তথ্যপ্রযুক্তি হোক বাংলাদেশের উন্নয়নের হাতিয়ার

  মামুন রশীদ ০২ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ০০:০০ | প্রিন্ট সংস্করণ

তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশ
তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশ

সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ফরচুন ম্যাগাজিনের নির্বাচিত বিশ্বের বৃহত্তম ৫০০ কোম্পানির সিইওদের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ এখন প্রযুক্তি পরিবর্তনের সঙ্গে তালমিলিয়ে চলা। প্রযুক্তি খুব দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং এই পরিবর্তনের সঙ্গে যারা দ্রুত খাপ খাইয়ে নেবে তারাই এগিয়ে যাবে, আর যারা দেরি করবে তারা ছিটকে পড়বে।

প্রযুক্তি ব্যক্তি পর্যায়েও অনেকের জীবনে ক্ষমতায়নের সুযোগ এনে দিয়েছে। একই সঙ্গে আমাদের দৈনন্দিন ও সামাজিক জীবনে নানা সমস্যার সমাধানেও প্রযুক্তির অবদান রয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রপতি বারাক ওবামা ২০১৪ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে (ইউএনজিএ) দেয়া ভাষণে বলেন, প্রযুক্তির প্রচলন ছড়িয়ে পড়ার সুবাদে আজকের দিনে জন্ম নেয়া শিশু তাদের আগের প্রজন্মের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধা ভোগ করছে।

এটি বলা বোধহয় অতিশয়োক্তি হবে না যে, আমাদের বর্তমান সরকার ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ে তুলতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে যে সব পদক্ষেপ নিয়েছে এবং এখন পর্যন্ত যা কিছু অর্জন করেছে তা প্রণিধানযোগ্য। এ ক্ষেত্রে বেশকিছু প্রকৃষ্ট উদাহরণও রয়েছে। শুধু শহরেই নয়, বরং জেলা-উপজেলা সদর ছাড়িয়ে প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলেও তথ্যপ্রযুক্তি সেবা পৌঁছে দিয়েছে সরকার।

বিশেষ করে ‘ইউনিয়ন ইনফরমেশন সেন্টার’ বা ‘ইউনিয়ন তথ্যকেন্দ্র’ দেশব্যাপী গ্রামের মানুষকে অভাবিত সেবা দিয়ে চলেছে। গ্রামীণফোনের সেই ‘ফোন লেডি’ তথা পল্লিফোনের ধারণা থেকে শুরু করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের অধীন এ-টু-আই (অ্যাকসেস টু ইনফরমেশন) এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের (আইসিটি) আওতায় ন্যাশনাল ডাটা সেন্টার তৈরিসহ তথ্যপ্রযুক্তি সংক্রান্ত নানা প্রকল্প ইতিমধ্যে বাস্তবায়িত হয়েছে। আরও কিছু বড় প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে।

উন্নয়ন অংশীদাররাও এ সব প্রকল্পকে দেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে এবং প্রকল্পগুলোতে অর্থায়নের পরিমাণ বাড়িয়ে গবেষণা-সহায়তাও দিয়ে চলেছে।

বর্তমানে দেশে প্রায় ১৩ কোটি মোবাইল ফোন গ্রাহক ও ৬ কোটি ৭২ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একটি বড় অংশ তথা ৬ কোটি ৩১ লাখ গ্রাহকই তাদের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এটি ব্যবহার করে থাকেন। সার্বিকভাবে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে নেয়া উদ্যোগগুলোর ফল ইতিমধ্যে আমরা পেতে শুরু করেছি, যা ভবিষ্যতে নিঃসন্দেহে আরও বাড়বে।

আশা করা হচ্ছে, দেশে ২০২০ সাল শেষে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে মোট মোবাইল ব্যবহারকারীর ৪৯ শতাংশে উন্নীত হবে। এই হার ২০১৬ সালের শেষে ছিল প্রায় ২২ শতাংশ। মোবাইল ফোনভিত্তিক আর্থিক পরিসেবা যেমন বিদেশ থেকে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয় আনয়ন ও স্থানীয়ভাবে অর্থ স্থানান্তরের ক্ষেত্রে রীতিমতো এক বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে বলা যায়।

