্রধানমন্ত্রীর দফতর থেকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নেয়ার জন্য অর্থ মন্ত্রণালয়কে চিঠি দেয়া হয়। অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে উদ্যোগ নিতে বলা হয় বাংলাদেশ ব্যাংককে। বাংলাদেশ ব্যাংক নানা ধরনের বিচার-বিশ্লেষণ ও ব্যাংকের এমডিদের সঙ্গে বৈঠক করে এই হার কমানোর উদ্যোগ নেয়।

এর আলোকে ২০ জুন বিএবি’র সভায় সব ঋণের সর্বোচ্চ সুদ হার ৯ শতাংশে এবং আমানতের সুদ হার ৬ শতাংশে নামিয়ে আনার ঘোষণা দেয়। সুদের এই হার তারা ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার কথা জানায়।

কিন্তু ১ জুলাই থেকে এই সিদ্ধান্ত সরকারি চার ব্যাংক ছাড়া কোনো ব্যাংকই কার্যকর করেনি। ফলে ২ আগস্ট অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠেয় এক বৈঠকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর, অর্থসচিব, সব ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এমডিরা উপস্থিত ছিলেন।

ওই বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আজ (২ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন, আমানতের সুদহার ৬ শতাংশ এবং ঋণের সুদহার ৯ শতাংশ ৯ আগস্ট থেকে কার্যকর করতে হবে। কিন্তু এই সিদ্ধান্তও কার্যকর হয়নি।

এদিকে ২১ জুন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের সংগঠন বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলএফসিএ) কয়েক নেতার সঙ্গে অনির্ধারিত একটি বৈঠক করেন।

বৈঠকে তাদের সুদহার কমানোর উদ্যোগ নিতে বলেন। এরপর ৩ জুলাই বাংলাদেশ ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর এমডিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে তারা সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার প্রতিশ্র“তি দেন। তারা প্রাথমিকভাবে শিল্প, রফতানি ও নারী উদ্যোক্তা ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল জিডিটে নামিয়ে আনার কথা বলেন।

এক সপ্তাহের মধ্যে তারা নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পর্ষদ সভা ডেকে নতুন সুদের হার কার্যকর করার অঙ্গীকার করেন। অন্যান্য খাতে সুদহার কমাতে ১ থেকে ২ মাস সময় লাগবে বলে বৈঠকে জানান। কিন্তু ওই বৈঠকের পর দুই মাসের বেশি সময় গেলেও এখনও তারা সুদহার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনেনি।

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter
×