দেশকে ডিজিটালকরণের লক্ষ্যে নেয়া পদক্ষেপগুলো মানুষের ঘরে ঘরে প্রযুক্তির সুফল পৌঁছে দেবে বলে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। কারণ ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে খোদ প্রধানমন্ত্রীর যেমন কার্যকর প্রতিশ্রুতি রয়েছে তেমনি তার এতদসংক্রান্ত উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদও অব্যাহতভাবে এই খাতের প্রকল্প-কর্মসূচিগুলোকে নিবিড় নজরে রেখেছেন।

সে জন্য সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয় হয়ে উঠেছে সরকারের অন্যতম সক্রিয় মন্ত্রণালয়।

আজকাল তো ইন্টারনেটের মাধ্যমেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ভর্তির রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন যেমন করা যায় তেমনি পরীক্ষার ফলাফলও প্রকাশ হয়। একইভাবে বিদেশে চাকরির রেজিস্ট্রেশন বা নিবন্ধন, হজযাত্রার নিবন্ধন, বিভিন্ন ধরনের অফিসিয়াল বা সরকারি ফরম সংগ্রহ, ট্যাক্স বা আয়কর রিটার্ন দাখিল, টেন্ডার বা দরপত্রে অংশগ্রহণ ইত্যাদি কাজ-কর্ম অনলাইনেই সম্পন্ন করা যায়। এগুলো হচ্ছে বাংলাদেশে ডিজিটাল রেনেসাঁ বা নবজাগরণের অল্প কয়েকটি নমুনা।

এরকম আরও অনেক কার্যক্রম এখন ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় অর্থাৎ অনলাইনে সম্পন্ন করা হয়। সেই রকম উল্লেখযোগ্য দুটি বড় মাপের সেবা কার্যক্রম হল, মোবাইল ব্যাংকিং বা মোবাইল ফোনের মাধ্যমে লেনদেন এবং অনলাইন ব্যাংকিং।

এ ছাড়াও দেশে টেলি-মেডিসিন সেবার দ্রুত বিকাশ ঘটছে। ইব্রাহিম কার্ডিয়াক ও ডায়াবেটিক হাসপাতালে একজন চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের রুমে গিয়ে ফেনী-নোয়াখালী এবং চট্টগ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলের রোগীদের স্কাইপে আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসাপত্র দেয়া দেখে আমি চমকে গেছি।

ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে যেমন রোগের চিকিৎসা চলছে তেমনি গ্রামাঞ্চল বা মফস্বলের প্রশাসনিক কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। এমনকি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বা অন্য মন্ত্রীরাও ঢাকায় বসে অনেক সময় প্রকল্প উদ্বোধন করেন, জনসভায়ও তাদের বক্তব্য সরাসরি দেখানো হয়।

ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলার অভিযাত্রায় সারা দেশে ৫,০০০ ইউনিয়ন ইনফরমেশন সার্ভিস সেন্টার বা ইউনিয়ন তথ্যসেবা কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এর ওপরের দিকে আছে ডিস্ট্রিক্ট ইনফরমেশন সেল বা জেলা তথ্য সেল ও ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেল বা জাতীয় তথ্য সেল। এ সব তথ্যকেন্দ্র ও সেল স্থাপনের সুফল ভোগ করছে জাতি। পোস্ট অফিস বা ডাকঘরও এখন তথ্যপ্রযুক্তি সেবার আওতায় চলে এসেছে। সরকার দেশব্যাপী ৯,০০০ গ্রামীণ ডাকঘর এবং প্রায় ৫০০ উপজেলা ডাকঘরকে ই-সেন্টারে পরিণত করেছে। ডাকঘরের মাধ্যমে মোবাইল মনি অর্ডার ও পোস্টাল ক্যাশ কার্ডসেবা চালু করাও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এ সব পরিসেবার মতো আগামী দিনগুলোয় আরও অনেক নিত্যনতুন সেবা চালু হবে বলে আমরা আশা করি।

জেলা সদরের জেলা প্রশাসকের (ডিসি) কার্যালয় ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে গ্রামের লোকজনকে এখন নানা ধরনের ই-সেবা দেয়া হয়। সবমিলিয়ে সরকার নানা ধরনের তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর পরিসেবা চালু করার ফলে এখন মধ্যস্বত্বভোগীর দৌরাত্ম্য কমেছে। বদৌলতে মানুষের সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হয়েছে।

শুধু তথ্যপ্রযুক্তি পণ্য ও সেবা চালুর মধ্যেই সীমিত থাকেনি এ সংক্রান্ত সরকারি-বেসরকারি কার্যক্রম। প্রতিনিয়তই নিত্যনতুন ও অধিকতর উন্নত প্রযুক্তি আসছে।

ফলে পুরনো পণ্যসেবাগুলোর জায়গায় হালনাগাদ পণ্যসেবা দ্রুত চালু হচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় স্মার্টফোনের সক্ষমতা, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট, ক্লাউড কমপিউটিং, কোয়ানটাম কমপিউটিং, রিয়েল-টাইম স্পিচ রিকগনিশন, ন্যানো কম্পিউটার, উইয়ারেবল ডিভাইস ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন, সাইবার সিকিউরিটি, স্মার্ট সিটিজ, ইন্টারনেট- এ সব পণ্যসেবার বিকাশ ঘটছে।

ক্লাউড কম্পিউটিং এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের বিকাশ এই দশকে বিশ্বের তথ্যপ্রযুক্তির দিশা পুরোদমে পাল্টে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা এখন থ্রিডি প্রিন্টিং ও বায়োমেট্রিকস চালুর বিষয়েও জোরালোভাবে কথা বলছেন। অনলাইন কার্যক্রমে এখন যেভাবে নতুন নতুন ডিভাইস, কৌশল ও প্রবণতা ব্যাপক হারে চালু ও বিকশিত হচ্ছে তাতে অদূর ভবিষ্যতে আমাদের লাইফস্টাইল বা জীবনধারাকে আমূল পাল্টে দেবে বলেই মনে হচ্ছে।

দেশকে ডিজিটাল করে তুলতে হলে প্রশাসন, ব্যবসায়-বাণিজ্য ও শিক্ষাসহ সব খাতেই আরও অধিক হারে স্মার্ট মেশিন ও প্রক্রিয়াগত সুযোগ-সুবিধা অর্থাৎ প্রযুক্তির প্রচলন ও ব্যবহার বাড়ানো প্রয়োজন। এর ফলে আমাদের লাইফস্টাইল বা জীবনধারার পাশাপাশি নীতিনির্ধারকদের কাজ-কর্মেও তথ্যপ্রযুক্তির ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

বর্তমান যুগে প্রযুক্তি ব্যবহারে মনোযোগ দেয়া ও এটির সঙ্গে তালমিলিয়ে চলার কোনো বিকল্প বা দ্বিধা-দ্বন্দ্বের অবকাশ নেই। আমাদের সবাইকেই যে যার প্রয়োজনীয় প্রযুক্তির ব্যবহার জানতে হবে।

এদিক থেকে অবশ্য আমাদের তরুণ প্রজন্ম অনেক এগিয়ে গেছে। তারা ক্লাউড কম্পিউটিং, থ্রিডি প্রিন্টিং, বিগ ডাটা, ভিডিও গেমস, অ্যানিমেশন, আউটসোর্সিংয়ের মতো নিত্যনতুন প্রযুক্তিসেবা ও ধারণার সঙ্গে বেশ পরিচিত এবং এ সব ব্যবহারে বেশ দক্ষও বটে।

একটি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক বিষয় হল, আমাদের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) মন্ত্রণালয় ইতিমধ্যে বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীর সহায়তায় দেশব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে আইসিটি বিষয়ে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য সর্বাত্বক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

এ ধরনের প্রশিক্ষণের উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হল- লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং (শেখা ও আয় করা), মোবাইল অ্যাপস নিয়ে প্রশিক্ষণ, আইসিটি খাতকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিমুখী করে তোলা, কর্মসংস্থান ও সুশাসন প্রকল্প, আইটিইএস ফাউন্ডেশন স্কিলস ট্রেনিং ও এক হাজার মিডল ম্যানেজার ট্রেনিং ইত্যাদি। বিশ্বখ্যাত কিছু বিশ্ববিদ্যালয় ও বিজনেস স্কুলের সহায়তায় এ সব কর্মসূচি বাস্তবায়ন হচ্ছে।

দেশে স্কুল পর্যায়েও আইসিটি শিক্ষার উপর জোর দেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে আমরা টেলিভিশনের খবরে আইসিটি প্রতিমন্ত্রীকে দেশের আইসিটি নীতিমালা আধুনিকায়নের কথা বলতে দেখেছি।

ন্যাশনাল আইসিটি ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর বাংলাদেশ, দ্য ন্যাশনাল ডাটা, ভূমি রেকর্ড ডিজিটালকরণ ও আইটি পার্কের মতো বৃহৎ আকারের প্রকল্পগুলো খুব দ্রুত ই-গভর্নেন্স ও ই-সেবাসহ অর্থনৈতিক খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অভূতপূর্ব অবদান রাখবে বলে আমরা আশা করছি।

নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও বাংলাদেশ এরই মধ্যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিতকরণ ও প্রবৃদ্ধি অর্জনে এক সুখকর অগ্রগতি নিশ্চিত করেছে। এই অবস্থায় একজন আশাবাদী নাগরিক হিসেবে আমিও মনে করি, সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী ২০২৪ সাল নাগাদ আমাদের প্রিয় বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদায় উন্নীত করার আকাক্সক্ষা বাস্তবে পরিণত হবে।

তবে দেশের দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনটা নির্ভর করছে বর্ধিত বিনিয়োগ, মানবপুঁজির উন্নয়ন ও উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির ওপর। প্রযুক্তির প্রচলন ও ব্যবহার বৃদ্ধির সুবাদে উৎপাদনশীলতা বাড়বে বলে আশা করা যায়। এ ক্ষেত্রে খেয়াল করতে হবে যে, প্রতিটি নতুন প্রযুক্তির জন্যই নতুন প্রশিক্ষণ ও দক্ষতার প্রয়োজনীয়তা অনস্বীকার্য।

প্রাথমিক থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত আইসিটি শিক্ষা চালু করলেই হবে না, এর গুণগত মানও নিশ্চিত করতে হবে। সেই সঙ্গে সাধারণ জনগণকেও আইসিটিমুখী করে তোলার বিষয়টিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। আবার গ্রাম ও শহর এবং বাংলাদেশ ও অন্যান্য বিকাশমান দেশগুলোর মধ্যে যেন প্রযুক্তি বিষয়ে বিভক্তি বা পার্থক্য না থাকে এবং থাকলেও তা দূর করার দিকে নজর রাখতে হবে।

অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে নিয়মিত তদারকি থাকতে হবে এবং এ সব প্রকল্প বরাদ্দ এবং প্রকল্প বাস্তবায়ন যেন বিতর্কের ঊর্ধ্বে থাকে সেটিও নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ ট্রেন’কে দুর্বার গতিতে সামনের দিকে চালিয়ে নিতে দেশে নতুন প্রজন্মের অসংখ্য উদ্যমী তরুণ ইতিমধ্যে তৈরি হয়ে গেছে এবং আরও অনেকেই তৈরি হচ্ছে। তাদের সফলতাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ গড়ে দেবে।

লেখক : অর্থনীতিবিদ

ঘটনাপ্রবাহ : যুগান্তর বর্ষপূর্তি-১৮

  • সর্বশেষ
  • সর্বাধিক পঠিত
সব খবর

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক : সাইফুল আলম, প্রকাশক : সালমা ইসলাম

প্রকাশক কর্তৃক ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড), বারিধারা, ঢাকা-১২২৯ থেকে প্রকাশিত এবং যমুনা প্রিন্টিং এন্ড পাবলিশিং লিঃ থেকে মুদ্রিত।

পিএবিএক্স : ৯৮২৪০৫৪-৬১, রিপোর্টিং : ৯৮২৪০৭৩, বিজ্ঞাপন : ৯৮২৪০৬২, ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৩, সার্কুলেশন : ৯৮২৪০৭২। ফ্যাক্স : ৯৮২৪০৬৬ 

E-mail: [email protected]

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০০০-২০১৮

converter